ই-পাসপোর্ট (e-Passport) করার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া: বাংলাদেশ থেকে আবেদন
বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অনলাইন-ভিত্তিক। আপনাকে প্রথমে অনলাইনে ফর্ম পূরণ করতে হবে, এরপর ফি পরিশোধ করে একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে বায়োমেট্রিক তথ্য (আঙ্গুলের ছাপ, ছবি, স্বাক্ষর) জমা দিতে হবে।
১. প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস:
ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদনের ক্ষেত্রে আপনার জাতীয়তা প্রমাণের জন্য প্রধানত দুটি ডকুমেন্ট প্রয়োজন:
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID): আপনার যদি জাতীয় পরিচয়পত্র থাকে, তবে এটাই সবচেয়ে ভালো।
অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ (BRC): আপনার NID না থাকলে, আপনাকে অবশ্যই ১৭ ডিজিটের অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ (যা অনলাইনে যাচাইযোগ্য এবং ইংরেজি সংস্করণ) থাকতে হবে। এটি everify.bdris.gov.bd ওয়েবসাইটে যাচাইযোগ্য হতে হবে।
উপরিউক্ত মূল ডকুমেন্ট ছাড়াও, আপনার আবেদনের ধরন অনুযায়ী আরও কিছু ডকুমেন্ট লাগতে পারে:
পূর্বের পাসপোর্ট (যদি থাকে): আপনার পুরনো Machine Readable Passport (MRP) থাকলে, মূল পাসপোর্ট ও তার ডাটা পেজের ফটোকপি।
শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ: শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী পেশা লিখতে চাইলে সনদপত্র।
পেশার প্রমাণপত্র: পেশাজীবীদের জন্য পেশার প্রমাণপত্র (যেমন, সরকারি কর্মকর্তা হলে NOC/GO, বেসরকারি হলে অফিস আইডি বা প্রত্যয়নপত্র)।
ঠিকানার প্রমাণ: আপনার বর্তমান ঠিকানার প্রমাণপত্র (যেমন, বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিল, পানির বিল, অথবা চেয়ারম্যান/কাউন্সিলরের প্রত্যয়নপত্র)।
বিবাহ সনদ/তালাকনামা: বৈবাহিক অবস্থার পরিবর্তন হলে (বিবাহিত হলে), বিবাহ সনদ বা কাবিননামা। তালাকপ্রাপ্ত হলে তালাকনামা।
অভিভাবকের NID/পাসপোর্ট: নাবালকদের (১৮ বছরের নিচে) ক্ষেত্রে বাবা-মা বা আইনগত অভিভাবকের NID/পাসপোর্টের কপি।
অন্যান্য (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে):
পাসপোর্টে নাম, ঠিকানা বা অন্য কোনো তথ্য সংশোধনের প্রয়োজন হলে তার স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় দলিলপত্র (যেমন: শিক্ষাগত সনদ, বিবাহ সনদ, জন্ম নিবন্ধন, এনআইডি)।
হারিয়ে যাওয়া পাসপোর্টের ক্ষেত্রে জিডি (General Diary)/পুলিশ রিপোর্ট।
২. কোথায় এবং কিভাবে আবেদন করবেন (ফর্ম ফিলাপ):
ই-পাসপোর্টের আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অনলাইন-ভিত্তিক। আপনাকে ধাপে ধাপে কাজগুলো করতে হবে:
ধাপ ১: অনলাইন পোর্টালে প্রবেশ ও রেজিস্ট্রেশন:
প্রথমেই বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট অনলাইন রেজিস্ট্রেশন পোর্টালে যান: https://www.epassport.gov.bd/
"Apply Online" বা "নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন" বাটনে ক্লিক করুন।
একটি নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন (যদি না থাকে)। আপনার ইমেইল অ্যাড্রেস লিখুন এবং একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড দিন (পাসওয়ার্ডে বড় হাতের অক্ষর, ছোট হাতের অক্ষর, সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্ন থাকতে হবে)।
আপনার ইমেইলে একটি ভেরিফিকেশন কোড পাঠানো হবে। সেই কোডটি নির্দিষ্ট বক্সে টাইপ করে "Activate" বাটনে ক্লিক করুন। আপনার অ্যাকাউন্ট সক্রিয় হয়ে যাবে।
এরপর আপনার ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন (Login) করুন।
ধাপ ২: আবেদন ফর্ম পূরণ শুরু:
লগইন করার পর, "Apply for a new e-Passport/Reissue of e-Passport" নির্বাচন করুন।
যদি আপনার পুরনো MRP (Machine Readable Passport) থাকে এবং আপনি সেটি রিনিউ বা রিইস্যু করতে চান, তাহলে "Reissue of e-Passport" অপশনটি বেছে নিন।
Country: বাংলাদেশ নির্বাচন করুন।
Present Address (বর্তমান ঠিকানা): আপনি বর্তমানে যে জেলা ও থানায়/উপজেলায় বসবাস করছেন, সেটি নির্বাচন করুন। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আপনার পাসপোর্ট অফিস এই ঠিকানার ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে।
Passport Type: "Ordinary" (সাধারণ) পাসপোর্ট নির্বাচন করুন।
Continue বাটনে ক্লিক করুন।
ধাপ ৩: ব্যক্তিগত বিবরণ পূরণ:
Personal Information:
Name: আপনার সম্পূর্ণ নাম (জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন সনদ অনুযায়ী) লিখুন।
Surname (পদবি): আপনার নামের শেষ অংশ বা পদবি (যদি থাকে) লিখুন।
Given Name (প্রদত্ত নাম): আপনার নামের প্রথম অংশ লিখুন (যেমন: মোহাম্মদ, আহমেদ, সুলতানা ইত্যাদি)।
Gender (লিঙ্গ): আপনার লিঙ্গ নির্বাচন করুন।
Date of Birth (জন্ম তারিখ): জন্ম নিবন্ধন সনদ বা NID অনুযায়ী জন্ম তারিখ নির্বাচন করুন।
Occupation (পেশা): আপনার বর্তমান পেশা নির্বাচন করুন। (কিছু পেশার জন্য অতিরিক্ত ডকুমেন্ট লাগতে পারে, যেমন: সরকারি চাকরিজীবী হলে NOC/GO)।
Marital Status (বৈবাহিক অবস্থা): আপনার বৈবাহিক অবস্থা নির্বাচন করুন।
Country of Birth (জন্মস্থান): বাংলাদেশ নির্বাচন করুন।
Birth District (জন্ম জেলা): আপনার জন্ম জেলা নির্বাচন করুন।
National ID No. (জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর): আপনার NID নম্বরটি নির্ভুলভাবে টাইপ করুন।
Birth Registration No. (জন্ম নিবন্ধন নম্বর): যদি NID না থাকে, তাহলে ১৭ ডিজিটের অনলাইন জন্ম নিবন্ধন নম্বর টাইপ করুন।
Other ID (অন্যান্য আইডি): প্রযোজ্য হলে অন্য কোনো আইডি নম্বর (যেমন ড্রাইভিং লাইসেন্স) দিতে পারেন, তবে এটি বাধ্যতামূলক নয়।
Citizen Type (নাগরিকত্বের ধরন): "By Birth" (জন্মসূত্রে) নির্বাচন করুন।
Contact Information (যোগাযোগের তথ্য): আপনার ফোন নম্বর (নিজস্ব) এবং ইমেইল অ্যাড্রেস লিখুন।
Continue বাটনে ক্লিক করুন।
ধাপ ৪: পূর্ববর্তী পাসপোর্ট তথ্য (যদি থাকে):
Are you applying for a new passport or reissue of an old passport?
"Reissue of an old passport" নির্বাচন করুন।
"Previous Passport Number": আপনার পুরনো পাসপোর্টের নম্বরটি দিন।
"Date of Issue": পুরনো পাসপোর্ট ইস্যুর তারিখ।
"Date of Expiry": পুরনো পাসপোর্ট মেয়াদ শেষের তারিখ।
"Place of Issue": পুরনো পাসপোর্ট ইস্যু হওয়ার স্থান (সাধারণত ঢাকা/আঞ্চলিক অফিস)।
"Passport Holder Status": "Intact" বা "Damaged" অথবা "Lost" নির্বাচন করুন। যদি হারানো হয়, তবে জিডি নম্বর দিতে হবে।
"Any changes needed in current passport details?": পুরনো পাসপোর্টের কোনো তথ্য (যেমন নাম, ঠিকানা, পেশা) পরিবর্তন করতে চাইলে "Yes" দিন এবং প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের প্রমাণস্বরূপ ডকুমেন্ট পরবর্তীতে জমা দিতে হবে।
Continue বাটনে ক্লিক করুন।
ধাপ ৫: ঠিকানা ও যোগাযোগের তথ্য:
Current Address (বর্তমান ঠিকানা):
Division, District, Upazila/Thana: আপনার বর্তমান ঠিকানার বিভাগ, জেলা ও উপজেলা/থানা নির্বাচন করুন।
Post Office: আপনার এলাকার পোস্ট অফিস নির্বাচন করুন।
Post Code: পোস্ট কোড স্বয়ংক্রিয়ভাবে আসবে বা টাইপ করুন।
Village/Street Name: আপনার গ্রাম/রাস্তার নাম লিখুন।
House/Road No.: বাসা/বাড়ির নম্বর বা রোড নম্বর লিখুন।
Emergency Contact (জরুরী যোগাযোগ): আপনার বাবা/মা/ভাই/বোন/স্বামী/স্ত্রী-এর নাম, সম্পর্ক, ফোন নম্বর এবং ঠিকানা দিন।
Permanent Address (স্থায়ী ঠিকানা)::
Is Permanent Address same as Present Address? যদি স্থায়ী ঠিকানা এবং বর্তমান ঠিকানা একই হয়, তবে "Yes" নির্বাচন করুন। ভিন্ন হলে "No" নির্বাচন করে স্থায়ী ঠিকানা পূরণ করুন।
Continue বাটনে ক্লিক করুন।
ধাপ ৬: পিতা ও মাতার তথ্য:
Father's Information (পিতার তথ্য): পিতার নাম (সম্পূর্ণ), NID নম্বর, পেশা, জাতীয়তা ইত্যাদি পূরণ করুন।
Mother's Information (মাতার তথ্য): মাতার নাম (সম্পূর্ণ), NID নম্বর, পেশা, জাতীয়তা ইত্যাদি পূরণ করুন।
Spouse's Information (স্বামী/স্ত্রীর তথ্য - যদি বিবাহিত হন): স্বামী/স্ত্রীর নাম, NID নম্বর, পেশা, জাতীয়তা ইত্যাদি পূরণ করুন।
Continue বাটনে ক্লিক করুন।
ধাপ ৭: ডেলিভারি ও ফি নির্বাচন:
Passport Validity (পাসপোর্টের মেয়াদ):
৫ বছর মেয়াদী (সাধারণ নাগরিকদের জন্য)
১০ বছর মেয়াদী (১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য) - মেয়াদ বাড়লে ফিও বাড়ে।
আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী একটি মেয়াদ নির্বাচন করুন।
Number of Pages (পাতার সংখ্যা):
৪৮ পাতা
৬৪ পাতা - পাতার সংখ্যা বাড়লে ফিও বাড়ে।
আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী পাতার সংখ্যা নির্বাচন করুন।
Delivery Type (ডেলিভারির ধরন):
Regular Delivery (সাধারণ): এটিতে সাধারণত ২১ কার্যদিবস লাগে।
Express Delivery (জরুরী): এতে সাধারণত ৭ কার্যদিবস লাগে এবং ফি বেশি।
Super Express Delivery (অতি জরুরী): এতে সাধারণত ২ কার্যদিবস লাগে (শুধুমাত্র ঢাকা আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস থেকে পাওয়া যায়) এবং ফি সবচেয়ে বেশি।
আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী ডেলিভারির ধরন নির্বাচন করুন।
এরপর আপনার নির্বাচিত প্রকারভেদ অনুযায়ী মোট ফি (Total Fee) স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রদর্শিত হবে।
Continue বাটনে ক্লিক করুন।
ধাপ ৮: অ্যাপয়েন্টমেন্ট ও পেমেন্ট:
Appointment (অ্যাপয়েন্টমেন্ট):
এই ধাপে আপনাকে আপনার নির্বাচিত আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদানের জন্য তারিখ ও সময় নির্বাচন করতে হবে। ক্যালেন্ডারে উপলব্ধ দিনগুলো থেকে আপনার সুবিধামতো একটি তারিখ ও সময় নির্বাচন করুন।
Payment Information (ফি পরিশোধের তথ্য):
Payment Method: "Online Payment" বা "Offline Payment" নির্বাচন করুন।
Online Payment: "Pay now with an online payment gateway" নির্বাচন করে আপনার পছন্দসই পেমেন্ট গেটওয়ে (যেমন বিকাশ, নগদ, রকেট, ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড) ব্যবহার করে ফি পরিশোধ করুন। পেমেন্ট সফল হলে একটি ই-চালান (e-Chalan) স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি হবে, যা প্রিন্ট করে নিন।
Offline Payment: "Pay at a designated bank or mobile banking provider" নির্বাচন করুন। এতে একটি পে-স্লিপ (Pay Slip) তৈরি হবে, যা প্রিন্ট করে নির্দিষ্ট ব্যাংকের শাখায় (যেমন সোনালী ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক) গিয়ে নগদ টাকা জমা দিন। ব্যাংক আপনাকে একটি পেমেন্ট রসিদ দেবে, সেটি সংরক্ষণ করুন।
Submit বাটনে ক্লিক করে আবেদন সম্পন্ন করুন।
৩. বায়োমেট্রিক ও ডকুমেন্ট জমা:
নির্ধারিত দিনে উপস্থিত হওয়া: আপনার নেওয়া অ্যাপয়েন্টমেন্টের তারিখ ও সময় অনুযায়ী সকল মূল ডকুমেন্টস এবং তাদের ফটোকপি (যা যা অনলাইনে সংযুক্ত করেছেন) এবং অনলাইন আবেদন ফর্মের প্রিন্ট কপি ও পেমেন্ট স্লিপ নিয়ে আপনার নির্বাচিত আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে সশরীরে উপস্থিত হন।
ছবি, ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও স্বাক্ষর: পাসপোর্ট অফিসে আপনার ছবি তোলা হবে, আঙ্গুলের ছাপ (বায়োমেট্রিক) নেওয়া হবে এবং ডিজিটাল স্বাক্ষর গ্রহণ করা হবে।
ডকুমেন্ট যাচাই: কর্মকর্তারা আপনার সকল কাগজপত্র যাচাই করবেন। কোনো অসঙ্গতি থাকলে, আপনাকে তা সংশোধনের জন্য বলা হতে পারে।
ডেলিভারি স্লিপ: সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে আপনাকে একটি ডেলিভারি স্লিপ দেওয়া হবে। এই স্লিপটি যত্ন সহকারে সংরক্ষণ করুন, কারণ এটি আপনার নতুন পাসপোর্ট সংগ্রহের জন্য জরুরি।
৪. পাসপোর্টের প্রকারভেদ ও ফি:
বাংলাদেশে প্রধানত তিন ধরনের পাসপোর্ট রয়েছে, তবে সাধারণ নাগরিকদের জন্য কেবল সাধারণ পাসপোর্ট (Ordinary Passport) ইস্যু করা হয়। এর দুটি ভিন্ন ডেলিভারি এবং পাতার সংখ্যাভেদে ফি ও মেয়াদ রয়েছে:
পাসপোর্টের প্রকারভেদ:
সাধারণ পাসপোর্ট (Ordinary Passport / সবুজ কভার): এটি সাধারণ নাগরিকদের জন্য ইস্যু করা হয় এবং আপনার বিদেশ ভ্রমণের জন্য এটাই প্রয়োজন হবে।
অফিসিয়াল পাসপোর্ট (Official Passport / নীল কভার): এটি শুধুমাত্র সরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং সরকারি কাজে বিদেশ ভ্রমণকারীদের জন্য ইস্যু করা হয়।
ডিপ্লোম্যাটিক পাসপোর্ট (Diplomatic Passport / লাল কভার): এটি শুধুমাত্র কূটনীতিক এবং বিশেষ উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য ইস্যু করা হয়।
সাধারণ ই-পাসপোর্টের ডেলিভারির ধরন ও ফি (বাংলাদেশে আবেদনকারীদের জন্য, টাকা):
পাসপোর্টের পাতা সংখ্যা এবং মেয়াদের উপর ভিত্তি করে ফি পরিবর্তিত হয়:
পাতার সংখ্যা ও মেয়াদ | ডেলিভারির ধরন | ফি (টাকায়) | প্রক্রিয়াকরণের সময় (আনুমানিক) |
৪৮ পাতা, ৫ বছর | রেগুলার ডেলিভারি | ৪,০২৫ টাকা | ২১ কার্যদিবস |
এক্সপ্রেস ডেলিভারি | ৬,৩২৫ টাকা | ৭ কার্যদিবস | |
সুপার এক্সপ্রেস | ৮,৬২৫ টাকা | ২ কার্যদিবস (শুধুমাত্র ঢাকা আগারগাঁও থেকে) | |
৪৮ পাতা, ১০ বছর | রেগুলার ডেলিভারি | ৫,৭৫০ টাকা | ২১ কার্যদিবস |
এক্সপ্রেস ডেলিভারি | ৮,০৫০ টাকা | ৭ কার্যদিবস | |
সুপার এক্সপ্রেস | ১০,৩৫০ টাকা | ২ কার্যদিবস (শুধুমাত্র ঢাকা আগারগাঁও থেকে) | |
৬৪ পাতা, ৫ বছর | রেগুলার ডেলিভারি | ৬,৩২৫ টাকা | ২১ কার্যদিবস |
এক্সপ্রেস ডেলিভারি | ৮,৬২৫ টাকা | ৭ কার্যদিবস | |
সুপার এক্সপ্রেস | ১২,০৭৫ টাকা | ২ কার্যদিবস (শুধুমাত্র ঢাকা আগারগাঁও থেকে) | |
৬৪ পাতা, ১০ বছর | রেগুলার ডেলিভারি | ৮,০৫০ টাকা | ২১ কার্যদিবস |
এক্সপ্রেস ডেলিভারি | ১০,৩৫০ টাকা | ৭ কার্যদিবস | |
সুপার এক্সপ্রেস | ১৩,৮০০ টাকা | ২ কার্যদিবস (শুধুমাত্র ঢাকা আগারগাঁও থেকে) |
বিশেষ দ্রষ্টব্য:
সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারি: এই সেবাটি শুধুমাত্র ঢাকা আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস থেকে পাওয়া যায়।
সময়সীমা: উল্লিখিত সময়সীমাগুলো আনুমানিক। কোনো তথ্য ভুল থাকলে বা অতিরিক্ত যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজন হলে সময় বেশি লাগতে পারে।
ফি পরিবর্তন: সরকার যেকোনো সময় পাসপোর্টের ফি পরিবর্তন করতে পারে। তাই, আবেদন করার আগে epassport.gov.bd ওয়েবসাইটে দেওয়া সর্বশেষ ফি তালিকা দেখে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
৫. পাসপোর্ট সংগ্রহ:
পাসপোর্ট তৈরি হয়ে গেলে, আপনার মোবাইলে এসএমএস বা ইমেইলের মাধ্যমে জানানো হবে। আপনার দেওয়া ডেলিভারি স্লিপ দেখিয়ে এবং পরিচয়পত্র যাচাই করে নির্দিষ্ট পাসপোর্ট অফিস থেকে আপনি আপনার নতুন ই-পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে পারবেন।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ:
নির্ভুল তথ্য: অনলাইন ফর্ম পূরণের সময় প্রতিটি তথ্য নির্ভুলভাবে পূরণ করুন। ছোটখাটো ভুলও বড় সমস্যা তৈরি করতে পারে। আপনার NID বা জন্ম নিবন্ধন সনদের সাথে হুবহু মিল রেখে তথ্য পূরণ করুন।
ওয়েবসাইট চেক: আবেদনের আগে এবং আবেদনের সময় ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের epassport.gov.bd ওয়েবসাইটটি বারবার যাচাই করে নিন, কারণ নিয়ম বা ফি পরিবর্তন হতে পারে।
মূল ডকুমেন্ট: বায়োমেট্রিক প্রদানের দিন অবশ্যই সকল মূল ডকুমেন্ট সাথে নিয়ে যাবেন।
সঠিক পেশা নির্বাচন: পেশা নির্বাচনের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুন, কারণ কিছু পেশার জন্য অতিরিক্ত ডকুমেন্টেশন প্রয়োজন হতে পারে।
আপনার বিদেশ যাওয়ার ইচ্ছা পূরণ হোক, শুভকামনা!
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন