পেরুর পর্যটন/ভ্রমণ ভিসা: বাংলাদেশের পর্যটকদের জন্য বিস্তারিত নির্দেশিকা
পেরু, দক্ষিণ আমেরিকার পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত একটি দেশ, যা ইনকা সভ্যতার ঐতিহাসিক নিদর্শন, অ্যান্ডিস পর্বতমালার মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্য, আমাজন রেইনফরেস্ট এবং বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। মাচু পিচু (Machu Picchu), কুজকো (Cusco) এর ঐতিহাসিক কেন্দ্র, লিমা (Lima) এর ঔপনিবেশিক স্থাপত্য এবং নাযকা লাইনস (Nazca Lines) পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ। এটি সেইসব ভ্রমণকারীদের জন্য আদর্শ যারা প্রাচীন রহস্য, দুঃসাহসিক অভিযান এবং সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা খুঁজছেন।
গুরুত্বপূর্ণ দ্রষ্টব্য: বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য পেরু ভ্রমণের জন্য আগে থেকে ভিসা (Pre-arranged Visa) প্রয়োজন। পেরু বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য কোনো ভিসা-অন-অ্যারাইভাল বা ই-ভিসা সুবিধা প্রদান করে না। ভিসা আবেদন সাধারণত ভারতের নয়াদিল্লিতে অবস্থিত পেরুর দূতাবাস-এর মাধ্যমে জমা দিতে হয়, কারণ বাংলাদেশে পেরুর কোনো দূতাবাস নেই।
১. ভিসার ক্যাটাগরি (বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য)
পেরুর ভিসা মূলত উদ্দেশ্য অনুসারে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিভক্ত। পর্যটন/ভ্রমণ সম্পর্কিত প্রধান ক্যাটাগরিগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
পর্যটন ভিসা (Tourist Visa / Visa de Turista):
উদ্দেশ্য: দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন, ব্যক্তিগত ছুটি কাটানো, বন্ধুবান্ধব বা আত্মীয়-স্বজনের সাথে দেখা করা, বিনোদনমূলক কার্যক্রমে অংশ নেওয়া ইত্যাদি।
মেয়াদ: সাধারণত ৩০ দিন পর্যন্ত থাকার অনুমতি দেওয়া হয়, যা সর্বোচ্চ ৯০ দিন পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে।
এন্ট্রি: এটি সাধারণত সিঙ্গেল এন্ট্রি (Single Entry) ভিসা হয়, তবে কিছু ক্ষেত্রে মাল্টিপল এন্ট্রিও দেওয়া হতে পারে।
বিশেষ বিবেচনা: পর্যটন ভিসায় পেরুতে কাজ করা বা দীর্ঘমেয়াদী পড়াশোনা করার অনুমতি নেই।
২. আবেদন প্রক্রিয়া (বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে)
বাংলাদেশে পেরুর কোনো নিজস্ব দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। বাংলাদেশের নাগরিকরা পেরুর ভিসার জন্য সাধারণত ভারতের নয়াদিল্লিতে অবস্থিত পেরুর দূতাবাস-এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারেন।
গুরুত্বপূর্ণ দ্রষ্টব্য: পেরুর ভিসা নীতি এবং যোগাযোগের বিবরণ প্রায়শই পরিবর্তিত হতে পারে। আবেদন করার আগে সরাসরি সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক মিশনের সাথে যোগাযোগ করে সর্বশেষ এবং সঠিক তথ্য নিশ্চিত করা আবশ্যক।
সাধারণ আবেদন প্রক্রিয়া নিম্নরূপ হতে পারে:
ধাপ ১: দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ ও তথ্য সংগ্রহ:
ভারতের নয়াদিল্লিতে অবস্থিত পেরুর দূতাবাসের (Embassy of Peru in New Delhi, India) সাথে যোগাযোগ করে বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য সর্বশেষ ভিসা নীতি, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং ফি সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নিন। তাদের ওয়েবসাইট বা ফোন নম্বরের মাধ্যমে এই তথ্য পেতে পারেন।
ধাপ ২: আবেদন ফরম সংগ্রহ ও পূরণ:
দূতাবাসের ওয়েবসাইট থেকে ভিসা আবেদন ফরম ডাউনলোড করুন (যদি উপলব্ধ থাকে) এবং নির্ভুলভাবে পূরণ করুন।
ধাপ ৩: প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত:
আপনার ভিসার ক্যাটাগরি অনুযায়ী সকল আবশ্যকীয় নথিপত্র সংগ্রহ করুন। (বিস্তারিত নিচে দেখুন)। সকল নথি অবশ্যই ইংরেজিতে বা স্প্যানিশে হতে হবে অথবা একটি অনুমোদিত অনুবাদ সহকারে জমা দিতে হবে।
ধাপ ৪: ভিসা ফি পরিশোধ:
ভিসার ফি ভিসার ধরন এবং মেয়াদের ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়। ফি সাধারণত মার্কিন ডলারে নির্ধারিত হয়, যা ভারতীয় রুপিতে পরিশোধ করতে হয়। ফি পরিশোধের পদ্ধতি (ব্যাংক ট্রান্সফার, নগদ বা অন্য কোনো পদ্ধতি) সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া উচিত।
আনুমানিক ভিসা ফি (USD): প্রায় $৩০ - $৫০ মার্কিন ডলার।
গুরুত্বপূর্ণ: ভিসা আবেদন বাতিল হলে ফি সাধারণত ফেরতযোগ্য নয়।
ধাপ ৫: আবেদন জমা দেওয়া:
সাধারণত আবেদনপত্র কুরিয়ার বা ডাকযোগে পাঠানো যেতে পারে, অথবা অনুমোদিত প্রতিনিধির মাধ্যমে জমা দেওয়া যেতে পারে। সশরীরে উপস্থিত হওয়ার প্রয়োজন নাও হতে পারে, তবে এটি সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের নীতির উপর নির্ভরশীল। দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করে এ বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন।
ধাপ ৬: সাক্ষাৎকার (যদি প্রয়োজন হয়):
দূতাবাস কর্তৃপক্ষ যদি প্রয়োজন মনে করে, তবে আবেদনকারীকে ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকতে পারে। এই ক্ষেত্রে, আপনাকে ভারতে ভ্রমণ করতে হতে পারে।
ধাপ ৭: ভিসা প্রক্রিয়াকরণের সময়:
ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া সাধারণত ১০-১৫ কার্যদিবস বা তার বেশি সময় নিতে পারে, কারণ আবেদনগুলি দূর থেকে পরিচালিত হয় এবং অতিরিক্ত যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজন হতে পারে।
ধাপ ৮: পাসপোর্ট সংগ্রহ:
ভিসা প্রক্রিয়াকরণ সম্পন্ন হলে আপনাকে পাসপোর্ট ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে (সাধারণত কুরিয়ারের মাধ্যমে)।
৩. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য সাধারণ তালিকা)
পেরুর ভিসার জন্য আবেদন করতে নিম্নলিখিত নথিগুলো সাধারণত প্রয়োজন হয়:
বৈধ পাসপোর্ট:
মূল পাসপোর্ট, যার মেয়াদ পেরু থেকে আপনার প্রস্তাবিত প্রস্থান তারিখের পরেও কমপক্ষে ৬ মাস থাকতে হবে।
পাসপোর্টে কমপক্ষে ২টি ফাঁকা ভিসা পৃষ্ঠা থাকতে হবে।
পাসপোর্টের বায়ো-ডেটা পৃষ্ঠার (ব্যক্তিগত তথ্য সম্বলিত পৃষ্ঠা) এবং ব্যবহৃত সকল পৃষ্ঠার ফটোকপি।
সকল পুরাতন পাসপোর্টের ফটোকপি (যদি থাকে)।
পূরণকৃত ভিসা আবেদন ফরম:
যথযথভাবে পূরণ করা ও স্বাক্ষর করা ফরম।
পাসপোর্ট আকারের ছবি:
সাম্প্রতিক (৬ মাসের বেশি পুরনো নয়) ২ কপি পাসপোর্ট আকারের রঙিন ছবি (সাদা বা হালকা ব্যাকগ্রাউন্ডে, উচ্চ রেজোলিউশন, ৩৫x৪৫ মিমি)।
কভারিং লেটার:
আবেদনকারীর পক্ষ থেকে একটি কভারিং লেটার, যেখানে আবেদনকারীর নাম, পদবী, পাসপোর্ট নম্বর, ভ্রমণের উদ্দেশ্য (পর্যটন/পরিবার দর্শন), ভ্রমণের সম্পূর্ণ খরচের জন্য কে দায়ী থাকবে (নিজস্ব বা স্পনসর) এবং ভ্রমণপথের বিস্তারিত বিবরণ উল্লেখ থাকবে। এটি "To the Embassy of Peru, Visa Section" কে সম্বোধন করে লিখতে হবে।
ফেরত বা পরবর্তী ভ্রমণের টিকিট:
পেরু থেকে নিশ্চিত ফেরত টিকিট বা পরবর্তী গন্তব্যের টিকিট। (বুকিং কপি)। গুরুত্বপূর্ণ: ভিসা না পাওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত টিকিট না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
আবাসনের প্রমাণ:
হোটেল রিজার্ভেশনের নিশ্চিতকরণ (পুরো থাকার সময়কালের জন্য)।
যদি পেরুতে কোনো ব্যক্তি আপনাকে আমন্ত্রণ জানান, তবে সেই ব্যক্তির দ্বারা স্বাক্ষরিত একটি আমন্ত্রণপত্র (Invitation Letter) যেখানে আপনার থাকার ঠিকানা, উদ্দেশ্য এবং আমন্ত্রিত ব্যক্তির বিস্তারিত তথ্য (নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর, আইডি/নাগরিকত্বের প্রমাণ) উল্লেখ থাকবে। এটি পেরুর কোনো নোটারি পাবলিক দ্বারা সত্যায়িত হতে পারে।
আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ:
গত ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট (যাতে পর্যাপ্ত তহবিল দেখা যায়, যা পেরুতে আপনার থাকা ও ভ্রমণের খরচ বহন করার সক্ষমতা প্রমাণ করে)।
ব্যাংক কর্তৃক সিল ও স্বাক্ষর করা হতে হবে।
ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট।
ক্রেডিট কার্ড স্টেটমেন্ট, ট্রাভেলার্স চেক, বা অন্যান্য আর্থিক সম্পদের প্রমাণ।
যদি অন্য কেউ স্পনসর করেন: স্পনসরশিপ লেটার, স্পনসরের আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ (যেমন তার ব্যাংক স্টেটমেন্ট), তার পরিচয়পত্রের কপি।
পেশার প্রমাণ:
চাকরিজীবী: নিয়োগকর্তার কাছ থেকে একটি ফরওয়ার্ডিং লেটার/নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (NOC) যেখানে আপনার পদ, যোগদানের তারিখ, বেতন, দায়িত্ব এবং ভ্রমণের জন্য ছুটির মঞ্জুরি উল্লেখ থাকবে। গত ৩-৬ মাসের বেতন স্লিপ।
ব্যবসায়ী: হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্সের ফটোকপি (ইংরেজিতে অনূদিত ও নোটারাইজড), ব্যবসার ব্যাংক স্টেটমেন্ট, চেম্বার অফ কমার্সের সদস্যতা সনদ, ভিজিটিং কার্ড।
শিক্ষার্থী: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ডের ফটোকপি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অনাপত্তি পত্র (NOC)।
অবসরপ্রাপ্ত: পেনশন বই বা অবসরকালীন ভাতার প্রমাণপত্র।
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) / জন্ম নিবন্ধন সনদ:
আবেদনকারীর পরিচয় প্রমাণের জন্য ফটোকপি।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট (PCC):
কিছু ক্ষেত্রে এটি বাধ্যতামূলক হতে পারে, বিশেষ করে যদি দীর্ঘস্থায়ী ভিসার আবেদন করা হয়।
অন্যান্য সহায়ক নথি (যদি প্রয়োজন হয়):
বিবাহ সনদ (যদি বিবাহিত দম্পতি একসাথে ভ্রমণ করেন, নোটারি সত্যায়িত কপি)।
পরিবারের অন্যান্য সদস্যের সাথে ভ্রমণের ক্ষেত্রে সম্পর্ক প্রমাণকারী নথি (যেমন জন্ম সনদ)।
বিস্তারিত ভ্রমণ পরিকল্পনা (Itinerary) - প্রতিদিনের কার্যকলাপের বিবরণ।
নথি সংক্রান্ত টিপস: সকল নথি ইংরেজিতে বা স্প্যানিশে অনূদিত ও নোটারি পাবলিক দ্বারা সত্যায়িত হতে হবে, যদি মূল নথি বাংলায় থাকে। সকল ফটোকপির মান ভালো হতে হবে।
৪. আবেদনের স্থান (বাংলাদেশে দূতাবাস)
বর্তমানে বাংলাদেশে পেরুর কোনো নিজস্ব দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই।
৫. পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে আবেদন
যেহেতু বাংলাদেশে পেরুর কোনো দূতাবাস নেই, বাংলাদেশের নাগরিকরা পেরুর ভিসার জন্য সাধারণত ভারতের নয়াদিল্লিতে অবস্থিত পেরুর দূতাবাস-এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারেন।
পেরুর দূতাবাস, নয়াদিল্লি, ভারত (Embassy of Peru in New Delhi, India):
ঠিকানা: B-2/16, Vasant Vihar, New Delhi 110057, India.
ফোন: +91 11 4616 3300
ই-মেইল: embaperuindia@gmail.com (যোগাযোগ করে নিশ্চিত হওয়া আবশ্যক)।
ওয়েবসাইট:
(এখানে ভিসা সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্য এবং যোগাযোগের বিবরণ পাওয়া যাবে)।https://www.gob.pe/embajada-peru-en-india
গুরুত্বপূর্ণ দ্রষ্টব্য: নয়াদিল্লি দূতাবাস থেকে আবেদন করার আগে, সরাসরি তাদের সাথে ফোন বা ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে তাদের বর্তমান নিয়মাবলী, আবেদন প্রক্রিয়া, অ্যাপয়েন্টমেন্ট পদ্ধতি এবং বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ভিসার আবেদন প্রক্রিয়াকরণের বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া উচিত। যেহেতু দূর থেকে আবেদন করা হবে, তাই কুরিয়ার বা পোস্টাল সার্ভিসের মাধ্যমে পাসপোর্ট ও নথি পাঠানো এবং ফেরত পাওয়ার ব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া জরুরি।
৬. ই-ভিসা (e-Visa) এবং ভিসা-অন-অ্যারাইভাল (Visa-on-Arrival)
বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, পেরু বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য কোনো ই-ভিসা (e-Visa) বা ভিসা-অন-অ্যারাইভাল (Visa-on-Arrival) সুবিধা প্রদান করে না। বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য পেরুর ভিসা পেতে অবশ্যই আগে থেকে (Pre-arranged) সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক মিশনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে এবং পাসপোর্টে স্টিকার ভিসা লাগাতে হবে।
গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা: যেকোনো অননুমোদিত ওয়েবসাইট বা এজেন্ট যারা বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য সরাসরি "ই-ভিসা" বা "সহজ পেরু ভিসা" এর প্রস্তাব দেয়, তাদের থেকে সতর্ক থাকুন। সবসময় পেরুর সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক মিশন বা তাদের সরকার প্রদত্ত তথ্যের উপর নির্ভর করুন। ভ্রমণের আগে সর্বশেষ ভিসা নীতি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ:
সম্মানিত পাঠক, ভিসা আবেদন করার সময় ভারতের নয়াদিল্লিতে অবস্থিত পেরুর দূতাবাসের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট দেখে আবেদন করবেন, কারণ প্রতিনিয়ত বিভিন্ন দেশ তাদের ভিসা নীতি, ভিসার ক্যাটাগরি, মেয়াদ এবং শর্ত পরিবর্তন করে। যেহেতু দূর থেকে আবেদন প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়, তাই পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে আবেদন করা এবং সকল নথি নির্ভুলভাবে প্রস্তুত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সর্বশেষ এবং সঠিক তথ্যের জন্য সবসময় অফিসিয়াল উৎস ব্যবহার করুন এবং যেকোনো প্রকার দালালের প্রলোভনে না পড়ে নিজের আবেদন নিজে পূরণ করার চেষ্টা করুন অথবা বিশ্বস্ত এবং নিবন্ধিত ভিসা কনসালটেন্সি সংস্থার সাহায্য নিন।
GRAMEEN TOURS & TravelsWhatsapp: 01336-556033 Email: grameentour@gmail.com
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন