মঙ্গলবার, ১ জুলাই, ২০২৫

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র পর্যটন বা ভ্রমণ ভিসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

 

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের (DRC) পর্যটন/ভ্রমণ ভিসা: বাংলাদেশের পর্যটকদের জন্য বিস্তারিত নির্দেশিকা

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (DRC), মধ্য আফ্রিকার একটি বিশাল দেশ, তার অতুলনীয় প্রাকৃতিক সম্পদ, বিশাল রেইনফরেস্ট, বৈচিত্র্যময় বন্যপ্রাণী এবং কঙ্গো নদীর বিশালতার জন্য সুপরিচিত। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম রেইনফরেস্টের আবাসস্থল এই দেশটি মাউন্ট নীরাগোঙ্গোর (Mount Nyiragongo) সক্রিয় আগ্নেয়গিরি, কালাংগা জলপ্রপাত (Boyoma Falls) এবং গরিল্লা ও ওকাপি (Okapi)-এর মতো বিরল প্রজাতির প্রাণী দেখতে আসা পর্যটকদের আকর্ষণ করে। যদিও দেশটি মাঝে মাঝে রাজনৈতিক অস্থিরতার সম্মুখীন হয়েছে এবং ভ্রমণের জন্য উচ্চ সতর্কতা প্রয়োজন, এর বন্য ও অস্পৃশ্য সৌন্দর্য অ্যাডভেঞ্চার-প্রেমী এবং ইকো-পর্যটকদের জন্য এক অসাধারণ গন্তব্য।

বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (DRC) ভ্রমণের জন্য আগে থেকে ভিসা (Pre-arranged Visa) প্রয়োজন। ভালো খবর হলো, DRC সম্প্রতি ই-ভিসা (e-Visa) ব্যবস্থা চালু করেছে, যা বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়াকে সহজ করেছে।

১. ভিসার ক্যাটাগরি (বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য):

DRC এর ভিসা বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিভক্ত, যা উদ্দেশ্য অনুসারে নির্ধারিত হয়। পর্যটন/ভ্রমণ সম্পর্কিত প্রধান ক্যাটাগরিগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

  • পর্যটন ই-ভিসা (Tourist e-Visa):

    • উদ্দেশ্য: দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন, ব্যক্তিগত ছুটি কাটানো, বন্ধুবান্ধব বা আত্মীয়-স্বজনের সাথে দেখা করা, বা অন্যান্য বিনোদনমূলক কার্যক্রমে অংশ নেওয়া।

    • মেয়াদ: ই-ভিসা সাধারণত ইস্যু করার তারিখ থেকে ৩ মাস পর্যন্ত বৈধ থাকে। তবে, এই ভিসায় সাধারণত সর্বোচ্চ ৭ দিন পর্যন্ত থাকার অনুমতি দেওয়া হয়, যা DRC-তে পৌঁছানোর পর বাড়ানো যেতে পারে। কিছু সূত্র ৯০ দিন পর্যন্ত মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার কথাও উল্লেখ করে, তবে ই-ভিসার জন্য স্বল্পমেয়াদী মেয়াদই বেশি প্রচলিত।

    • বিশেষ বিবেচনা: পর্যটন ভিসায় DRC-তে কাজ করা বা দীর্ঘমেয়াদী পড়াশোনা করার অনুমতি নেই।

  • ব্যবসায়ী ই-ভিসা (Business e-Visa):

    • উদ্দেশ্য: ব্যবসায়িক মিটিং, আলোচনা, চুক্তি সম্পাদন, সম্মেলন বা সেমিনারে অংশগ্রহণ, বা অন্যান্য ব্যবসায়িক কার্যকলাপের জন্য।

    • মেয়াদ: পর্যটন ই-ভিসার মতোই স্বল্পমেয়াদী হতে পারে, অথবা দীর্ঘমেয়াদী ভিসার জন্য দূতাবাসের মাধ্যমে আবেদন করতে হতে পারে।

    • আবশ্যকতা: DRC এর কোনো বৈধ প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির কাছ থেকে আমন্ত্রণপত্র আবশ্যক।

  • ট্রানজিট ই-ভিসা (Transit e-Visa):

    • উদ্দেশ্য: DRC এর মধ্য দিয়ে অন্য কোনো তৃতীয় দেশে যাত্রার জন্য।

২. আবেদন প্রক্রিয়া (বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে - ই-ভিসা):

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র সম্প্রতি একটি অনলাইন ই-ভিসা আবেদন পোর্টাল চালু করেছে, যা বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা প্রাপ্তির প্রক্রিয়াকে অনেক সহজ করেছে।

  • ধাপ ১: অনলাইন অ্যাকাউন্ট তৈরি:

    • DRC এর ইমিগ্রেশন ডিরেক্টরেট জেনারেলের (Direction Générale de Migration - DGM) অফিসিয়াল ই-ভিসা পোর্টালে প্রবেশ করুন: https://evisa.gouv.cd/

    • ওয়েবসাইটে একটি নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন।

  • ধাপ ২: অনলাইন আবেদন ফরম পূরণ:

    • আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করে ই-ভিসা আবেদন ফরমটি নির্ভুলভাবে এবং সম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূরণ করুন। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য, পাসপোর্টের বিবরণ, ভ্রমণের উদ্দেশ্য এবং আবাসনের বিবরণ দিতে হবে।

  • ধাপ ৩: প্রয়োজনীয় নথি স্ক্যান ও আপলোড:

    • ফরম পূরণের সময় উল্লেখিত সকল প্রয়োজনীয় নথির স্ক্যান কপি (PDF, JPEG ইত্যাদি ফরম্যাটে) আপলোড করুন। (বিস্তারিত নিচে দেখুন)

  • ধাপ ৪: প্রশাসনিক ফি পরিশোধ:

    • আবেদন জমা দেওয়ার পূর্বে একটি প্রাথমিক প্রশাসনিক ফি পরিশোধ করতে হতে পারে। এটি সাধারণত অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে ক্রেডিট কার্ড বা ডেবিট কার্ড ব্যবহার করে করা যায়।

  • ধাপ ৫: আবেদন জমা দেওয়া ও বিশ্লেষণ:

    • সকল তথ্য ও নথি যাচাই করার পর আবেদন জমা দিন। DGM আপনার আবেদনটি ৩ কার্যদিবসের মধ্যে বিশ্লেষণ করবে বলে জানানো হয়।

  • ধাপ ৬: ভিসা ফি পরিশোধ:

    • প্রাথমিক বিশ্লেষণের পর আপনার আবেদন অনুমোদিত হলে, আপনাকে মূল ভিসা ফি পরিশোধ করার জন্য অবহিত করা হবে। এটিও অনলাইনে নিরাপদ পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। DRC ভিসার ফি সাধারণত $৬০ থেকে $১০০ USD পর্যন্ত হতে পারে, যা ভিসার ধরন এবং মেয়াদের উপর নির্ভর করে।

    • গুরুত্বপূর্ণ: ভিসা আবেদন বাতিল হলে ফি সাধারণত ফেরতযোগ্য নয়।

  • ধাপ ৭: ই-ভিসা ডাউনলোড:

    • ফি পরিশোধের পর, আপনার ই-ভিসা পিডিএফ ফরম্যাটে আপনার নিবন্ধিত ইমেইল ঠিকানায় পাঠানো হবে। এটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিন।

  • ধাপ ৮: DRC-তে প্রবেশ:

    • DRC-তে পৌঁছানোর পর (সাধারণত ন'জিলি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, কিনশাসা), ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছে আপনার প্রিন্ট করা ই-ভিসা, পাসপোর্ট এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথি দেখান। ই-ভিসা প্রধান বিমানবন্দরগুলোতে গ্রহণ করা হয়।

    ভিসা প্রক্রিয়াকরণের সময়: ই-ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া সাধারণত ৫-৭ কার্যদিবস সময় নিতে পারে, যদি সকল নথি সম্পূর্ণ থাকে। তবে, কিছু ক্ষেত্রে এটি বেশি সময়ও নিতে পারে।

৩. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ই-ভিসার সাধারণ তালিকা):

DRC এর ই-ভিসার জন্য আবেদন করতে নিম্নলিখিত নথিগুলি সাধারণত প্রয়োজন হয়:

  • বৈধ পাসপোর্ট:

    • মূল পাসপোর্টের বায়ো-ডেটা পৃষ্ঠার একটি স্পষ্ট স্ক্যান কপি।

    • পাসপোর্টের মেয়াদ DRC থেকে আপনার প্রস্তাবিত প্রস্থান তারিখের পরেও কমপক্ষে ৬ মাস থাকতে হবে।

    • পাসপোর্টে অন্তত একটি ফাঁকা পৃষ্ঠা থাকতে হবে।

  • পাসপোর্ট আকারের ছবি:

    • সাম্প্রতিক (৬ মাসের বেশি পুরনো নয়) ১-২ কপি ডিজিটাল পাসপোর্ট আকারের রঙিন ছবি (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে, উচ্চ রেজোলিউশন, 35mm x 45mm বা 30mm x 40mm)। ছবির নির্দিষ্ট কিছু নিয়মাবলী থাকতে পারে।

  • ফেরত বা পরবর্তী ভ্রমণের টিকিট:

    • DRC থেকে নিশ্চিত ফেরত টিকিট বা পরবর্তী গন্তব্যের টিকিট। এটি প্রমাণ করে যে আপনি একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য যাচ্ছেন এবং ফিরে আসবেন।

  • আবাসনের প্রমাণ:

    • হোটেল রিজার্ভেশনের নিশ্চিতকরণ (পুরো থাকার সময়কালের জন্য)।

    • যদি কোনো ব্যক্তি আপনাকে আমন্ত্রণ জানান, তবে সেই ব্যক্তির দ্বারা স্বাক্ষরিত একটি আমন্ত্রণপত্র এবং তার পরিচয়ের প্রমাণ (যেমন আইডি কার্ড বা রেসিডেন্ট পারমিট)। আমন্ত্রণপত্রে আপনার থাকার ব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত উল্লেখ থাকতে হবে।

  • আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ (কিছু ক্ষেত্রে):

    • গত ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট (যাতে পর্যাপ্ত তহবিল দেখা যায়, যা DRC-তে আপনার থাকা ও ভ্রমণের খরচ বহন করার সক্ষমতা প্রমাণ করে)।

  • পেশার প্রমাণ:

    • চাকরিজীবী: নিয়োগকর্তার কাছ থেকে একটি ফরওয়ার্ডিং লেটার/নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (NOC) যেখানে আপনার পদ, যোগদানের তারিখ, বেতন, দায়িত্ব এবং ভ্রমণের জন্য ছুটির মঞ্জুরি উল্লেখ থাকবে।

    • ব্যবসায়ী: হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্সের ফটোকপি (ইংরেজিতে অনূদিত ও নোটারাইজড), ব্যবসার ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ভিজিটিং কার্ড।

  • হলুদ জ্বর টিকা সনদ (Yellow Fever Vaccination Certificate):

    • DRC-তে প্রবেশের জন্য হলুদ জ্বরের টিকা সনদ বাধ্যতামূলক। একটি স্বীকৃত মেডিকেল সেন্টার থেকে টিকা নিয়ে সনদটি সংগ্রহ করুন। এটি ভ্রমণের সময় সঙ্গে রাখতে হবে।

  • জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) / জন্ম নিবন্ধন সনদ:

    • আবেদনকারীর পরিচয় প্রমাণের জন্য ফটোকপি।

নথি সংক্রান্ত টিপস: সকল নথি ইংরেজিতে বা ফরাসি ভাষায় অনূদিত ও নোটারি পাবলিক দ্বারা সত্যায়িত হতে হবে, যদি মূল নথি বাংলায় থাকে। স্ক্যান করা নথিগুলির গুণমান ভালো হতে হবে যাতে স্পষ্টভাবে পড়া যায়।

৪. আবেদনের স্থান (বাংলাদেশে দূতাবাস):

বর্তমানে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের কোনো নিজস্ব দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই।

৫. পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে আবেদন:

যেহেতু গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ই-ভিসা সুবিধা চালু করেছে, তাই সাধারণত পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে আগাম ভিসার জন্য আবেদন করার প্রয়োজন হয় না। তবে, যদি কোনো কারণে ই-ভিসা প্রক্রিয়া সম্ভব না হয় বা আপনার ভিসার ধরন ই-ভিসার আওতার বাইরে হয়, তাহলে নিকটস্থ দূতাবাস বা কনস্যুলেটে যোগাযোগ করা যেতে পারে।

  • গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের দূতাবাস, নয়াদিল্লি, ভারত (Embassy of the Democratic Republic of Congo in New Delhi, India):

    • ঠিকানা: E6/5, Block E, Vasant Vihar, New Delhi - 110057, India.

    • ফোন: +91 11 2618 3354 / 4166 0976

    • ই-মেইল: congoembassy@yahoo.co.in (যোগাযোগ করে নিশ্চিত হওয়া আবশ্যক)।

    • ওয়েবসাইট: https://www.ambardc-india.com/

    • নয়াদিল্লি দূতাবাস সাধারণত মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার জন্য আবেদন গ্রহণ করে, যা ৭ দিনের ই-ভিসার চেয়ে দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। তবে, তাদের নিয়মাবলী এবং প্রয়োজনীয়তা ই-ভিসার চেয়ে ভিন্ন হতে পারে এবং সশরীরে উপস্থিতির প্রয়োজন হতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ দ্রষ্টব্য: নয়াদিল্লি দূতাবাস থেকে আবেদন করার আগে, সরাসরি তাদের সাথে ফোন বা ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে তাদের বর্তমান নিয়মাবলী, আবেদন প্রক্রিয়া এবং বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ভিসার আবেদন প্রক্রিয়াকরণের বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া উচিত।

৬. ই-ভিসা (e-Visa):

হ্যাঁ, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ই-ভিসা (e-Visa) সুবিধা প্রদান করে। এটি ভিসা প্রাপ্তির সবচেয়ে সুবিধাজনক উপায়।

  • অফিসিয়াল ই-ভিসা পোর্টাল: https://evisa.gouv.cd/

  • সুবিধা: ঘরে বসেই অনলাইনে আবেদন, নথি আপলোড এবং ফি পরিশোধ করা যায়। ভিসা অনুমোদিত হলে ইমেইলে ই-ভিসা পাওয়া যায়, যা প্রিন্ট করে ভ্রমণের সময় সাথে রাখতে হয়।

  • মেয়াদ ও শর্ত: ই-ভিসার মেয়াদ এবং থাকার অনুমতি ভিসার ধরন অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়। সাধারণত, পর্যটন ই-ভিসা ৭ দিনের জন্য বৈধ থাকে, যা দেশে প্রবেশ করে বাড়ানো যেতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা: যেকোনো অননুমোদিত ওয়েবসাইট বা এজেন্ট যারা বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য সরাসরি ই-ভিসা বা সহজ প্রক্রিয়ার প্রস্তাব দেয়, তাদের থেকে সতর্ক থাকুন। সবসময় গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের DGM এর অফিসিয়াল ই-ভিসা পোর্টাল এবং তাদের দূতাবাস/কনস্যুলেটের অফিসিয়াল উৎসের উপর নির্ভর করুন। ভ্রমণের আগে সর্বশেষ ভিসা নীতি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ:

সম্মানিত পাঠকের প্রতি অনুরোধ রইল, ভিসা আবেদন করার সময় গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের অফিসিয়াল ই-ভিসা পোর্টাল (https://evisa.gouv.cd/) অথবা নয়াদিল্লির দূতাবাস (https://www.ambardc-india.com/) এর সুনির্দিষ্ট ওয়েবসাইট দেখে আবেদন করবেন, কারণ প্রতিনিয়ত বিভিন্ন দেশ তাদের ভিসা নীতি, ভিসার ক্যাটাগরি, মেয়াদ এবং শর্ত পরিবর্তন করে। সর্বশেষ এবং সঠিক তথ্যের জন্য সবসময় অফিসিয়াল উৎস ব্যবহার করুন এবং যেকোনো প্রকার দালালের প্রলোভনে না পড়ে নিজের আবেদন নিজে পূরণ করার চেষ্টা করুন অথবা বিশ্বস্ত এবং নিবন্ধিত ভিসা কনসালটেন্সি সংস্থার সাহায্য নিন।


GRAMEEN TOURS & TravelsWhatsapp: 01336-556033 Email: grameentour@gmail.com

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

কানাডা গমনেচ্ছুদের জন্য অত্যন্ত জরুরি: আপনার কি ATIP অ্যাকাউন্ট আছে? না থাকলে কেন আজই প্রয়োজন?

কানাডা গমনেচ্ছুদের জন্য অত্যন্ত জরুরি: আপনার কি ATIP অ্যাকাউন্ট আছে? না থাকলে কেন আজই প্রয়োজন? আপনি কি কানাডার ভিসার জন্য আবেদন করেছেন? অথবা...