জর্ডানের পর্যটন/ভ্রমণ ভিসা: বাংলাদেশের পর্যটকদের জন্য বিস্তারিত নির্দেশিকা
জর্ডান, মধ্যপ্রাচ্যের একটি ঐতিহাসিক দেশ, যা তার প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, বাইবেলের ল্যান্ডমার্ক, মরুভূমির বিস্ময় এবং লাল সাগরের উপকূলের জন্য পরিচিত। পেট্রার (Petra) গোলাপী শহর, ওয়াদি রামের (Wadi Rum) নাটকীয় মরুভূমি, মৃত সাগর (Dead Sea)-এর ভাসমান অভিজ্ঞতা, এবং আম্মানের (Amman) ঐতিহাসিক ও আধুনিক মিশ্রণ পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ। জর্ডান সেইসব ভ্রমণকারীদের জন্য আদর্শ যারা একটি সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে চান।
গুরুত্বপূর্ণ দ্রষ্টব্য: বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য জর্ডান ভ্রমণের জন্য আগে থেকে ভিসা (Pre-arranged Visa) প্রয়োজন। জর্ডান কিছু নির্দিষ্ট দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা-অন-অ্যারাইভাল (Visa-on-Arrival - VoA) সুবিধা প্রদান করে, তবে বাংলাদেশের নাগরিকরা এই সুবিধার অন্তর্ভুক্ত নন। জর্ডানের দূতাবাস কর্তৃক ই-ভিসা (e-Visa) ব্যবস্থা সম্প্রতি চালু করা হয়েছে।
১. ভিসার ক্যাটাগরি (বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য)
জর্ডানের ভিসা
মূলত উদ্দেশ্য
অনুসারে বিভিন্ন
ক্যাটাগরিতে বিভক্ত।
পর্যটন/ভ্রমণ
সম্পর্কিত প্রধান
ক্যাটাগরিগুলো নিচে
তুলে ধরা
হলো:
·
পর্যটন ভিসা
(Tourist Visa - Single Entry / Multiple Entry):
o
উদ্দেশ্য:
দর্শনীয় স্থান
পরিদর্শন, ব্যক্তিগত
ছুটি কাটানো,
বন্ধুবান্ধব বা
আত্মীয়-স্বজনের
সাথে দেখা
করা, ঐতিহাসিক
ও ধর্মীয়
স্থান ভ্রমণ।
o
মেয়াদ:
সাধারণত ৩০ দিন
পর্যন্ত থাকার
অনুমতি দেওয়া
হয়। এটি
সিঙ্গেল এন্ট্রি
ভিসা হতে
পারে। কিছু
ক্ষেত্রে মাল্টিপল
এন্ট্রি ভিসাও
ইস্যু করা
যেতে পারে,
যা দূতাবাসের
সিদ্ধান্তের ওপর
নির্ভর করে।
o
বিশেষ বিবেচনা:
পর্যটন ভিসায়
জর্ডানে কাজ
করা বা
দীর্ঘমেয়াদী পড়াশোনা
করার অনুমতি
নেই।
·
ই-ভিসা
(e-Visa):
o
উদ্দেশ্য:
পর্যটন বা
স্বল্পমেয়াদী ভ্রমণ।
o
যোগ্যতা:
বাংলাদেশের নাগরিকরা
এখন জর্ডানের
ই-ভিসার
জন্য আবেদন
করতে পারেন।
o
মেয়াদ:
সাধারণত ৩০ দিন
পর্যন্ত বৈধ।
এটি অনলাইন
পোর্টালে পূরণ
করে, প্রয়োজনীয়
কাগজপত্র আপলোড
করে এবং
ফি পরিশোধ
করে পাওয়া
যায়। ই-ভিসা
পেলে আপনাকে
দূতাবাস পরিদর্শনের
প্রয়োজন নাও
হতে পারে,
সরাসরি প্রিন্ট
নিয়ে ভ্রমণ
করা যেতে
পারে। এটি একটি সুবিধাজনক এবং কার্যকর পদ্ধতি।
·
ব্যবসায়ী ভিসা
(Business Visa):
o
উদ্দেশ্য:
ব্যবসায়িক মিটিং,
আলোচনা, চুক্তি
সম্পাদন, সম্মেলন
বা সেমিনারে
অংশগ্রহণ, বা
অন্যান্য ব্যবসায়িক
কার্যকলাপের জন্য।
o
আবশ্যকতা:
জর্ডানের কোনো
বৈধ প্রতিষ্ঠান
বা ব্যক্তির
কাছ থেকে
আমন্ত্রণপত্র আবশ্যক।
·
ট্রানজিট ভিসা
(Transit Visa):
o
উদ্দেশ্য:
জর্ডানের মধ্য
দিয়ে অন্য
কোনো তৃতীয়
দেশে যাত্রার
জন্য (সাধারণত
৭২ ঘণ্টা
পর্যন্ত)।
২. আবেদন প্রক্রিয়া (বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে)
বাংলাদেশে জর্ডানের
নিজস্ব দূতাবাস
রয়েছে। বাংলাদেশের
নাগরিকরা জর্ডানের
ভিসার জন্য
ঢাকার জর্ডানের দূতাবাস-এর
মাধ্যমে অথবা
নতুন ই-ভিসা পোর্টাল-এর
মাধ্যমে আবেদন
করতে পারেন।
ই-ভিসা
এখন একটি
সহজলভ্য বিকল্প।
সাধারণ আবেদন প্রক্রিয়া নিম্নরূপ হতে পারে:
·
ধাপ ১: ই-ভিসা পোর্টাল ব্যবহার (প্রস্তাবিত পদ্ধতি):
o
জর্ডানের অফিসিয়াল
ই-ভিসা
পোর্টালে (https://eservices.moi.gov.jo/MOI_EVISA/)
প্রবেশ করুন।
o
একটি অ্যাকাউন্ট
তৈরি করুন
এবং অনলাইন আবেদন ফরমটি নির্ভুলভাবে এবং সম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূরণ করুন।
o
ফর্ম পূরণের
সময় আপনার
পাসপোর্ট সাইজের ছবি
এবং পাসপোর্টের বায়ো-ডাটা পৃষ্ঠার স্ক্যান করা কপি
আপলোড করতে
হবে। ছবি
এবং স্ক্যান
করা নথির
আকার এবং
গুণমান নির্দিষ্ট
মান অনুযায়ী
হতে হবে।
o
আবেদনপত্র জমা
দেওয়ার আগে
সকল প্রয়োজনীয়
নথি (যেমন:
রিটার্ন টিকিট,
হোটেল রিজার্ভেশন)
আপলোড করতে
হতে পারে।
o
সকল তথ্য
এবং নথি
আপলোড করার
পর, ভিসা ফি অনলাইনে পরিশোধ করুন।
o
অনুমোদন পেলে,
আপনি ই-মেইলে
আপনার ই-ভিসা
পাবেন, যা
প্রিন্ট করে
সরাসরি এন্ট্রি
পয়েন্টে দেখাতে
পারবেন।
·
ধাপ ২: দূতাবাসের মাধ্যমে আবেদন (যদি ই-ভিসা সম্ভব না হয় বা অন্য ভিসার প্রয়োজন হয়):
o
জর্ডানের ঢাকার
দূতাবাসের সাথে
যোগাযোগ করে
ভিসা আবেদন
ফরম সংগ্রহ
করুন। ফরমটি
হাতে লেখা
না হয়ে
টাইপ করা
হলে ভালো।
o
দূতাবাসের সাথে
যোগাযোগ করে
জেনে নিন
অ্যাপয়েন্টমেন্টের প্রয়োজন
আছে কিনা
এবং প্রয়োজনীয়
কাগজপত্র সম্পর্কে
নিশ্চিত হয়ে
নিন।
o নির্ধারিত দিনে সকল মূল নথি এবং সেগুলোর ফটোকপি সহ দূতাবাসে সশরীরে উপস্থিত হয়ে আবেদন জমা দিন।
o
ভিসা ফি
দূতাবাসে নগদ
টাকায় পরিশোধ
করতে হবে।
o
আবেদনের সময়
আপনার বায়োমেট্রিক
তথ্য (আঙ্গুলের
ছাপ) নেওয়া
হতে পারে।
·
ধাপ ৩: ভিসা ফি পরিশোধ:
o
ভিসার ফি
ভিসার ধরন
এবং মেয়াদের
ওপর নির্ভর
করে পরিবর্তিত
হয়।
o
৩০ দিনের সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসার ফি:
প্রায় ৪০ জর্ডানিয়ান দিনার
(JOD), যা
বাংলাদেশী টাকায়
প্রায় ৬,০০০-৭,৫০০ টাকা।
অনলাইনে পরিশোধ
করতে হয়।
o
গুরুত্বপূর্ণ:
ভিসা আবেদন
বাতিল হলে
ফি সাধারণত
ফেরতযোগ্য নয়।
·
ধাপ ৪: সাক্ষাৎকার (যদি প্রয়োজন হয়):
o
দূতাবাস কর্তৃপক্ষ
যদি প্রয়োজন
মনে করে,
তবে আবেদনকারীকে
ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকারের
জন্য ডাকতে
পারেন।
·
ধাপ ৫: ভিসা প্রক্রিয়াকরণের সময়:
o
ই-ভিসার
আবেদন প্রক্রিয়া
সাধারণত ৩-৫ কার্যদিবস
সময় নিতে
পারে। দূতাবাসের
মাধ্যমে আবেদন
করলে ৫-১০ কার্যদিবস
বা তার
বেশি সময়
লাগতে পারে।
·
ধাপ ৬: ভিসা/পাসপোর্ট সংগ্রহ:
o
ই-ভিসা
অনুমোদিত হলে,
এটি আপনার
ইমেইলে পাঠানো
হবে। দূতাবাসের
মাধ্যমে আবেদন
করলে, প্রক্রিয়াকরণ
সম্পন্ন হলে
আপনাকে পাসপোর্ট
সংগ্রহের জন্য
অবহিত করা
হবে।
৩.
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
(বাংলাদেশের নাগরিকদের
জন্য সাধারণ
তালিকা)
জর্ডানের ভিসার
জন্য আবেদন
করতে নিম্নলিখিত
নথিগুলো সাধারণত
প্রয়োজন হয়:
·
বৈধ পাসপোর্ট:
o
মূল পাসপোর্ট,
যার মেয়াদ
জর্ডান থেকে
আপনার প্রস্তাবিত
প্রস্থান তারিখের
পরেও কমপক্ষে
৬ মাস
থাকতে হবে।
o
পাসপোর্টে কমপক্ষে
২টি ফাঁকা ভিসা পৃষ্ঠা
থাকতে হবে।
o
পাসপোর্টের বায়ো-ডেটা
পৃষ্ঠার (ব্যক্তিগত
তথ্য সম্বলিত
পৃষ্ঠা) এবং
ব্যবহৃত সকল
পৃষ্ঠার ফটোকপি।
o
সকল পুরাতন
পাসপোর্টের ফটোকপি
(যদি থাকে)।
·
পূরণকৃত ভিসা আবেদন ফরম:
o
অনলাইন ই-ভিসা
পোর্টালে পূরণকৃত
ফরমের প্রিন্ট
কপি (যদি
ই-ভিসা
ব্যবহার করেন)।
o
যদি দূতাবাসের
মাধ্যমে আবেদন
করেন, টাইপ
করা এবং
স্বাক্ষর করা
আবেদন ফরম।
·
পাসপোর্ট আকারের ছবি:
o
সাম্প্রতিক (৬
মাসের বেশি
পুরনো নয়)
২ কপি পাসপোর্ট আকারের রঙিন ছবি
(সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে,
উচ্চ রেজোলিউশন,
সাধারণত ২x২
ইঞ্চি)।
·
কভারিং লেটার:
o
আবেদনকারীর পক্ষ
থেকে একটি
ব্যক্তিগত কভারিং
লেটার, যেখানে
আপনার ভ্রমণের
উদ্দেশ্য, তারিখ,
ভ্রমণপথের বিস্তারিত
বিবরণ, এবং
ভ্রমণের সম্পূর্ণ
খরচের জন্য
কে দায়ী
থাকবে (নিজস্ব
বা স্পনসর)
ইত্যাদি উল্লেখ
থাকবে। এটি
"To the Embassy of the Hashemite Kingdom of Jordan in Dhaka,
Bangladesh" কে সম্বোধন
করে লিখতে
হবে।
·
ফেরত বা পরবর্তী ভ্রমণের টিকিট:
o
জর্ডান থেকে
নিশ্চিত ফেরত
টিকিট বা
পরবর্তী গন্তব্যের
টিকিট।
·
আবাসনের প্রমাণ:
o
হোটেল রিজার্ভেশনের
নিশ্চিতকরণ (পুরো
থাকার সময়কালের
জন্য)।
o
যদি জর্ডানে
কোনো ব্যক্তি
আপনাকে আমন্ত্রণ
জানান, তবে
সেই ব্যক্তির
দ্বারা স্বাক্ষরিত
একটি আমন্ত্রণপত্র
এবং তার
পরিচয়পত্রের কপি।
আমন্ত্রণপত্রে আপনার
থাকার ব্যবস্থা
সম্পর্কে বিস্তারিত
উল্লেখ থাকতে
হবে।
·
আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ:
o
গত ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট
(যাতে পর্যাপ্ত
তহবিল দেখা
যায়, যা
জর্ডানে আপনার
থাকা ও
ভ্রমণের খরচ
বহন করার
সক্ষমতা প্রমাণ
করে)।
o
ব্যাংক কর্তৃক
সিল ও
স্বাক্ষর করা
হতে হবে।
o
ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট।
o
ক্রেডিট কার্ড
স্টেটমেন্ট, ট্রাভেলার্স
চেক, বা
অন্যান্য আর্থিক
সম্পদের প্রমাণ।
o
যদি অন্য
কেউ স্পনসর
করেন: স্পনসরশিপ
লেটার, স্পনসরের
আর্থিক সক্ষমতার
প্রমাণ (যেমন
তার ব্যাংক
স্টেটমেন্ট), তার
পরিচয়পত্রের কপি।
·
পেশার প্রমাণ:
o
চাকরিজীবী:
নিয়োগকর্তার কাছ
থেকে একটি
ফরওয়ার্ডিং লেটার/নো
অবজেকশন সার্টিফিকেট
(NOC) যেখানে আপনার
পদ, যোগদানের
তারিখ, বেতন,
দায়িত্ব এবং
ভ্রমণের জন্য
ছুটির মঞ্জুরি
উল্লেখ থাকবে।
গত ৩-৬
মাসের বেতন
স্লিপ।
o
ব্যবসায়ী:
হালনাগাদ ট্রেড
লাইসেন্সের ফটোকপি
(ইংরেজিতে অনূদিত
ও নোটারাইজড),
ব্যবসার ব্যাংক
স্টেটমেন্ট, চেম্বার
অফ কমার্সের
সদস্যতা সনদ,
ভিজিটিং কার্ড।
o
শিক্ষার্থী:
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের
আইডি কার্ডের
ফটোকপি, শিক্ষা
প্রতিষ্ঠান থেকে
অনাপত্তি পত্র
(NOC), ভর্তির প্রমাণ।
o
অবসরপ্রাপ্ত:
পেনশন বই
বা অবসরকালীন
ভাতার প্রমাণপত্র।
·
জাতীয় পরিচয়পত্র
(NID) / জন্ম নিবন্ধন সনদ:
o
আবেদনকারীর পরিচয়
প্রমাণের জন্য
ফটোকপি।
·
অন্যান্য সহায়ক নথি (যদি প্রয়োজন হয়):
o
বিবাহ সনদ
(যদি বিবাহিত
দম্পতি একসাথে
ভ্রমণ করেন,
নোটারি সত্যায়িত
কপি)।
o
পরিবারের অন্যান্য
সদস্যের সাথে
ভ্রমণের ক্ষেত্রে
সম্পর্ক প্রমাণকারী
নথি (যেমন
জন্ম সনদ)।
o
জমির দলিল
বা অন্যান্য
স্থাবর সম্পত্তির
প্রমাণ।
নথি সংক্রান্ত টিপস:
সকল নথি
ইংরেজিতে বা
আরবিতে অনূদিত
ও নোটারি
পাবলিক দ্বারা
সত্যায়িত হতে
হবে, যদি
মূল নথি
বাংলায় থাকে।
সকল ফটোকপির
মান ভালো
হতে হবে।
৪.
আবেদনের স্থান
(বাংলাদেশে দূতাবাস)
বাংলাদেশের নাগরিকদের
জন্য জর্ডানের
ভিসা আবেদন
করার প্রধান
স্থান হলো
জর্ডানের দূতাবাস, ঢাকা
(Embassy of the Hashemite Kingdom of Jordan in Dhaka)।
তবে, বর্তমানে
ই-ভিসা পোর্টাল
একটি সহজ
বিকল্প প্রদান
করে।
·
জর্ডানের দূতাবাস, ঢাকা:
o
ঠিকানা:
বাড়ি # ৪,
সড়ক # ১১৭,
গুলশান ১,
ঢাকা ১২১২,
বাংলাদেশ।
o
ফোন:
+880 2 222299839
o
ফ্যাক্স:
+880 2 222299840
o
ই-মেইল:
dhaka@fm.gov.jo
o
ওয়েবসাইট:
(সাধারণত সরাসরি
ওয়েবসাইট থাকে
না, পররাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের
মাধ্যমে তথ্য
পাওয়া যেতে
পারে, অথবা
ফোন করে
নিশ্চিত হওয়া
উচিত)।
৫.
পার্শ্ববর্তী দেশ
থেকে আবেদন
যেহেতু বাংলাদেশে
জর্ডানের নিজস্ব
দূতাবাস রয়েছে
এবং তারা
বাংলাদেশের নাগরিকদের
জন্য ভিসা
আবেদন গ্রহণ
করে, তাই
সাধারণত পার্শ্ববর্তী
দেশ থেকে
আবেদন করার
প্রয়োজন হয়
না। তবে,
যদি কোনো
কারণে কেউ
অন্য কোনো
দেশে দীর্ঘমেয়াদী
বাস করেন,
তাহলে তারা
সেই দেশের
জর্ডানের দূতাবাস
বা কনস্যুলেটের
মাধ্যমে আবেদন
করতে পারেন।
৬.
ই-ভিসা
(e-Visa)
জর্ডান বর্তমানে বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য একটি কার্যকরী ই-ভিসা
(e-Visa) ব্যবস্থা চালু করেছে।
এটি ভিসা
প্রাপ্তির একটি
সহজ এবং
দ্রুত উপায়।
ই-ভিসা
অনলাইন পোর্টালে
আবেদন, নথি
আপলোড এবং
ফি পরিশোধের
মাধ্যমে সম্পন্ন
হয় এবং
অনুমোদিত ভিসা
ইমেইলে সরাসরি
পাওয়া যায়।
এর ফলে
দূতাবাসে সশরীরে
যাওয়ার প্রয়োজন
নাও হতে
পারে।
·
জর্ডানের ই-ভিসা পোর্টাল:
https://eservices.moi.gov.jo/MOI_EVISA/
গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা:
যেকোনো অননুমোদিত
ওয়েবসাইট বা
এজেন্ট যারা
জর্ডানের নামে
প্রতারণামূলক "ই-ভিসা"
বা "সহজ
জর্ডান ভিসা"
এর প্রস্তাব
দেয়, তাদের
থেকে সতর্ক
থাকুন। সবসময়
জর্ডানের অফিসিয়াল
ই-ভিসা
পোর্টাল এবং
ঢাকার জর্ডানের
দূতাবাসের অফিসিয়াল
উৎসের উপর
নির্ভর করুন।
ভ্রমণের আগে
সর্বশেষ ভিসা
নীতি সম্পর্কে
নিশ্চিত হওয়া
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ:
সম্মানিত পাঠক, ভিসা আবেদন করার সময় জর্ডানের ই-ভিসা পোর্টাল এবং ঢাকার জর্ডানের দূতাবাসের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট দেখে আবেদন করবেন, কারণ প্রতিনিয়ত বিভিন্ন দেশ তাদের ভিসা নীতি, ভিসার ক্যাটাগরি, মেয়াদ এবং শর্ত পরিবর্তন করে। সর্বশেষ এবং সঠিক তথ্যের জন্য সবসময় অফিসিয়াল উৎস ব্যবহার করুন এবং যেকোনো প্রকার দালালের প্রলোভনে না পড়ে নিজের আবেদন নিজে পূরণ করার চেষ্টা করুন অথবা বিশ্বস্ত এবং নিবন্ধিত ভিসা কনসালটেন্সি সংস্থার সাহায্য নিন।
GRAMEEN TOURS & Travels
Whatsapp: 01336-556033
Email: grameentour@gmail.com




কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন