পাকিস্তানের পর্যটন/ভ্রমণ ভিসা: বাংলাদেশের পর্যটকদের জন্য বিস্তারিত নির্দেশিকা
পাকিস্তান, দক্ষিণ এশিয়ার একটি সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক এবং ভৌগোলিকভাবে বৈচিত্র্যময় দেশ। এর পর্বতশ্রেণী (হিমালয়, কারাকোরাম, হিন্দুকুশ), প্রাচীন সভ্যতা (মহেনজোদারো, হরপ্পা), ঐতিহাসিক স্থাপত্য (লাহোরের বাদশাহী মসজিদ, শাহি কেল্লা) এবং প্রাণবন্ত শহরগুলি পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ। ইসলামাবাদ (Islamabad) এর আধুনিক সৌন্দর্য, লাহোরের (Lahore) ঐতিহাসিক সমৃদ্ধি, করাচির (Karachi) সমুদ্র সৈকত এবং উত্তরের গিলগিট-বালতিস্তানের (Gilgit-Baltistan) শ্বাসরুদ্ধকর প্রাকৃতিক দৃশ্য সেইসব ভ্রমণকারীদের জন্য আদর্শ যারা একটি অ্যাডভেঞ্চারপূর্ণ, সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহ্যবাহী অভিজ্ঞতা খুঁজছেন।
গুরুত্বপূর্ণ দ্রষ্টব্য: বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য পাকিস্তান ভ্রমণের জন্য আগে থেকে ভিসা (Pre-arranged Visa) প্রয়োজন। পাকিস্তান বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা-অন-অ্যারাইভাল বা সম্পূর্ণরূপে ই-ভিসা (e-Visa) সুবিধা প্রদান করে না, যদিও তাদের একটি অনলাইন পোর্টাল রয়েছে যেখানে আবেদন শুরু করা যায়।
১. ভিসার ক্যাটাগরি (বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য)
পাকিস্তানের ভিসা মূলত উদ্দেশ্য অনুসারে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিভক্ত। পর্যটন/ভ্রমণ সম্পর্কিত প্রধান ক্যাটাগরি হলো:
পর্যটন ভিসা (Tourist Visa):
উদ্দেশ্য: দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন, ব্যক্তিগত ছুটি কাটানো, বন্ধুবান্ধব বা আত্মীয়-স্বজনের সাথে দেখা করা, বিনোদনমূলক কার্যক্রমে অংশ নেওয়া ইত্যাদি।
মেয়াদ: সাধারণত ১ মাস থেকে ৩ মাস পর্যন্ত থাকার অনুমতি দেওয়া হয়। এটি সিঙ্গেল এন্ট্রি (Single Entry) বা ডাবল এন্ট্রি (Double Entry) হতে পারে।
বিশেষ বিবেচনা: পর্যটন ভিসায় পাকিস্তানে কাজ করা বা দীর্ঘমেয়াদী পড়াশোনা করার অনুমতি নেই।
২. আবেদন প্রক্রিয়া (বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে)
বাংলাদেশের নাগরিকরা পাকিস্তানের ভিসার জন্য ঢাকায় অবস্থিত পাকিস্তান হাইকমিশন-এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারেন। পাকিস্তানের একটি অনলাইন ভিসা পোর্টাল রয়েছে যেখানে আবেদন শুরু করতে হয়।
গুরুত্বপূর্ণ দ্রষ্টব্য: পাকিস্তানের ভিসা নীতি এবং যোগাযোগের বিবরণ প্রায়শই পরিবর্তিত হতে পারে। আবেদনের আগে অবশ্যই পাকিস্তান হাইকমিশন, ঢাকা-এর ওয়েবসাইট থেকে সর্বশেষ তথ্য যাচাই করে নিতে হবে।
সাধারণ আবেদন প্রক্রিয়া নিম্নরূপ হতে পারে:
ধাপ ১: অনলাইন ভিসা পোর্টাল (Visa Portal) ব্যবহার:
পাকিস্তান সরকারের অফিসিয়াল অনলাইন ভিসা পোর্টালে (Visa Portal of Pakistan -
) প্রবেশ করুন।https://visa.nadra.gov.pk/ এখানে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন এবং পর্যটন ভিসার জন্য অনলাইন আবেদন ফরম পূরণ করুন।
আপনার প্রয়োজনীয় সকল নথি স্ক্যান করে পোর্টালে আপলোড করুন।
অনলাইন ফরম পূরণ এবং নথি আপলোড করার পর, আপনাকে একটি রেফারেন্স নম্বর বা নিশ্চিতকরণ স্লিপ দেওয়া হবে।
ধাপ ২: প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত:
আপনার ভিসার ক্যাটাগরি অনুযায়ী সকল আবশ্যকীয় নথিপত্র সংগ্রহ করুন। (বিস্তারিত নিচে দেখুন)। সকল নথি অবশ্যই ইংরেজিতে হতে হবে অথবা ইংরেজি অনুবাদ সহকারে জমা দিতে হবে।
ধাপ ৩: ভিসা ফি পরিশোধ:
ভিসার ফি ভিসার ধরন এবং মেয়াদের ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়। ফি সাধারণত অনলাইন পোর্টালে (ক্রেডিট/ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে) পরিশোধ করতে হয়।
আনুমানিক ভিসা ফি (USD): ৩০ দিনের সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসার জন্য প্রায় ২৫ মার্কিন ডলার। মাল্টিপল এন্ট্রি বা দীর্ঘ মেয়াদের জন্য ফি বেশি হতে পারে।
গুরুত্বপূর্ণ: ভিসা আবেদন বাতিল হলে ফি সাধারণত ফেরতযোগ্য নয়।
ধাপ ৪: আবেদন জমা দেওয়া (হাইকমিশন):
অনলাইন আবেদন সফলভাবে সম্পন্ন এবং ফি পরিশোধ করার পর, আপনাকে সেই রেফারেন্স নম্বর এবং প্রিন্টেড আবেদনপত্র সহ সরাসরি পাকিস্তান হাইকমিশন, ঢাকা-তে সশরীরে উপস্থিত হয়ে আপনার পাসপোর্ট এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় মূল নথি জমা দিতে হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে, তারা কেবল অনলাইন আবেদন গ্রহণ করতে পারে, তবে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হওয়ার জন্য উৎসাহিত করা হয়। দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করে এই বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন।
ধাপ ৫: সাক্ষাৎকার (যদি প্রয়োজন হয়):
হাইকমিশন কর্তৃপক্ষ যদি প্রয়োজন মনে করে, তবে আবেদনকারীকে ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকতে পারে।
ধাপ ৬: ভিসা প্রক্রিয়াকরণের সময়:
ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া সাধারণত ৭-১৫ কার্যদিবস সময় নিতে পারে। তবে, কিছু ক্ষেত্রে এটি আরও বেশি সময় লাগতে পারে, বিশেষ করে যদি অতিরিক্ত যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজন হয়।
ধাপ ৭: পাসপোর্ট সংগ্রহ:
ভিসা প্রক্রিয়াকরণ সম্পন্ন হলে আপনাকে পাসপোর্ট সংগ্রহের জন্য একটি নির্দিষ্ট তারিখ দেওয়া হবে।
৩. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য সাধারণ তালিকা)
পাকিস্তানের ভিসার জন্য আবেদন করতে নিম্নলিখিত নথিগুলো সাধারণত প্রয়োজন হয়:
বৈধ পাসপোর্ট:
মূল পাসপোর্ট, যার মেয়াদ পাকিস্তান থেকে আপনার প্রস্তাবিত প্রস্থান তারিখের পরেও কমপক্ষে ৬ মাস থাকতে হবে।
পাসপোর্টে কমপক্ষে ২টি ফাঁকা ভিসা পৃষ্ঠা থাকতে হবে।
পাসপোর্টের বায়ো-ডেটা পৃষ্ঠার (ব্যক্তিগত তথ্য সম্বলিত পৃষ্ঠা) এবং ব্যবহৃত সকল পৃষ্ঠার ফটোকপি।
সকল পুরাতন পাসপোর্টের ফটোকপি (যদি থাকে)।
পূরণকৃত অনলাইন ভিসা আবেদন ফরমের প্রিন্টআউট:
পাকিস্তানের ভিসা পোর্টাল থেকে পূরণকৃত ও প্রিন্ট করা ফরম।
পাসপোর্ট আকারের ছবি:
সাম্প্রতিক (৬ মাসের বেশি পুরনো নয়) ২ কপি পাসপোর্ট আকারের রঙিন ছবি (সাদা বা হালকা ব্যাকগ্রাউন্ডে, উচ্চ রেজোলিউশন, ৩৫x৪৫ মিমি)।
কভারিং লেটার:
আবেদনকারীর পক্ষ থেকে একটি কভারিং লেটার, যেখানে আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য, তারিখ, ভ্রমণপথের বিস্তারিত বিবরণ, এবং ভ্রমণের সম্পূর্ণ খরচের জন্য কে দায়ী থাকবে (নিজস্ব বা স্পনসর) ইত্যাদি উল্লেখ থাকবে। এটি "To the High Commission of Pakistan, Visa Section" কে সম্বোধন করে লিখতে হবে।
ফেরত বা পরবর্তী ভ্রমণের টিকিট:
পাকিস্তান থেকে নিশ্চিত ফেরত টিকিট বা পরবর্তী গন্তব্যের টিকিট। (বুকিং কপি)। গুরুত্বপূর্ণ: ভিসা না পাওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত টিকিট না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
আবাসনের প্রমাণ:
হোটেল রিজার্ভেশনের নিশ্চিতকরণ (পুরো থাকার সময়কালের জন্য)।
যদি পাকিস্তানে কোনো ব্যক্তি আপনাকে আমন্ত্রণ জানান, তবে সেই ব্যক্তির দ্বারা স্বাক্ষরিত একটি আমন্ত্রণপত্র (Invitation Letter) যেখানে আপনার থাকার ঠিকানা, উদ্দেশ্য এবং আমন্ত্রিত ব্যক্তির বিস্তারিত তথ্য (নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর, আইডি/নাগরিকত্বের প্রমাণ, আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ) উল্লেখ থাকবে।
আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ:
গত ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট (যাতে পর্যাপ্ত তহবিল দেখা যায়, যা পাকিস্তানে আপনার থাকা ও ভ্রমণের খরচ বহন করার সক্ষমতা প্রমাণ করে)।
ব্যাংক কর্তৃক সিল ও স্বাক্ষর করা হতে হবে।
ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট।
ক্রেডিট কার্ড স্টেটমেন্ট, ট্রাভেলার্স চেক, বা অন্যান্য আর্থিক সম্পদের প্রমাণ।
যদি অন্য কেউ স্পনসর করেন: স্পনসরশিপ লেটার, স্পনসরের আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ (যেমন তার ব্যাংক স্টেটমেন্ট), তার পরিচয়পত্রের কপি।
পেশার প্রমাণ:
চাকরিজীবী: নিয়োগকর্তার কাছ থেকে একটি ফরওয়ার্ডিং লেটার/নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (NOC) যেখানে আপনার পদ, যোগদানের তারিখ, বেতন, দায়িত্ব এবং ভ্রমণের জন্য ছুটির মঞ্জুরি উল্লেখ থাকবে। গত ৩-৬ মাসের বেতন স্লিপ।
ব্যবসায়ী: হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্সের ফটোকপি (ইংরেজিতে অনূদিত ও নোটারাইজড), ব্যবসার ব্যাংক স্টেটমেন্ট, চেম্বার অফ কমার্সের সদস্যতা সনদ, ভিজিটিং কার্ড।
শিক্ষার্থী: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ডের ফটোকপি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অনাপত্তি পত্র (NOC)।
অবসরপ্রাপ্ত: পেনশন বই বা অবসরকালীন ভাতার প্রমাণপত্র।
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) / জন্ম নিবন্ধন সনদ:
আবেদনকারীর পরিচয় প্রমাণের জন্য ফটোকপি।
অন্যান্য সহায়ক নথি (যদি প্রয়োজন হয়):
বিবাহ সনদ (যদি বিবাহিত দম্পতি একসাথে ভ্রমণ করেন, নোটারি সত্যায়িত কপি)।
পরিবারের অন্যান্য সদস্যের সাথে ভ্রমণের ক্ষেত্রে সম্পর্ক প্রমাণকারী নথি (যেমন জন্ম সনদ)।
বিস্তারিত ভ্রমণ পরিকল্পনা (Itinerary) - প্রতিদিনের কার্যকলাপের বিবরণ।
নথি সংক্রান্ত টিপস: সকল নথি ইংরেজিতে অনূদিত ও নোটারি পাবলিক দ্বারা সত্যায়িত হতে হবে, যদি মূল নথি বাংলায় থাকে। সকল ফটোকপির মান ভালো হতে হবে।
৪. আবেদনের স্থান (বাংলাদেশে হাইকমিশন)
বাংলাদেশের নাগরিকরা পাকিস্তানের ভিসার জন্য ঢাকাস্থ পাকিস্তান হাইকমিশন-এর মাধ্যমে আবেদনপত্র জমা দিতে পারেন।
পাকিস্তান হাইকমিশন, ঢাকা (High Commission for Pakistan, Dhaka):
ঠিকানা: হাউস ৫, রোড ৬২, গুলশান ২, ঢাকা ১২১২, বাংলাদেশ।
ফোন: +880 2 5881 2289
ই-মেইল: parepdhaka@mofa.gov.pk (যোগাযোগ করে নিশ্চিত হওয়া আবশ্যক)।
ওয়েবসাইট:
(এখানে ভিসা সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্য এবং যোগাযোগের বিবরণ পাওয়া যাবে)।https://www.mofa.gov.pk/dhaka-bangladesh/
৫. পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে আবেদন
যেহেতু বাংলাদেশে পাকিস্তানের নিজস্ব হাইকমিশন রয়েছে, তাই সাধারণত পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে আবেদন করার প্রয়োজন হয় না। তবে, যদি কোনো বিশেষ পরিস্থিতিতে কেউ ঢাকা থেকে আবেদন করতে না পারেন, তবে তারা পার্শ্ববর্তী দেশে অবস্থিত পাকিস্তানের কূটনৈতিক মিশনের মাধ্যমে ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন, যেমন:
পাকিস্তান হাই কমিশন, নয়াদিল্লি, ভারত (High Commission for Pakistan, New Delhi, India):
ঠিকানা: 2/50-G, Shantipath, Chanakyapuri, New Delhi 110021, India.
ফোন: +91 11 2611 0601 / +91 11 2611 0602
ই-মেইল: pakhcnewdelhi@mofa.gov.pk (যোগাযোগ করে নিশ্চিত হওয়া আবশ্যক)।
ওয়েবসাইট:
https://www.mofa.gov.pk/new-delhi-india/
গুরুত্বপূর্ণ দ্রষ্টব্য: অন্য দেশ থেকে আবেদন করার আগে, সরাসরি তাদের সাথে ফোন বা ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে তাদের বর্তমান নিয়মাবলী, আবেদন প্রক্রিয়া, অ্যাপয়েন্টমেন্ট পদ্ধতি এবং বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ভিসার আবেদন প্রক্রিয়াকরণের বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া উচিত।
৬. ই-ভিসা (e-Visa) এবং ভিসা-অন-অ্যারাইভাল (Visa-on-Arrival)
ই-ভিসা (e-Visa): পাকিস্তান একটি অনলাইন ভিসা পোর্টাল চালু করেছে যেখানে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করা যায়। তবে, বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য এটি সম্পূর্ণ ই-ভিসা ব্যবস্থা নয়, যার মাধ্যমে আপনি অনলাইনে ভিসা পেয়ে সরাসরি প্রবেশ করতে পারবেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, অনলাইন আবেদন সম্পন্ন করার পর প্রয়োজনীয় নথি এবং পাসপোর্ট সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক মিশনে (যেমন ঢাকা হাইকমিশন) জমা দিতে হয় এবং পাসপোর্টে স্টিকার ভিসা লাগানো হয়।
ভিসা-অন-অ্যারাইভাল (Visa-on-Arrival): পাকিস্তান বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য কোনো ভিসা-অন-অ্যারাইভাল সুবিধা প্রদান করে না।
গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা: যেকোনো অননুমোদিত ওয়েবসাইট বা এজেন্ট যারা বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য সরাসরি "ই-ভিসা" বা "সহজ পাকিস্তান ভিসা" এর প্রস্তাব দেয়, তাদের থেকে সতর্ক থাকুন। সবসময় পাকিস্তান হাইকমিশন, ঢাকা, এবং তাদের অফিসিয়াল উৎসের উপর নির্ভর করুন। ভ্রমণের আগে সর্বশেষ ভিসা নীতি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ:
সম্মানিত পাঠক, ভিসা আবেদন করার সময় পাকিস্তান হাইকমিশন, ঢাকা-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এবং পাকিস্তানের ভিসা পোর্টাল দেখে আবেদন করবেন, কারণ প্রতিনিয়ত বিভিন্ন দেশ তাদের ভিসা নীতি, ভিসার ক্যাটাগরি, মেয়াদ এবং শর্ত পরিবর্তন করে। আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য এবং আর্থিক সচ্ছলতা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে আবেদন করা উচিত। সর্বশেষ এবং সঠিক তথ্যের জন্য সবসময় অফিসিয়াল উৎস ব্যবহার করুন এবং যেকোনো প্রকার দালালের প্রলোভনে না পড়ে নিজের আবেদন নিজে পূরণ করার চেষ্টা করুন অথবা বিশ্বস্ত এবং নিবন্ধিত ভিসা কনসালটেন্সি সংস্থার সাহায্য নিন।
GRAMEEN TOURS & Travels
Whatsapp: 01336-556033
Email: grameentour@gmail.com
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন