দক্ষিণ
কোরিয়ার পর্যটন/ভ্রমণ
ভিসা: বাংলাদেশের
পর্যটকদের জন্য
বিস্তারিত নির্দেশিকা
দক্ষিণ কোরিয়া,
পূর্ব এশিয়ার
একটি দেশ,
যা তার
অত্যাধুনিক প্রযুক্তি,
কে-পপ
(K-Pop) ও কে-ড্রামা
(K-Drama)-এর মতো
জনপ্রিয় সংস্কৃতি,
প্রাচীন ঐতিহ্য,
মনোরম প্রাকৃতিক
সৌন্দর্য এবং
ব্যতিক্রমী রন্ধনশিল্পের
জন্য বিশ্বজুড়ে
পরিচিত। সিউলের
(Seoul) প্রাণবন্ত মহানগরী,
বুসানের (Busan) উপকূলীয়
সৌন্দর্য, জেজু
দ্বীপের (Jeju Island) আগ্নেয়গিরির
ল্যান্ডস্কেপ, জিয়নজু
হানক ঐতিহ্যবাহী
গ্রামের (Jeonju Hanok Village)
ঐতিহাসিক স্থাপত্য
এবং চেরি
ব্লসমের (Cherry Blossom) মতো
ঋতুভিত্তিক সৌন্দর্য
পর্যটকদের কাছে
বিশেষ আকর্ষণ।
দক্ষিণ কোরিয়া
সেইসব ভ্রমণকারীদের
জন্য আদর্শ
যারা আধুনিকতা
ও ঐতিহ্যের
এক অনন্য
মিশ্রণ এবং
একটি সমৃদ্ধ
সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা
খুঁজছেন।
গুরুত্বপূর্ণ দ্রষ্টব্য:
বাংলাদেশের নাগরিকদের
জন্য দক্ষিণ
কোরিয়া ভ্রমণের
জন্য আগে থেকে ভিসা
(Pre-arranged Visa) প্রয়োজন।
দক্ষিণ কোরিয়া
বাংলাদেশের নাগরিকদের
জন্য কোনো
ই-ভিসা
সুবিধা প্রদান
করে না।
ভিসা আবেদন
সাধারণত ঢাকায় অবস্থিত দক্ষিণ কোরিয়ার দূতাবাস-এর
মাধ্যমে জমা
দিতে হয়।
১.
ভিসার ক্যাটাগরি
(বাংলাদেশের নাগরিকদের
জন্য প্রযোজ্য)
দক্ষিণ কোরিয়ার
ভিসা মূলত
উদ্দেশ্য অনুসারে
বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে
বিভক্ত। পর্যটন/ভ্রমণ
সম্পর্কিত প্রধান
ক্যাটাগরিগুলো নিচে
তুলে ধরা
হলো:
·
স্বল্প-মেয়াদী ভিজিট ভিসা
(Short-term General Visa - C-3):
o
উদ্দেশ্য:
দর্শনীয় স্থান
পরিদর্শন, ব্যক্তিগত
ছুটি কাটানো,
বন্ধুবান্ধব বা
আত্মীয়-স্বজনের
সাথে দেখা
করা, স্বল্পমেয়াদী
ব্যবসায়িক মিটিং
(কাজ করা
ছাড়া), সাংস্কৃতিক
বা ক্রীড়া
অনুষ্ঠানে অংশ
নেওয়া ইত্যাদি।
এটি মূলত
পর্যটন ভিসার
সমতুল্য।
o
মেয়াদ:
সাধারণত ৯০ দিন পর্যন্ত
থাকার অনুমতি
দেয়। এটি
সিঙ্গেল এন্ট্রি
বা মাল্টিপল এন্ট্রি
ভিসা হতে
পারে, যা
দূতাবাসের সিদ্ধান্তের
ওপর নির্ভর
করে। মাল্টিপল
এন্ট্রি ভিসার
জন্য সাধারণত
একাধিকবার কোরিয়া
ভ্রমণের ইতিহাস
থাকতে হয়।
o
বিশেষ বিবেচনা:
স্বল্প-মেয়াদী
ভিসায় দক্ষিণ
কোরিয়ায় কাজ
করা বা
দীর্ঘমেয়াদী পড়াশোনা
করার অনুমতি
নেই।
·
ট্রানজিট ভিসা
(Transit Visa - B-2/C-3):
o
উদ্দেশ্য:
দক্ষিণ কোরিয়ার
কোনো বিমানবন্দর
দিয়ে অন্য
কোনো তৃতীয়
দেশে যাত্রার
জন্য। কিছু
নির্দিষ্ট শর্তে
ট্রানজিট ভিসার
প্রয়োজন নাও
হতে পারে
যদি বিমানবন্দর
ত্যাগ না
করেন এবং
নির্দিষ্ট সময়ের
মধ্যে পরের
ফ্লাইট থাকে।
তবে, বাংলাদেশের
নাগরিকদের জন্য
সাধারণত ট্রানজিট
ভিসার প্রয়োজন
হয় যদি
তারা বিমানবন্দর
ত্যাগ করেন।
২.
আবেদন প্রক্রিয়া
(বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে)
বাংলাদেশে দক্ষিণ
কোরিয়ার নিজস্ব
দূতাবাস রয়েছে।
বাংলাদেশের নাগরিকরা
দক্ষিণ কোরিয়ার
ভিসার জন্য
ঢাকার দক্ষিণ কোরিয়ার দূতাবাস-এর
মাধ্যমে আবেদন
করতে পারেন।
ভিসা আবেদন
সাধারণত সরাসরি
দূতাবাসেই জমা
দিতে হয়।
সাধারণ আবেদন প্রক্রিয়া নিম্নরূপ হতে পারে:
·
ধাপ ১: ভিসা আবেদন ফরম সংগ্রহ ও পূরণ:
o
দক্ষিণ কোরিয়ার
ঢাকার দূতাবাসের
ওয়েবসাইট (https://overseas.mofa.go.kr/bd-en/index.do)
থেকে ভিসা আবেদন ফরম ডাউনলোড করুন।
ফরমটি নির্ভুলভাবে
এবং সম্পূর্ণ
তথ্য দিয়ে
পূরণ করুন।
এটি হাতেও
পূরণ করা
যেতে পারে,
তবে স্পষ্ট
হস্তাক্ষরে বা
টাইপ করে
পূরণ করা
ভালো।
·
ধাপ ২: প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত:
o
আপনার ভিসার
ক্যাটাগরি অনুযায়ী
সকল আবশ্যকীয়
নথিপত্র সংগ্রহ করুন।
(বিস্তারিত নিচে
দেখুন)।
সব নথি
অবশ্যই ইংরেজিতে
হতে হবে
অথবা ইংরেজি
অনুবাদ সহকারে
জমা দিতে
হবে।
·
ধাপ ৩: ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং (যদি প্রয়োজন হয়):
o
দক্ষিণ কোরিয়ার
দূতাবাস ভিসা
আবেদনের জন্য
অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট সিস্টেম
ব্যবহার করে।
আপনাকে দূতাবাসের
ওয়েবসাইটে গিয়ে
একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করতে হবে।
অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়া
আবেদনপত্র জমা
দেওয়া যায়
না। সাধারণত
অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেতে
কয়েক সপ্তাহ
অপেক্ষা করতে
হতে পারে,
তাই ভ্রমণের
পরিকল্পনা করার
সাথে সাথেই
অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক
করা জরুরি।
·
ধাপ ৪: ভিসা ফি পরিশোধ:
o
ভিসার ফি
ভিসার ধরন
এবং মেয়াদের
ওপর নির্ভর
করে পরিবর্তিত
হয়।
o
স্বল্প-মেয়াদী সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসার ফি (আনুমানিক):
$৪০ মার্কিন ডলার
(বাংলাদেশের টাকায়
প্রায় ৪,৫০০
টাকা)।
o
মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার ফি (আনুমানিক):
$৯০ মার্কিন ডলার
(বাংলাদেশের টাকায়
প্রায় ১০,০০০
টাকা)।
o
ফি দূতাবাসে
নগদ টাকায়
পরিশোধ করতে
হবে (প্রায়শই
বাংলাদেশী টাকা
বা মার্কিন
ডলার)।
o
গুরুত্বপূর্ণ:
ভিসা আবেদন
বাতিল হলে
ফি সাধারণত
ফেরতযোগ্য নয়।
·
ধাপ ৫: আবেদন জমা দেওয়া:
o
নির্ধারিত অ্যাপয়েন্টমেন্টের
দিনে সকল
মূল নথি
এবং তাদের
ফটোকপি সহ
ঢাকার দক্ষিণ কোরিয়ার দূতাবাসে সশরীরে উপস্থিত হয়ে আবেদন জমা দিন।
আপনার বায়োমেট্রিক
তথ্য (আঙ্গুলের
ছাপ) নেওয়া
হতে পারে।
·
ধাপ ৬: সাক্ষাৎকার (যদি প্রয়োজন হয়):
o
দূতাবাস বা
কনস্যুলার অফিসার
যদি প্রয়োজন
মনে করেন,
তবে আবেদনকারীকে
ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকারের
জন্য ডাকতে
পারেন।
·
ধাপ ৭: ভিসা প্রক্রিয়াকরণের সময়:
o
ভিসার আবেদন
প্রক্রিয়া সাধারণত
৫-১০ কার্যদিবস
সময় নিতে
পারে। তবে,
কিছু ক্ষেত্রে
এটি আরও
বেশি সময়
লাগতে পারে,
বিশেষ করে
যদি অতিরিক্ত
যাচাই-বাছাইয়ের
প্রয়োজন হয়
বা পিক
সিজন হয়।
·
ধাপ ৮: পাসপোর্ট সংগ্রহ:
o
ভিসা প্রক্রিয়াকরণ
সম্পন্ন হলে
আপনাকে পাসপোর্ট
সংগ্রহের জন্য
একটি নির্দিষ্ট
তারিখ দেওয়া
হবে। সেই
দিনে দূতাবাসে
গিয়ে পাসপোর্ট
সংগ্রহ করুন।
৩.
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
(বাংলাদেশের নাগরিকদের
জন্য সাধারণ
তালিকা)
দক্ষিণ কোরিয়ার
ভিসার জন্য
আবেদন করতে
নিম্নলিখিত নথিগুলো
সাধারণত প্রয়োজন
হয়:
·
বৈধ পাসপোর্ট:
o
মূল পাসপোর্ট,
যার মেয়াদ
দক্ষিণ কোরিয়া
থেকে আপনার
প্রস্তাবিত প্রস্থান
তারিখের পরেও
কমপক্ষে ৬ মাস
থাকতে হবে।
o
পাসপোর্টে কমপক্ষে
২টি ফাঁকা ভিসা পৃষ্ঠা
থাকতে হবে।
o
পাসপোর্টের বায়ো-ডেটা
পৃষ্ঠার (ব্যক্তিগত
তথ্য সম্বলিত
পৃষ্ঠা) এবং
ব্যবহৃত সকল
পৃষ্ঠার ফটোকপি।
o
সকল পুরাতন
পাসপোর্টের ফটোকপি
(যদি থাকে)।
·
পূরণকৃত ভিসা আবেদন ফরম:
o
যথযথভাবে পূরণ
করা ও
স্বাক্ষর করা
ফরম।
·
পাসপোর্ট আকারের ছবি:
o
সাম্প্রতিক (৬
মাসের বেশি
পুরনো নয়)
১ কপি পাসপোর্ট আকারের রঙিন ছবি
(সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে,
উচ্চ রেজোলিউশন,
৩৫x৪৫
মিমি)।
ছবির পেছনে
নাম ও
পাসপোর্ট নম্বর
লিখতে হবে।
·
কভারিং লেটার:
o
আবেদনকারীর পক্ষ
থেকে একটি
ব্যক্তিগত কভারিং
লেটার, যেখানে
আপনার ভ্রমণের
উদ্দেশ্য, তারিখ,
ভ্রমণপথের বিস্তারিত
বিবরণ, এবং
ভ্রমণের সম্পূর্ণ
খরচের জন্য
কে দায়ী
থাকবে (নিজস্ব
বা স্পনসর)
ইত্যাদি উল্লেখ
থাকবে। এটি
"To the Embassy of the Republic of Korea in Dhaka, Bangladesh" কে
সম্বোধন করে
লিখতে হবে।
·
ফেরত বা পরবর্তী ভ্রমণের টিকিট:
o
দক্ষিণ কোরিয়া
থেকে নিশ্চিত
ফেরত টিকিট
বা পরবর্তী
গন্তব্যের টিকিট।
(বুকিং কপি)।
গুরুত্বপূর্ণ: ভিসা না পাওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত টিকিট না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
·
আবাসনের প্রমাণ:
o
হোটেল রিজার্ভেশনের
নিশ্চিতকরণ (পুরো
থাকার সময়কালের
জন্য)।
o
যদি দক্ষিণ
কোরিয়ায় কোনো
ব্যক্তি আপনাকে
আমন্ত্রণ জানান,
তবে সেই
ব্যক্তির দ্বারা
স্বাক্ষরিত একটি
আমন্ত্রণপত্র (Letter of
Invitation), তার পরিচয়পত্রের
কপি (যেমন:
কোরিয়ান আইডি
বা রেসিডেন্ট
পারমিট), এবং
তার ঠিকানার
প্রমাণ। আমন্ত্রণপত্রে
আপনার থাকা
ও খরচের
বিবরণ থাকতে
হবে।
·
আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ:
o
গত ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট
(যাতে পর্যাপ্ত
তহবিল দেখা
যায়, যা
দক্ষিণ কোরিয়ায়
আপনার থাকা
ও ভ্রমণের
খরচ বহন
করার সক্ষমতা
প্রমাণ করে)।
o
ব্যাংক কর্তৃক
সিল ও
স্বাক্ষর করা
হতে হবে।
o
ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট।
o
ক্রেডিট কার্ড
স্টেটমেন্ট বা
অন্যান্য আর্থিক
সম্পদের প্রমাণ।
o
যদি অন্য
কেউ স্পনসর
করেন: স্পনসরশিপ
লেটার, স্পনসরের
আর্থিক সক্ষমতার
প্রমাণ (যেমন
তার ব্যাংক
স্টেটমেন্ট), তার
পরিচয়পত্রের কপি।
·
পেশার প্রমাণ:
o
চাকরিজীবী:
নিয়োগকর্তার কাছ
থেকে একটি
ফরওয়ার্ডিং লেটার/নো
অবজেকশন সার্টিফিকেট
(NOC) যেখানে আপনার
পদ, যোগদানের
তারিখ, বেতন,
দায়িত্ব এবং
ভ্রমণের জন্য
ছুটির মঞ্জুরি
উল্লেখ থাকবে।
গত ৩-৬
মাসের বেতন
স্লিপ।
o
ব্যবসায়ী:
হালনাগাদ ট্রেড
লাইসেন্সের ফটোকপি
(ইংরেজিতে অনূদিত
ও নোটারাইজড),
ব্যবসার ব্যাংক
স্টেটমেন্ট, চেম্বার
অফ কমার্সের
সদস্যতা সনদ,
ভিজিটিং কার্ড।
o
শিক্ষার্থী:
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের
আইডি কার্ডের
ফটোকপি, শিক্ষা
প্রতিষ্ঠান থেকে
অনাপত্তি পত্র
(NOC), ভর্তির প্রমাণ।
o
অবসরপ্রাপ্ত:
পেনশন বই
বা অবসরকালীন
ভাতার প্রমাণপত্র।
·
জাতীয় পরিচয়পত্র
(NID) / জন্ম নিবন্ধন সনদ:
o
আবেদনকারীর পরিচয়
প্রমাণের জন্য
ফটোকপি।
·
অন্যান্য সহায়ক নথি (যদি প্রয়োজন হয়):
o
বিবাহ সনদ
(যদি বিবাহিত
দম্পতি একসাথে
ভ্রমণ করেন,
নোটারি সত্যায়িত
কপি)।
o
পরিবারের অন্যান্য
সদস্যের সাথে
ভ্রমণের ক্ষেত্রে
সম্পর্ক প্রমাণকারী
নথি (যেমন
জন্ম সনদ)।
o
জমির দলিল
বা অন্যান্য
স্থাবর সম্পত্তির
প্রমাণ।
o
বিস্তারিত ভ্রমণ
পরিকল্পনা (Itinerary) - প্রতিদিনের
কার্যকলাপের বিবরণ।
o
স্বাস্থ্য বীমা
(কিছু ক্ষেত্রে
সুপারিশ করা
হয়)।
নথি সংক্রান্ত টিপস:
সকল নথি
ইংরেজিতে অনূদিত
হতে হবে,
যদি মূল
নথি বাংলায়
থাকে। নোটারি
পাবলিক দ্বারা
সত্যায়িত করার
প্রয়োজন নেই,
তবে প্রতিটি
ফটোকপির সাথে
মূল নথি
মেলাতে হতে
পারে। সকল
ফটোকপির মান
ভালো হতে
হবে।
৪.
আবেদনের স্থান
(বাংলাদেশে দূতাবাস)
বাংলাদেশের নাগরিকদের
জন্য দক্ষিণ
কোরিয়ার ভিসা
আবেদন করার
প্রধান স্থান
হলো দক্ষিণ কোরিয়ার দূতাবাস, ঢাকা
(Embassy of the Republic of Korea in Dhaka)।
·
দক্ষিণ কোরিয়ার দূতাবাস, ঢাকা:
o
ঠিকানা:
হাউস সি,
সড়ক # ১২,
ব্লক # সি,
গুলশান ১,
ঢাকা ১২১২,
বাংলাদেশ।
o
ফোন:
+880 2 58812678-9 (ভিসা সংক্রান্ত
তথ্যের জন্য
নির্দিষ্ট সময়
থাকতে পারে)।
o
ফ্যাক্স:
+880 2 8824287
o
ই-মেইল:
(সাধারণত ইমেইলে
ভিসা সংক্রান্ত
তথ্য দেওয়া
হয় না,
ওয়েবসাইটে দেখতে
হবে)।
o
ওয়েবসাইট:
https://overseas.mofa.go.kr/bd-en/index.do
(এখানে ভিসা
সংক্রান্ত সর্বশেষ
তথ্য, আবেদন
ফরম এবং
অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং-এর
বিবরণ পাওয়া
যাবে)।
৫.
পার্শ্ববর্তী দেশ
থেকে আবেদন
যেহেতু বাংলাদেশে
দক্ষিণ কোরিয়ার
নিজস্ব দূতাবাস
রয়েছে এবং
তারা বাংলাদেশের
নাগরিকদের জন্য
ভিসা আবেদন
গ্রহণ করে,
তাই সাধারণত
পার্শ্ববর্তী দেশ
থেকে আবেদন
করার প্রয়োজন
হয় না।
তবে, যদি
কোনো কারণে
কেউ অন্য
কোনো দেশে
দীর্ঘমেয়াদী বাস
করেন, তাহলে
তারা সেই
দেশের দক্ষিণ
কোরিয়ার দূতাবাস
বা কনস্যুলেটের
মাধ্যমে আবেদন
করতে পারেন।
৬.
ই-ভিসা
(e-Visa)
বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য কোনো ই-ভিসা
(e-Visa) ব্যবস্থা চালু করেনি।
অর্থাৎ, বাংলাদেশের
সাধারণ পাসপোর্টধারীদের
জন্য দক্ষিণ
কোরিয়ার ভিসা
পেতে অবশ্যই
ঢাকাস্থ দক্ষিণ
কোরিয়ার দূতাবাসে
সশরীরে অ্যাপয়েন্টমেন্ট
নিয়ে আবেদন
করতে হবে
এবং পাসপোর্টে
স্টিকার ভিসা
লাগানো হবে।
গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা:
যেকোনো অননুমোদিত
ওয়েবসাইট বা
এজেন্ট যারা
বাংলাদেশের নাগরিকদের
জন্য সরাসরি
"ই-ভিসা"
বা "সহজ
দক্ষিণ কোরিয়া
ভিসা" এর
প্রস্তাব দেয়,
তাদের থেকে
সতর্ক থাকুন।
সবসময় দক্ষিণ
কোরিয়ার ঢাকার
দূতাবাসের অফিসিয়াল
ওয়েবসাইট এবং
উৎসের উপর
নির্ভর করুন।
ভ্রমণের আগে
সর্বশেষ ভিসা
নীতি সম্পর্কে
নিশ্চিত হওয়া
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ:
সম্মানিত পাঠক, ভিসা আবেদন করার সময় দক্ষিণ কোরিয়ার ঢাকার দূতাবাসের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট দেখে আবেদন করবেন, কারণ প্রতিনিয়ত বিভিন্ন দেশ তাদের ভিসা নীতি, ভিসার ক্যাটাগরি, মেয়াদ এবং শর্ত পরিবর্তন করে। সর্বশেষ এবং সঠিক তথ্যের জন্য সবসময় অফিসিয়াল উৎস ব্যবহার করুন এবং যেকোনো প্রকার দালালের প্রলোভনে না পড়ে নিজের আবেদন নিজে পূরণ করার চেষ্টা করুন অথবা বিশ্বস্ত এবং নিবন্ধিত ভিসা কনসালটেন্সি সংস্থার সাহায্য নিন।
GRAMEEN TOURS & Travels
Whatsapp: 01336-556033
Email: grameentour@gmail.com
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন