সাইপ্রাসের পর্যটন/ভ্রমণ ভিসা: বাংলাদেশের পর্যটকদের জন্য বিস্তারিত নির্দেশিকা
সাইপ্রাস, ভূমধ্যসাগরের তৃতীয় বৃহত্তম দ্বীপ, যা তার অত্যাশ্চর্য সৈকত, ঐতিহাসিক প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ, মনোরম পর্বতমালা এবং উষ্ণ ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুর জন্য পরিচিত। অ্যাপলিসিস (Aphrodite's Rock)-এর মতো পৌরাণিক স্থান, পাফোস (Paphos)-এর ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান, আইয়া নাপা (Ayia Napa)-এর প্রাণবন্ত নাইটলাইফ এবং ট্রুডোস (Troodos) পর্বতমালার শান্ত গ্রামগুলি পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ। সাইপ্রাস সেইসব ভ্রমণকারীদের জন্য আদর্শ যারা রোদ, সমুদ্র, ইতিহাস এবং সংস্কৃতির একটি নিখুঁত সমন্বয় খুঁজছেন।
বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য সাইপ্রাস ভ্রমণের জন্য আগে থেকে ভিসা (Pre-arranged Visa) প্রয়োজন।
গুরুত্বপূর্ণ দ্রষ্টব্য: সাইপ্রাস ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য হলেও এখনও শেঙেন এলাকার (Schengen Area) পূর্ণাঙ্গ সদস্য হয়নি। তবে, সাইপ্রাসের একটি বিশেষ নীতি রয়েছে:
যদি আপনার একটি বৈধ, ডাবল এন্ট্রি বা মাল্টিপল এন্ট্রি শেঙেন ভিসা (C Type) থাকে, অথবা একটি বৈধ বুলগেরিয়ান, ক্রোয়েশিয়ান বা রোমানিয়ান ভিসা থাকে, তাহলে আপনি সাইপ্রাসে ভিসা ছাড়াই প্রবেশ করতে পারবেন এবং আপনার শেঙেন ভিসার মেয়াদ অনুযায়ী থাকতে পারবেন। এই শেঙেন ভিসার মেয়াদ ন্যূনতম আপনার সাইপ্রাসে থাকার সময়ের চেয়ে বেশি হতে হবে।
যদি আপনার উপরে উল্লিখিত ভিসা না থাকে, তবে আপনাকে সাইপ্রাসের জন্য নিজস্ব জাতীয় ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।
১. ভিসার ক্যাটাগরি (বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য):
সাইপ্রাসের ভিসা মূলত উদ্দেশ্য অনুসারে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিভক্ত। পর্যটন/ভ্রমণ সম্পর্কিত প্রধান ক্যাটাগরিগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
স্বল্প-মেয়াদী ভিসা (Short-Stay Visa / Tourist Visa - Category C):
উদ্দেশ্য: দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন, ব্যক্তিগত ছুটি কাটানো, বন্ধুবান্ধব বা আত্মীয়-স্বজনের সাথে দেখা করা, স্বল্পমেয়াদী কোর্স (৯০ দিনের কম), ব্যবসায়িক মিটিং (কাজ করা ছাড়া), সাংস্কৃতিক বা ক্রীড়া অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া ইত্যাদি। এটি মূলত পর্যটন ভিসার সমতুল্য।
মেয়াদ: যেকোনো ১৮০ দিনের মধ্যে ৯০ দিন পর্যন্ত সাইপ্রাসে থাকার অনুমতি দেয়। এটি সিঙ্গেল এন্ট্রি, ডাবল এন্ট্রি বা মাল্টিপল এন্ট্রি হতে পারে।
বিশেষ বিবেচনা: পর্যটন ভিসায় সাইপ্রাসে কাজ করা বা দীর্ঘমেয়াদী পড়াশোনা করার অনুমতি নেই।
ট্রানজিট ভিসা (Airport Transit Visa - Category A):
উদ্দেশ্য: সাইপ্রাসের কোনো বিমানবন্দরের আন্তর্জাতিক ট্রানজিট জোনের মধ্য দিয়ে অন্য কোনো তৃতীয় দেশে যাত্রার জন্য।
২. আবেদন প্রক্রিয়া (বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে):
বাংলাদেশে সাইপ্রাসের কোনো নিজস্ব দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। বাংলাদেশের নাগরিকদের সাইপ্রাসের ভিসার জন্য সাধারণত ভারতের নয়াদিল্লিতে অবস্থিত সাইপ্রাসের হাইকমিশন এর মাধ্যমে আবেদন করতে হয়। আবেদন প্রক্রিয়া ব্যক্তিগতভাবে বা অনুমোদিত এজেন্টের মাধ্যমে সম্পন্ন করা যেতে পারে।
ধাপ ১: অনলাইন আবেদন ফরম পূরণ (যদি প্রযোজ্য হয়):
কিছু দূতাবাস অনলাইনে ভিসা আবেদন ফরম পূরণের সুবিধা প্রদান করে। নয়াদিল্লির সাইপ্রাস হাইকমিশনের ওয়েবসাইটে বা তাদের সাথে যোগাযোগ করে জেনে নিন অনলাইনে ফরম পূরণ করতে হবে কিনা।
ফর্মটি নির্ভুলভাবে এবং সম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূরণ করা আবশ্যক।
ধাপ ২: অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া:
নয়াদিল্লির সাইপ্রাস হাইকমিশনের সাথে যোগাযোগ করে ভিসার আবেদন জমা দেওয়ার জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করুন।
যদি VFS Global বা অন্য কোনো অনুমোদিত সংস্থা তাদের হয়ে কাজ করে, তবে তাদের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে। (বর্তমানে, সাইপ্রাস ভারতের জন্য VFS Global-এর মাধ্যমে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া করে না, তাই সরাসরি হাইকমিশনে যোগাযোগ করা উচিত)।
ধাপ ৩: প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ:
আপনার ভিসার ক্যাটাগরি অনুযায়ী সকল আবশ্যকীয় নথিপত্র সংগ্রহ করুন। (বিস্তারিত নিচে দেখুন)
ধাপ ৪: ভিসা ফি পরিশোধ:
স্বল্প-মেয়াদী ভিসার ফি সাধারণত €৮০ (ইউরো), যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৯,০০০-১০,০০০ টাকা। ৬-১২ বছর বয়সী শিশুদের জন্য €৪০। ৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য কোনো ভিসা ফি নেই।
ফি পরিশোধের পদ্ধতি (নগদ, ব্যাংক ড্রাফট ইত্যাদি) হাইকমিশনের সাথে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া উচিত। ভিসা আবেদন বাতিল হলে ফি সাধারণত ফেরতযোগ্য নয়।
ধাপ ৫: আবেদন জমা দেওয়া:
নির্ধারিত অ্যাপয়েন্টমেন্টের দিনে সকল মূল নথি এবং তাদের ফটোকপি সহ নয়াদিল্লির সাইপ্রাস হাইকমিশনে সশরীরে উপস্থিত হয়ে আবেদন জমা দিন। যদি সশরীরে যাওয়া সম্ভব না হয়, তবে দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করে এজেন্টের মাধ্যমে জমা দেওয়ার ব্যবস্থা আছে কিনা জেনে নিন।
ধাপ ৬: সাক্ষাৎকার (যদি প্রয়োজন হয়):
কনস্যুলার অফিসার যদি প্রয়োজন মনে করেন, তবে আবেদনকারীকে ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকতে পারেন।
ধাপ ৭: ভিসা প্রক্রিয়াকরণের সময়:
ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া সাধারণত ৭-১৫ কার্যদিবস সময় নিতে পারে। তবে, কিছু ক্ষেত্রে এটি ৩০ কার্যদিবস বা তার বেশি সময়ও নিতে পারে, বিশেষ করে যদি অতিরিক্ত যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজন হয়।
ধাপ ৮: পাসপোর্ট সংগ্রহ:
ভিসা প্রক্রিয়াকরণ সম্পন্ন হলে আপনাকে পাসপোর্ট সংগ্রহের জন্য অবহিত করা হবে।
৩. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য সাধারণ তালিকা):
সাইপ্রাসের ভিসার জন্য আবেদন করতে নিম্নলিখিত নথিগুলি সাধারণত প্রয়োজন হয়:
বৈধ পাসপোর্ট:
মূল পাসপোর্ট, যার মেয়াদ সাইপ্রাস থেকে আপনার প্রস্তাবিত প্রস্থান তারিখের পরেও কমপক্ষে ৩ মাস থাকতে হবে।
পাসপোর্ট গত ১০ বছরের মধ্যে ইস্যু করা হতে হবে।
কমপক্ষে ২টি ফাঁকা ভিসা পৃষ্ঠা থাকতে হবে।
পাসপোর্টের বায়ো-ডেটা পৃষ্ঠার (ব্যক্তিগত তথ্য সম্বলিত পৃষ্ঠা) এবং ব্যবহৃত সকল পৃষ্ঠার ফটোকপি।
পূরণকৃত ভিসা আবেদন ফরম:
যথাযথভাবে পূরণ করা ও স্বাক্ষর করা ফরম।
পাসপোর্ট আকারের ছবি:
সাম্প্রতিক (৬ মাসের বেশি পুরনো নয়) ২ কপি পাসপোর্ট আকারের রঙিন ছবি (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে, উচ্চ রেজোলিউশন, ৩৫x৪৫ মিমি)। এটি শেঙেন ভিসার ছবির মানদণ্ড অনুযায়ী হতে হবে।
কভারিং লেটার:
আবেদনকারীর পক্ষ থেকে একটি ব্যক্তিগত কভারিং লেটার, যেখানে আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য, তারিখ, ভ্রমণপথের বিস্তারিত বিবরণ, এবং ভ্রমণের সম্পূর্ণ খরচের জন্য কে দায়ী থাকবে (নিজস্ব বা স্পনসর) ইত্যাদি উল্লেখ থাকবে। এটি "The High Commission of the Republic of Cyprus, New Delhi, India" কে সম্বোধন করে লিখতে হবে।
ফেরত বা পরবর্তী ভ্রমণের টিকিট:
সাইপ্রাস থেকে নিশ্চিত ফেরত টিকিট বা পরবর্তী গন্তব্যের টিকিট। গুরুত্বপূর্ণ: ভিসা না পাওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত টিকিট না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
আবাসনের প্রমাণ:
হোটেল রিজার্ভেশনের নিশ্চিতকরণ (পুরো থাকার সময়কালের জন্য)।
যদি কোনো ব্যক্তি আপনাকে আমন্ত্রণ জানান, তবে সেই ব্যক্তির দ্বারা স্বাক্ষরিত একটি আমন্ত্রণপত্র (Form 'Assumption of Responsibility for Hosting' duly certified by the Notary Public and the Ministry of Foreign Affairs of Cyprus), তার পরিচয়পত্রের কপি এবং সাইপ্রাসে তার আইনি স্ট্যাটাসের প্রমাণ।
আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ:
গত ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট (যাতে পর্যাপ্ত তহবিল দেখা যায়, যা সাইপ্রাসে আপনার থাকা ও ভ্রমণের খরচ বহন করার সক্ষমতা প্রমাণ করে)।
ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট।
ক্রেডিট কার্ড স্টেটমেন্ট, ট্রাভেলার্স চেক, বা অন্যান্য আর্থিক সম্পদের প্রমাণ।
যদি অন্য কেউ স্পনসর করেন: স্পনসরশিপ লেটার, স্পনসরের আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ (যেমন তার ব্যাংক স্টেটমেন্ট), তার পরিচয়পত্রের কপি।
পেশার প্রমাণ:
চাকরিজীবী: নিয়োগকর্তার কাছ থেকে একটি ফরওয়ার্ডিং লেটার/নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (NOC) যেখানে আপনার পদ, যোগদানের তারিখ, বেতন, দায়িত্ব এবং ভ্রমণের জন্য ছুটির মঞ্জুরি উল্লেখ থাকবে। গত ৬ মাসের বেতন স্লিপ।
ব্যবসায়ী: হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্সের ফটোকপি (ইংরেজিতে অনূদিত ও নোটারাইজড), ব্যবসার ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ভিজিটিং কার্ড।
শিক্ষার্থী: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ডের ফটোকপি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অনাপত্তি পত্র (NOC), ভর্তির প্রমাণ।
অবসরপ্রাপ্ত: পেনশন বই বা অবসরকালীন ভাতার প্রমাণপত্র।
ভ্রমণ চিকিৎসা বীমা:
ন্যূনতম €৩০,০০০ (ইউরো) কভারেজ সহ আন্তর্জাতিক ভ্রমণ চিকিৎসা বীমা, যা সাইপ্রাসে আপনার থাকার পুরো সময়কালের জন্য বৈধ থাকতে হবে এবং জরুরি চিকিৎসা, হাসপাতালে ভর্তি এবং প্রত্যাবাসন খরচ কভার করবে।
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) / জন্ম নিবন্ধন সনদ:
আবেদনকারীর পরিচয় প্রমাণের জন্য ফটোকপি।
অন্যান্য সহায়ক নথি:
বিবাহ সনদ (যদি বিবাহিত দম্পতি একসাথে ভ্রমণ করেন, নোটারি সত্যায়িত কপি)।
পরিবারের অন্যান্য সদস্যের সাথে ভ্রমণের ক্ষেত্রে সম্পর্ক প্রমাণকারী নথি (যেমন জন্ম সনদ)।
জমির দলিল বা অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তির প্রমাণ।
নথি সংক্রান্ত টিপস: সকল নথি ইংরেজিতে অনূদিত ও নোটারি পাবলিক দ্বারা সত্যায়িত হতে হবে, যদি মূল নথি বাংলায় থাকে। সকল ফটোকপির মান ভালো হতে হবে।
৪. আবেদনের স্থান (বাংলাদেশে দূতাবাস):
বর্তমানে বাংলাদেশে সাইপ্রাসের কোনো নিজস্ব দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই।
৫. পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে আবেদন:
যেহেতু বাংলাদেশে সাইপ্রাসের কোনো দূতাবাস নেই, বাংলাদেশের নাগরিকদের ভিসার জন্য ভারতের নয়াদিল্লিতে অবস্থিত সাইপ্রাসের হাইকমিশন থেকে আবেদন করতে হয়।
সাইপ্রাসের হাইকমিশন, নয়াদিল্লি, ভারত (High Commission of the Republic of Cyprus in New Delhi, India):
ঠিকানা: 106, Malcha Marg, Chanakyapuri, New Delhi - 110021, India.
ফোন: +91 11 2611 1177 / 2611 1178
ফ্যাক্স: +91 11 2611 1180
ই-মেইল (সাধারণত): delhihc@mfa.gov.cy (যোগাযোগ করে নিশ্চিত হওয়া আবশ্যক)।
ওয়েবসাইট:
(ইংরেজিতে)।https://www.mfa.gov.cy/mfa/highcom/newdelhi/newdelhi.nsf/dmlindex_en/dmlindex_en
বিশেষ দ্রষ্টব্য: নয়াদিল্লি হাইকমিশন থেকে আবেদন করার আগে, সরাসরি তাদের সাথে ফোন বা ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে তাদের বর্তমান নিয়মাবলী, আবেদন প্রক্রিয়া, অ্যাপয়েন্টমেন্ট পদ্ধতি এবং বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ভিসার আবেদন প্রক্রিয়াকরণের বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া উচিত। সশরীরে উপস্থিত থাকা বা অনুমোদিত প্রতিনিধির মাধ্যমে নথি জমা দেওয়া প্রয়োজন হতে পারে, তাই ভ্রমণের পরিকল্পনা করার সময় এই বিষয়টি মাথায় রাখা উচিত।
৬. ই-ভিসা (e-Visa):
বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, সাইপ্রাস বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য কোনো ই-ভিসা (e-Visa) ব্যবস্থা চালু করেনি যা দিয়ে তারা পূর্বেই অনলাইনে ভিসা পেয়ে সরাসরি প্রবেশ করতে পারেন। যদিও কিছু দেশের জন্য সাইপ্রাস অনলাইন আবেদন পোর্টাল ব্যবহার করে, তবে বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য এখনও দূতাবাস বা হাইকমিশনের মাধ্যমে স্টিকার ভিসার জন্য আবেদন করতে হয়।
গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা: যেকোনো অননুমোদিত ওয়েবসাইট বা এজেন্ট যারা বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য সরাসরি "ই-ভিসা" বা "সহজ সাইপ্রাস ভিসা" এর প্রস্তাব দেয়, তাদের থেকে সতর্ক থাকুন। সবসময় সাইপ্রাসের নয়াদিল্লি হাইকমিশন বা তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের উপর নির্ভর করুন। ভ্রমণের আগে সর্বশেষ ভিসা নীতি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ:
সম্মানিত পাঠকের প্রতি অনুরোধ রইল, ভিসা আবেদন করার সময় সাইপ্রাসের নয়াদিল্লি হাইকমিশন বা সংশ্লিষ্ট দেশের সুনির্দিষ্ট ওয়েবসাইট দেখে আবেদন করবেন, কারণ প্রতিনিয়ত বিভিন্ন দেশ তাদের ভিসা নীতি, ভিসার ক্যাটাগরি, মেয়াদ এবং শর্ত পরিবর্তন করে। সর্বশেষ এবং সঠিক তথ্যের জন্য সবসময় অফিসিয়াল উৎস ব্যবহার করুন এবং যেকোনো প্রকার দালালের প্রলোভনে না পড়ে নিজের আবেদন নিজে পূরণ করার চেষ্টা করুন অথবা বিশ্বস্ত এবং নিবন্ধিত ভিসা কনসালটেন্সি সংস্থার সাহায্য নিন।
GRAMEEN TOURS & Travels
Whatsapp: 01336-556033
Email: grameentour@gmail.com
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন