মঙ্গলবার, ১ জুলাই, ২০২৫

মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের পর্যটন/ভ্রমণ ভিসা: বাংলাদেশের পর্যটকদের জন্য বিস্তারিত নির্দেশিকা

 


মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ: প্রশান্ত মহাসাগরের প্রাকৃতিক স্বর্গ

মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, প্রশান্ত মহাসাগরের এক দূর্গম প্রবাল দ্বীপপুঞ্জ, যা তার আদিম সৈকত,স্ফটিক স্বচ্ছ জল এবং সামুদ্রিক জীবনের জন্য পরিচিত। এখানকার ডাইভিং, মাছ ধরা এবংশান্তিপূর্ণ পরিবেশ আপনাকে মুগ্ধ করবে। সূর্যের আলোয় ঝলমলে সৈকত এবং নীল জল মার্শালদ্বীপপুঞ্জকে এক দারুণ শান্ত ছুটির গন্তব্য করে তুলেছে। এটি সত্যিই এক অনাবিষ্কৃত স্বর্গ।

মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের পর্যটন/ভ্রমণ ভিসা: বাংলাদেশের পর্যটকদের জন্য বিস্তারিত নির্দেশিকা

মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, প্রশান্ত মহাসাগরের মাঝখানে অবস্থিত একটি মাইক্রোনেশিয়ান দেশ, যা তার প্রবাল অ্যাটল, স্বচ্ছ ফিরোজা জল, এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলির জন্য পরিচিত। এটি স্কুবা ডাইভিং, স্নরকেলিং এবং মাছ ধরার জন্য একটি স্বপ্নীল গন্তব্য। বিকিনি অ্যাটল (Bikini Atoll) এর ডুবন্ত জাহাজ এবং রিমারশাল দ্বীপপুঞ্জের অনন্য সামুদ্রিক জীবন পর্যটকদের আকর্ষণ করে। এটি এমন একটি গন্তব্য যারা শান্ত, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং পানির নিচের বিশ্ব অন্বেষণ করতে পছন্দ করেন

গুরুত্বপূর্ণ দ্রষ্টব্য: বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ ভ্রমণের জন্য আগে থেকে ভিসা (Pre-arranged Visa) প্রয়োজন। বাংলাদেশের জন্য মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের কোনো ভিসা-অন-অ্যারাইভাল বা -ভিসা সুবিধা নেই


. ভিসার ক্যাটাগরি (বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য)

মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের ভিসা মূলত উদ্দেশ্য অনুসারে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিভক্ত। পর্যটন/ভ্রমণ সম্পর্কিত প্রধান ক্যাটাগরি হলো:

·         পর্যটন ভিসা (Tourist Visa / Visitor Visa):

o        উদ্দেশ্য: দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন, ব্যক্তিগত ছুটি কাটানো, বন্ধুবান্ধব বা আত্মীয়-স্বজনের সাথে দেখা করা, বিনোদনমূলক কার্যক্রমে অংশ নেওয়া ইত্যাদি

o       মেয়াদ: সাধারণত ৩০ দিন পর্যন্ত থাকার অনুমতি দেওয়া হয়। এটি সিঙ্গেল এন্ট্রি (Single Entry) ভিসা হতে পারে। দীর্ঘ মেয়াদের জন্য বা একাধিক এন্ট্রির জন্য বিশেষ কারণ দেখাতে হতে পারে

o       বিশেষ বিবেচনা: পর্যটন ভিসায় মার্শাল দ্বীপপুঞ্জে কাজ করা বা দীর্ঘমেয়াদী পড়াশোনা করার অনুমতি নেই

·         বিজনেস ভিসা (Business Visa):

o       উদ্দেশ্য: ব্যবসায়িক মিটিং, আলোচনা, চুক্তি সম্পাদন, সম্মেলন বা সেমিনারে অংশগ্রহণ, বা অন্যান্য ব্যবসায়িক কার্যকলাপের জন্য

o        আবশ্যকতা: মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের কোনো বৈধ প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির কাছ থেকে আমন্ত্রণপত্র আবশ্যক


. আবেদন প্রক্রিয়া (বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে)

বাংলাদেশে মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের কোনো নিজস্ব দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। বাংলাদেশের নাগরিকরা মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের ভিসার জন্য সাধারণত ভারতের নয়াদিল্লিতে অবস্থিত মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের অনারারি কনস্যুলেট (Honorary Consulate) অথবা সরাসরি মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের ইমিগ্রেশন ডিরেক্টরate (Director of Immigration) এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারেন

গুরুত্বপূর্ণ দ্রষ্টব্য: মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের ভিসা নীতি এবং যোগাযোগের বিবরণ প্রায়শই পরিবর্তিত হতে পারে। আবেদন করার আগে সরাসরি সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক মিশনের সাথে যোগাযোগ করে সর্বশেষ এবং সঠিক তথ্য নিশ্চিত করা আবশ্যক

সাধারণ আবেদন প্রক্রিয়া নিম্নরূপ হতে পারে:

·         ধাপ : ভিসা আবেদন ফর্ম সংগ্রহ পূরণ:

o       সাধারণত মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টের ওয়েবসাইট থেকে বা সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের মাধ্যমে ভিসা আবেদন ফর্ম ডাউনলোড করতে হয়। এটি সতর্কতার সাথে এবং নির্ভুলভাবে পূরণ করুন

·         ধাপ : প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত:

o       আপনার ভিসার ক্যাটাগরি অনুযায়ী সকল আবশ্যকীয় নথিপত্র সংগ্রহ করুন (বিস্তারিত নিচে দেখুন) সকল নথি অবশ্যই ইংরেজিতে হতে হবে অথবা ইংরেজি অনুবাদ সহকারে জমা দিতে হবে

·         ধাপ : ভিসা ফি পরিশোধ:

o       ভিসার ফি ভিসার ধরন এবং মেয়াদের ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়। ফি পরিশোধের পদ্ধতি (ব্যাংক ট্রান্সফার, ব্যাংক ড্রাফট বা অন্য কোনো পদ্ধতি) সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক মিশনের সাথে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া উচিত

o       আনুমানিক ভিসা ফি: এটি নির্দিষ্ট নয়, তবে আন্তর্জাতিক ব্যাংক ট্রান্সফার বা অন্যান্য পদ্ধতিতে পরিশোধ করতে হতে পারে

o       গুরুত্বপূর্ণ: ভিসা আবেদন বাতিল হলে ফি সাধারণত ফেরতযোগ্য নয়

·         ধাপ : আবেদন জমা দেওয়া:

o       সাধারণত আবেদনপত্র কুরিয়ার বা ডাকযোগে সরাসরি মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের ইমিগ্রেশন ডিরেক্টরেটে অথবা ভারতের অনারারি কনস্যুলেটের মাধ্যমে জমা দিতে হয়

o       The Director of Immigration, PO Box 890, Majuro, Republic of the Marshall Islands, 96960.

o        ইমেইল: rmiimmig@ntamar.net (ভিসা সংক্রান্ত তথ্যের জন্য ইমেইল করে নিশ্চিত হওয়া আবশ্যক)

·         ধাপ : ভিসা প্রক্রিয়াকরণের সময়:

o       ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া সাধারণত ১৪ কার্যদিবস সময় নিতে পারে। যদি আবেদন অসম্পূর্ণ থাকে বা অতিরিক্ত নথির প্রয়োজন হয়, তাহলে ২১ কার্যদিবস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে

·         ধাপ : পাসপোর্ট সংগ্রহ:

o        ভিসা অনুমোদিত হলে, পাসপোর্ট ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে (সাধারণত কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে) ভিসার স্টিকার পাসপোর্টে লাগানো হবে


. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য সাধারণ তালিকা)

মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের ভিসার জন্য আবেদন করতে নিম্নলিখিত নথিগুলো সাধারণত প্রয়োজন হয়:

·         বৈধ পাসপোর্ট:

o       মূল পাসপোর্ট, যার মেয়াদ মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ থেকে আপনার প্রস্তাবিত প্রস্থান তারিখের পরেও কমপক্ষে মাস থাকতে হবে

o       পাসপোর্টে কমপক্ষে ২টি ফাঁকা ভিসা পৃষ্ঠা থাকতে হবে

o       পাসপোর্টের বায়ো-ডেটা পৃষ্ঠার (ব্যক্তিগত তথ্য সম্বলিত পৃষ্ঠা) এবং ব্যবহৃত সকল পৃষ্ঠার ফটোকপি

o        সকল পুরাতন পাসপোর্টের ফটোকপি (যদি থাকে)

·         পূরণকৃত ভিসা আবেদন ফরম:

o        যথযথভাবে পূরণ করা স্বাক্ষর করা ফরম

·         পাসপোর্ট আকারের ছবি:

o       সাম্প্রতিক ( মাসের বেশি পুরনো নয়) কপি পাসপোর্ট আকারের রঙিন ছবি (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে, উচ্চ রেজোলিউশন)

·         কভারিং লেটার:

o        আবেদনকারীর পক্ষ থেকে একটি কভারিং লেটার, যেখানে আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য, তারিখ, ভ্রমণপথের বিস্তারিত বিবরণ, এবং ভ্রমণের সম্পূর্ণ খরচের জন্য কে দায়ী থাকবে (নিজস্ব বা স্পনসর) ইত্যাদি উল্লেখ থাকবে

·         ফেরত বা পরবর্তী ভ্রমণের টিকিট:

o       মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ থেকে নিশ্চিত ফেরত টিকিট বা পরবর্তী গন্তব্যের টিকিট। (বুকিং কপি) গুরুত্বপূর্ণ: ভিসা না পাওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত টিকিট না করার পরামর্শ দেওয়া হয়

·         আবাসনের প্রমাণ:

o        হোটেল রিজার্ভেশনের নিশ্চিতকরণ (পুরো থাকার সময়কালের জন্য)

o       যদি মার্শাল দ্বীপপুঞ্জে কোনো ব্যক্তি আপনাকে আমন্ত্রণ জানান, তবে সেই ব্যক্তির দ্বারা স্বাক্ষরিত একটি আমন্ত্রণপত্র (Invitation Letter) যেখানে আপনার থাকার ঠিকানা, উদ্দেশ্য এবং আমন্ত্রিত ব্যক্তির বিস্তারিত তথ্য (নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর, আইডি/রেসিডেন্ট কার্ডের কপি) উল্লেখ থাকবে

·         আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ:

o       গত মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট (যাতে পর্যাপ্ত তহবিল দেখা যায়, যা মার্শাল দ্বীপপুঞ্জে আপনার থাকা ভ্রমণের খরচ বহন করার সক্ষমতা প্রমাণ করে)

o       ব্যাংক কর্তৃক সিল স্বাক্ষর করা হতে হবে

o       ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট

o       ক্রেডিট কার্ড স্টেটমেন্ট, ট্রাভেলার্স চেক, বা অন্যান্য আর্থিক সম্পদের প্রমাণ

o        যদি অন্য কেউ স্পনসর করেন: স্পনসরশিপ লেটার, স্পনসরের আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ (যেমন   তার  ব্যাংক স্টেটমেন্ট), তার পরিচয়পত্রের কপি

·         পেশার প্রমাণ:

o        চাকরিজীবী: নিয়োগকর্তার কাছ থেকে একটি ফরওয়ার্ডিং লেটার/নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (NOC) যেখানে আপনার পদ, যোগদানের তারিখ, বেতন, দায়িত্ব এবং ভ্রমণের জন্য ছুটির মঞ্জুরি উল্লেখ থাকবে। গত - মাসের বেতন স্লিপ

o        ব্যবসায়ী: হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্সের ফটোকপি (ইংরেজিতে অনূদিত নোটারাইজড), ব্যবসার ব্যাংক স্টেটমেন্ট, চেম্বার অফ কমার্সের সদস্যতা সনদ, ভিজিটিং কার্ড

o       শিক্ষার্থী: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ডের ফটোকপি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অনাপত্তি পত্র (NOC)

o       অবসরপ্রাপ্ত: পেনশন বই বা অবসরকালীন ভাতার প্রমাণপত্র

·         জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) / জন্ম নিবন্ধন সনদ:

o        আবেদনকারীর পরিচয় প্রমাণের জন্য ফটোকপি

·         পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট:

o       সাধারণত এটি আবশ্যক, বিশেষ করে দীর্ঘস্থায়ী ভিসার জন্য। এটি আপনার স্থানীয় পুলিশ স্টেশন থেকে সংগ্রহ করতে হবে

·         মেডিকেল সার্টিফিকেট:

o       কিছু ক্ষেত্রে মেডিকেল সার্টিফিকেট প্রয়োজন হতে পারে, বিশেষ করে দীর্ঘস্থায়ী ভিসার জন্য

·         অন্যান্য সহায়ক নথি (যদি প্রয়োজন হয়):

o       বিবাহ সনদ (যদি বিবাহিত দম্পতি একসাথে ভ্রমণ করেন, নোটারি সত্যায়িত কপি)

o       পরিবারের অন্যান্য সদস্যের সাথে ভ্রমণের ক্ষেত্রে সম্পর্ক প্রমাণকারী নথি (যেমন জন্ম সনদ)

নথি সংক্রান্ত টিপস: সকল নথি ইংরেজিতে অনূদিত নোটারি পাবলিক দ্বারা সত্যায়িত হতে হবে, যদি মূল নথি বাংলায় থাকে। সকল ফটোকপির মান ভালো হতে হবে


. আবেদনের স্থান (বাংলাদেশে দূতাবাস)

বর্তমানে বাংলাদেশে মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের কোনো নিজস্ব দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই


. পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে আবেদন

যেহেতু বাংলাদেশে মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের কোনো দূতাবাস নেই, বাংলাদেশের নাগরিকরা ভিসার জন্য সাধারণত ভারতের নয়াদিল্লিতে অবস্থিত মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের অনারারি কনস্যুলেট-এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারেন অথবা সরাসরি মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের ইমিগ্রেশন ডিরেক্টরেটে যোগাযোগ করতে পারেন

·         মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের অনারারি কনস্যুলেট, নয়াদিল্লি, ভারত (Honorary Consulate of the Republic of the Marshall Islands in New Delhi, India):

o       ঠিকানা: Flat 120, 1st floor, New Delhi House, 27 Barakhamba Road, New Delhi 110001, India.

o       ফোন: +91 11 2372 0567 / +91 11 4614 4646

o       -মেইল: hcrmi@bradys.in (যোগাযোগ করে নিশ্চিত হওয়া আবশ্যক)

o       গুরুত্বপূর্ণ: এটি একটি অনারারি কনস্যুলেট, তাই তাদের ক্ষমতা সীমিত হতে পারে। সরাসরি মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টের সাথে যোগাযোগ করাই অধিক কার্যকর হতে পারে

·         সরাসরি মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের ইমিগ্রেশন ডিরেক্টরেট:

o       যোগাযোগের ঠিকানা: The Director of Immigration, PO Box 890, Majuro, Republic of the Marshall Islands, 96960.

o       ফোন: (692) 625-8633 / 4572

o       ফ্যাক্স: (692) 625-4246

o        -মেইল: rmiimmig@ntamar.net

গুরুত্বপূর্ণ দ্রষ্টব্য: নয়াদিল্লি অনারারি কনস্যুলেট বা সরাসরি ইমিগ্রেশন ডিরেক্টরেটের সাথে যোগাযোগ করে তাদের বর্তমান নিয়মাবলী, আবেদন প্রক্রিয়া এবং কুরিয়ার বা পোস্টাল সার্ভিসের মাধ্যমে পাসপোর্ট নথি পাঠানো এবং ফেরত পাওয়ার ব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া উচিত


. -ভিসা (e-Visa) এবং ভিসা-অন-অ্যারাইভাল (Visa-on-Arrival)

বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য কোনো -ভিসা (e-Visa) বা ভিসা-অন-অ্যারাইভাল (Visa-on-Arrival) সুবিধা প্রদান করে না। বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের ভিসা পেতে অবশ্যই আগে থেকে (Pre-arranged) সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক মিশন বা সরাসরি ইমিগ্রেশন বিভাগের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে এবং পাসপোর্টে স্টিকার ভিসা লাগাতে হবে

গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা: যেকোনো অননুমোদিত ওয়েবসাইট বা এজেন্ট যারা বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য সরাসরি "-ভিসা" বা "সহজ মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ ভিসা" এর প্রস্তাব দেয়, তাদের থেকে সতর্ক থাকুন। সবসময় মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক মিশন বা তাদের সরকার প্রদত্ত তথ্যের উপর নির্ভর করুন। ভ্রমণের আগে সর্বশেষ ভিসা নীতি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ


গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ:

সম্মানিত পাঠক, ভিসা আবেদন করার সময় ভারতের নয়াদিল্লিতে অবস্থিত মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের অনারারি কনস্যুলেট অথবা সরাসরি মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের ইমিগ্রেশন ডিরেক্টরেটের সাথে যোগাযোগ করে আবেদন করবেন। যেহেতু এই দেশটিতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়াটি দূর থেকে পরিচালিত হয়, তাই পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে আবেদন করা এবং সকল নথি নির্ভুলভাবে প্রস্তুত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সর্বশেষ এবং সঠিক তথ্যের জন্য সবসময় অফিসিয়াল উৎস ব্যবহার করুন এবং যেকোনো প্রকার দালালের প্রলোভনে না পড়ে নিজের আবেদন নিজে পূরণ করার চেষ্টা করুন অথবা বিশ্বস্ত এবং নিবন্ধিত ভিসা কনসালটেন্সি সংস্থার সাহায্য নিন


GRAMEEN TOURS & Travels

Whatsapp: 01336-556033

Email: grameentour@gmail.com

www.grameentour.com

 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

কানাডা গমনেচ্ছুদের জন্য অত্যন্ত জরুরি: আপনার কি ATIP অ্যাকাউন্ট আছে? না থাকলে কেন আজই প্রয়োজন?

কানাডা গমনেচ্ছুদের জন্য অত্যন্ত জরুরি: আপনার কি ATIP অ্যাকাউন্ট আছে? না থাকলে কেন আজই প্রয়োজন? আপনি কি কানাডার ভিসার জন্য আবেদন করেছেন? অথবা...