ফিলিপাইনের পর্যটন/ভ্রমণ ভিসা: বাংলাদেশের পর্যটকদের জন্য বিস্তারিত নির্দেশিকা
ফিলিপাইন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপপুঞ্জের দেশ, যা ৭,০০০টিরও বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত এবং এর অত্যাশ্চর্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, স্ফটিক স্বচ্ছ সমুদ্র সৈকত, সমৃদ্ধ সামুদ্রিক জীবন এবং উষ্ণ আতিথেয়তার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। ম্যানিলার (Manila) ঐতিহাসিক ইনট্রামুরোস (Intramuros) এবং আধুনিক শহরজীবন, পালাওয়ানের (Palawan) এল নিদো (El Nido) ও করন (Coron) এর চুনাপাথরের চূড়া, বোরোকাইয়ের (Boracay) সাদা বালির সৈকত, সেবুর (Cebu) ঐতিহাসিক ল্যান্ডমার্ক এবং ইফুটাও (Ifugao) এর রাইস টেরেস (Rice Terraces) পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ। এটি সেইসব ভ্রমণকারীদের জন্য আদর্শ যারা সমুদ্র, অ্যাডভেঞ্চার, সংস্কৃতি এবং প্রকৃতিপ্রেমী।
গুরুত্বপূর্ণ দ্রষ্টব্য: বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ফিলিপাইন ভ্রমণের জন্য আগে থেকে ভিসা (Pre-arranged Visa) প্রয়োজন। ফিলিপাইন বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য কোনো ভিসা-অন-অ্যারাইভাল বা ই-ভিসা সুবিধা প্রদান করে না। ভিসা আবেদন সাধারণত ঢাকায় অবস্থিত ফিলিপাইনের দূতাবাস-এর মাধ্যমে জমা দিতে হয়।
১. ভিসার ক্যাটাগরি (বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য)
ফিলিপাইনের ভিসা মূলত উদ্দেশ্য অনুসারে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিভক্ত। পর্যটন/ভ্রমণ সম্পর্কিত প্রধান ক্যাটাগরিগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
পর্যটন ভিসা (Tourist Visa - 9A):
উদ্দেশ্য: দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন, ব্যক্তিগত ছুটি কাটানো, বন্ধুবান্ধব বা আত্মীয়-স্বজনের সাথে দেখা করা, বিনোদনমূলক কার্যক্রমে অংশ নেওয়া ইত্যাদি।
মেয়াদ: সাধারণত ৭ দিন থেকে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকার অনুমতি দেওয়া হয়। এটি সিঙ্গেল এন্ট্রি (Single Entry), ডাবল এন্ট্রি (Double Entry), বা মাল্টিপল এন্ট্রি (Multiple Entry) ভিসা হতে পারে, যা দূতাবাসের বিবেচনার উপর নির্ভরশীল।
বিশেষ বিবেচনা: পর্যটন ভিসায় ফিলিপাইনে কাজ করা বা দীর্ঘমেয়াদী পড়াশোনা করার অনুমতি নেই।
২. আবেদন প্রক্রিয়া (বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে)
বাংলাদেশের নাগরিকরা ফিলিপাইনের ভিসার জন্য ঢাকায় অবস্থিত ফিলিপাইনের দূতাবাস-এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারেন।
গুরুত্বপূর্ণ দ্রষ্টব্য: ফিলিপাইনের ভিসা নীতি এবং যোগাযোগের বিবরণ প্রায়শই পরিবর্তিত হতে পারে। আবেদনের আগে অবশ্যই ফিলিপাইনের দূতাবাস, ঢাকা-এর ওয়েবসাইট থেকে সর্বশেষ তথ্য যাচাই করে নিতে হবে।
সাধারণ আবেদন প্রক্রিয়া নিম্নরূপ হতে পারে:
ধাপ ১: দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ ও তথ্য সংগ্রহ:
ঢাকায় অবস্থিত ফিলিপাইনের দূতাবাসের (Embassy of the Philippines in Dhaka) সাথে যোগাযোগ করে বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য সর্বশেষ ভিসা নীতি, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং ফি সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নিন। তাদের ওয়েবসাইট বা ফোন নম্বরের মাধ্যমে এই তথ্য পেতে পারেন।
ধাপ ২: আবেদন ফরম সংগ্রহ ও পূরণ:
দূতাবাসের ওয়েবসাইট থেকে ভিসা আবেদন ফরম ডাউনলোড করুন (যদি উপলব্ধ থাকে) এবং নির্ভুলভাবে পূরণ করুন।
ধাপ ৩: প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত:
আপনার ভিসার ক্যাটাগরি অনুযায়ী সকল আবশ্যকীয় নথিপত্র সংগ্রহ করুন। (বিস্তারিত নিচে দেখুন)। সকল নথি অবশ্যই ইংরেজিতে হতে হবে অথবা ইংরেজি অনুবাদ সহকারে জমা দিতে হবে।
ধাপ ৪: ভিসা ফি পরিশোধ:
ভিসার ফি ভিসার ধরন এবং মেয়াদের ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়। ফি সাধারণত মার্কিন ডলারে নির্ধারিত হয়, যা বাংলাদেশী টাকায় পরিশোধ করতে হয়। ফি পরিশোধের পদ্ধতি (ব্যাংক ট্রান্সফার, নগদ বা অন্য কোনো পদ্ধতি) সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া উচিত।
আনুমানিক ভিসা ফি (USD): সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসার জন্য প্রায় $৩০ - $৩৫ মার্কিন ডলার। মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার জন্য ফি বেশি হতে পারে।
গুরুত্বপূর্ণ: ভিসা আবেদন বাতিল হলে ফি সাধারণত ফেরতযোগ্য নয়।
ধাপ ৫: আবেদন জমা দেওয়া:
নির্ধারিত সময়ে সকল মূল নথি এবং তাদের ফটোকপি সহ সরাসরি ফিলিপাইনের দূতাবাসে সশরীরে উপস্থিত হয়ে আবেদন জমা দিন। আবেদনপত্র জমা দেওয়ার জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্টের প্রয়োজন হতে পারে, তাই আগে থেকে জেনে নিন।
ধাপ ৬: সাক্ষাৎকার (যদি প্রয়োজন হয়):
দূতাবাস কর্তৃপক্ষ যদি প্রয়োজন মনে করে, তবে আবেদনকারীকে ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকতে পারে।
ধাপ ৭: ভিসা প্রক্রিয়াকরণের সময়:
ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া সাধারণত ৫-১০ কার্যদিবস সময় নিতে পারে। তবে, কিছু ক্ষেত্রে এটি আরও বেশি সময় লাগতে পারে, বিশেষ করে যদি অতিরিক্ত যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজন হয়।
ধাপ ৮: পাসপোর্ট সংগ্রহ:
ভিসা প্রক্রিয়াকরণ সম্পন্ন হলে আপনাকে পাসপোর্ট সংগ্রহের জন্য একটি নির্দিষ্ট তারিখ দেওয়া হবে।
৩. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য সাধারণ তালিকা)
ফিলিপাইনের ভিসার জন্য আবেদন করতে নিম্নলিখিত নথিগুলো সাধারণত প্রয়োজন হয়:
বৈধ পাসপোর্ট:
মূল পাসপোর্ট, যার মেয়াদ ফিলিপাইন থেকে আপনার প্রস্তাবিত প্রস্থান তারিখের পরেও কমপক্ষে ৬ মাস থাকতে হবে।
পাসপোর্টে কমপক্ষে ২টি ফাঁকা ভিসা পৃষ্ঠা থাকতে হবে।
পাসপোর্টের বায়ো-ডেটা পৃষ্ঠার (ব্যক্তিগত তথ্য সম্বলিত পৃষ্ঠা) এবং ব্যবহৃত সকল পৃষ্ঠার ফটোকপি।
সকল পুরাতন পাসপোর্টের ফটোকপি (যদি থাকে)।
পূরণকৃত ভিসা আবেদন ফরম:
যথযথভাবে পূরণ করা ও স্বাক্ষর করা ফরম।
পাসপোর্ট আকারের ছবি:
সাম্প্রতিক (৬ মাসের বেশি পুরনো নয়) ২ কপি পাসপোর্ট আকারের রঙিন ছবি (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে, উচ্চ রেজোলিউশন, ৩৫x৪৫ মিমি)। ছবির পেছনে নাম ও পাসপোর্ট নম্বর লিখতে হবে।
কভারিং লেটার (Covering Letter):
আবেদনকারীর পক্ষ থেকে একটি কভারিং লেটার, যেখানে আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য, তারিখ, ভ্রমণপথের বিস্তারিত বিবরণ, এবং ভ্রমণের সম্পূর্ণ খরচের জন্য কে দায়ী থাকবে (নিজস্ব বা স্পনসর) ইত্যাদি উল্লেখ থাকবে। এটি "To the Embassy of the Philippines, Visa Section" কে সম্বোধন করে লিখতে হবে।
ফেরত বা পরবর্তী ভ্রমণের টিকিট:
ফিলিপাইন থেকে নিশ্চিত ফেরত টিকিট বা পরবর্তী গন্তব্যের টিকিট। (বুকিং কপি)। গুরুত্বপূর্ণ: ভিসা না পাওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত টিকিট না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
আবাসনের প্রমাণ:
হোটেল রিজার্ভেশনের নিশ্চিতকরণ (পুরো থাকার সময়কালের জন্য)।
যদি ফিলিপাইনে কোনো ব্যক্তি আপনাকে আমন্ত্রণ জানান, তবে সেই ব্যক্তির দ্বারা স্বাক্ষরিত একটি আমন্ত্রণপত্র (Invitation Letter) যেখানে আপনার থাকার ঠিকানা, উদ্দেশ্য এবং আমন্ত্রিত ব্যক্তির বিস্তারিত তথ্য (নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর, আইডি/নাগরিকত্বের প্রমাণ, আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ) উল্লেখ থাকবে।
আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ:
গত ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট (যাতে পর্যাপ্ত তহবিল দেখা যায়, যা ফিলিপাইনে আপনার থাকা ও ভ্রমণের খরচ বহন করার সক্ষমতা প্রমাণ করে)।
ব্যাংক কর্তৃক সিল ও স্বাক্ষর করা হতে হবে।
ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট।
ক্রেডিট কার্ড স্টেটমেন্ট, ট্রাভেলার্স চেক, বা অন্যান্য আর্থিক সম্পদের প্রমাণ।
যদি অন্য কেউ স্পনসর করেন: স্পনসরশিপ লেটার, স্পনসরের আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ (যেমন তার ব্যাংক স্টেটমেন্ট), তার পরিচয়পত্রের কপি।
পেশার প্রমাণ:
চাকরিজীবী: নিয়োগকর্তার কাছ থেকে একটি ফরওয়ার্ডিং লেটার/নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (NOC) যেখানে আপনার পদ, যোগদানের তারিখ, বেতন, দায়িত্ব এবং ভ্রমণের জন্য ছুটির মঞ্জুরি উল্লেখ থাকবে। গত ৩-৬ মাসের বেতন স্লিপ।
ব্যবসায়ী: হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্সের ফটোকপি (ইংরেজিতে অনূদিত ও নোটারাইজড), ব্যবসার ব্যাংক স্টেটমেন্ট, চেম্বার অফ কমার্সের সদস্যতা সনদ, ভিজিটিং কার্ড।
শিক্ষার্থী: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ডের ফটোকপি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অনাপত্তি পত্র (NOC), ভর্তির প্রমাণ।
অবসরপ্রাপ্ত: পেনশন বই বা অবসরকালীন ভাতার প্রমাণপত্র।
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) / জন্ম নিবন্ধন সনদ:
আবেদনকারীর পরিচয় প্রমাণের জন্য ফটোকপি।
অন্যান্য সহায়ক নথি (যদি প্রয়োজন হয়):
বিবাহ সনদ (যদি বিবাহিত দম্পতি একসাথে ভ্রমণ করেন, নোটারি সত্যায়িত কপি)।
পরিবারের অন্যান্য সদস্যের সাথে ভ্রমণের ক্ষেত্রে সম্পর্ক প্রমাণকারী নথি (যেমন জন্ম সনদ)।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট (কিছু ক্ষেত্রে প্রয়োজন হতে পারে)।
বিস্তারিত ভ্রমণ পরিকল্পনা (Itinerary) - প্রতিদিনের কার্যকলাপের বিবরণ।
নথি সংক্রান্ত টিপস: সকল নথি ইংরেজিতে অনূদিত হতে হবে। কিছু ক্ষেত্রে নোটারি পাবলিক দ্বারা সত্যায়িত করার প্রয়োজন হতে পারে। সকল ফটোকপির মান ভালো হতে হবে এবং দূতাবাসের ওয়েবসাইটে উল্লেখিত ফরম্যাটে জমা দিতে হবে।
৪. আবেদনের স্থান (বাংলাদেশে দূতাবাস)
বাংলাদেশের নাগরিকরা ফিলিপাইনের ভিসার জন্য ঢাকাস্থ ফিলিপাইনের দূতাবাস-এর মাধ্যমে আবেদনপত্র জমা দিতে পারেন।
ফিলিপাইনের দূতাবাস, ঢাকা (Embassy of the Philippines, Dhaka):
ঠিকানা: হাউস ১৭, রোড ৬, ব্লক কে, বারিধারা, ঢাকা ১২১২, বাংলাদেশ।
ফোন: +880 2 5504 4296-97
ই-মেইল: dhakape@gmail.com (যোগাযোগ করে নিশ্চিত হওয়া আবশ্যক)।
ওয়েবসাইট:
(এখানে ভিসা সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্য এবং যোগাযোগের বিবরণ পাওয়া যাবে)।https://www.dhakape.dfa.gov.ph/
৫. পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে আবেদন
যেহেতু বাংলাদেশে ফিলিপাইনের নিজস্ব দূতাবাস রয়েছে, তাই সাধারণত পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে আবেদন করার প্রয়োজন হয় না। তবে, যদি কোনো বিশেষ পরিস্থিতিতে কেউ ঢাকা থেকে আবেদন করতে না পারেন, তবে তারা পার্শ্ববর্তী দেশে অবস্থিত ফিলিপাইনের কূটনৈতিক মিশনের মাধ্যমে ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন, যেমন:
ফিলিপাইনের দূতাবাস, নয়াদিল্লি, ভারত (Embassy of the Philippines in New Delhi, India):
ঠিকানা: 50-N Nyaya Marg, Chanakyapuri, New Delhi 110021, India.
ফোন: +91 11 2611 0156
ই-মেইল: newdelhi.pe@dfa.gov.ph (যোগাযোগ করে নিশ্চিত হওয়া আবশ্যক)।
ওয়েবসাইট:
https://www.newdelhipe.dfa.gov.ph/
গুরুত্বপূর্ণ দ্রষ্টব্য: অন্য দেশ থেকে আবেদন করার আগে, সরাসরি তাদের সাথে ফোন বা ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে তাদের বর্তমান নিয়মাবলী, আবেদন প্রক্রিয়া, অ্যাপয়েন্টমেন্ট পদ্ধতি এবং বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ভিসার আবেদন প্রক্রিয়াকরণের বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া উচিত।
৬. ই-ভিসা (e-Visa) এবং ভিসা-অন-অ্যারাইভাল (Visa-on-Arrival)
বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, ফিলিপাইন বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য কোনো ই-ভিসা (e-Visa) বা ভিসা-অন-অ্যারাইভাল (Visa-on-Arrival) সুবিধা প্রদান করে না। বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ফিলিপাইনের ভিসা পেতে অবশ্যই আগে থেকে (Pre-arranged) সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক মিশনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে এবং পাসপোর্টে স্টিকার ভিসা লাগাতে হবে।
গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা: যেকোনো অননুমোদিত ওয়েবসাইট বা এজেন্ট যারা বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য সরাসরি "ই-ভিসা" বা "সহজ ফিলিপাইন ভিসা" এর প্রস্তাব দেয়, তাদের থেকে সতর্ক থাকুন। সবসময় ফিলিপাইনের দূতাবাস, ঢাকা, এবং তাদের অফিসিয়াল উৎসের উপর নির্ভর করুন। ভ্রমণের আগে সর্বশেষ ভিসা নীতি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ:
সম্মানিত পাঠক, ভিসা আবেদন করার সময় ফিলিপাইনের দূতাবাস, ঢাকা-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট দেখে আবেদন করবেন, কারণ প্রতিনিয়ত বিভিন্ন দেশ তাদের ভিসা নীতি, ভিসার ক্যাটাগরি, মেয়াদ এবং শর্ত পরিবর্তন করে। আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য এবং আর্থিক সচ্ছলতা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে আবেদন করা উচিত। সর্বশেষ এবং সঠিক তথ্যের জন্য সবসময় অফিসিয়াল উৎস ব্যবহার করুন এবং যেকোনো প্রকার দালালের প্রলোভনে না পড়ে নিজের আবেদন নিজে পূরণ করার চেষ্টা করুন অথবা বিশ্বস্ত এবং নিবন্ধিত ভিসা কনসালটেন্সি সংস্থার সাহায্য নিন।
GRAMEEN TOURS & Travels Whatsapp: 01336-556033 Email: grameentour@gmail.com

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন