শনিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২১

মিশরের ইতিহাস


প্রাচীন সভ্যতার লীলাভূমি হিসাবে খ্যাত এই দেশটি ফারাও সম্রাট এবং পিরামিডের সাথে জড়িত। আফ্রিকা মহাদেশের প্রান্তদেশে অবস্থিত এই দেশটি এশিয়ার সাথে সংযুক্ত। এই কারণে একে আফ্রিকার প্রবেশদ্বার হিসাবে বিবেচনা করা হয়। দেশটি বাংলাভাষাভাষীদের কাছে সাধারণভাবে মিশর নামে পরিচিত।

দাপ্তরিক নাম :  Arab Republic of Egypt

স্থানীয় নাম :  জুমহুরিয়াত মিশর আল-আরাবিয়াহ। পূর্বে এর নামে ছিল : সংযুক্ত আরব প্রজাতন্ত্র।

রাজধানী :  কায়রো।  আফ্রিকার সব থেকে বড় শহর।

 

জাতীয় প্রতীক : সালাদিনের ঈগল। (‘সালাদিন ছিলেন মিশর এবং সিরিয়ার প্রথম সুলতান।)

জাতীয় পাখিঃ সোনালি ঈগল

জাতীয় ফুলঃ মিশরের জাতীয় ফুল ‘মিশরীয় পদ্ম। এইটা জল পদ্ম নামেও পরিচিত।

জাতীয় খেলাঃ ফুটবল। 

সর্বোচ্চ আদালত :  Supreme Constitutional Court

 স্থানীয় সময় : আন্তর্জাতিক সময়ের সাথে (গ্রিনউইচ সময় মান জিএমটি/ইউটিসি) ২ ঘন্টা যোগ করলে মিশরের স্থানীয় সময় পাওয়া যায়।

আয়তন : দেশটির মোট আয়তন ১,০০১,৪৫০ বর্গকিলোমিটার। এর মধ্যে স্থলভাগের পরিমাণ ৯৯৫,৪৫০ বর্গকিলোমিটার এবং অবশিষ্ট ৬,০০০ বর্গকিলোমিটার জলাশয়।

 প্রধান নদী: নীলনদ

 

ভৌগলিক অবস্থান ও সীমানা : উত্তর আফ্রিকায় গাজা এবং লিবিয়ার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত। ভূমধ্যসাগর, লোহিত সাগর এবং এশিয়ার সিনাই উপসাগরের বেষ্টন করে আছে। এর অক্ষাংশ ২৭.০০ ডিগ্রি উত্তর এবং দ্রাঘিমাংশ ৩০.০০ ডিগ্রি পূর্ব। আফ্রিকার সাথে সমগ্র পূর্ব-গোলার্ধের মধ্যে স্থলপথে সংযোগরক্ষাকারী সিনাই অঞ্চল, ভারত মহাসাগর এবং ভূমধ্যসাগর-এর মধ্যে সমুদ্রপথে যোগাযোগের পথ সুয়েজ খালের নিয়ন্ত্রণ মিশর করে। মোট ২,৬৬৫ কিলোমিটার ভূসীমানার মধ্যে গাজার সাথে ১১কিমি, ইসরাইলের সাথে ২৬৬ কিমি, লিবিয়ার সাথে ১,১১৫ কিমি এবং সুদানের সাথে ১,২৭৩ কিমি।

 

ভূ-প্রকৃতি ও জলবায়ু : সুবিশাল মরুভূমির মাঝে রয়েছে নীলনদের  উপত্যকা এবং ব-দ্বীপ। সমুদ্র সমতল থেকে সর্বনিম্ন বিন্দুর উচ্চতা ১৩৩ মিটার (কাত্তারা অঞ্চল) এবং সর্বোচ্চ বিন্দুর উচ্চতা ২,৬২৯মিটার (ক্যাথেরিন পর্বত)। দেশটি শুষ্ক এবং মরুময়। এবং গ্রীষ্মকালে অত্যন্ত গরম পড়ে। শীতকালে খুব তীব্র শীত অনুভূত না হলেও বৃষ্টি হয়। দক্ষিণ কায়রোতে অনেক বছর পর পর বৃষ্টি হয় এবং বাৎসরিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ০.১ থেকে ০.২ ইঞ্চি। অক্টোবর থেকে মার্চ মধ্যবর্তী সময়ে উত্তর সমুদ্রতীরের মরু অঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টি হয় এবং কখনো কখনো তা ১৬.১ ইঞ্চি পরিমাণ হয়ে থাকে। সিনাই পর্বতমালা এবং কিছু উত্তর সমুদ্রতীরবর্তী শহর যেমন দামিয়েত্তা, বাল্টিম, সিদি বাররানি এবং কখনো আলেক্সান্দ্রিয়াতে তুষারপাত হয়ে থাকে। গ্রীষ্মকালে গড় তাপমাত্রা ২৭° - ৩২° সেন্টিগ্রেড এবং লোহিত সাগর তীরবর্তী অঞ্চলে ৪৩° সেন্টিগ্রেড পর্যন্ত হয়ে থাকে। শীতকালে গড় তাপমাত্রা ১৩-২১° সেন্টিগ্রেড। উত্তর-পশ্চিমের বাতাস প্রবাহের ফলে ভূমধ্যসাগর তীরে তাপমাত্রা অপেক্ষাকৃত কম। বসন্তকালে দক্ষিণা ঝড়ো বাতাসের সাথে ধুলা-বালু প্রবাহের ফলে কখনো কখনো মরুভূমির তাপমাত্রা ৩৮° সেন্টিগ্রেড পর্যন্ত পৌছায়। এই ঝড়ো বাতাস খামেসিন নামে পরিচিত।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ : পর্যায়ক্রমিক খরা, ঘনঘন ভূমিকম্প, হঠাৎ বন্যা, ভূমিধ্বস, গরম, ঘুর্ণিঝড় (খামসিন), ধূলিঝড়, বালুঝড়।

মোট জনসংখ্যা : ২০১২ খ্রিষ্টাব্দের হিসাব অনুযায়ী ৮৩,৬৮৮,১৬৪ জন। আফ্রিকা মহাদেশের তৃতীয় এবং মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে জনবহুল দেশ। প্রতি ১০০ জন মহিলার বিপরীতে ১০৩ জন পুরুষ।

শিক্ষিতের হার : মোট জনসংখ্যার ৭১.৪% শিক্ষিত কিন্তু পুরুষ শিক্ষিতের হার ৮৩% এবং মহিলা শিক্ষিতের হার ৫৯.৪% (২০০৫ খ্রিষ্টাব্দ)। মিশরে রয়েছে আফ্রিকা এবং আরব বিশ্বের সবচেয়ে বেশী নোবেল বিজয়ী।

মুদ্রাঃ মিশরের মুদ্রার নাম মিশরীয় পাউন্ড।

ভাষা এবং ভাষাভিত্তিক জাতিসত্ত্বা : দাপ্তরিক ভাষা আরবি। কিন্তু ইংরেজী ও ফ্রেঞ্চ শিক্ষিত সম্প্রদায়ে প্রায় সবাই বুঝতে পারে। মিশরীয় আরবি ভাষাভাষীর সংখ্যা ৯৯.৬% এবং অন্যান্য ০.৪%।

ধর্মঃ মিশর  সুন্নি মুসলমান অধ্যুষিত দেশ। সুন্নি মুসলমান ৯০%, কপ্টিক ৯%, অন্যান্য খ্রিষ্টান ১% । রাষ্ট্রভাষা ইসলাম। মিশরে ৩টি স্বীকৃত ধর্ম রয়েছে। এই তিনটি ধর্ম হলো- ইসলাম, খ্রিষ্টান এবং ইহুদি। এছাড়া বাহাই ধর্মানুসারী অল্প কিছু থাকলেও স্বীকৃতি পায় না।

জাতির জনকঃ মিশরের প্রধানমন্ত্রী ‘সাদ জঘলুল এবং প্রেসিডেন্ট ‘গামাল আব্দেল নাসের-কে (১৯৫৪-১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দ) জাতির জনক বলা হয়।

 

জাতীয় সঙ্গীতঃ  রচয়িতা ইউনিস-আল ক্বাদি এবং সুরকার সায়েদ দারউইস (সায়েদ দারউইস-কে মিশরের আধুনিক সঙ্গীতের জনক বলা হয়।) ১৯৭৯ খ্রিষ্টাব্দে এই গানটি জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গৃহীত হয়।

 যোগাযোগ

রেলপথ :  মোট ৫,০৮৩ কিমি (স্ট্যান্ডার্ড গেজ ১.৪৩৫মি) রেলপথের মধ্যে ৬২ কিমি পথ বিদ্যুতায়িত (২০১০)।

সড়কপথ: মোট ৬৫,০৫০কিমি রাস্তার ৪৭,৫০০কিমি পাকা। অবশিষ্ট ১৭,৫৫০কিমি কাঁচা রাস্তা। (২০০৯)

জলপথ: ৩,৫০০কিমি (নীলনদ, নাসের হ্রদ, আলেক্সান্দ্রিয়া-কায়রো জলপথ এবং নীলনদের দ্বীপের অন্যান্য অসংখ্য ছোট ছোট খাল; সুয়েজ খাল) নাব্য। এইসব জলপথ দিয়ে সমুদ্রগামী জাহাজ চলাচল করতে পারে।

বন্দর : আয়েন সুখনাহ, আলেক্সান্দ্রিয়া, দামিএত্তা, এল দেখেইলা, সেইদ, সিদি কুরায়র, সুয়েজ।

প্রাকৃতিক সম্পদ: পেট্রোল জাত দ্রব্য, প্রাকৃতিক গ্যাস, লোহার আকরিক, ফসফেট, ম্যাঙ্গানিজ, চুনাপাথর, জিপসাম, ট্যালক, এসবেসটস, সীসা, দুষ্প্রাপ্য খনিজ, জিংক।

কৃষি পণ্য: তুলা চাউল, ভুট্টা, গম, ফল, শাকসবজি, গরু, জলজ মহিষ, ভেড়া, ছাগল।

শিল্প:  সুতা ও সতীবস্ত্র, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ,পর্যটন, রাসায়নিক দ্রব্য,ঔষধ, হাইড্রোকার্বন, নির্মাণ শিল্প, সিমেন্ট, ধাতু,

রপ্তানি: অপরিশোধিত তেল এবং পেট্রোলিজাত দ্রব্য, সুতা, ধাতব পণ্য, রাসায়নিক দ্রব্য, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য।

আমদানি: যন্ত্রপাতি, খাদ্যদ্রব্য, রাসায়নিক দ্রব্য, কাঠের তৈরী পণ্য, জ্বালানি।

 

উল্লেযোগ্য স্থান

কায়রো : মিশরের রাজধানী।

আলেকজান্দ্রিয়া : মিশরের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী এবং মিশরের সর্ববৃহৎ সমুদ্রবন্দর।

 মিশরের দর্শনীয় স্থানঃ 

মিশরের পিরামিড

স্পিংক্স

আবু সিম্বেল-এর মন্দির

আলেকজান্দ্রিয়ায় স্ট্যানলি সেতু

সূয়েজ খাল


 কমকের মন্দির

ভ্যালী অফ দ্যা কিংস

নীল নদে জাহাজ ভ্রমণ

 

মিশরের বিলুপ্ত ঐতিহ্য :

 

আলেকজান্দ্রিয়ার বাতিঘর

 

মিশরের পৌরাণিক কোষ

 

মিশরের ইতিহাস

মিশরের সরকার ব্যবস্থা

মিশরের ধর্ম

 

মিশরের

ভূগোল

যোগাযোগ


 মিশরের জনপরিসংখ্যান






মিশরের ইতিহাস

খ্রিষ্টপূর্ব ২ লক্ষ ৫০ হাজার বছর আগে, বর্তমান মিশরের নীল নদের উভয় প্রান্ত জুড়ে ছিল বিস্তীর্ণ ঘাসে ঢাকা প্রান্তর। এই সময় এই অঞ্চলে প্রচুর উদ্ভিদভোজী প্রাণীর অবাধ বিচরণ ছিল। আদি মানবগোষ্ঠীর একদল এখানে প্রবেশে করেছিল এই সব পশু শিকারের জন্য। খ্রিষ্টপূর্ব ২৫০০০ বৎসরের দিকে এই অঞ্চল মরুভূমিতে পরিণত হয়। এই সময় নীলনদের উভয় প্রান্তে বরাবর নলখাগড়া জাতীয় উদ্ভিদ ছাড়া বেশিরভাগ উদ্ভিদ বিলুপ্ত হয়ে যায়। এই অঞ্চলের শিকারীরা ক্রমে ক্রমে চাষাবাদ শিখে কৃষিনির্ভর জীবনে অভ্যস্থ হয়ে উঠে। এই সময় এদের বসতি গড়ে উঠে মধ্য মিশর এবং নীল-বদ্বীপ অঞ্চলে।

খ্রিষ্টপূর্ব ১০০০০ থেকে ৬০০০ অব্দের ভিতরে ঊর্ধ্ব মিশরে বদারিয়ান সভ্যতার (Badari culture) পত্তন ঘটে। পরবর্তী প্রায় ৪৫০০ খ্রিষ্ট-পূর্বাব্দ পর্যন্ত, অন্যকোনো জাতির বড় ধরনের আক্রমণ ছাড়াই প্রায় নির্বিবাদে এই অঞ্চলে বসবাস করেছিল। কৃষি ব্যবস্থার উন্নতি ঘটায়। এরা মাটির পাত্র তৈরি করা শেখে। এই সময় এরা Turquoise নামক রত্নের নানারকম রূপ দিয়ে পণ্যে পরিণত করা শেখে। এই কারণে এই রত্নটিকে মিশরের আদি রত্ন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

 কায়রো হল মিশরের এক বৃহত্তম শহর



















































কায়রো মিশরের রাজধানী। আরবি শব্দ القاهرة আল-ক্বাহিরা থেকে এই নামের উৎপত্তি। আল-ক্বাহিরা শব্দের অর্থ "বিজয়ী"। এই শহরের খুব কাছেই প্রাচীন মিশরীয় ব্যাবিলন শহর অবস্থিত ছিল বলে ধারণা করা হয়। নীল নদের ব-দ্বীপ এর শীর্ষ ভাগে এই শহরের অবস্থান। নদীর অপর তীরে ছিল মিশরের প্রাচীন রাজধানী মেমফিস।

ইতিহাস

ফাতিমীয় সেনাপতি জওহর কর্তৃক ৯৬৯ সালে কায়রো শহর প্রতিষ্ঠিত হয়। ১২শ শতকে ক্রুসেডারদের আক্রমণের শিকার হয় এই শহর। ১৩শ থেকে ১৬শ শতকের প্রথম দিক পর্যন্ত এখানে মামলূক এবং ১৫১৭-১৭৯৮ পর্যন্ত উস্‌মানীয় সাম্রাজ্যের শাসন কায়েম ছিল। ১৭৯৮-১৮০১ সাল ছিল নেপোলিয়নের অধিকারে। ১৮৮২-১৯৩৬ সাল কায়রো ব্রিটিশ অধিকারে থাকে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে কায়রোতে মিত্র বাহিনীর মধ্যপ্রাচ্য রণাঙ্গণের সদর দপ্তর অবস্থিত ছিল।


ভূগোল


স্যাটেলাইট থেকে দেখা কায়রো শহর

কায়রো উত্তর মিশরে (যা নিম্ন মিশর হিসাবে পরিচিত), ভূমধ্যসাগরের ১৬৫ কিলোমিটার (১০০ মা) দক্ষিণে এবং সুয়েজ উপসাগর এবং সুয়েজ খাল থেকে ১২০ কিলোমিটার (৭৫ মা) পশ্চিমে অবস্থিত। শহরটি নীল নদের তীরে অবস্থিত, ঠিক ততদুর দক্ষিণে যেখানে নদী তার মরুভূমি উপত্যকা এবং শাখাগুলিকে নিচু নীল উপত্যকা অঞ্চলে ফেলেছে। যদিও কায়রো মহানগরটি নীল নদ থেকে চার দিকে অনেক দূরে বিস্তৃত রয়েছে, কেবল নদীর পূর্ব তীরের কায়রো শহর এবং এর মধ্যে দুটি দ্বীপপুঞ্জের মোট আয়তন ৪৫৩ বর্গকিলোমিটার (১৭৫ মাইল)

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, কায়রোতে বায়ু দূষণের মাত্রা প্রস্তাবিত সুরক্ষা স্তরের তুলনায় প্রায় ১২ গুণ বেশি।


মহানগর এলাকা

গ্রেটার কায়রো আফ্রিকার বৃহত্তম মহানগর অঞ্চল। এটি কায়রো গভর্নরেট, গিজা গভর্নরেটের কিছু অংশ এবং ক্লেয়ুবিয়া গভর্নরেটের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত।


স্যাটেলাইট সিটি

কায়রোর পশ্চিমে ৬ই অক্টোবর সিটি এবং কায়রোর পূর্বে নিউ কায়রো হল বড় শহুরে বিকাশ যা কায়রো অঞ্চলের অতিরিক্ত বৃদ্ধি এবং বিকাশের জন্য নির্মিত হয়েছে। নতুন বিকাশে বেশ কয়েকটি উচ্চ-আবাসিক উন্নয়ন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। যেমন: তাহরির স্কয়ার।


নতুন পরিকল্পনা

২০১৫ সালের মার্চ মাসে কায়রো গভর্নরেটের একটি অনুন্নত অঞ্চলে একটি অপ-নামহীন পরিকল্পিত শহর নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছিল, যা মিশরের প্রশাসনিক ও আর্থিক রাজধানী হিসাবে কাজ করবে।

কায়রো-কে প্রাচীনত্ব এবং আধুনিক মিশরের আমূল ভান্ডার হিসাবে বর্ণনা করা যেতে পারে। তার আধুনিক অবকাঠামোর সঙ্গে অতীতের মিনারগুলির এক নিখুঁত মিশ্রণ। কায়রোর মাধ্যমে যাত্রা বাস্তবিকভাবেই এক সময় সাপেক্ষ যাত্রা। কায়রোতে প্রস্তাবনার প্রচুর কিছু রয়েছে, যা এই শহর অনুসন্ধানে সপ্তাহও কাটিয়ে দিতে পারেন। “এক হাজার মিনারের শহর” হিসাবে পরিচিত কায়রো- ফ্যারাও, গ্রীক, ব্যাবিলয়ন এবং রোমানদের আবাসস্থল হয়ে রয়েছে, যারা এই শহরের উপর তাদের অসাধারণ ছাপ রেখে গেছে।

কায়রোয় পরিদর্শনযোগ্য স্থান

গিজার মিরামিড : বিশ্বের সবচেয়ে স্বীকৃত ল্যান্ডমার্ক - গিজার পিরামিড পরিদর্শন ব্যতীত মিশর ভ্রমণ অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। শত-শত পর্যটক তার মহিমা এবং অপরিমেয় আকারের একটি আভাস পেতে প্রতিদিন এটির পরিদর্শনে আসে। স্পিংক্স (গ্রীক পুরাণে উল্লিখিত নারীর মুখ ও সিংহের দেহবিশিষ্ট ডানাওয়ালা দানবের মূ্র্তি) দ্বারা সুরক্ষিত, গিজার মিরামিড হল পরাক্রমশালী ফ্যারাও – কূফু, কাফরে ও মেনকৌরের সাথে সাথে রাজ পরিবার, আভিজাত্য এবং পুরোহিতদের সমাধি। এই তিনটির মধ্যে, কূফুর মহীয়ান পিরামিডটি হল প্রাচীন বিশ্বের সপ্তাশ্চর্যের একটি অংশ এবং এটিই একমাত্র এখনও দাঁড়িয়ে রয়েছে। কালপুরুষের নক্ষত্রপুঞ্জের সাথে সংযুক্ত, পিরামিডগুলি প্রাচীন বিশ্বের সপ্তাশ্চর্যের শেষ অবস্থা অবলম্বন করে টিকে রয়েছে।

মিশরীয় মিউজিয়াম : প্রাচীন মিশরীয় হস্তনির্মিত সামগ্রীর বিশ্বের আদ্য ভান্ডারের আবাসস্থল, এই বর্তমান মিশরীয় মিউজিয়াম 1900 সালে মরু-মালভূমি-শৈলীর স্বচ্ছ সদর ও মহীয়ান সোপান সাথে নবধ্রুপদী শৈলীতে নির্মিত হয়েছিল, যা কালানুক্রমে পিরামিড ভবনটি – কায়রোকে প্রাচীনত্বের সময়কাল থেকে আধুনিকতায় দর্শকদের সামনে তুলে এনেছে। মিশরীয় ফ্যারাওদের সংস্কৃতির একটি মহাকোষ, মিউজিয়ামটি তার প্রদর্শিত পুরাকীর্তির নিছক সংখ্যার জন্য বিখ্যাত। পর্যটকদের মধ্যে সবচেয়ে প্রসিদ্ধ এবং জনপ্রিয় হল তুতেনখামেন-এর সমাধি ভান্ডার। মিশরীয় হস্তনির্মিত সামগ্রীকে সরিয়ে রেখেও, এখানে বেশ কিছু চিত্র-প্রদর্শনী রয়েছে যার পরিসীমা হল প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে গ্রেকো-রোমান সময়; যেমন চিত্তাকর্ষক রাজকীয় মমির প্রদর্শনী।

মেমফিশ : ফেরাও মেনেস দ্বারা প্রবর্তিত মেমফিশ, একটি শহরের চেয়ে অনেক বেশি দূর্গের মতো দেখতে ছিল। তবে, শহরের বেশিরভাগই গ্রাম, মাঠ ও নীল নদের পলি জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ধ্বংসাবশেষের মধ্যে আচ্ছাদিত রয়েছে। শহরের অবশিষ্টাংশের অধিকাংশই মিৎ রহিনা গ্রামের চারপাশে কেন্দ্রীভূত রয়েছে। এখানে, পর্যটকেরা পতাহ মন্দিরের ধ্বংসস্তূপ ও সেই সঙ্গে বেশ কয়েকটি ক্ষুদ্রকায় মঠ ও অভয়ারণ্য সহ দ্বিতীয় রামাশেসের দুটি বৃহৎ মূ্র্তি দেখতে পেতে পারেন। এছাড়াও, এখানে তৈলস্ফটিক স্ফিংক্সও রয়েছে, যা একজন অজানা ফ্যারাও-এর প্রতি উৎসর্গীকৃত।

দূর্গ : বরাবরই ইসলামী কায়রোর কেন্দ্র রূপে অভিহিত কায়রোর দুর্গটি, মহম্মদ আলী দ্বারা 1176 এবং 1183 খ্রীষ্টাব্দের মধ্যবর্তী সময়ে নির্মিত হয়েছিল, যিনি আযুবিদ শাসক সালাহ আল-দীনের একজন প্রতিনিধি ছিলেন। ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে সুরক্ষা প্রদানে কায়রোর দুর্গটি একটি রাজকীয় বাসভবন ও সেইসঙ্গে সামরিক ঘাঁটি হিসাবে পরিষেবিত হত। তার বিদ্যমান মিনারগুলির মধ্যে আল-নাসির মহম্মদের হাইপোস্টাইল মসজিদটি হল একটি ভিড়-আকর্ষণকারী অবয়ব। সুতরাং সুল্যেমান পাশার মসজিদ ও মহম্মদ আলী আল-কবির মসজিদগুলি হল ষোড়শ শতকের। এটি আল-গাওহারা প্যালেস ও সেইসাথে বিভিন্ন মসজিদ, সমাধি, পান্থশালা, মাদ্রাসা এবং বৃহৎ অট্টালিকা সমন্বিত।

সাক্কারা : সাক্কারা হল একটি সমাধি ক্ষেত্র যেখানে মেমফিস থেকে এবং অনেক ফ্যারাওদের পরিষদবর্গকে সমাহিত করা হয়েছিল। প্রচুর পিরামিডের আবাসস্থল, সবচেয়ে প্রসিদ্ধ ও সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন হল জোসার স্টেপ পিরামিড, যা হল মিশরের সবচেয়ে প্রাচীনতম পিরামিড। প্রাচীন রাজত্ব সমাধি বা ওল্ড কিংডম টম্ব-এর চিত্রগুলি প্রাচীন মিশরীয়দের জীবনের বিকাশের অর্ন্তদৃষ্টির প্রস্তাব দেয়। সাক্কারা-র অন্যান্য আকর্ষণীয় স্থানগুলির মধ্যে রয়েছে আ্যপিস বুলসের সমাধি এবং চমৎকার কারুশিল্পের খোদাইকার্য, যা টেটির পিরামিডের কাছে কবরস্থানে দেখা যেতে পারে।

কপটিক মিউজিয়াম : কপটিক মনুমেন্টগুলি একদিকে ফ্যারাওনিক এবং গ্রেকো-রোমান যুগের সময়কালীন প্রাচীন মিশরীয় এবং অন্যদিকে ইসলামিক শিল্পকর্মের সংযোগ হিসাবে বিবেচিত হয়। বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কপটিক শিল্পের উদাহরণ স্বরূপ, কপটিক মিউজিয়াম 1910 সালে এই মনুমেন্টগুলির প্রদর্শনে এবং সহজেই মিশরে খ্রীষ্টানদের ইতিহাসকে অনুসন্ধানের জন্য মার্কাস সমাইকা পাশার দ্বারা প্রবর্তিত হয়েছিল। 8000 বর্গ মিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত মিউজিয়ামটিতে 16,000-এরও বেশি হস্তনির্মিত দ্রব্য-সামগ্রী রয়েছে, যা কালানুক্রমিকভাবে 12-টি বিভিন্ন বিভাগকে সুনিশ্চিত করার জন্য সুসজ্জিত করা হয, যাতে পর্যটকেরা অতি সহজেই প্রদর্শনীগুলি বুঝতে পারেন।

খান ঈল-খালিলি : একটি অতি প্রাচীন বাজার খান ঈল-খালিলি হল একটি উন্মুক্ত-আকশের নীচে বিপণিস্থল (সৌক), যা 1385 সালে নির্মিত হয়েছিল, যখন আমির জারকাস ঈল-খালিলি এক বৃহৎ পান্থশালা নির্মাণ করেন। এই বিপণিস্থলটি সূলতান আল-ঘূরির দ্বারা ভূমিস্মাৎ করে দেওয়া হয় এবং পরবর্তীকালে ষোড়শ শতকে এটিকে পুনঃর্নির্মিত করা হয়েছিল। ইসলামীয় ও তুরস্কীয় মোটিফ (শিল্প ও সাহিত্যের বিশেষত সংগীতের মূল উপাদান বা প্রধান প্রসঙ্গিত নকশায়িত প্রতীকি); যেমন মামলুক-শৈলীতে সুসজ্জিত প্রবেশদ্বারগুলি যথাযোগ্যভাবে সে যুগের মানুষের কারিগরিতাকে প্রদর্শিত করে। ক্রেতাদের জন্য স্বর্গোদ্যান, এই বিপণিস্থলটি হল শিলারুপ মূর্তি, সৌখিন জিনিষপত্র, রূপোর গহনা এবং বেল্যী নৃত্যের পরিধানসমূহের নিদারুণ ভান্ডার, আপনি এখানে মশলাজাত দ্রব্যও কিনতে পারেন।

কায়রো-তে হোটেল

বার্লিন হোটেল এবং বেল্লা লূনা হল সাশ্রয়ী মূল্যের অসাধারণ বাসস্থানোপযোগী থাকার ব্যবস্থা। মাঝারি-মানের ভ্রমণার্থীদের জন্য পিরামিডস ভিউ ইন্ এবং গোল্ডেন হোটেল হল অসাধারণ।বিলাসবহুল ভ্রমণার্থীরা কেম্পিনস্কি নীল হোটেল কায়রো এবং শোফিটেল কায়রো ঈল গেজিরাহ-তে গিয়ে দেখতে পারেন।

কায়রো মানচিত্র

কায়রো সম্পর্কে তথ্যাবলী

  • কায়রো হল আফ্রিকা ও মধ্য-প্রাচ্যের সবচেয়ে বৃহত্তম শহর।
  • কায়রো “এক হাজার মিনারের শহর” হিসাবেও পরিচিত রয়েছে।
  • কায়রোর আরবীয় নাম হল “আল্ কাহিরাহ”, যার অর্থ হল বিজেতা।

কায়রো কোথায় অবস্থিত?

কায়রো, মিশরের উত্তরে নীল নদের ব-দ্বীপের ওপর অবস্থিত।

পৌঁছানোর উপায়?

বিমান মাধ্যমে

কায়রো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হল শহরের মূখ্য বিমানবন্দর এবং এটি শহরের কেন্দ্র বা সিটি সেন্টার থেকে প্রায় 22 কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। বিমানবন্দর পর্যন্ত গাড়ির মাধ্যমে যেতে আধ ঘন্টার চেয়ে একটু বেশি সময় লাগে।

রেল মাধ্যমে

কায়রোর রামশেস স্টেশন হল শহরের প্রধান রেলওয়ে স্টেশন।

সড়ক মাধ্যমে

কায়রো মিশরের রাজধানী হওয়ায়, এটি সড়ক মাধ্যমে দেশের সকল অংশের সাথে সু-সংযুক্ত রয়েছে।

কায়রো পরিদর্শনের সেরা সময়

এই শহর পরিদর্শনে যাওয়ার সেরা সময় হল মার্চ থেকে এপ্রিল এবং অক্টোবর থেকে নভেম্বর। এই সময়ে, তাপমাত্রা বেশ কিছুটা মনোরম থাকে এবং ভিড়ও কিছুটা কম থাকে।

কায়রো সম্পর্কিত আরোও তথ্যাবলী

কায়রোতে কি কি ভাষায় কথা বলে?

মিশরে আধিকারিক কথ্য ভাষা হল মিশরীয় আরবিক। তবে, কায়রোতে অনেক মানুষ ইংরাজী ভাষাতেও কথা বলে।

কায়রোতে কি ধরনের জলবায়ু অনুভূত হয়?

গ্রীষ্মের সময়, তাপমাত্রা সাধারণত 40 ° সেলসিয়াসের নীচে থাকে এবং শীতকালে তাপমাত্রা 30 ° সেলসিয়াসের নীচে থাকে। বৃষ্টিপাত সাধরণত বিরল বা বিক্ষিপ্তভাবে হতে দেখা যায়, কিন্তু নীল নদ এবং ভূমধ্যসাগরের নৈকট্যতার দরুণ আর্দ্রতা বেশ উচ্চ থাকে।


খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০০ থেকে ৩৫০০ অব্দের ভিতরে নাকাডা সভ্যাতার মানুষের
  জীবনযাত্রায় নানাভাবে পরিবর্তন ঘটে। এদের ছোটো ছোটো দল ছোটো রাজত্ব গড়ে তোলে। এবং প্রতিটি গোত্রের মানুষ পৃথক পৃথকভাবে ছোটো ছোটো কেন্দ্রীয় অঞ্চল হিসেবে সুগঠিত হয়ে উঠে। খ্রিষ্টপূর্ব ৩৮০০ অব্দের দিকে এরা আন্তঃবাণিজ্য এবং এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে সক্ষম হয়। এরই সূত্রে রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক পরিবর্তনও ঘটতে থাকে। ছোটো ছোটৌ গোষ্ঠীগুলো মিলে বড়ধরনের প্রশাসনিক কাঠামোতে পরিণত হতে থাকে। খ্রিষ্টপূর্ব ৩৪০০ অব্দের দিকে পুরো মিশর দুটি প্রশাসনিক পদ্ধতির অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়। এই ভাগ দুটি হলো- উচ্চ মিশর ও নিম্ন মিশর।খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০০ অব্দের ভিতরে এই অঞ্চলে জীবনযাত্রার ব্যাপক পরিবর্তন ঘটে। এদের ব্যবহার্য দ্রব্যাদির সাথে বদারিয়ান সভ্যতার দ্রব্যাদির পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। এই পৃথক সভ্যতার নামকরণ করা হয়েছে নাকাডা (Naqada)। এই সভ্যতার মানুষেরা বদারিয়ান সভ্যতার মানুষদের বিতারিত করে নতুন সভ্যতার পত্তন ঘটিয়েছিল, না কি  বদারিয়ান সভ্যতার মানুষেরা এই সভ্যতার পত্তন ঘটিয়েছিল, তা স্পষ্টভাবে বলা যায় না। এরা কৃষিকাজের পাশাপাশি মৃত্তিকা-পাত্র তৈরিতে বিশেষ পারদর্শী ছিল। এছাড়া কাঠ হাতির দাঁতের তৈরি নানারকমের চিত্তাকর্ষক পণ্য তৈরি করতে পারতো। বাইরে থেকে Lapis Lazuli নামক রত্ন আমদানি করতো এবং এই রত্ন থেকে নানা ধরনের সৌখিন পণ্য তৈরি করতো।

  • উচ্চ মিশর: লিবিয়ান মরুভূমি থেকে আমু সিমবেল পর্যন্ত এর সীমা ছিল। এর ভিতরে নীল উপত্যাকা এবং নীল-বদ্বীপের একাংশ নাকাডা শাসিত অঞ্চলে পরিণত হয়।
  • নিম্ন মিশর: পক্ষান্তের নীলনদের বদ্বীপের অপরাংশে অপর একটি রাজত্ব গড়ে উঠেছিল। এই রাজ্যের রাজধানীর নাম ছিল- বুটো। এই রাজ্যের রাজার মুকুট ছিল লাল রঙের

প্রাগৈতিহাসিক মিশরের ইতিহাসে শাসক হিসেবে যাদের নাম পাওয়া যায়, পৌরাণিক কাহিনিতে। পৌরাণিক চরিত্রগুলো মূলত দেবতা। এরা কিভাবে মিশরের উপর আধিপত্য বিস্তার করেছিল এবং এদের ভিতরের ক্ষমতার দ্বন্দ্ব কিভাবে কাজ করেছিল এসব নিয়ে মিশরের পৌরাণিক ইতিহাস রচিত হয়েছিল। এই ইতিহাস মানুষের ইহলৌকিক ও পরলৌকিক জীবনযাত্রা, ধর্মীয় বিধি ইত্যাদির সাথে জড়িত পরবর্তী বহুদিনের মানুষের কার্যক্রমকে প্রভাবিত এবং নিয়ন্ত্রণ করেছিল।

জন শাসকের সূত্রে মিশরের রাজতন্ত্রের ইতিহাস পাওয়া যায়। এই বিচারে মিশরের আদি ইতিহাসকে পৌরাণিক যুগ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এরা মিশরীয় পৌরাণিক কাহিনিতে দেবতা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এই যুগের দেবতারা ছিলেন

  • পিতাহ (Ptah): আদি সৃষ্টিকর্তা, স্থাপত্যকলা, শিল্পকলা, উর্বতার দেবতা।
  • রা (Ra): সূর্য দেবতা।
  • শু (Shu): বাতাসের দেবতা
  • গেব (Geb): পৃথিবীর দেবতা
  • ওসিরিস (Osiris): পরলোকের দেবতা
  • সেৎ (Set): যুদ্ধের দেবতা
  • হোরাস (Horus): যুদ্ধ ও আকাশের দেবতা
  • থোথ্ (Thoth): জ্ঞানের দেবতা
  • মা'আৎ (Ma'at): আদেশের দেবতা

নিম্ন মিশরে এরূপ কিছু পৌরাণিক রাজার নাম পাওয়া যায়। এদের ভিতরে এদের দেবতারা ছিল- হেসকিউ (Hsekiu), খায়ু (Khayu), তিউ (Tiu), থেশ (Thesh), নেহেব (Neheb), ওয়াজনের (Wazner), মেখ (Mekh), দ্বি ফ্যালকন (Double Falcon)।

এর পরের পর্যায়ে কিছু শাসকের নাম পাওয়া যায়। এরাও ঠিক পূর্ণ মানবসত্তা নয়। খ্রিষ্ট-পূর্ব ২৩শ অব্দের ভিতরে তিন জন রাজার নাম পাওয়া যায়। এরা সবাই ছিলেন উচ্চ মিশরের শাসক। এরা হলেন-

  • এ্যালিফ্যান্ট (Elephant),
  • বুল (Bull)
  • প্রথম স্কর্পিয়ন (Scorpion I)।

ফারাও প্রথম রাজবংশ: নার্মার
খ্রিষ্টপূর্ব ৩২০০ অব্দের দিকে দক্ষিণাঞ্চলের রাজা স্কর্পিয়ন উত্তরাঞ্চল দখল করার উদ্যোগ গ্রহণ করে। প্রাথমিকভাবে এই অভিযান ব্যর্থ হয়। খ্রিষ্টপূর্ব ৩১০০ অব্দের দিকে তারা উত্তরাঞ্চল দখল করতে সক্ষম হয় এবং প্রথমবারের মতো উভয় মিশর একত্রিত হয়। এই যুদ্ধ জয়ের অধিনায়ক ছিলেন মেনেস। উল্লেখ্য মেনেসের অপর নাম নার্মার। এই রাজাই স্থাপন করে প্রথম ফারাও সাম্রাজ্য। নার্মার মেমফিস নামক স্থানে তার রাজধানী স্থাপন করে। নার্মার-এর পরে এই রাজ্যের রাজ হন তাঁর পুত্র হোর-আহা। নার্মার তাঁর পুত্র হোর-আহা-র হাতে রাজ্য সমর্পণ করেন। খ্রিষ্টপূর্ব ৩০৫০ অব্দ পর্যন্ত তিনি রাজ্য শাসন করেন। এরপর রাজ্য লাভ করেন দ্‌জের (Djer)। তিনি খ্রিষ্টপূর্ব ৩০৯১ অব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করেন।
  দ্‌জের -এর পুত্র দ্‌জে (Djet) রাজত্ব করেন খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০১ অব্দ পর্যন্ত। এরপর রাজত্ব লাভ করেন মেরনেইথ। তিনি কতদিন রাজত্ব করেন তা স্পষ্ট জানা যায় না। এরপর তার পুত্র ডেন রাজত্ব করেন ৪২ বৎসর। ডেন-এর পুত্র আনেদ্‌জিব রাজত্ব করেন ১০ বৎসর। এরপর এঁর পুত্র রাজা হন সেমেরখেৎ। এঁর রাজত্বকাল ছিল ৯ বৎসর। এরপর রাজত্ব লাভ করেন তাঁর পুত্র কা'আ। তিনি খ্রিষ্টপূর্ব ২৮৯০ অব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করেন।

আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর-পূর্ব কোণে, নীল নদী প্রথম ভিড়ের উত্তরে 1,200 কিলোমিটার উত্তরের লম্বা অববাহিকাটি মূল মিশর, স্থলভাগের উপরে 8-25 কিলোমিটার প্রশস্ত নদী উপত্যকা (উচ্চ মিশর) এবং মোহনা (নিম্ন মিশর) এর একটি বদ্বীপ নিয়ে গঠিত। গড়বিজা মরুভূমির পুরাতন মরূদ্বীপ (রিঙ্কেলস সিভা, বাহরিয়া আল-বারিয়া, ফারাহিলা আল ফারফিরা, দহিরা আল-দখিলা, হরিজা (কলগা) আল-খরিজা, খড়গা) নুবিয়া, লোহিত সাগর উপকূল এবং সিনাই উপদ্বীপগুলি প্রভাবের ক্ষেত্র এবং এই অঞ্চলটি বর্তমান মিশর-আরব প্রজাতন্ত্রের সাথে প্রায় অনুরূপ। মিশর নামটি গ্রীক নাম আইজিপ্টোসের পতন, যা মনে হয় প্রাচীন শহর মেমফিস থেকে পাওয়া গেছে, এটি ফুয়ুত কা ফাতৌত-কা-পাতḥ নামেও পরিচিত ḥ প্রাচীন মিশরীয়রা তাদের দেশ কেমেট নামে অভিহিত করত (যার অর্থ "কালো" পৃথিবীর দেশ "লাল" মরুভূমির বিরুদ্ধে), তা-ওয়াই (যার অর্থ উচ্চ এবং নিম্ন মিশরের "দুটি দেশ") ইত্যাদি। হিব্রু ভাষায়, নামটি মাইরাইম এবং এটি আধুনিক আরবিতে মিসুল মিয়ার নাম নিয়ে যায়।


উত্তর আফ্রিকার মরুভূমির মধ্য দিয়ে উত্তরে প্রবাহিত নীলনদ নদী হ'ল মিশরের প্রাণরেখা। ডেল্টার উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে আলেকজান্দ্রিয়ায়, বার্ষিক বৃষ্টিপাত হয় 204 মিমি, কায়রো 30 মিমি এবং মিনারের দক্ষিণে উচ্চ মিশর almost ওরিয়েন্টে, এটি একটি শুষ্ক অঞ্চল যা মরুভূমি পর্যন্ত প্রসারিত, নীল নদের নদীর ভাঙ্গনের ফলে গঠিত উপত্যকা এবং মোহনাগুলিতে। কেবল নদীর উজানে নদীর জলবাহিত উর্বর পলল মাটির সঞ্চিতি দ্বারা নির্মিত জমি (নীল নগর উপত্যকা প্রায় ২২,০০০ কিলোমিটার ২ , ডেল্টা প্রায় ১৩,০০০ কিমি ২ ) মানুষের বেঁচে থাকার জন্য এবং কৃষির জন্য প্রয়োজনীয় জল অর্জন করেছে। , হয়ে উঠেছে মানব জীবনের মঞ্চ। সেচাঞ্চল সম্প্রসারণের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে থাকার জায়গার বিস্তৃতি সত্ত্বেও এই পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয়নি। প্রতিবছর জুনের মাঝামাঝি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় চার মাস ধরে নীল নগর এবং আটবারা নদীর উত্স, ইথিওপিয়ান মালভূমির rainfallতু বৃষ্টির কারণে নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে উভয় পক্ষের পললভূমিগুলিকে coversেকে দেয়। যেহেতু এই সময়কালে গমের পতিত মৌসুম, প্রধান ফসল, মিশরের অনন্য স্টোরেজ সেচ ব্যবস্থা প্রণয়ন করা হয়েছিল, যার ফলে ডুবে ঘেরা আবাদযোগ্য জমিতে জল বৃদ্ধি ঘটে এবং প্রায় একমাস ধরে বন্যা বয়ে যায়। মিশর প্রাচীন বিশ্বের বৃহত্তম দানাদার হয়ে ওঠে। ঠিক মিশর ছিল হ'ল নীল দান> (হেরোডোটাস, ইতিহাস, দ্বিতীয় খন্ড, বনাম ৫) এবং প্রাচীন মিশরীয়রা এই নদীটিকে সুখের দেবতা, হাপি হাপি হিসাবে পূজা করেছিল। রাজনৈতিক বসতি স্থাপন ও সেচ ব্যবস্থাপনার পরিচালনার জন্য সম্মিলিত শ্রমের প্রয়োজনীয়তার কারণে রাজনৈতিক সমাজের সংগঠনটি এগিয়েছে।


মরুভূমিতে পূর্ব ও পশ্চিমে সীমাবদ্ধ বদ্ধ অঞ্চল এবং নীল নদের নদীর আশীর্বাদ যা অত্যন্ত নিয়মিত alতু বন্যা নিয়ে আসে, মিশরীয় সভ্যতা অন্যান্য প্রাচ্য সভ্যতার তুলনায় অপেক্ষাকৃত বিচ্ছিন্ন স্বায়ত্তশাসিত বিকাশ দেখায়। এ কারণে সভ্যতার চরিত্রটি প্রচলিত এবং রক্ষণশীল ছিল এবং সমৃদ্ধ খাদ্য এবং মরুভূমির খনিজ সম্পদ (পাথর, স্বর্ণ, তামা ইত্যাদি) এর কারণে খুব কমই বিদেশী আক্রমণ চালিয়েছিল এবং শান্তিপূর্ণ বাণিজ্যে সন্তুষ্ট ছিল। । রাজবংশের শেষের পরে, এটি একের পর এক অন্যান্য জাতির বিজয়ের পরে তার রাজনৈতিক স্বাধীনতা হারিয়েছে এবং গ্রীক সভ্যতা এবং ইসলামী সভ্যতার মতো শক্তিশালী প্রভাবের মুখোমুখি হয়েছিল, তবে প্রাচীন সময়ে প্রতিষ্ঠিত মৌলিকভাবে জীবনযাত্রাকে পরিবর্তন না করেই আমি এখনও তা ধরে রেখেছি।



প্রাগৈতিহাসিক কাল

প্যালিওলিথিক এবং নাকাইশি সময়কাল

মিশরের নীল নদের অববাহিকায় মানবজাতির চিহ্নগুলি ইউরোপের দ্বিতীয় আন্তঃসমাজের সময়ে ফিরে আসে। প্রাথমিক ও মাঝারি প্যালিওলিথিক সংস্কৃতি পশ্চিম ইউরোপ এবং উত্তর আফ্রিকার মধ্যে সাধারণ are সেই সময় এটি আর্দ্র ছিল, উত্তর আফ্রিকাতে তৃণভূমি ছড়িয়ে পড়েছিল, অনেক জায়গায় বনাঞ্চল ছিল এবং বন্য প্রাণীদের একটি ধন ঘর ছিল। প্রারম্ভিক প্যালিওলিথিক সরঞ্জামগুলি নীল নদের তীরে 30 মিটার এবং 15 মিটার টেরেসে, কায়রোর নিকটে আব্বাস カ ইয়া এবং হারিজা ওসিসে নিশ্চিত হয়েছিল। অ্যাবিল এবং আসুর টাইপ গ্রিপ অক্ষ, স্ল্যাব (30 মি টেরেস), মাঝ-দেরীতে আসুর সংস্কৃতি স্টোনওয়্যার (15 মি টেরেস) আবিষ্কার করা হয়েছে। মিডল প্যালিওলিথটি 9 মি টেরেসে পাওয়া যায় এবং এটি লেভালয়েস টাইপের স্কেলি পাথর এবং ছোট ত্রিভুজাকার স্কাল্পেলস (পয়েন্ট) দ্বারা চিহ্নিত হয়। এগুলি আবেরসিয়া এবং হরিজা পাশাপাশি ফায়ুম লেকের অঞ্চলে পাওয়া গেছে। 


শেষ প্যালিওলিথিক সময়কালের সাথে উত্তর আফ্রিকা শুকানো শুরু হয় এবং মিশর আশেপাশের অঞ্চল থেকে আলাদা সংস্কৃতি তৈরি করে। উত্তর আফ্রিকান ক্যাপসা সংস্কৃতি এবং লেভ্যান্টের দেরী প্যালিওলিথিক ফলক (ফলক) হ'ল একটি লেভালাইট ধরণের শিংল পাথরওয়ালা সংস্কৃতি (এপি-লেভারোয়া টাইপ)। একই সময়ে, ফায়ামের এপি-লেভাল্লোইস সংস্কৃতি, হারিজার লেভাল্লোইস-কালগা সংস্কৃতি এবং পরবর্তীকালে কালুগা সংস্কৃতি, উচ্চ মিশরীয় সেভিল সংস্কৃতি হিসাবে স্থানীয় সংস্কৃতি দেখা যায়। উচ্চ মিশরের কুম ওম্বোর নিকটবর্তী 3 মি টেরেস থেকে আবিষ্কৃত সেভিলি সংস্কৃতিটি তিনটি পিরিয়ডে বিভক্ত এবং মাতৃসঞ্চলের প্রবণতা মধ্যবর্তী সময়ের পরে উল্লেখযোগ্য। মিশরের ক্ষেত্রে, একটি সাধারণ মাঝারি পাথরের সংস্কৃতি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে দেরিতে সেভিল সংস্কৃতি, কালগা সংস্কৃতি এবং ফিলিস্তিনি দ্বারা প্রদর্শিত হিসাবে নাটুফ সংস্কৃতি একই রকম মিশরীয় হেলওয়ান সংস্কৃতি রয়েছে।


আদিম কৃষি সংস্কৃতি

জলাবদ্ধ সময়ে, শুকানোর প্রক্রিয়াটি আরও এগিয়ে যায়, সাহারা মরুভূমিতে পরিণত হয় এবং নীল নদের অববাহিকার প্রাকৃতিক পরিস্থিতি প্রায় বর্তমানের কাছে পৌঁছেছে। পশ্চিম এশিয়ায় উত্পন্ন কৃষকের সূচনা হয়েছিল, এবং মেরিমেডে বানা সালমা ( Merimde ধ্বংসাবশেষ), ফাইয়ুম (ফাইয়ম এ সংস্কৃতি) এবং মিশরের প্রাচীনতম ধ্বংসাবশেষগুলি মধ্য মিশরের তাসায় (টাসা তাসি) পাওয়া যায়। অনেকগুলি অমীমাংসিত অংশ রয়েছে, যেমন এই ধ্বংসাবশেষের বয়স এবং চরিত্র, তবে এখনও অবধি এটি একটি নব্যতাবাদী সংস্কৃতি হিসাবে বলা হয় যা খ্রিস্টপূর্ব 5000 এর কাছাকাছি শুরু হয়েছিল এবং খ্রিস্টপূর্ব 5 ম সহস্রাব্দ জুড়ে অব্যাহত ছিল। বার্লি এবং এমা গমের চাষ করা হয় এবং ছাগল, ভেড়া, গরু এবং শূকর পালন করা হয়। যাইহোক, শিকার এবং মাছ ধরার সংগ্রহের উপর নির্ভর করে গ্রামের পরিমাণ কম scale কাঠের হ্যান্ডেলের সাথে সংযুক্ত চটকদার পাথরের ব্লেডযুক্ত একটি পাথরের কাস্তি দিয়ে দানা কেটে কাটা হয়েছিল, একটি বুনন প্যাডে রাখা হয়েছিল বা মাটিতে এম্বেড থাকা ভূগর্ভস্থ স্টোরেজ গর্তে, এবং পাথরের বার এবং পাথরের থালা দিয়ে গুঁড়ো করা হয়েছিল। আমরা হরিণ, হিপ্পোপটামাস এবং ধনুক এবং তীর সহ কুমির এবং শিকারীদের সাথে মাছ ধরেছিলাম। 


পাথরের সরঞ্জামগুলিতে আরও একটি স্থানীয় পালিশ করা পাথরের কুঠার রয়েছে, যা মনে হয় পাথরের নিড়ানি হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছিল। শৃঙ্খলা জন্মাতে এবং টেক্সটাইল হিসাবে তৈরি করা হয়েছিল। ব্যবহৃত মাটির পাত্রটি মোটামুটি কালো বা লাল রঙের জমি পণ্য ছিল, তবে তাসা সকালের গৌরব ঠোঁটের সাথে জ্যামিতিক কালো শিলালিপি পাত্রও তৈরি করেছিলেন। এই বাসিন্দার দেওয়াল এবং সিলিংয়ের উপরে একটি সাধারণ কাঠের ফ্রেমযুক্ত ডিম্বাকৃতি বা ঘোড়া-আকারের পরিকল্পনা রয়েছে তবে মেরিমমে এটিতে একটি কাদামাটির মেঝে / দেওয়াল রয়েছে এবং মেঝেতে নিষ্কাশনের জন্য মাটির পাত্র রয়েছে oth অনুষ্ঠানের আবাসও বিকাশিত। ফায়ুমে ফায়ারউডও পাওয়া গেছে। দাফনের জন্য স্থানীয় রঙ রয়েছে। মেরিমেডে, এটি একটি অনুভূমিক কবরস্থানের সমাধি যা পূর্ব দিকে মুখোমুখি একটি অগভীর গর্তের পাশে বা বাড়ির কাছে খনন করা হয়েছে, যার কয়েকটি পাশের জানাজা রয়েছে। এটি পশ্চিম দিকের ক্রচিংয়ের শেষকৃত্য। গৌণ জানাজায় মাটির পাত্র, পাথরওয়ালা এবং অন্যান্য বিভিন্ন আনুষাঙ্গিক (শেলফিশ / আইভরি জপমালা, শেল সাজসজ্জা), প্রতিদিনের ডিমের ঝাঁকনা ডিস্ক এবং নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসগুলি (আইভরি চিরুনি, চোখের চারপাশে ময়ূর পাথর পিষতে একটি আলংকারিক বোর্ড রয়েছে। জানা গেল যে বাণিজ্য ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে, যেমন সিনাই উপদ্বীপের ময়ূর পাথর এবং লোহিত সাগর থেকে শেলফিস।

প্রি-রাজবংশ

আদিম কৃষি সংস্কৃতি মিশরীয় সংস্কৃতির সূচনা, তাস সংস্কৃতি অনুসরণ করেছে বদারি সংস্কৃতি , আমুরা (নাকাডা ১ ম) সংস্কৃতি , গেলজে (নাকদা দ্বিতীয়) সংস্কৃতি এবং তারপরে রাজবংশের যুগে রূপান্তর। তবে নিম্ন মিশরে মেরিমডে সংস্কৃতি অনুসরণ করে ওমারি সংস্কৃতি, মাডি সংস্কৃতি নীল নদের পানির স্তর বাড়ার কারণে ডেল্টার অভ্যন্তরে প্রত্নতাত্ত্বিক তদন্তের অসুবিধার কারণে এর সামগ্রীগুলি অজানা unknown


বদরী সংস্কৃতিটির অনেকগুলি অংশ রয়েছে যা পূর্ববর্তী তাশ সংস্কৃতিটির সাথে পূর্ববর্তী তাস সংস্কৃতির ধ্বংসাবশেষের বিতরণ এবং সংস্কৃতির বিষয়বস্তু উভয় ক্ষেত্রেই সংলগ্ন এবং তাস সংস্কৃতি বদরী সংস্কৃতির একটি দিক বলে একটি দৃ strong় তত্ত্ব রয়েছে। এটি দেখায় যে জাল তামার জপমালা হাজির হয়েছে এবং সোনার পাথরের সংমিশ্রণ প্রবেশ করেছে। কালো খোদাই করা মাটির পাত্র ছাড়াও, লাল মৃৎশিল্পের মাটির পাত্র এবং কালো মুখযুক্ত মাটির পাত্রগুলি মাটির পাত্রগুলিতে যুক্ত করা হয় এবং এতে সূক্ষ্ম রেখাচিত্রের বৈশিষ্ট্য রয়েছে। আইভরি দিয়ে তৈরি চিরুনি এবং চামচের মতো প্রাণী সজ্জা, ছোট পরিসংখ্যানের কাদামাটির মূর্তি এবং আইভরি মূর্তিগুলি (বিশেষত মহিলা চিত্র) মডেলিং শিল্পের অঙ্কুরোদগম করে। মাটির পাত্র সহ দক্ষিণ থেকে শক্তিশালী প্রভাবগুলি চিহ্নিত করা হয়েছে।


আমুরা সংস্কৃতি পুরো মিশরে ছড়িয়ে পড়ে এবং নাকদাকে কেন্দ্র করে কৃত্রিম সেচের প্রসারের মাধ্যমে একটি কৃষি অর্থনীতি প্রতিষ্ঠার পরামর্শ দেয়। মাটির পাত্রের প্যাটার্ন (সাদা ক্রস মাটির পাত্র), প্রাণী আকৃতির মাটির পাত্র, পশুর সাজসজ্জা কম্বস / আলংকারিক প্লেট ( প্যালেট ) P পিন এবং বিভিন্ন শিকারের সরঞ্জাম (鏃, 槍, 銛, এবং কাঠি) দেখায় শিকার জালিয়াতি এখনও গুরুত্বপূর্ণ জীবিকা। তামাটির ব্যবহার সম্প্রসারণ করা হবে এবং প্রসাধনী সরঞ্জাম, ব্যাগ, ব্যাগ, পিন ইত্যাদি তৈরি করা হবে এবং সোনার পুঁতিগুলি প্রচুর পরিমাণে খনন করা হবে। বাণিজ্য অঞ্চলটি প্রসারিত হয়েছে এবং রৌপ্য এবং সীসা এশিয়া থেকে আমদানি করা হয়েছে।


গেলজে সংস্কৃতির পাশাপাশি রাজবংশের বিকাশ ত্বরান্বিত হবে, যেমন জনসংখ্যা বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক মানদণ্ডের চিহ্নিত উন্নতি, সামাজিক বৈষম্য সম্প্রসারণ এবং রাজনৈতিক একীকরণের অগ্রগতি। আমড়া সংস্কৃতির মতো এটিও উচ্চ মিশরের মধ্য থেকে পুরো ওপার মিশরকে আচ্ছন্ন করে, নিম্ন নুবিয়ায় বিস্তৃত এবং শেষে ডেল্টার মাডি সংস্কৃতিটি প্রতিস্থাপন করে। মৃৎশিল্পগুলির জন্য, বৈশিষ্ট্যযুক্ত <সাইমন মৃৎশিল্প> এবং rugেউতোলা হ্যান্ডেল মৃৎশিল্প উপস্থিত হয়েছে, বিস্তৃত পাথর পাত্রে একটি হ্যান্ড ড্রিল প্রবর্তন করে তৈরি করা হয়েছিল, এবং নিষ্পেষণ পদ্ধতিতে চটকানো পাথরের সরঞ্জামগুলির (পাথরের ব্লেড, পাথরের বেড়া ইত্যাদি) কৌশলটি ছিল সেরা স্ট্যান্ডার্ড পৌঁছান। আলংকারিক বোর্ড প্রাণী আকারে জনপ্রিয়, কিন্তু পরবর্তী সময়ে, একটি বড় বাটি-আকারের ব্যহ্যাবরণ আলংকারিক বোর্ড উপস্থিত হয়েছিল এবং পৃষ্ঠটি এমবসড হয়েছিল। গ্রাম এবং কবরস্থানের স্কেল প্রসারিত হবে এবং সেখানে ঘরবাড়ি এবং কবরগুলি ইট দিয়ে তৈরি করা হবে। পরবর্তী সময়ে, পশ্চিম ডেল্টায় একটি প্রাচীর সহ একটি শহর প্রতিষ্ঠিত হবে। পশ্চিম ডেল্টার মাধ্যমে, মৃৎশিল্পের মৃৎশিল্প, নলাকার সিলগুলি ইত্যাদি যোগাযোগ করা হয়, যা পশ্চিম এশিয়ার সাথে সক্রিয় আলোচনা দেখায়। চিঠির ব্যবহার শুরু হয়েছে বলে মনে হয়।


পিরিয়ড ডিভিশন

খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দীতে গ্রেট আলেকজান্ডার দ্বারা রাজ্য একীকরণের মাধ্যমে kingdomতিহাসিক যুগের শুরু থেকে মিশর বিজয় পর্যন্ত Moneton (মনেট) রচিত "মিশরীয় ইতিহাস" এর উপর ভিত্তি করে এটি 31 রাজবংশে বিভক্ত হয়েছে। এই রাজবংশ বিভাজনটি আধুনিক যুগে অনুসরণ করা হয়েছে, তবে রাজত্বের শক্তি অনুসারে (একই সাথে সভ্যতার স্তর) এটি দ্বিতীয় অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে এবং উত্থানের সময়কালীন সপ্তম কালকে সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে (আদি রাজবংশ) সময়কাল) এবং পতনের সময়কাল (দেরী রাজবংশ)।


আদি রাজবংশ

ম্যাননেটনের মতে মেনেস কথিত আছে যে টিনিস থেকে উচ্চ মিশরের রাজা নিম্ন মিশর জয় করেছিলেন এবং প্রথম রাজবংশটি খোলেন এবং মেমফিস নতুন শহরটি নির্মাণ করেছিলেন। গেলজে সংস্কৃতির শেষে উত্সর্গের জন্য বৃহত ব্যহ্যাঙ্কের ত্রাণ থেকে এটি জানা যায় যে উচ্চ রাজ্যের রাজা নিম্ন রাজ্যকে <সর্পিয়ান> কিং হিসাবে রাজ্যটির চূড়ান্ত একীকরণের আগে জয় করেছিলেন। এই প্রক্রিয়াটির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে হচ্ছে (<হারা রাজবংশ>)। ম্যানস তত্কালীন রাজার নাম বোঝায় এমন বিতর্ক রয়েছে, তবে পরবর্তী আহা আহা, যিনি নিম্ন জিতেছিলেন বিখ্যাত ব্যহ্যাবস্থার বিখ্যাত ব্যহ্যাঙ্গী রাজা নর্মার নর্মেরের পরিবর্তে মেমফিস কবরস্থানে সাক্কারে প্রথম সমাধি নির্মাণ করেছিলেন। মিশরকে রাজা হিসাবে দেখা উচিত। টিনিস থেকে মেমফিসে রাজধানী স্থানান্তরের লক্ষ্য ছিল শীর্ষস্থানীয় মিশরীয় নেতাদের প্রভাব থেকে দূরে যাওয়া যারা এই রাজ্যের একীকরণে সহযোগিতা করেছিল এবং নিম্ন মিশরকে সুরক্ষিত করেছিল। বিদেশী বাণিজ্য যেমন সিডার আমদানির একচেটিয়াকরণের সময়, রাজত্বকে শক্তিশালী করা হয়েছিল এবং কেন্দ্রিয়করণ করা হয়েছিল। রাজা ছিলেন স্বর্গীয় দেবতা হুরাসের (হায়াবুসার আকারে) অবতার, এবং রাজার নাম সেরেক নামে একটি রাজপ্রাসাদের ফ্রেমে লেখা হয়েছিল। দ্বিতীয় রাজবংশের শেষের দিকে, রাজত্বের বিরুদ্ধে বাহিনী পেরিবসেন রাজা পেরিবসেনকে শক্তিশালী করেছিল এবং দেশ সাময়িকভাবে অশান্ত হয়েছিল, তবে কাসেকেমুই রাজা খাসেখেমুই পুনরায় মিলনে সফল হন এবং শেষ পর্যন্ত রাজার কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।



পুরানো রাজত্ব

তৃতীয় রাজবংশের সাথে, শীর্ষে রাজার সাথে কেন্দ্রীভূত রাষ্ট্র নাম এবং বাস্তবতা উভয়ই সম্পন্ন হয়েছিল এবং প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা প্রথম সমৃদ্ধিতে পৌঁছেছিল। রাজা প্রশাসনের প্রধান বিচারপতি ছিলেন (বিচার বিভাগ সহ) এবং আচার-অনুষ্ঠানগুলি। তিনি আমলা ও পুরোহিতদের নিজের পক্ষ থেকে সম্পাদন করার জন্য দায়িত্ব অর্পণ করার জন্য কর্তৃত্ব গ্রহণ করেছিলেন এবং রাজ পরিবারকে মূল পদে নিযুক্ত করেছিলেন। প্রদেশে ৪০ টিরও বেশি রাজ্য ছিল (টলেমাইক রাজবংশের ৪২) (নামো), এবং গভর্নর নিযুক্ত হন। রাজ্যটি এমন একটি সম্প্রদায় বা উপজাতির রাষ্ট্রের উপর ভিত্তি করে বলে মনে হচ্ছে যা অভিভাবক দেবদেবীর সম্মিলিতভাবে উপাসনা করে, তবে এটি প্রাথমিক রাজবংশগুলিতে প্রতিষ্ঠিত জলাধার ধরণের সেচ জলের নেটওয়ার্কের এক ইউনিটের সাথে মিলে যায়, যার প্রতিটিই রাষ্ট্রীয় অভিভাবক দেবতা যার সাথে অন্তর্ভুক্ত ছিল সরকারী ধর্ম। আছে। রাজা হলেন স্বর্গীয় দেবতা হুরসের অবতার, তিনি চতুর্থ রাজবংশের শুরুতে সূর্যদেব হিসাবে নিজেকে শাসন করেছিলেন এবং ৫ ম রাজবংশের পরে সূর্য দেবতা রায়ের পুত্র হিসাবে শাসন করেছিলেন। কবর হিসাবে চমত্কার পিরামিড নির্মিত হয়েছিল. এই কারণে ওল্ড কিংডম কালকে <পিরামিড পিরিয়ড >ও বলা হয়। তৃতীয় রাজবংশ Jessel প্রথম পদক্ষেপটি ছিল সাক্কারে রাজা দ্বারা নির্মিত "সিঁড়ি পিরামিড", তারপরে চতুর্থ রাজবংশের পূর্বপুরুষ স্নেফ্রুর মাইদুম, দহশুরের পিরামিড এবং গিজার তিনটি প্রধান পিরামিড (খু খুফু, কাহ্রা, মেনকৌড়া ৩) শীর্ষস্থানীয় পৌঁছেছিলেন। বিশেষত রানির ছোট পিরামিড কুহফুর গ্রেট পিরামিডকে ঘিরে সুন্দর করে সাজিয়েছে, Masterba সামুরাই বিশ্বস্তভাবে জাতির উচ্চ কেন্দ্রীভূত রাষ্ট্রীয় মর্যাদাকে প্রতিফলিত করে।


5 ম রাজবংশে, সূর্যদেব রা এর বিশ্বাস প্রাধান্য পেয়েছিল, রাজা পিরামিড হিসাবে একই সময়ে সূর্য মন্দির তৈরি করেছিলেন, এবং জাতীয় আচারের কেন্দ্রটি রাজা থেকে সূর্য দেবদেব্যে স্থানান্তরিত হয়েছিল। এই কারণে, পিরামিড আরও ছোট হয়ে যায় এবং নির্মাণ প্রযুক্তি দ্রুত হ্রাস পায়। রাজকীয় উচ্চ-পদস্থ একচেটিয়া ভেঙে, এবং সরকারী আধিকারিক হওয়ার আন্দোলন আরও তীব্র হয়। এই প্রবণতাটি 6th ষ্ঠ রাজবংশে আরও ত্বরান্বিত হয়েছিল, গভর্নরের কার্যালয়কে কেন্দ্র করে এবং গভর্নর আদিবাসী হয়েছিলেন এবং আরও স্বতন্ত্র হয়ে ওঠেন এবং ১৯৯৪ সালে পেপি ২ য় পেপি-র দীর্ঘকালীন রাজত্বের পরে রাজত্ব বিখ্যাত হয়ে ওঠে। তবে ৫ ম ও 6th ষ্ঠ রাজবংশে বৈদেশিক আলোচনার সক্রিয়তা ছিল এবং নূবিয়া, সিনাই, বুব্রোস এবং পুন্টো (বর্তমানে সোমালিয়া) তামা, সুগন্ধি, কাঠ, হাতির দাঁত ইত্যাদি আমদানির জন্য বাণিজ্য অভিযানগুলি প্রায়শই প্রেরণ করা হত। 6th ষ্ঠ রাজবংশের সমুদ্র অর্চিন উইনি এবং হারকুহুর নুবিয়ান অভিযান বিখ্যাত।


1 ম অন্তর্বর্তীকালীন সময়কাল

সপ্তম থেকে অষ্টম রাজবংশে স্বল্প -কালীন রাজাদের একের পর এক প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল এবং রাজবংশের অঞ্চলটি রাজধানী মেমফিসের আশেপাশের অঞ্চলে সীমাবদ্ধ ছিল। এটি "আইপেলের উপদেশ" এর মতো সাহিত্যের কাজগুলি থেকে দেখা যেতে পারে যে এই যুগের শুরুতে মেমফিসকে কেন্দ্র করে মানুষ "সামাজিক বিপ্লব" তৈরি করেছিল। যাইহোক, বিশৃঙ্খলার এই তীব্র সময়কাল বেশি দিন স্থায়ী হয়নি এবং রাজধানী হেরক্রিওপলিসের সাথে নবম এবং দশম রাজবংশের মধ্যে ভূমির বিভাজনটি রাজধানী হিসাবে প্রায় 100 বছর অবধি অব্যাহত থাকায় থিবেসের সাথে একাদশতম রাজবংশ ছিল। পুনরাবৃত্তি করুন। সামাজিক অশান্তি traditionalতিহ্যবাহী কর্তৃত্বের প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রকাশ করে যেমন পুরানো রাজ্যে মন্দির সমাধি ধ্বংস এবং লুণ্ঠন, এবং পুরানো রাজ্যের ক্রম অনুসারে যে মূল্যবোধগুলি প্রসারিত করে, এবং বিশ্ব ও ভবিষ্যতকে বিপর্যস্ত করে, রাজা এবং দেবদেবীরা বিভিন্ন সাথে পরীক্ষিত (আদর্শিক বিপ্লব) এর জন্য দোষ হিসাবে চিন্তাভাবনা। এই পরীক্ষাগুলি সেই সময়ে বিকাশমান সাহিত্যে তাদের চিহ্নগুলি ধরে রেখেছে।


মধ্য কিংডম সময়কাল

উত্তর ও দক্ষিণ রাজবংশগুলির মধ্যে দ্বন্দ্বের 11 তম রাজবংশীয় মেন্টুহেটপ দ্বিতীয় মেনতুহেটপ দ্বিতীয়টির পুনর্মিলন ঘটায় মিশরীয় ইতিহাসের মৌলিক প্যাটার্ন অনুসারে যে দক্ষিণ উত্তর জয় করে এবং unityক্য পুনরুদ্ধার করে ends এর পর থেকে থিবস প্রায় 1000 বছর ধরে মিশরের রাজনীতির কেন্দ্রস্থলে পরিণত হয় এবং এর পৃষ্ঠপোষক দেবতা আমুনও রাজবংশের দেবতা এবং জাতীয় দেবতা হিসাবে দেবতাদের রাজাদের মর্যাদা বজায় রেখেছিলেন। একাদশতম রাজবংশ হঠাৎই কেন্দ্রীভূত রাষ্ট্র ব্যবস্থা পুনঃনির্মাণ করছিল, সুতরাং প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে বংশগত আভিজাত্যের বিদ্রোহের বিরুদ্ধে এটি অভ্যুত্থানের কাছে পরাজিত হয়েছিল, আমেনে মাট আই পূর্বপুরুষের সাথে দ্বাদশ রাজবংশ প্রতিষ্ঠিত। নতুন রাজবংশ অনেক স্থানীয় বিশিষ্ট অভিজাতদের গভর্নর হিসাবে নিয়োগ করেছে, বংশগত অভিজাতদের সুযোগ-সুবিধা যেমন কিছু শ্রদ্ধা নিবেদনের বিচক্ষণ মনোভাব এবং বেসরকারী সৈন্যদের ধরে রাখার বিষয়ে সম্মান করে। রাজ্যপালের প্রভাব বিস্তার থেকে রোধ করতে, রাজ্যের সীমানা এবং সেচ খালগুলির জলের স্পষ্টরূপে সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল, একজন বিচারক নিয়োগের অধিকার, রাজত্বের অর্থনৈতিক ভিত্তি জোরদার করার জন্য ফায়ুমকে পুনরুদ্ধারের কাজ শুরু করেছিলেন, এবং থিবেসের রাজধানী স্থাপন করেছিলেন। ফায়ুম অববাহিকার নিকটে আইচি তাউই (এখন রাহৌন) এ যাওয়ার জন্য এবং ভবিষ্যতের কেন্দ্রীকরণের জন্য প্রস্তুত করা। রাজার প্রতি বিশ্বস্ত অফিসারদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য তারা প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে গড়ে ওঠা নগর-বাসিন্দা কারিগর এবং রাজার অন্তর্ভুক্ত ছোট জমির মালিকদের সন্তানদের (তথাকথিত <সাধারণ মানুষ>) চরিত্রে দক্ষতা অর্জনে প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন। আমি তোমাকে দিচ্ছি রাজা হত্যার পরেও আমেনেমহাটের প্রথম নীতি ছিল সেনুসার্থ I এটি নিম্নলিখিত রাজা দ্বারা উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত হয়েছিল এবং তৃতীয় সেনুসর তৃতীয় সেনুসর তৃতীয় প্রশাসনিক সংস্কার সম্পাদন করে সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয়করণে সফল হয়েছিল। বৈদেশিক বাণিজ্যও সক্রিয় ছিল এবং রাজত্বের অর্থনৈতিক ভিত্তি জোরদার করতে অবদানগুলি প্রায়শই বুব্রস, ক্রেট, পুন্টো, সিনাই উপদ্বীপ এবং ওয়াদি হ্যামারমার্টে প্রেরণ করা হত। নুবিয়ার বিরুদ্ধে একটি সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল, এবং colonপনিবেশিকরণের চেষ্টা করা হয়েছিল। তৃতীয় সেনসুরুত তাঁর রাজত্বের প্রথমার্ধে নুবিয়াকে জয় করেছিলেন এবং এই অঞ্চলটিকে দ্বিতীয় তড়িঘড়ি করে দিয়েছিলেন এবং দক্ষিণের জন্য প্রস্তুতি নিতে সেমনা ও বুচেনের মতো দুর্গ তৈরি করেছিলেন। প্রশাসনিক সংস্কারের মাধ্যমে সমাপ্ত আমলাদের পুরানো রাজ্যের তুলনায় অনেক বেশি আমলাতন্ত্র রয়েছে এবং এই ব্যবস্থাটি আরও জটিল। একাধিক আমলা সর্বদা একই মিশনে যুক্ত থাকে, একে অপরকে পরীক্ষা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় make ব্যবস্থাটি মন্ত্রীর মাধ্যমে রাজার সাথে একত্রিত করা। কারুকাজ, রাজত্বের ভিত্তি, একটি ট্রেড ইউনিয়ন দ্বারা রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রণের অধীন ছিল।


দ্বিতীয় অন্তর্বর্তীকালীন সময়কাল

13 তম রাজবংশের একবার, রাজত্ব আবার হ্রাস পায় এবং সিংহাসন একের পর এক পরিবর্তিত হয়। তবে, প্রথমার্ধে সামান্য সামাজিক ব্যাঘাত ঘটেছিল কারণ আমলা কার্যকরভাবে কার্যকর হয়েছিল। ডেল্টার পূর্ব সীমান্তে প্রতিরক্ষা অভাবের সুযোগ নিয়ে Hyxos এশিয়া থেকে আক্রমণ নামক একটি ভিন্ন জাতিগত গোষ্ঠী মূলত পূর্ব বদ্বীপে বসতি স্থাপন করেছিল এবং ভাড়াটে হিসাবে এর সক্ষমতা জমে এবং পরে খ্রিস্টপূর্ব ১50৫০ (১৫ তম রাজবংশ) অভ্যুত্থানের মাধ্যমে একটি নতুন রাজবংশ চালু করে। প্রথম সহস্রাব্দের প্রথমার্ধে, পশ্চিম এশিয়া ভারতীয় এবং ইউরোপীয় জাতিগত গোষ্ঠীগুলির স্থানান্তরিত হওয়ার ফলে মহা জাতিগত অভিবাসনের সময়কালে প্রবেশ করেছিল, এবং এশিয়া মাইনরে হিটটাইট, উপরের ফোরাতের মিতানির মতো ইন্দো-ইউরোপীয় জাতিগোষ্ঠী দ্বারা শাসিত ছিল, এবং বাসিলোনিয়ায় ক্যাসিনো। জাতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এই পরিণতিটি সিরিয়া এবং প্যালেস্টাইনের পরে মিশরে পৌঁছেছিল এবং উত্তর-পশ্চিম সেমেটিক (আমোরিয়ান) তত্ত্ব এবং হুলুলিয়ান তত্ত্ব পঞ্চদশ রাজবংশ গঠনকারী হেক্সোসের মূল জাতি সম্পর্কে সম্মতিযুক্ত। 15 তম রাজবংশ ডেল্টা থেকে দক্ষিণ ফিলিস্তিনকে সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করেছিল এবং উচ্চ মিশর এবং নুবিয়ার উপর সার্বভৌমত্ব প্রয়োগ করেছিল। হিক্সোস নিয়ম মিশরের ইতিহাসের একটি টার্নিং পয়েন্ট। এমন একটি জাতির উত্থানের ফলে যা এশিয়ার বিভিন্ন অংশকে অন্তর্ভুক্ত করে, মিশর বাণিজ্য কেন্দ্রকে প্রচলিত বিচ্ছিন্নতা থেকে দূরে ফেলেছে এবং রাজনীতি, অর্থনীতি ও সংস্কৃতিতে এশিয়ার সাথে একটি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। যদিও হাইকস নিজেই একটি খারাপ সংস্কৃতি রয়েছে তবে নতুন সাংস্কৃতিক উপাদান যেমন ঘোড়া এবং ট্যাঙ্ক, যৌগিক ধনুক, ব্রোঞ্জ তরোয়াল এবং বিভিন্ন অস্ত্র এবং অস্ত্র প্রবর্তন করা হয়েছে। হাইকসোর সার্বভৌমত্বের অধীনে থিবেসে প্রতিষ্ঠিত 17 তম রাজবংশটি বিভিন্ন নৃগোষ্ঠী শাসন থেকে মুক্তির পতাকা সহ পেশাদার সৈনিকদের প্রশিক্ষণ, সামরিক রাষ্ট্রব্যবস্থার উন্নতি এবং জাতীয় চেতনা জাগ্রত করার প্রচেষ্টা চালিয়েছিল এবং নিউ কিংডম আমলে বাইরে প্রসারিত করেছিল । উপায় প্রস্তুত।


নিউ কিংডম এর-18 ম রাজবংশ

খ্রিস্টপূর্ব ১৫৪২ সালের দিকে, থিবস রাজবংশের অহমেস প্রথম রাজধানী হিকসোস দখল করে এবং তাকে দেশ থেকে বহিষ্কার করে এবং 18 তম রাজবংশটি চালু করেন। রাজা হাইকোসের চূড়ান্ত ঘাঁটিতে আঘাত করতে দক্ষিণ ফিলিস্তিনে যাত্রা করলেন, এবং নীচু নুবিয়া পুনরুদ্ধার করলেন। টোটোমস প্রথম থটমস আমি মিতানির বিরুদ্ধে সাময়িকভাবে ফোরাত নদী দখল করব, যিনি সিরিয়ান ফিলিস্তিনে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন। যাহোক হ্যাটসেপসাট রানী একটি শান্তি বাণিজ্য নীতিতে পরিণত হয় এবং পুন্টোর সাথে সুবাসে বাণিজ্যটি আবার শুরু করে। জাপানে, তিনি ডিল আলবাফ্রে জানাজা হল সহ জোরদার স্থাপত্যকর্মে জড়িত ছিলেন এবং চারুকলার পুনর্গঠনকে অনুপ্রাণিত করেছিলেন। রানির মৃত্যুর পরে একমাত্র শাসক হয়েছিলেন টোটোমস III তাত্ক্ষণিকভাবে এশিয়াতে এই অভিযান আবার শুরু হয়েছিল। 17 সৈন্যের পরে, উত্তরাঞ্চল ইউফ্রেটিস নদীর তীর থেকে হঠাৎ নীল নং 4 নম্বরে মিশরের ভূখণ্ডের বৃহত্তম অঞ্চল অর্জন করে। একটি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করুন। রাজা একজন দক্ষ জেনারেল এবং একই সাথে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ছিলেন। 


বিষয়টিতে তার প্রভুর মর্যাদার নিশ্চয়তা দেওয়ার এবং তার স্বায়ত্তশাসনকে স্বীকার করার পরিবর্তে তিনি তার বড় ছেলেকে জিম্মি হিসাবে থিবস আদালতে জড়ো করে মিশরীয় শিক্ষার ব্যবস্থা করেছিলেন। এশীয় অঞ্চলটিকে তিনটি প্রদেশে বিভক্ত করা হয়েছিল, প্রত্যেককেই একজন গভর্নর ছিল এবং একটি গ্যারিসন বিষয়বস্তুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ হিসাবে একটি মূল পয়েন্টে ছিল এবং নুবিয়া গভর্নরকে প্রত্যক্ষ অঞ্চল হিসাবে স্থাপন করেছিলেন। রাজার দক্ষ শাসন সাম্রাজ্যের সমৃদ্ধি নিশ্চিত করেছিল এবং তৎকালীন মহান শক্তিগুলি (হিটাইট, ব্যাবিলোনিয়া, আসিরিয়া, সাইপ্রাস ইত্যাদি) সকলেই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনে অবদান রেখেছিল। বাণিজ্য অঞ্চলটি এজিয়ান দ্বীপপুঞ্জ থেকে আরব পর্যন্ত ছিল এবং প্রদেশের শ্রদ্ধা ও লুট সহ প্রচুর সম্পদ রাজার ভাণ্ডার ঘরে প্রবাহিত হয়েছিল, এবং কর্ণক মন্দিরের মতো দুর্দান্ত স্থাপত্যে নিবেদিত ছিল। টোটোমস চতুর্থ থটমস চতুর্থের মিতানির সাথে জোটটি এবং মাজারের পিছনে রাজকুমারী মিতান্নির প্রবেশ আরও দৃ solid় হয়, আমেনহেথেপ III অধীনে শীর্ষে পৌঁছান (রাজত্বকাল, খ্রিস্টপূর্ব 14 শতকের প্রথমার্ধ)। তত্কালীন মিশরকে কেন্দ্র করে প্রাচ্য বিশ্বের কূটনৈতিক সম্পর্কের documentsতিহাসিক দলিলগুলি কিউনিফর্মে লেখা ছিল < অমরনা ডকুমেন্ট >।


তবে, এই বিজয়ের অভিভাবক ছিলেন পৃষ্ঠপোষক দেবতা আমেনও প্রচুর পরিমাণে সম্পদ ও জমি পেয়ে অর্থনৈতিক শক্তি অর্জন করেছিলেন এবং সিংহাসনের রাজনীতি ও উত্তরাধিকার সূত্রে হস্তক্ষেপ শুরু হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল পুরোহিতের প্রভাব দূরীকরণ এবং রাজত্বের unityক্যকে অনুসরণ করা Eknerton (আমেনহেথপ চতুর্থ) <তথ্য> তবে, দ্রুত সংস্কারের সাথে সাথে ঘরোয়া রাজনীতিতে ব্যাহত হওয়া এবং হিট্টাইটের অগ্রযাত্রার কারণে এশিয়ান উপনিবেশের ক্ষয়ক্ষতি আমলা ও সামরিক কর্মীদের আস্থা হারিয়েছে এবং এই সংস্কারটি শুধুমাত্র একটি প্রজন্মের জন্য সম্পন্ন হয়েছে। Tutankhamen রাজার traditionalতিহ্যবাহী বিশ্বাস পুনরুদ্ধার হয়।আমুন পুরোহিতদের সমর্থন নিয়ে জেনারেল হোরেহামব হোরেহামব সিংহাসন গ্রহণ করেছিলেন এবং রাজত্বের প্রয়াস হতাশ হয়ে সৈন্য ও পুরোহিতদের বিজয় লাভ করে।

→ আমর্ণা পিরিয়ড


নতুন কিংডমের যুগ-রামেসেসের যুগ

উনিশতম রাজবংশের রাজারা সাম্রাজ্য পুনর্নির্মাণের চেষ্টা করেছিলেন, সেতি আই প্যালেস্তাইন পুনর্দফায়নে সাফল্য অর্জন করে এবং সেনাবাহিনীকে সিরিয়ায় অগ্রসর করে, তবে উত্তর সিরিয়া হিট্টির পক্ষে রয়েছে। রামেসেস II উত্তর সিরিয়া পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে পূর্বের বদ্বীপে নতুন রাজধানী পেল র্যামেসেস প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, ওড়ন্তেস নদীর তীরে কাদেশে হিট্টাইট সেনাবাহিনীকে পরাজিত করেছিলেন, কিন্তু বেদনাতে শেষ হয়েছিল (খ্রিস্টপূর্ব ১২ 1286 খ্রিস্টাব্দে), এবং পরবর্তীকালে ১২ BC০ খ্রিস্টাব্দে একটি শান্তিচুক্তি হয়েছিল। যুদ্ধের সমাপ্তি, রাজনৈতিক নির্বাসনের বিতরণ, পারস্পরিক সামরিক সহায়তা এবং সীমান্তের বর্তমান অবস্থা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য দু'জনের মধ্যে সই হয়েছিল। এই সময়, হিট্টাইট নিজেই মিশরে আসছেন। দু'দেশ আশিরিয়ার অগ্রগতি এবং উত্তর পূর্ব ভূমধ্যসাগরে একটি নতুন জাতিগত আন্দোলনের সাথে একটি প্রতিরক্ষা জোট গঠন করেছিল (<< সমুদ্রের মানুষ কারণ <> এর আন্দোলন শুরু হয়েছে। চুক্তির সমাপ্তির সাথে সাথে বাহ্যিক পরিস্থিতি সাময়িকভাবে স্থিতিশীল হয়ে পড়ে এবং রাজার শক্তিগুলি দেশের প্রধান স্থাপত্যকর্মের জন্য নিবেদিত হয় (কর্ণক মন্দির গ্র্যান্ড কলাম, আবু সিম্বেল ইত্যাদি)। মেরেনপ্তা রাজা মেরেনপটা লিবিয়াদের সাথে একত্র হয়েছিলেন এবং <দ্য সি সমুদ্র> (সিসিলিয়ান, সার্ডিনিয়ান, আখিয়ান, লাইসিয়ান, তুরসেনিয়ান) যারা পশ্চিমা বদ্বীপে আক্রমণ করেছিলেন এবং মিশরে বন্দী হিসাবে বসতি স্থাপন করেছিলেন। । হিব্রু << এক্সোডাস> কোনও রাজার দেরী হতে পারে। সমুদ্রের লোকেরা 19 তম রাজবংশের শেষে বিভ্রান্তির সুযোগ নিয়েছিল এবং 20 তম রাজবংশের শুরু থেকে ফিলিস্তিনের পূর্ব ডেল্টায় পৌঁছে হিট্টাইট কিংডমকে ধ্বংস করে দিয়েছিল, কিন্তু তৃতীয় রামেসেস ফিলিস্তিয়া ধ্বংস করে এবং বন্দী করেছিল (পেরিশাইট) লোকেরা দক্ষিণে বসতি স্থাপন করেছিল প্যালেস্তাইন উপকূল সীমান্তের জন্য প্রস্তুত। বাহ্যিকভাবে, পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ, তবে মন্দিরে ধন-সম্পদের ঘনত্ব, পুরোহিতের আক্রমণ, বিদেশী ভাড়াটেদের বৃদ্ধি, আমলাতন্ত্রীর দুর্নীতি এবং চতুর্থ থেকে একাদশ প্রজন্মের মতো পরিস্থিতি দেশটিতে আরও খারাপ হয়েছে। সফল রামেসেস তৃতীয়। একই নামের রাজা হওয়া পর্যন্ত রাজত্ব দ্রুত হ্রাস পায়, এশীয় উপনিবেশগুলি হারিয়ে যায় এবং অর্থনৈতিক শক্তি হ্রাস পায়। কেবল ভাড়াটে এবং পুরোহিতরা তাদের ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এবং শেষ পর্যন্ত আমুন পুরোহিত হেলিহোর সিংহাসন গ্রহণ করবেন (প্রায় 1070))


শেষ রাজবংশ

হেলিহোলের একই সময়ে, জেনারেল সিমেনডেস ডেল্টা তানিসে সিংহাসন গ্রহণ করেছিলেন এবং একবিংশ রাজত্ব শুরু করেছিলেন। সেই থেকে, রাজনীতির কেন্দ্রটি পুরোপুরি ডেল্টায় স্থানান্তরিত হয় এবং থিবস পবিত্র নগরের আমেন হিসাবে ধর্মীয় কেন্দ্রের রঙকে শক্তিশালী করে। লিবিয়ার জেনারেল শেহনক যিনি খ্রিস্টপূর্ব 950 সালে রামেসেস যুগের পরে ভাড়াটে হিসাবে বসতি স্থাপন করেছিলেন, তিনি বুবস্তিসে 22 তম রাজবংশ চালু করেছিলেন এবং জেরুজালেম দখল করেছিলেন, কিন্তু পরে সাইসে 23 তম থেকে চব্বিশতম রাজবংশটি সমান্তরাল, রাজনীতি এবং সংস্কৃতি উভয়ই হ্রাস পেয়েছে এবং কিছু কিছু পণ্ডিতগণ 21 তম থেকে 24 তম বংশকে <তৃতীয় অন্তর্বর্তীকালীন সময়> বলেছেন। খ্রিস্টপূর্ব ৮ ম শতাব্দীর শেষের দিকে নীল চতুর্থ জেলার নেপাতে যে ইথিওপীয় রাজা ফেটে পড়েছিলেন তিনি মিশর (25 তম রাজবংশ) জয় করেছিলেন এবং আমেন বিশ্বাসের পুনর্গঠনের মতো সংস্কৃতি পুনর্নির্মাণের চেষ্টা করেছিলেন। বাদশাহকে তাড়া করা হয়েছিল এবং মিশর অশূর সাম্রাজ্যের অংশ হয়ে গেছে। তবে জেনারেলরা বুসান মেটিকোস (সামামেটিকোস) আমি আয়নার ভাড়াটেদের সহায়তায় আশেরিয়া (২th তম রাজবংশ) থেকে স্বাধীন হয়েছি এবং সংস্কৃতি পুনরুদ্ধারের জন্য পুরাতন রাজ্যের কলা, ভাষা এবং চরিত্রের অনুকরণকারী পুনরুদ্ধারতাকে প্রচার করেছি। রাজা ডেল্টায় আয়নীয় ভাড়াটেদের উপনিবেশ করেছিলেন, এবং দ্বিতীয় অহমেস দ্বিতীয় অহমেস দ্বিতীয় রাজধানীটি মেমফিসে সরিয়ে নিয়েছিলেন, তবে গ্রীক বণিকদের তাদের Greekপনিবেশিক শহর নওক্রাটিস নির্মাণের অনুমতি দিয়েছিল, গ্রীক বাণিজ্যের একচেটিয়া অধিকার দিয়েছিল, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে সহায়তা করেছিল। বিড়াল (নেকা) II আশেরিয়াকে পুনরজ্জীবিত করার জন্য শক্তিবৃদ্ধি প্রেরণ করে, কিন্তু খ্রিস্টপূর্ব 5০৫ সালে কার্কেমিশ যুদ্ধে নিউ ব্যাবিলনীয় রাজা নবূখদ্‌নিৎসর-এর সেনাবাহিনীর কাছে হেরে গিয়ে তিনি এশিয়ার উচ্চাভিলাষ ত্যাগ করেন। প্রাচ্য বিশ্বকে একত্রিত করে, মিশর 525 (27 তম রাজবংশ) জয় করেছিলেন এবং দ্বিতীয় থেকে 28 তম-রাজবংশের অধীনে সাময়িকভাবে স্বাধীনতা ফিরে পেয়েছিলেন। আবারও পারস্য সাম্রাজ্যের সাথে যুক্ত হন (৩১ তম রাজবংশ), খ্রিস্টপূর্ব ৩৩২ খ্রিস্টাব্দে আলেকজান্ডার দখল করেছিলেন by মিশরীয় সভ্যতা ক্রমবর্ধমান জাতিগত নিয়ন্ত্রণের অধীনে মন্দির এবং পুরোহিতদের হাত ধরে ক্রমবর্ধমান হবে।


রাজবংশের সমাজ ও সংস্কৃতি

সমাজের কেন্দ্র রাজা, ফেরাউন (ওল্ড টেস্টামেন্ট থেকে, পারো, মিশরীয় পের আ <বিরাট বাড়ি> থেকে প্রাপ্ত)। রাজা পৃথিবীতে সৃষ্টির godশ্বরের ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং স্বর্গ ও পৃথিবী সৃষ্টির সময় সৃষ্টি godশ্বর প্রতিষ্ঠিত মহাজাগতিক ক্রম (মিশরীয়) Maat ) রক্ষণাবেক্ষণ এবং আপডেট হওয়া আশা করা হয়েছিল এবং এই অর্থে এটি ,শ্বর হিসাবে বিবেচিত হয়েছিল। স্নাতকের রক্ষণাবেক্ষণের কার্যাদি মানবসমাজের প্রশাসনিক কার্যাদি এবং শৃঙ্খলা রক্ষাকারী দেবতাদের সাথে সুরেলা সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য আচার অনুষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত এবং রাজা আমলা ও পুরোহিতদের কর্তৃত্ব অর্পণ করেছিলেন। নীতিগতভাবে, কোনও সরকারী অফিস এবং পুরোহিতের কার্যালয়ের মধ্যে কোনও পার্থক্য ছিল না, এবং এটি পুরোপুরি রাজার নিয়োগের উপর নির্ভর করে। পুরানো রাজ্যের প্রথমার্ধে, ফেরাউনের প্রতিনিধিরা কেবল ফেরাউনের বংশের জন্য উপযুক্ত, এবং মূল পেশা রাজকীয়তা (বিশেষত রাজকুমার) দ্বারা একচেটিয়া ছিল। পরে তিনি শিখেছিলেন যে তিনি চিঠিপত্রের বিষয়ে দক্ষ হতে পেরে এবং দক্ষ হতে পারলে তার পরিবার নির্বিশেষে উচ্চ স্তরে পদোন্নতি পেতে সক্ষম হয়েছিলেন। আমলারা (এবং পুরোহিত) যারা এই রাজ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদ গ্রহণ করেছিলেন তারা হলেন "প্রাপ্তবয়স্ক" (মহীয়ান)। প্রাচীন মিশরের সামাজিক স্তরগুলি বিস্তৃতভাবে <অ্যাডাল্টস> এবং <দোয়ার্ফেস> এ বিভক্ত হতে পারে এবং নীচের স্তরের আমলা (<সেক্রেটারি>) থেকে <অ্যাডাল্টস> পর্যন্ত পথ নীতিগতভাবে সমান। বাস্তবে, আভিজাত্য শিশুরা কেবল শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে, এবং মধ্য প্রাচ্যের রাজত্ব সক্রিয়ভাবে তাদের নিয়োগ না করা হলে কৃষক ও কলাকুশলীদের পক্ষে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া কঠিন ছিল। ।


যেহেতু ক্ষমতায়নের অংশ হিসাবে সামরিক পরিষেবা আরোপ করা হয়েছিল, তাই সামরিক কর্মীদের গঠন নিউ কিংডমের পরে হয়েছিল, যখন বড় আকারের সামরিক অভিযান স্থায়ী হয়ে যায়। যাইহোক, এর সামাজিক মূল্যায়ন কম, এবং নাগরিক আধিপত্যের নীতিটি সেনাপতির জন্য বজায় রাখা হয়েছে, এবং বিদেশের ভাড়াটেরা নতুন রাজ্যের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে সামরিক বাহিনীর প্রধান শক্তি হয়ে উঠেছে। কারিগর (ভাস্কর, স্বর্ণকার, ধাতব শিল্পী, জহরত, কারিগর, কার্পেটর, প্লাস্টার, রাজমিস্ত্রি, কুমার, পাদুকা তৈরি ইত্যাদি) বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রাষ্ট্র দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। স্বাধীন স্ব-কর্মসংস্থান কার্যত অসম্ভব ছিল, তাই আমি একচেটিয়াভাবে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কর্মশালায় বা কোনও মন্দিরের মতো কোনও সরকারী প্রতিষ্ঠান দ্বারা পরিচালিত একটি কর্মশালায় কাজ করেছি। নিউ কিংডম আমলের কবর নির্মাতার একটি গ্রাম পশ্চিম তীরে ডিল আলমাদিনাতে পাওয়া গেছে। বিদেশী বাণিজ্যের রাজ্যই প্রাধান্য পায় এবং দেশীয় পণ্যদ্রব্য বিতরণও রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকে, সুতরাং নতুন রাজত্ব শেষ হওয়া পর্যন্ত কোনও বণিক শ্রেণি নেই। কৃষকরা সাধারণ জনগণের সিংহভাগের জন্য দায়বদ্ধ ছিল এবং শ্রদ্ধা ও সেবার মূল অংশের জন্য দায়বদ্ধ ছিল। ফসল তোলার পরপরই, 20-40% ফসল বিতরণ করা হয়, এবং জল বৃদ্ধি, সেচ খাল খনন, ড্রেজিং, পুনঃনির্মাণ, প্রাসাদ এবং সমাধি নির্মাণ, খনন / খননের কারণে কৃষি-মৌসুমে ভূমিকা রাখে সেনা হিসাবে। Trade বাণিজ্য অভিযান এবং সামরিক অভিযানে জড়িত। জমিটি রাজার মালিকানাধীন ছিল এবং সরকারী মালিকানাধীন জমি বা মন্দির / সরকারগুলির মতো সরাসরি পরিচালিত অঞ্চলগুলি বরাদ্দ করে চাষ করা হয়েছিল। কৃষকরা যাদের নিজস্ব মালিকানা রয়েছে এবং তাদের জমি বিক্রি করছে তারা নতুন রাজ্যের পরে উপস্থিত হবে। <adult> শ্রেণির ক্ষেত্রে যেমন সরকারী অফিসগুলির সাথে জড়িত জমি এবং যারা যোগ্যতা অর্জন করেছে তাদেরকে দেওয়া জমি, প্রথমদিকে জমিটির মালিকানা প্রথম থেকেই দেখা গেছে। দাসের সংখ্যা অল্প, তারা মূলত গৃহপালিত দাস, উত্পাদনের মূল খেলোয়াড় হয়ে ওঠে না এবং পাপী, পাপী, বিদেশী ক্রীতদাস, ক্রীতদাস শিশু ইত্যাদির প্রতিশোধকারীদের দ্বারা গঠিত হয় এবং POW দাসদের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পায় নতুন রাজ্যে মিশরীয় দাস ব্যবস্থার একটি বৈশিষ্ট্য হ'ল বাণিজ্যিক বিকাশের অভাবে কিছু thereণ দাস রয়েছে slaves সেই সময়ের জীবনের পরিস্থিতি বিশেষভাবে সমাধির প্রাচীরের ত্রাণ এবং চিত্রগুলি থেকে বোঝা যায়।


ধর্ম

ধর্ম সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে আধিপত্য বিস্তার করে। এটি বহুশাস্ত্রবাদী এবং মানুষের জ্ঞানের বাইরে যেমন প্রাকৃতিক ঘটনা, স্বর্গীয় দেহ, প্রাণী, পাথর, গাছ ইত্যাদি ইত্যাদির দেবতাকে স্বীকৃতি দেয় এবং প্রতিটি উপজাতি, গ্রাম, শহর এবং রাজ্যে অভিভাবক দেবতা রয়েছে। শিকারীদের বিশ্বাস থেকে প্রাপ্ত অনেক প্রাণী দেবতা রয়েছে এবং godsতিহাসিক সময়ে দেবতাদের রূপের বিকাশ ঘটলেও, পুত্র, মিন, ওসিরিস এবং আমেনের মতো মানুষের আকারে প্রকাশিত খুব কম দেবতা রয়েছে। অনেক দেবতাদের প্রাণীর মাথা রয়েছে বলে প্রকাশ করা হয় (যেমন অনুবিস, একটি পর্বত কুকুরের মাথা, হুরাস, একটি বান, এবং খনুম, একটি ভেড়া মাথা)। এই স্থানীয় দেবদেবীদের মধ্যে পুত্র, রা, আমুন ইত্যাদি রাজ্যের পুনর্মিলনের পরে রাজবংশের অভিভাবক দেবতা এবং রাজবংশের জাতীয় দেবতা হিসাবে বিবেচিত হত। এটি রাজার সভাপতিত্বে সরকারী ধর্মে নির্মিত হয়েছিল এবং এটি গভীরভাবে সম্মানিত হয়েছিল। এই দেবতাদের একত্রে থাকার জন্য পৃথিবীতে আদেশ দেওয়ার জন্য, দেবতাদের পরিবার তৈরি করা হয়েছে এবং বিশেষ পেশার অভিভাবক দেবতা হিসাবে গণ্য করা হয় (পুতাহা একজন প্রকৌশলী, কুনুম কুমোর, টোট সেক্রেটারি, অনুবিস একজন মমি ইত্যাদি)। ) পৌরাণিক কাহিনীকে (<তত্ত্ব> )কে কেন্দ্র করে পদ্ধতিবদ্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। সৃষ্টির দেবতা হিসাবে সূর্য দেবতা আতামের সাথে হেলিওপলিস ধর্মতত্ত্ব, চারটি আদিম লিঙ্গ দেবতা (পরে চাঁদের দেবতা টোট) সহ সৃষ্টির দেবতা এবং মেমফিসের ধর্মতত্ত্বটি পৃথিবীর সৃষ্টির দেবতার কথা বলেছিলেন godশ্বর পুত্র পরিচিত হয়। তন্মধ্যে হেলিওপলিস ধর্মতত্ত্ব আটমের পরিবর্তে রা কে সৃষ্টি দেবতা হিসাবে নিয়েছিলেন এবং পাতালের শাসক ওসিরিস এবং তাঁর পুত্র হুরাস দেবতাদের বংশবৃত্তির পাশাপাশি প্রভাবশালী। রা-র মতো অন্যান্য দেবতাও রা-র সাথে শিখিয়ে সৃষ্টির দেবতার মর্যাদা ন্যায়সঙ্গত করেছেন। মন্দিরটি Godশ্বরের বাসস্থান হিসাবে বিবেচিত হত এবং পুরোহিতদের পাশাপাশি রাজকীয় ও অভিজাত পরিবারগুলি দ্বারা দাস হিসাবে কাজ করত এবং এই আচারের মূল বিষয়গুলি মূর্তি এবং খাদ্য সেবার জন্য ব্যক্তিগত যত্ন ছিল।


মিশরীয়রা মৃত্যুর পরে পুনরুত্থানে বিশ্বাস করেছিল এবং আশা করেছিল যে এই পৃথিবীর মতো একই জীবন পরবর্তী জীবনে চলবে। পুরানো রাজত্বকালে, কেবল রাজা মৃত্যুর পরে ওসিরিস হন এবং স্থায়ী জীবন লাভ করেন এবং পরবর্তী জীবনের লোকদের বলা হয়েছিল যে তারা রাজার সেবা করবে এবং স্থায়ী জীবনে অংশ নেবে, তবে প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন রাজত্বের পতনের পরে সমস্ত প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। যে কেউ স্থায়ীভাবে পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছিল। প্রস্তুতিগুলি নিম্নরূপ: (১) সমাধিসৌধ, যা মৃতদের বাসস্থান, (২) মৃত্যুর পরে জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর পাশের জানাজা, (৩) খাবার ও পানীয় (সেবা) এর নিয়মিত বিধান নিশ্চিত করা। যখন তিনি মারা যান, তিনি মারা যান (4) মমি হিসাবে অবশিষ্টাংশগুলি সংরক্ষণ করেছিলেন এবং (5) আত্মাকে স্মরণ করতে এবং পুনরুদ্ধার করার জন্য একটি জানাজা করেছিলেন। কারণ মৃতের পাশাপাশি জীবিতদের জন্যও খাদ্য প্রয়োজনীয় ছিল, সেবার প্রস্তুতি নিবেদিত হয়েছিল এবং খাবারের জন্য ভূমির উপকরণ, খাবারের পাশের জানাজা, মডেল সাইডের জানাজা, নৈবেদ্য এবং নৈবেদ্য সম্পর্কিত দৃশ্যের মডেল এবং মুরালগুলি উপলব্ধি করা হয়েছিল। অফারগুলির মুরালগুলির থিমটি বিশ্বের জীবনের মুরালগুলিতে প্রসারিত হবে যা আমরা পরের বিশ্বে উপলব্ধি করতে চাই।


সাহিত্য এবং শিক্ষা

ধর্মীয় সাহিত্যে মন্ত্রগুলির একটি প্রাচীন রাজত্ব অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা মন্ত্রকে সংগ্রহ করেছিল যা মৃতদের পুনরুদ্ধারে সহায়তা করে পিরামিড পাঠ্য ।, মধ্য কিংডমের "কফিন পাঠ্য", নতুন কিংডমের < মৃতদের বই >, নতুন রাজ্যের সমাধির দেওয়ালে “আন্ডারওয়ার্ল্ডের বই (গাইড)” এবং “অ্যাটেন স্তব” এর মতো দেবতাদের জন্য প্রশংসা রয়েছে এবং সেখানে রাজা এবং দ্বিতীয় রামেসেসের প্রশংসাও রয়েছে " কাদেশের বিজয়ী গান ”ধর্মনিরপেক্ষ সাহিত্যে পাঠের সাহিত্য প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল এবং প্রাচীন রাজ্যের কাগেনমুনি এবং পুটাহেটেপ, মধ্য কিংডমের ডুয়াকটি, নতুন রাজ্যের অ্যানির পাঠ এবং ক্লার্কের কাছে সুপারিশগুলি আমলাতন্ত্র হিসাবে জীবনের জ্ঞান শেখানোর জন্য রচনা করা হয়েছিল । কর্মকর্তাদের একটি আত্মজীবনীমূলক শিলালিপিও রয়েছে। ধর্মনিরপেক্ষ সাহিত্যের উত্থানের সময় প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন মধ্যবর্তী সময় থেকে, Kingdom কৃষকের কৃষকের গল্প '', p p ইপুয়েলের উপদেশ '', uel `নেফার্তির ভবিষ্যদ্বাণী '',` in সিনহির গল্প '', ` জাহাজ ভাঙা নাবিকের গল্প '', life life আমি জীবন থেকে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম '' প্রবীণদের আত্মার সাথে কথোপকথন 'বিভ্রান্তির জন্য রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা অনুসরণ, বিশ্বের দৃষ্টিভঙ্গি এবং নতুন প্রশংসার মতো বিভিন্ন চিন্তার পরীক্ষার প্রতিফলন ঘটায় অর্ডার। নিউ কিংডমের "দুই ভাইয়ের গল্প" এবং "ওয়েেন আমেন ভয়েজ" সেই সময়ের উন্মুক্ত বাতাসকে প্রতিফলিত করে এবং তাদের অনুভূতিগুলি অকপটে প্রকাশ করে। প্রেমের গানগুলি যা সেই সময়ে দৈনন্দিন জীবনের প্রতিচ্ছবি ঘটায় এবং যাজকরা, কৃষক এবং জেলেদের গান এখনও প্যাপিরাস এবং গুরুতর প্রাচীরের দৃশ্যে রেকর্ড করা হয়।


গবেষণাটি ব্যবহারিক উদ্দেশ্যে পরিষেবা হিসাবে বিকশিত হয়েছিল। জল বৃদ্ধি / হ্রাস, বপন / কাটার সময়, পিরামিড অপসারণ এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সঠিক তারিখ এবং সময় নির্ধারণের মতো সেচ কৃষির উদ্দেশ্যে জ্যোতির্বিজ্ঞানী পর্যবেক্ষণ এবং ক্যালেন্ডারগুলির জন্য জ্যোতির্বিজ্ঞানী পর্যবেক্ষণ জন্মগ্রহণ করেছিল। মেডিসিন এবং ফার্মাসিটি গণিতের প্রয়োজনীয়তা (বিশেষত জ্যামিতি) এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কাজ যেমন নির্মাণ, পিরামিড, মন্দির নির্মাণ এবং মমি উত্পাদন থেকে প্রয়োজনীয়তা থেকে শারীরবৃত্তির লক্ষণ, লক্ষণ নির্ধারণ এবং ফার্মাকোলজির জ্ঞান দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। যাইহোক, চিকিত্সা icalষধের পাশাপাশি যাদুকরী চিকিত্সার সাথে রয়েছে। এই বৈজ্ঞানিক জ্ঞানগুলি প্যাপিরাসগুলিতে রেকর্ড করা হয়েছিল এবং মন্দিরের পাঠাগারে সংরক্ষণ করা হয়েছিল। এখানে <লিন্ড প্যাপিরাস> রয়েছে যা পাটিগণিত এবং জ্যামিতির উদাহরণ এবং সমাধান সংগ্রহ করেছে, <এবেলস প্যাপিরাস> যা রোগের লক্ষণ এবং চিকিত্সা সংগ্রহ করে এবং <এডউইন স্মিথ পাপিরাস> যা শল্য চিকিত্সার নির্ণয় এবং চিকিত্সা করে। । যেহেতু এটি একটি "ব্যবহারিক অধ্যয়ন" হিসাবে বিকশিত হয়েছে, তাই এটি কেবল জ্ঞান সঞ্চার করেছে এবং এখনও তথ্য সংযুক্তকারী আইনগুলি খুঁজে পায়নি।


গ্রিকো-রোমান সময়কাল  টলমাইক

খ্রিস্টপূর্ব 323 সালে আলেকজান্ডার দের মৃত্যুর পরে একজন জেনারেল টলেমি আই মিশরীয় অভিভাবক হিসাবে নিযুক্ত হন এবং জেনারেলদের মধ্যে উত্তরাধিকারের সংগ্রামের শেষে 305 মিশরের সিংহাসন ঘোষণা করেন। বাদশাহ ফেরাউনের নিখুঁত উত্তরসূরি হিসাবে আদালতের রীতি অনুসরণ করেছিলেন এবং গ্রীকদের শাসক গ্রীকরা ২ the তম রাজবংশের পরে থেকে টলেমিকে আলেকজান্ডারিয়ায় গ্রেট, নোক্রাতিস দ্বারা নির্মিত আলেকজান্দ্রিয়ায় যুক্ত করেছিলেন। সরকার প্রশাসনিক ব্যবস্থা যেমন ছিল তেমনি গ্রীকদের (এবং ম্যাসেডোনিয়ানদের) প্রধান পদে নিযুক্ত করেছিল এবং গ্রীক যৌক্তিকতার সাথে তাদের পরিচালনা করেছিল। জাতীয় ভূমির মালিকানার নীতিটি আরও পুঙ্খানুপুঙ্খ, এবং এমনকি মন্দিরের অঞ্চল হিসাবে সামরিক জমি, সামরিক পরিষেবা দায়বদ্ধতার বিনিময়ে সেনাবাহিনীকে দেওয়া সামরিক জমি এবং উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের যে উপহারগুলি দেওয়া হয় তা বাধ্য করা হয় শ্রদ্ধা নিবেদন, রয়্যাল কৃষকরা ভাড়াটে হিসাবে নিবন্ধিত ছিল, ফসলের ধরণ, বপনের পরিমাণ, বপন / ফসলের সময় দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ছিল, একটি ভারী শ্রদ্ধা শুল্ক ছিল এবং গম কাটার 1/3 সরবরাহ করেছিল। অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণের ফলে একটি জাতীয় নিয়ন্ত্রণ নেটওয়ার্ক, তেল, লবণ, পাপাইরাস, টেক্সটাইলস, বিয়ার, চামড়া ইত্যাদির প্রাকৃতিক সোডিয়াম কার্বনেট (ন্যাট্রন) খনি, খনন, খনি খনন, শিকার, মাছ ধরা, পশুসম্পদ ইত্যাদির উত্পাদন ও বিক্রয়ও হয়েছিল has ব্যাংকিংয়ের মতো প্রত্যক্ষ বা অপ্রত্যক্ষভাবে জাতীয় একচেটিয়া ব্যবস্থা তৈরি করেছে এবং বার্ষিক প্রচারিত প্রবিধি আনুষ্ঠানিকভাবে মূল্য নির্ধারণ করেছে, আমদানিকৃত পণ্যের উপর বেশি শুল্ক আরোপ করেছে এবং দেশে উচ্চমূল্য বজায় রেখেছে। দক্ষিণ সিরিয়ার উপকূল দখল করার কারণে, দক্ষিণ আরবের মাধ্যমে ভারতীয় পণ্য (আইভরি, রঞ্জক, আবলুস (তুলো), তুলা, রেশম ইত্যাদি) এবং আরবি পণ্যগুলি (মুক্তো, সুগন্ধি, কোকুন ইত্যাদি) এর ট্রানজিট বাণিজ্য নিয়ে আসে Bring কোষাগার ও মূলধনের জন্য দুর্দান্ত লাভ আলেক্জান্দ্রি়া একটি আন্তর্জাতিক শহর হিসাবে সমৃদ্ধ এবং একটি দুর্দান্ত আদালত জীবন সমর্থন। সুতরাং, টলেমি প্রথম থেকে তৃতীয় পর্যন্ত সময়কালে টলেমাইক রাজবংশ কেন্দ্রিক আমলাতন্ত্র, নিয়ন্ত্রিত অর্থনীতি এবং পূর্ব-পশ্চিম বাণিজ্যের মাধ্যমে লাভ অর্জন এবং জাতীয় শক্তি বৃদ্ধির মাধ্যমে হেলেনীয় বিশ্বে সবচেয়ে শক্তিশালী জাতিতে পরিণত হয়।


 ফেনিসিয়া উপকূল, সাইপ্রাস দ্বীপ, এশিয়া মাইনর উপকূল, সাইক্ল্যাডস থেকে থ্রেস, কৃষ্ণ সাগর উপকূল এবং পশ্চিম থেকে কিলেনিকা পর্যন্ত। দেশীয় মিশরীয়দের সমর্থন সুরক্ষার জন্য, তারা পুরানো দেবদেবীদের বিশ্বাসকে স্বীকৃতি দিয়েছিল, ফারাও হিসাবে এই অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেছিল এবং মন্দিরটি তৈরি করেছিল, তবে ধর্মটিতে গ্রীক এবং মিশরীয়দের মিশ্রণকে সক্রিয়ভাবে প্রচার করার জন্য, মেমফিস গ্রীক দেবতা হেডেস (প্লুটন) এর গুণাবলী সহ একটি নতুন ভবিষ্যদ্বাণী এবং নিরাময়কারী Seশ্বর সেরাপিস, ওসিরিসের দেবতাকে হরি হাপি হাজির আকারে দেশে পূজা করে, জাতীয় দেবতা হয়েছিলেন, ওসিরিসের স্ত্রী আইসিস এবং তাঁর পুত্র হারপোক্রেটস হরপোক্র্যাটসের (হুরাসের একটি রূপ) সাথে একত্রে এটি তিন-পোস্টার দেবতা করা হয়েছিল। রাজা পূজাও গৃহীত হয়েছিল, টলেমি দ্বিতীয় তার পর থেকে, রাজা তাঁর মৃত্যুর আগে থেকে দেবতা হিসাবে একটি জাতীয় অনুষ্ঠান পেয়েছেন, এবং তাঁর মৃত্যুর পরে, তিনি পরিত্রাণ দেবতা হিসাবে সম্মানিত হয়েছেন। নিসেই আসল বোন আর্সিনোয় II এবং মিশরের রাজপরিবারে theতিহ্যবাহী শ্যালিকা বিবাহের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন।


তবে, তৃতীয় অ্যান্টিওকাস সিরিয়ার সিলিউসিড রাজবংশে সিংহাসন গ্রহণ করার পরে, তিনি পূর্ব-পশ্চিম বাণিজ্যের ঘাঁটির ফোনিশীয় উপকূল দখল করার লক্ষ্যে এগিয়ে গিয়েছিলেন এবং টলেমি চতুর্থ প্রথম মিশরীয়দের নিয়োগ করেছিলেন এবং তাদের ফিরিয়ে দিয়েছেন (রাফিয়া 217) পঞ্চম প্রজন্মের রাজত্বকালে (204-180), সাইপ্রাস ব্যতীত সমস্ত বিদেশী অঞ্চল হ্রাস এবং রোমের সহায়তার অনুরোধ, রোমের পূর্বের হস্তক্ষেপ শুরু করে। রাফিয়া যুদ্ধের বিজয়ের মিশরীয় জাতীয় সচেতনতা এবং বিদেশের অঞ্চল হ্রাসের কারণে কৃষকদের উপর প্রচুর করের ফলে কৃষিজমি বিসর্জন ও কৃষকদের বুদ্ধি বেড়েছে, যাজক শ্রেণীর সুযোগসুবিধা বৃদ্ধি পেয়েছিল এবং জাতীয় অর্থব্যবস্থা আরও পরিণত হয়েছিল টাইট। সিংহাসনের উত্তরাধিকার নিয়ে রাজকীয় দ্বন্দ্ব রোমান হস্তক্ষেপকে দোষ দিয়েছিল এবং রোমান জেনারেল আন্তোনিয়াসের সাথে এটিকে বেঁধে দিয়েছে ক্লিওপেট্রা (7 তম) অক্টাভিয়ার কাছে (পরে অগাস্টাস) পরাজিত ( অ্যাকটিয়াম নৌ যুদ্ধ ) মিশর রোমের একটি প্রদেশে পরিণত হয়।

→ টলেমি

রোমের মিশরীয় শাসন

মিশরের কৌশলগত ও আর্থিক গুরুত্বকে স্বীকৃতি দিয়ে, অষ্টাভিয়ানকে কেবল সম্রাটের একটি অঞ্চলই করা হয়নি যিনি নাইট শ্রেণিকে গভর্নর হিসাবে নিযুক্ত করেছিলেন, কিন্তু ফেরাউনের উত্তরসূরি হিসাবে টলেমাইক রাজবংশের শাসন সফল করেছিলেন, পুরোপুরি ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল এটি সম্রাটের জন্য নিরাপদ এবং রোমান নাগরিকদের জন্য দানাদার হিসাবে। রোমানরা আমলা ও সৈন্য হিসাবে উপস্থিত হয়েছিল, গ্রীক এবং ম্যাসেডোনিয়ানরা দ্বিতীয় স্থানে নেমেছিল এবং মিশরীয় বিজয়ের অবস্থা আরও স্থির হয়েছিল। টলেমাইক রাজবংশের দ্বিতীয়ার্ধের পরে ব্যক্তিগত জমির মালিকানার প্রবণতা ইতিমধ্যে বৃদ্ধি পেয়েছিল, তবে সম্রাট এটি অনুমোদন করে এবং জোরপূর্বক বেসরকারী ভূমি মালিকদের জাতীয় আমলা হিসাবে নিয়োগ দেয়। গ্রাম এবং শহরগুলি পৌরসভা হিসাবে তাদের কাজের জন্য স্বীকৃত ছিল এবং একটি কাউন্সিলের ব্যবস্থা করা হয়েছিল, তবে তাদের উপর কর আরোপ করা হয়েছিল এবং শুল্ক বৃদ্ধি ছাড়া আর কিছুই নয়। রোমান সাম্রাজ্যের অবনতির সাথে সাথে মিশরের উপর আর্থিক বোঝা আরও বেড়ে যায়, রাষ্ট্রীয় জমির কৃষকদের পলায়ন অব্যাহত থাকে এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত রাষ্ট্র জমিটি জোর করে ব্যক্তিগত জমিতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল এবং বিশাল জমির মালিকানা প্রচার করা হয়েছিল। পূর্ব ও পশ্চিম রোমান সাম্রাজ্যের বিভাজন (395) পরেও এই প্রবণতা পরিবর্তন হয়নি, এবং জমি প্রদান পূর্ব রোমান (বাইজেন্টাইন) সাম্রাজ্যের রাজধানী কনস্টান্টিনোপল দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়েছিল। এটির নিজস্ব ট্যাক্স আদায়ের ব্যবস্থা ছিল এবং এটি নিজস্ব জাহাজ এবং ক্রু ব্যবহার করে আলেকজান্দ্রিয়ায় নিয়ে যায়। ভারী শুল্ক নিয়ে লড়াই করা কৃষকরা পরে মুক্তিদাতা হিসাবে ইসলামী সেনাদের স্বাগত জানাবে।


পঞ্চম সম্রাট অবধি রোমান সম্রাট ফেরাউনের মতো দেবতাদের একটি templeতিহ্যবাহী মন্দির স্থাপন না করে দেয়ালে আচার অনুষ্ঠানের সভাপতিত্বে চিত্র অঙ্কন করেছিলেন এবং এটি কার্টুচে রেখেছিলেন চিত্রলিপিতে ব্যবহৃত বর্ণমালাবিশেষ আমি আমার নাম লিখেছি। গ্রীক সহ লাতিনকে একটি সরকারী ভাষা হিসাবে বিবেচনা করা হত, তবে রোমান সংস্কৃতি প্রসারিত হয় নি, গ্রীক এবং মিশরীয় সংস্কৃতি মিশ্রিত হয়েছিল, বিশেষত আলেকজান্দ্রিয়ায় এবং মিশরীয় সংস্কৃতি মন্দির এবং পুরোহিতদের হাতে কেন্দ্রীভূত ছিল। খ্রিস্ট ধর্ম প্রথম শতাব্দী থেকে ছড়িয়ে পড়ে, দ্বিতীয় শতাব্দীতে আলেকজান্দ্রিয়ায় একটি বিশপ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, প্রশ্নোত্তর শিক্ষার পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে একটি স্কুল খোলা হয়েছিল এবং মিশর উদীয়মান খ্রিস্ট ধর্মের একটি প্রধান কেন্দ্র ছিল। তারপরে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। চতুর্থ শতাব্দীতে, মঠ আন্দোলনটি অ্যান্টনিয়াস দ্বারা শুরু হয়েছিল। চতুর্থ শতাব্দীর শেষের দিকে সম্রাট থিওডোসিয়াসের খ্রিস্টান ধর্ম মিশর থেকে প্রাচীন দেবতাদের এবং মিশরের জাতীয় সচেতনতাকে নির্মূল করেছিল কপটিক চার্চ এটি উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত হয়েছিল।

ইয়াওয়ে ইয়াগতা

ইসলামিক আমল

আরব ইসলামী সেনাবাহিনী যে ইয়ারমুকের যুদ্ধে বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যকে পরাজিত করেছিল (63৩6) এবং সিরিয়া জয় করেছিল আমর বুং আরোর্থ এর অধীনে মিশর আক্রমণ করেছিল এবং 64৪১ সালে বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের ব্যাবিলনীয় দুর্গে পড়ে এবং পরের বছর এখানে ফুস্টার ফুয় শহরটি তৈরি করে। মিশরের ইতিহাসে এই ঘটনাকে ফতোভ (উদ্বোধন, বিজয়) বলা হয় এবং তারপরে মিশরের ইসলামীকরণ ও আরবাইজেশন শুরু হয়। Fstart একটি সামরিক শহর (কুফা এবং বাসরার মতো) Misle তবে পুরো মিশর, যা ইতিমধ্যে মূসা ও যোষেফের কিংবদন্তি ভূমি হিসাবে কোরানে আঁকা ছিল, তাকে মিসুল মিরও বলা হয়। এর পরে, মিশর এবং এর রাজধানী উভয়ই মিসটাল হিসাবে উল্লেখ করা সাধারণ। করেছিল. বিজয়ের সময় বেশিরভাগ মিশরীয় দখলকারী একেশ্বরবাদী দলটির মধ্যে কপটিক মুসলমানরা গ্রীক অর্থোডক্স চার্চের বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের চেয়ে মুসলিম শাসনকে স্বাগত জানিয়েছিল এবং জিমি (সুরক্ষিত লোক) হিসাবে ট্যাক্স আদায়ের মতো সাম্রাজ্য প্রশাসনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিল। আরবাইজেশন নীতি (5০৫) দ্বারা কপটিক থেকে আরবিতে সরকারী দলিল পরিবর্তিত হওয়ার পরেও তারা প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল এবং একের পর এক বহু আমলাতন্ত্রের মাস্টার তৈরি করেছিল। চতুর্দশ শতাব্দীর মধ্যে কপটিক মানুষের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছিল মোট জনসংখ্যার প্রায় দশমাংশে।


মিশরের সম্পদ, যা আরব দ্বারা <গরুর দুধ> হিসাবে প্রশংসিত হয়েছিল, উমাইয়া (661-750) এবং আব্বাসের (750-1258) সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সরকারের উত্স ছিল, কিন্তু বাগদাদ থেকে স্বাধীন হয়েছিল। তুলু সকাল ইবনে টুরুন, যিনি (868-905) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, সমৃদ্ধ করের রাজস্ব ব্যবহার করে বিভিন্ন স্থানে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কাজ করেছিলেন এবং রোডা দ্বীপে একটি নিয়মিতর তৈরি করেছিলেন এবং "মিশরের জন্য সরকার" র ট্র্যাক রেকর্ড অর্জন করেছিলেন। টুলু রাজবংশের পতনের পরে, মিশর একবার আব্বাসের শাসনের অধীনে ছিল, তবে 30 বছর পরে আবার ইফদিড সকাল (935-969) স্বাধীন হয়েছিল। এই রাজবংশ মিশর এবং সিরিয়া ছাড়াও মক্কা মদিনা দখল করে এবং মিশরীয় রাজবংশ দ্বারা উভয় পবিত্র শহরগুলির শাসন অটোমান সাম্রাজ্যের বিজয় পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।


উত্তর আফ্রিকায় প্রতিষ্ঠিত ফাতেমা সকাল (909-1171), 969 সালে, মিশর জয় করে এবং Fstart এর উত্তরে একটি নতুন শহর খোলা কায়রো নির্মিত হয়েছিল. যে সরকার লোহিত সাগরের মধ্য দিয়ে পূর্ব-পশ্চিম বাণিজ্যের একচেটিয়া ছিল, তারা তার সম্পদকে তুর্কি মামলুক এবং কৃষ্ণাঙ্গ দাস নিয়ে গঠিত একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনী গঠনে ব্যবহার করে এবং প্রচুর প্রচার (ডারলি) বিভিন্ন জায়গায় প্রেরণ করে। তবে, 1065 সালে শুরু হওয়া 7-বছরের দুর্ভিক্ষের কারণে মিশর সমৃদ্ধি থেকে তার পতনশীল মেরুতে পতিত হয়েছিল। এই সংকটে, সেনাবাহিনী মন্ত্রী বদর আল-জামালি (? -1094), যিনি আর্মেনিয়ান কর্পসের সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে সংস্কার চালিয়েছিলেন, পুনর্নির্মাণের জন্য আদেশ পুনরুদ্ধার এবং অর্থনৈতিক নিয়ে এসেছিলেন।এই শিয়া রাজবংশের অধীনে কপটিক এবং ইহুদিদের সাথে চিকিত্সা উন্নত হয়েছিল, বিশেষত বছরের প্রথমার্ধে, যেখানে ইহুদি ইবনে কিলিস (930-991) এবং জিনির অন্যান্য শূন্যপদের পুরষ্কার দেওয়া হয়েছিল। সেখানে 2 জন ইহুদি এবং 5 জন কপটিক লোক ছিল। কায়রোতে প্রাপ্ত জেনিজা দলিল অনুসারে, এই সময়কালে বাণিজ্যিক কার্যক্রম মুসলমান এবং কপটিক এবং ইহুদি সম্প্রদায়ের সহযোগিতায় পরিচালিত হত এবং এই বিশ্বাসীদের পক্ষে প্রতিটি ব্লকে (হারা) বসবাস করা সাধারণ ছিল। ছিল। এটি দ্বাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি পরে, যখন মিশরে খ্রিস্টান ক্রুসেড আক্রমণ এবং সুন্নাহর পুনরুত্থানের প্রভাব প্রকাশ পায়।


সালাফ অ্যাডাইন (সারাদিন), যিনি ফাতেমা বংশের মন্ত্রী হিসাবে ক্ষমতা গ্রহণ করেছিলেন, আইয়ুবু সকালে (১১69৯-১২৫০) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং জাতির সম্প্রদায়টি শীয়া থেকে সুন্নতে পরিবর্তিত হয়েছিল। Ictor মিশরে একটি ব্যবস্থা চালু হয়েছিল এবং এটি সামরিক গঠন এবং গ্রামীণ শাসনের একটি মৌলিক ব্যবস্থা হিসাবে সংজ্ঞায়িত হয়েছিল। মিশরীয় নীল নদী অববাহিকাটি সহজেই সরকার দ্বারা পরিচালিত হত, তাই জল ব্যবস্থাপনার ব্যবস্থাপনাগুলি তুলনামূলকভাবে ভালভাবে পরিচালিত হয়েছিল এবং পরিচালিত হয়েছিল। ফলস্বরূপ, কৃষি উত্পাদন স্থিতিশীল ছিল, এবং আখ, বাণিজ্যিক ফসল, নিম্ন মিশর থেকে উচ্চ মিশরে চলে গেছে। এটি ধীরে ধীরে প্রসারিত হয়। তবে ক্রুসেডদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালানোর জন্য প্রচুর যুদ্ধ ব্যয় প্রয়োজন ছিল এবং আর্থিক সংস্থান অর্জনের জন্য সরকার আদেনকে ধরে নিয়ে যায় এবং পূর্ব-পশ্চিম বাণিজ্যের স্বার্থকে একচেটিয়াকরণের চেষ্টা করেছিল। সপ্তম সুলতান, সারিফু (১২৪০-৪৯ রাজত্ব করেছিলেন) রাজতন্ত্রকে শক্তিশালী করার জন্য একটি শক্তিশালী মামলুক কর্প পরিচালনা করেছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই মামলুকরা অভ্যুত্থান সৃষ্টি করেছিল। মামলুক সকালে (1250-1517) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। পঞ্চম সুলতান বিবলস (১২60০-7777 পদে রাজত্ব করেছিলেন), যিনি আইন জেরুতের (১২ during০) যুদ্ধের সময় মঙ্গোলিয়ান সেনাবাহিনীকে মিশরে প্রবেশ করতে বাধা দিয়েছিলেন, আব্বাস খলিফাকে কায়রোতে আনার সময় সিরিয়ায় অবশিষ্ট ক্রুসেড যুদ্ধ করেছিলেন। অ্যাডভোকেট (1261), ইসলামী বিশ্বে মামলুকদের সুনাম বৃদ্ধি করেছে। আমির ও মামলুক নাইটদের আইয়ুবু আমলে ইকটার দেওয়া হয়েছিল, যার আওতায় চাল ও আখের চাষ আরও উন্নত হয়েছিল, ক্যারামি বণিক এবং ভারত মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগরীয় বাণিজ্যে স্লেভ ব্যবসায়ীদের স্নাতক ব্যবসায়ীদের ভিত্তি।

4 পূর্ব দিকে বাগদাদের পক্ষে কায়রো ইসলামী সংস্কৃতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছিল এবং উসমানীয় সাম্রাজ্যের সময়কালের বাইরে ইসলামিক বিশ্বের মধ্যে কায়রোর প্রাধান্য বর্তমান অবধি অব্যাহত ছিল। এর সাথে সাথে, ইসলামী ইতিহাসে মিশরের অনন্য অবস্থানের মূল্যায়নের আন্দোলন আরও দৃ became় হয় এবং ফেরাউনের যুগের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে একটি মিশরীয় কালানুক্রম রচনা করা শুরু করে। এছাড়াও, মিশরীয় সৌন্দর্য (ফাদাইর) এবং টোগোগ্রাফি (হিটাতো) এর বর্ণনা, কিন্ডি কাইন্ড (897-961) দিয়ে শুরু, McCreesey <মিশরীয় ম্যাগাজিন> হিসাবে সংকলিত হয়েছিল। জ্ঞানস্টিক চিন্তাধারা যা দীর্ঘকাল ধরে মিশরে চলে গেছে চিড়িয়াখানা আনুন ইসলামী রহস্যবাদকে পদ্ধতিতে ব্যবহার করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছিল, তবে এই যুগে ইসলামী রহস্যবাদ আরও বেশি দেশীয় বিকাশ লাভ করেছিল, আহমাদি কাল্ট বলেছিলেন তিনি কপটিক বর্ষপঞ্জী দ্বারা সেন্ট আহমেদ আলবাডাওয়ের জন্ম উদযাপন করেছেন।


১৫17১ সালে কায়রোতে প্রবেশকারী অটোমান সেলিম প্রথম, মামলুকের শাসনের অবসান ঘটিয়েছিলেন যা চৌদ্দ শতকের মাঝামাঝি থেকে প্লেগ মহামারী এবং মামলুক যুদ্ধের ফলে দুর্বল হয়ে পড়েছিল। মিশরকে অটোমান সাম্রাজ্যের একটি প্রদেশ হিসাবে বিবেচনা করা হত এবং এর শাসনামল মামুলুকের আমির খায়র বে (? -1522) এর উপর অর্পিত হয়েছিল, যারা সক্রিয়ভাবে অটোমান বাহিনীকে সমর্থন করেছিল। বিজয়ের পরে মামলুক-যুগের আইক্টরগুলি একবার রাজ্য দ্বারা বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং তারপরে আবার অটোম্যান কোষাধ্যক্ষ এমিন এম to ン n এর কাছে পুনর্নির্দিষ্ট হন। এই জমিটিকে মুক্তার্থ মুকিয়া বলা হত, এবং এটি ছিল সেই পুরানো মামলুক যারা মুক্তার জমিতে কর আদায়ের দায়িত্বে ছিলেন। সপ্তদশ শতাব্দীর পর থেকে এই মামলুকরা অটোমান শাসন আলগা হওয়ার সাথে সাথে ক্ষমতায় বেড়েছে এবং অবশেষে কর আদায়কারী (মুর্তাদিম) হিসাবে স্বাধীন হয়। গ্রামীণ ক্লান্তি আরও বৃদ্ধি পেয়েছিল কারণ অনেক কৃষক অটোমান সাম্রাজ্য এবং মামলুক সৈন্যদের দ্বৈত শাসনের অধীনে পালানোর উপায়ের আবেদন করেছিল। এছাড়াও, ইসলামী সংস্কৃতির কেন্দ্র ইস্তাম্বুলে চলে যাওয়ার কারণে কায়রো এবং অন্যান্য শহরগুলিতে আর কোনও সাহিত্যকর্ম ছিল না। বাণিজ্য ও শিল্পপতি ও কৃষকরা বিভিন্ন মরমী সংস্কৃতিতে (তালিকা) সংগঠিত হয়েছিল, কিন্তু এই ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নতুন ধর্মীয় আন্দোলন শুরু করার মতো শক্তি আর ছিল না।

আধুনিক

আঠারো শতকে মিশরে, অটোমান সাম্রাজ্যের শাসনে, মামলুকের জেনারেলরা একটি পার্টি ধরে রাখেন এবং অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্পর্কিত কৃষি উত্পাদন বিকাশ লাভ করে। তবে, 1798-801 সালে নেপোলিয়োনিক বাহিনীর আক্রমণ এবং দখলটি অটোমান সাম্রাজ্য এবং মামলুককে চূর্ণ করে এই কাঠামোর রূপান্তরের পথ উন্মুক্ত করেছিল। ফরাসী সেনা প্রত্যাহারের পরে অশান্তির সময়, উলামা এবং কিছু বণিক জনগণকে এক ধরণের যোগাযোগের জন্য সশস্ত্র করেছিল এবং 1805 সালে অটোমান সেনাবাহিনীর আলবেনীয় ভাড়াটে কমান্ডার যিনি এটি পৌঁছেছিলেন। মোহাম্মদ আলী গভর্নর (ওয়ালি) দ্বারা আইনজীবী ছিলেন এবং রাজকীয় সরকারকে এটি স্বীকৃতি দেওয়ার অনুমতি দিয়েছিল ( মুহাম্মদ আলী সকালে সংস্থাপন)।

মুহম্মদ আলেলি (১৮০৫-৪৮ সালে রাজত্ব করেছিলেন) কায়রো নাগরিকদের বিভক্ত করে নিরস্ত্র করে দিয়েছিল, আর অবশিষ্ট মামলুকদের জবাই করার সময় একটি দেশ পুনর্গঠন শুরু করেছিল। অন্যদিকে, ওসমানীয় সাম্রাজ্য অনুসারে 1811-18 সালে আরব উপদ্বীপের ওহাবীশ রাজ্যকে বিজয়ী করে এবং গ্রীসে স্বাধীনতা সেনাকে পরাজিত করে একটি পশ্চিমা ধাঁচের নতুন সেনা তৈরি করা হয়েছিল কৃষকদেরকে জড়িত করে। অন্যদিকে, আমরা পুরো দেশের জাতীয় মালিকানা ঘোষণা করেছি, সেচের কাজ দ্বারা কৃষিজমি বিকশিত করেছি, শস্য চাষ ও একচেটিয়া ব্যবস্থা প্রয়োগ করেছি, বাণিজ্য একচেটিয়া ব্যবস্থা, যন্ত্রপাতি ব্যবস্থার একটি হালকা শিল্প প্রতিষ্ঠা করেছি, সামরিক অফিসারদের প্রশিক্ষণের জন্য একটি পশ্চিমা স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছি, ফ্রান্স, ইতালি একটি আন্তর্জাতিক ছাত্র প্রেরণ। এই ব্যবস্থাগুলি দ্বারা, মিশরে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা মুহাম্মদ আলী, তাঁর নিজের সাম্রাজ্য গড়ে তোলার উচ্চাশা পোষণ করেছিলেন, ১৮২০ সালে সুদানকে জয় করেছিলেন এবং অবশেষে ৩৯-৪০ সালে তিনি অটোমান সাম্রাজ্যের সাথে লড়াই করেছিলেন, ৩১-৩৩ সালে তিনি সিরিয়ায় ভ্রমণ করেছিলেন এবং ইস্তাম্বুলের কাছে যান । মধ্য প্রাচ্যের একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আশঙ্কায় ব্রিটেন সামরিক হস্তক্ষেপের দ্বারা এটি আক্রমণ করেছিল এবং লন্ডনের ৪০ বছরের চুক্তিতে মোহাম্মদ আলী বংশকে আক্রমণ করার অনুমতি না দিয়ে মিশরে তার নিয়ন্ত্রণ সীমাবদ্ধ করেছিল (মুহাম্মদ আলী বংশ পরবর্তীতে বলা হয়) শিরোনাম কুলি, Hedyu , সুলতান এবং মালিক, কিন্তু 1953 অবধি বেঁচে থাকবেন)।


এই চুক্তি দ্বারা, 1838 ব্রিটিশ অটোমান বাণিজ্য চুক্তি, বিদেশী আইন এবং শুল্কের স্বাধীনতার অনুপস্থিতিসহ মিশরেও প্রয়োগ করা হয়েছিল, এবং এটি শিল্প বিপ্লবের মাধ্যমে ইংরেজ এবং ফরাসিকে কেন্দ্র করে বিশ্ববাজারে অধীনস্তভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। ফলস্বরূপ, বাণিজ্য একচেটিয়া ব্যবস্থা, এবং এভাবে স্বাধীন শিল্প যান্ত্রিকীকরণের পথ বলা যেতে পারে। এর পরে, ১৯60০-এর দশকে মিশর আমেরিকান গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষিতে নাটকীয়ভাবে তার তুলো উত্পাদন এবং তুলার বাণিজ্য সম্প্রসারণ করবে এবং উচ্চমানের তুলার একক সরবরাহের বাজার হিসাবে বিশেষীকরণ করবে। এই অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের প্রতিক্রিয়া হিসাবে, ভূমি আইন, বাণিজ্যিক আইন এবং অন্যান্য আইনী ব্যবস্থার পশ্চিমাকরণের অগ্রগতি হয়েছে। টিউটার উই এবং আলী মোবারক কিছু লোক স্বাধীন হতে এবং আধুনিকীকরণ করতে পছন্দ করে।

সুয়েজ খালটি তৃতীয় প্রজন্মের সা 185দ পাশা (১৮৫৪-63৩) দ্বারা অনুমোদিত ইসমাইল পাশার (১৮6363-79৯) অনুমোদনে in৯ সালে ফরাসি লেসেপস দ্বারা খোলা, মিশরের কৌশলগত অবস্থান। এর গুরুত্ব মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল এবং বিপরীতে এটি একটি বিপর্যয় ঘটায়। ইসমাইল পাশার বিদেশী বন্ধনকে পশ্চিমীকরণের নীতি ১৯ in সালে দেউলিয়ার হয়ে যায় এবং যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি এবং অস্ট্রিয়ায় আর্থিক ব্যবস্থাপনার সূচনা করে। অ্যালার্বি চলাচল একটি জাতীয় বিপ্লব ঘটেছে বলা হয়। শুরুটি ছিল 1981 সালে একটি যুব আধিকারিকের বিদ্রোহ, আহমদ অ্যালার্বি কর্নেলের নেতৃত্বে ওয়াটান (মাদারল্যান্ড) দলীয় বাহিনী ইউরোপীয় শাসনের বিরুদ্ধে আভিজাত্য এবং গ্রীক উচ্চ-স্বার্থী ndণদাতাদের সাথে লড়াই করে একটি সংবিধান প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে, সংসদ খোলার মাধ্যমে বৈদেশিক নিয়ন্ত্রণ নির্মূল করে এবং রাজ্যপালের কর্তৃত্বকে সীমিত করে দেয় জনগণও উঠে দাঁড়ায় এবং ১৯৮২ সালে আহমেদ আলাবীকে সেনাবাহিনী হিসাবে ওয়াতন পার্টির সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। গ্রেট ব্রিটেন এবং ফ্রান্স এবং অন্যান্য শক্তি এই আন্দোলনের জাতীয় বিপ্লবী প্রকৃতির বিপদে বারবার হস্তক্ষেপ করেছিল, কিন্তু যুক্তরাজ্য, যা ভারতকে সুয়েজ রুট সুরক্ষিত করতে চেয়েছিল, একাই সামরিক হস্তক্ষেপ চালিয়েছিল এবং শেষ পর্যন্ত মিশর পুরো দেশ দখল করে এবং হতাশ জাতীয় বিপ্লব। এর পরে মিশর ব্রিটিশ সামরিক শাসনের অধীনে থাকবে।


1914 সালে ব্রিটিশদের দখলে মিশর অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হয়েছিল। 1898 সালে আসওয়ান বাঁধ নির্মাণ এবং প্রাক্তন হিডিও অঞ্চলটি প্রত্যাহারের মাধ্যমে এবং বৃহত আকারের কৃষক যিনি তুলা ও আখ চাষ করেছিলেন এবং একটি বৃহত আকারের সেচ প্রকল্পের মাধ্যমে একটি বিস্তীর্ণ জমি তৈরি হয়েছিল। মুহাম্মদ আবদুফ এই ইসলামী অভ্যন্তরীণ সংস্কার আন্দোলনগুলি এই সামাজিক পরিবর্তনের উপর ভিত্তি করে। অন্যদিকে, পাশ্চাত্য শিক্ষা প্রাপ্ত বুদ্ধিজীবী মধ্যবিত্ত শ্রেণি সমৃদ্ধ সামাজিক রাজধানী সহ একটি শহরে বেড়েছে। মোস্তফার কারমিল ১৯০6 সালে ব্রিটিশ সেনা ও মিশরীয় কৃষকদের মধ্যে ঝামেলার মধ্যে দিয়ে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনটি শুরু হয়েছিল ডেনশিওয়াই ঘটনা একটি বিশাল জাতিগত উত্থান ঘটেছিল, তবে দখলদার কর্তৃপক্ষ এটি ধরে রেখেছে এবং ২০১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরে ব্রিটেন মিশরকে একটি সুরক্ষিত জাতি হিসাবে ঘোষণা করেছিল।


যুদ্ধের সময়, পুরো মিশর জুড়ে প্রচুর শ্রম ও সংস্থার জোর সংগ্রহ সংগ্রহ করা হয়েছিল মধ্য প্রাচ্যে, যার ফলস্বরূপ ১৯-বছরের বিপ্লব বিস্ফোরণের শর্ত তৈরি করেছিল। তৃতীয় জাগ্রোল এই বিপ্লবে নেতা হিসাবে সম্পূর্ণ স্বাধীনতার লক্ষ্যে মুসলমান, কপটিক, শহর, গ্রামাঞ্চল, পুরুষ ও মহিলা উঠে দাঁড়াল এবং বিক্ষোভ, বিক্ষোভ, বিক্ষোভের মতো বিভিন্ন সংগ্রামে লিপ্ত হয়েছিল। ২২ সালে ব্রিটেন মুহাম্মদ আলীর হাইদি হুয়াদ প্রথম (রাজত্ব ১৯১17-৩6) রাজা (মালিক) হিসাবে স্বীকৃতি দিয়ে আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা স্বীকার করে, কিন্তু সামরিক বাহিনী অব্যাহত থাকে এবং সুয়েজ খাল এবং সুদানের সুযোগ-সুবিধাগুলি অব্যাহত থাকে। বজায় রেখেছিল। এর পর থেকে ব্রিটিশ নেতারা, আদালত এবং তৃতীয় জাগ্রেউল নেতা হবেন। ওয়াহুদ পার্টি এই তিনটি শক্তি কাঠামো মিশরের রাজনীতিতে আধিপত্য বিস্তার করবে। অর্থনৈতিক দিক থেকে, মিস্টল ব্যাঙ্ককে কেন্দ্র করে কনজার্নের মতো জাতিগত রাজধানী বৃদ্ধি পেয়েছে এবং নগরায়নের অগ্রগতি হয়েছে। তাহা হুসেন এই উদার বুদ্ধিজীবীরা সক্রিয়, এবং শ্রম, কৃষক, সমাজতন্ত্র এবং মহিলাদের মুক্তির বিভিন্ন আন্দোলন বিকাশ করে। এটি সেই সময়টি ছিল যখন ফিলিস্তিনি সমস্যার মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো আরব চেতনা মিশরীয় হৃদয়কে ধারণ করতে শুরু করেছিল।


নগরায়নের অগ্রগতি জনসাধারণের traditionalতিহ্যবাহী জীবনব্যবস্থাকে ব্যাহত করেছে, যা ১৯৩০ এর দশকের বিশ্ব মানসিক চাপের সাথে মিলিত হয়ে মানুষকে traditionalতিহ্যবাহী মূল্যবোধের সঙ্কটে সংকট দেখা দিয়েছে, জাগরণের প্রতীক নিয়ে জাতীয় বিপ্লব আন্দোলনকে তীব্র করে তুলেছে । 1929 সাল থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় 10 মিলিয়নেরও বেশি লোককে সংগঠিত মুসলিম ব্রাদারহুডের বা 39 বছর নাসের যুব অফিসারদের দ্বারা গঠিত ফ্রি অফিসার গ্রুপ যুদ্ধের পরে প্রধান ভূমিকা পালন করবে। ১৯৩36 সালে ওয়াহুডো পার্টির নাখাস পাশা মন্ত্রিসভা ব্রিটেনের সাথে জোট চুক্তির মাধ্যমে মিশরের অবস্থান উন্নত করেছিল, তবে সুয়েজ খাল অঞ্চলে সেনারা অব্যাহত থাকে এবং সুদানের অবস্থা অপরিবর্তিত থাকে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরে, ব্রিটেন মিশরকে মিত্রবাহিনীর সাথে জোটের বাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করেছিল, যার ফলশ্রুতিতে মিশরীয়রা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের চেয়ে ভারী বোঝা বহন করতে বাধ্য করেছিল। যুদ্ধের পরে, জনপ্রিয় জাতীয় বিপ্লব আন্দোলন তীব্রতর হয়েছিল, কিন্তু ৪৮-৪৯-এর প্যালেস্তিনি যুদ্ধে মিশরের পরাজয় পরবর্তী বিপ্লবের পথ নির্ধারকভাবে উন্মুক্ত করেছিল। এবং 52 জুলাইয়ে, ফ্রিডম অফিসাররা একটি অভ্যুত্থান স্থাপন করেছিল, এবং 26 ফেব্রুয়ারি রাজা ফারুককে বহিষ্কার করে এবং জুনে 53 এ প্রজাতন্ত্র গঠনের ঘোষণা দেয় ( মিশরীয় বিপ্লব )। ফলস্বরূপ, অ্যালারবি আন্দোলনের পক্ষে "মিশরীয় মিশরীয়" স্লোগানটি অবশেষে অর্জিত হয়েছিল।

ওয়াটারু মিকি


মিশর ও আরব প্রজাতন্ত্র

অফিসিয়াল নাম = মিশর জুমহর মিশরীয় মিসর আল-আরবিয়া / আরব প্রজাতন্ত্রের মিশর

আয়তন = 1 মিলিয়ন 2000 কিমি 2

জনসংখ্যা (2010) = 78.73 মিলিয়ন

মূলধন = কায়রো কায়রো (জাপানের সাথে সময়ের পার্থক্য = -7 ঘন্টা)

মূল ভাষা = আরবি

মুদ্রা = মিশরীয় পাউন্ড মিশরীয় পাউন্ড


প্রকৃতি, জলবায়ু

প্রজাতন্ত্র যেটি আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় অঞ্চলটি দখল করে আছে। উত্তরে ভূমধ্যসাগর, পশ্চিমে লিবিয়া, দক্ষিণে সুদান এবং পূর্বে লোহিত সাগরকে কেন্দ্র করে, ১৯ ,67 সালে তৃতীয় মধ্য প্রাচ্যের যুদ্ধের পর থেকে দখল করা সিনাই উপদ্বীপটি ১৯৮২ সালে ইস্রায়েলের সাথে একটি শান্তিচুক্তির অধীনে ফিরে এসেছিল। ।


দেশটি নীল উপত্যকা এবং নীল দেলটা, গড়িয়া ঘড়িয়া মরুভূমি (মোট এলাকার 67%), শারিকিয়া শার্কিয়া মরুভূমি (21%) নিয়ে গঠিত, সিনাই এটি চারটি উপদ্বীপে বিভক্ত (6%)। মোট অঞ্চলটি জাপানের তুলনায় ২.7 গুণ, যার ৯ 97% মরুভূমি দখল করেছে। আবাসিক অঞ্চলটি পুরো অঞ্চলের মাত্র 5.5% (প্রায় 55,000 কিলোমিটার 2 ), যা ভূমধ্যসাগরীয় উপকূল, নীল নল ডেল্টা এবং নীল উপত্যকায় কেন্দ্রীভূত এবং আবাসিক আয়তনের জনসংখ্যার ঘনত্ব 760 মানুষ / কিমি 2 (1980) ওভার। বিশেষত কায়রোতে, 8.৮ মিলিয়ন লোক (1992) মোট জনসংখ্যার 10% এরও বেশি।

ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুর উত্তর উপকূল বাদে জলবায়ু বেশিরভাগ মরুভূমি is নীল দেলটা, মধ্য মিশর, সিনাই উপদ্বীপ এবং লোহিত সাগর উপকূলের উচ্চভূমিতে শীতকালে বৃষ্টিপাত কিছুটা কমলেও নীল নদের তীরবর্তী অভ্যন্তরের দিকে গড় বৃষ্টিপাত হ্রাস পায়। তাপমাত্রা এত বেশি যে তারা গ্রীষ্মে অভ্যন্তরীণ স্থানে চলে যায় এবং নীল নদের উজানে উচ্চ মিশরে 40 ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যেতে পারে। শীতকালে, বিপরীতে, উপকূলটি অভ্যন্তরের অভ্যন্তরের চেয়ে উষ্ণ।

বাসিন্দাদের বেশিরভাগই আরব মিশরীয়, এবং তারা Egypতিহাসিকভাবে প্রাচীন মিশরীয়দের মিশ্র জাতি দ্বারা গঠিত হয়েছিল, যারা হাম জাতি, এবং আরব, সুদান, নুবিয়া এবং অন্যান্যরা ছিল। আরবি উপভাষাটি সরকারী ভাষা, তবে প্রতিদিনের কথোপকথনে, মিশরীয় উপভাষা, যা একটি উচ্চারণযুক্ত স্ট্যান্ডার্ড আরবি থেকে পৃথকভাবে ব্যবহৃত হয়, এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। প্রায় 90% বাসিন্দা সুন্নত মুসলিম, এবং কপটিক প্রায় 10% হিসাবে গণিত হয় বলে জানা যায়।

মিশরীয় জলবায়ু উপরোক্ত প্রাকৃতিক অবস্থার সাথে প্রচুর পরিমাণে সম্পর্কিত এবং হাজার হাজার বছর ধরে প্রকৃতি এবং মানবতার ইতিহাসকে প্রতিফলিত করে। মিশর এমন একটি দেশ যেখানে শ্বেত ও নীল নীল নদীর সঙ্গ মরুভূমিতে প্রবাহিত হয় এবং জীবন দেওয়া হয়, ভিক্টোরিয়া হ্রদ এবং ইথিওপীয় মালভূমিতে বৃষ্টিপাতের দুটি প্রধান উত্স রয়েছে। সুতরাং, মিশর সর্বদা নীল উপত্যকার দিকে নজর রাখে এবং এর সবুজ অঞ্চলটি একটি একক উদ্ভিদের মতো যা ভূমধ্যসাগর বা একটি খেজুর গাছের বিপরীতে দাঁড়িয়ে আছে, যখন মরুভূমি বন্ধ্যা is এটি স্থল হিসাবে দেখা থেকে সরানো হয়েছে। মিশরকে বলা হয় "দৈর্ঘ্য", "অঞ্চল" নয়, তবে এই শব্দটি এই দেশের সারাংশকেও আঁকড়ে ধরে। নীল নদ নদীটি উত্তর থেকে দক্ষিণে প্রবেশ করে, নীলনদীর উপর দিয়ে রাস্তা, রেলপথ এবং ট্রাঙ্কের লাইনগুলি চলছে, মালামাল হিসাবে লোকেরা উত্তর থেকে দক্ষিণে চলেছে এবং পূর্ব থেকে পশ্চিমে চলাচল তাত্পর্যপূর্ণ নয়। নীল নদটি ভূমধ্যসাগর সমুদ্রের দিকে উত্তর দিকে প্রবাহিত হওয়ার সাথে সাথে, একটি বাতাস রয়েছে যা সারা বছর জুড়ে উত্তর থেকে দক্ষিণে প্রবাহিত হয় এবং এই উত্তর বাতাসটি নীল নদের পক্ষে প্রাচীনকালে উত্তর এবং দক্ষিণের মধ্যে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব করেছে, বিশেষত অনুপস্থিতিতে ক্ষমতার. যে বিন্দু ভালুকের ছায়া হয়ে উঠেছে তা দেখা যায় না।

নীলনদ নদী মরুভূমির চারপাশে জমি চাষ করা সম্ভব করেছিল, তবে এটি সমস্তই বন্যার প্রাকৃতিক নাটকের উপর নির্ভর করেছিল যা বৃষ্টিপাত নির্বিশেষে বছরে একবার সমস্ত মিশরকে পুনরুদ্ধার করেছিল। বন্যার সময়, নীল নদটি ঘোড়ার মতো মিশরের মধ্য দিয়ে উল্লম্বভাবে প্রবাহিত হত এবং পরবর্তী খরার সময়, শিশুরা শিশুর যত্ন নেওয়ার জন্য লোকেরা নীল নীল থেকে এক ফোঁটা জল গিলে ফেলেছিল। এখানে মিশরে সেচ কৃষি আসুন মনোযোগ দিন। প্রাচীনকালে, মিশর ছিল অস্পৃশ্য জলাভূমি যেখানে প্যাথোজেনগুলি ছড়িয়ে পড়ে, তবে নীল উপত্যকার বাসিন্দারা সাহসের সাথে কাজ করেছিল এবং উর্বর হয়েছিল।

 ঠিক ঠিক, এটি নীল উপত্যকার বাসিন্দারা ব্যতীত আর কেউই নীল নীলকে তার মূল ভূমিকাটি (আধুনিক মিশরীয় ভূগোলবিদ গামার হিমদানের ভাষায়) অভিনয় করতে বাধ্য করেছিল। তবে, একটি দেশের জীবন পুরোপুরি একটি জল শিরাতে অর্পিত হওয়ার বিষয়টি অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। প্রথমত, উচ্চ এবং নিম্ন কৃষকদের মধ্যে বিশেষত খরার সময়, এবং জল বয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে একটি জল সংগ্রামের কারণে একজন সালিসের অস্তিত্ব অপরিহার্য ছিল এবং রক্তপাত হয়েছিল। তদুপরি, নীলনদ, যা বর্বর প্রকৃতি বজায় রাখে, নিয়ন্ত্রণের জন্য, উত্পাদনের সাথে যুক্ত, বন্যা নিয়ন্ত্রণ নামে একটি বৃহত প্রকল্প প্রয়োজন ছিল। একটি ব্যাংক নির্মাণ, একটি জলাশয়ের খনন, এবং জল সঞ্চয় নিয়ে গঠিত বন্যা নিয়ন্ত্রণ যে শক্তিগুলি একটি বৃহত ওয়ার্ক ফোর্সকে একত্রিত করতে পারে তারা প্রকল্পের জন্য অপরিহার্য। অন্য কথায়, এটি বলা যেতে পারে যে মিশরীয় ইকোসিস্টেমটি নীল নীল, কৃষক এবং শাসক (সালিশী) নিয়ে গঠিত হয়েছিল।


অতএব, আমরা যখন প্রথম নীল নদ এবং কৃষকদের মধ্যে সম্পর্কের দিকে নজর দিই, তখন জলবায়ুর প্রতি আক্ষরিক অর্থে কৃতজ্ঞতা আসে যা আক্ষরিক অর্থে এমন জল নিয়ে আসে যা জীবনের বেঁচে থাকার এবং উর্বর পলল মাটির (তামি) প্রতিশ্রুতি দেয়। ইহা ছিল.


মিশরীয়রা মরুভূমিতে থাকাকালীন এবং সর্বদা মরুভূমির বিরোধী ছিল (গামার হিমদান) তারা মরুভূমির দিকে মুখ ফিরিয়ে নিল, তবে তারা অনুভূত যে মরুভূমির অনুভূতি প্রতিদিন নীল নদের অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতার উদ্রেক করেছে। কৃতজ্ঞতার এই অনুভূতি অবধি দমন করা কঠিন ছিল অবশেষে প্রতিবছর বন্যা নামে একটি প্রাকৃতিক নাটক প্রত্যক্ষ করে মানব ক্ষমতার বাইরে কোনও কিছুর অস্তিত্বের সাথে দৃ .়ভাবে যুক্ত ছিল। এইভাবে, একটি প্যান-ধর্মীয় আধ্যাত্মিক জলবায়ুর জন্ম হয়েছিল এবং খ্রিস্টান ও ইসলামের মতো বাইরে থেকে ধর্ম গ্রহণের জন্য ভিত্তি প্রস্তুত করা হয়েছিল। এই প্যান-ধর্মীয় আধ্যাত্মিক জলবায়ুর অস্তিত্বকে মিশরীয় আধ্যাত্মিক প্রবণতাগুলির মধ্যে একটি হিসাবে দেখা যায়, অদৃশ্য hayায়ব্যবায়ার প্রতি বিশ্বাস, পরিণতিপূর্ণ প্রবণতা এবং সেই সাধু যাকে অদৃশ্য জিনিস দেখার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল। পূজার ভিত্তিতে আদিবাসী ধর্ম সম্পর্কে চিন্তা করার সময় এটি উপেক্ষা করা যায় না।


অন্যদিকে কৃষক ও শাসকদের মধ্যে কী সম্পর্ক ছিল? জলবায়ু যে দাবি করেছিল ন্যায্য জল বিতরণ এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য যারা দায়বদ্ধ ছিলেন তারা বাস্তবে ইতিহাসের প্রমাণ হিসাবে নিপীড়ক হিসাবে আবির্ভূত হয়েছিল এবং কৃষকদের দখল বন্ধ করে দিয়েছিল। মিশরীয় অঞ্চলও শাসকদের দমন-পীড়নকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করেছিল। প্রথমত, পার্শ্ববর্তী অঞ্চলটি একটি মরুভূমি ছিল, এবং মরুভূমিতে পালানোর পরিবর্তে, যা মৃত্যুর সমার্থক ছিল, কৃষকরা নীল নদের তীরে আটকে গিয়েছিল যেখানে জীবনের সম্ভাবনা ছিল, তাই এগুলি তাদের সীমার মধ্যে রাখা হয়েছিল। অত্যাচারী। সমতল জমিও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুবিধাজনক ছিল। এছাড়াও, যেহেতু একটি দেশের লাইফলাইন একটি নদীর উপর ভিত্তি করে রয়েছে, তাই জলের শিরাটি আঁকড়ে ধরে এটি সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছিল। <জমি এবং শ্রম আমাকে (শাসক) প্রেরণ করুন। "আমি জল করব" প্রবাদটি প্রকাশ করে।

কৃষকদের জন্য, শাসক ছিল একটি হতাশ প্রয়োজনীয় মন্দ necessary সুতরাং, যে কৃষকরা নীল নদের উপত্যকায় থাকার ব্যতীত আর কোন উপায়ই ছিল না, শাসকের কাছে ব্যর্থ হয়ে সহ্য করেছিলেন, কিছুটা হলেও যুদ্ধবিরতি প্রচারের অনুষ্ঠানের কারণে এটিকে "আজীবন বর্ধন "ও বলা হত। তাকে লাঞ্ছিত করা হয়েছিল, অপমান করা হয়েছিল এবং আজ যদি গতকালের মতোই হয় তবে তার ভাল জীবনযাত্রায় অসহায় রক্ষণাবেক্ষণের চাষ হয়েছিল। এগুলি করার ফলে দীর্ঘদিনের মানসিক প্রবণতা লালন হয়েছে, অবশেষে মিশরীয় সমাজকে জড়িয়ে পড়ে এবং দুর্ভাগ্যক্রমে মিশরীয়দের পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষতি হয়েছে। এইভাবে জন্মগ্রহণ করা প্রবণতা মিশরীয়রা মিশরীয় চরিত্র হিসাবে গ্রহণ করেছিল এবং এটি আলোচনার ও লেখার বিষয়বস্তু ছিল। পুরানো দিনগুলিতে, 15 ম শতাব্দীর ইতিহাসবিদ ম্যাকক্রিজি, তিনি তাঁর প্রবণতা এবং প্রবণতাটি উল্লেখ করেছেন। এই অসুস্থ প্রবণতাগুলি মিশরীয় সমাজে গভীরভাবে এম্বেড হয়েছে এবং বিভিন্ন সামাজিক ঘটনার আড়ালে রয়েছে।

তোমোকি নূতাহারা


রাজনীতি

প্রজাতন্ত্রের বিপ্লব (মিশরীয় বিপ্লব) ১৯৫২ সালে মিশরকে উপনিবেশ থেকে বাঁচতে এবং স্বাধীনতা অর্জনের অনুমতি দেয়, তবে মিশরীয় জনগণ দীর্ঘকাল ধরে সামরিক নেতৃত্বাধীন ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়েছিল। মিশরীয় সমাজে, একটি ঘন প্রাচীর রয়েছে যা নিম্ন জনসাধারণের মধ্যে সহজেই কাটিয়ে উঠতে পারে না, যারা জনসংখ্যার ৫০-60০% এবং মধ্যবিত্ত এবং তদূর্ধের মানুষ। অর্থনৈতিক আধুনিকীকরণ এবং সমাজের "নীচ থেকে" রাজনৈতিক অংশগ্রহণ। বাধিত হয়। বিপ্লবী সরকারও তার ঘন দেয়ালগুলি ভেঙে ফেলতে পারে না এবং মধ্যবিত্ত বিপ্লবের মধ্যে থেকে যায়। এই অর্থে, মিশরীয় রাজনীতির বিকাশ প্রক্রিয়া উন্নয়নশীল দেশগুলির একটি আদর্শ উদাহরণ।


নাসের সময়কাল (1954-70), Sardart বিপ্লবী সরকার যুগে যুগে ঘরোয়া রাজনীতির যে পদ্ধতি অবলম্বন করে চলেছিল তা হ'ল 'একক দলীয় ব্যবস্থা'। ফ্রি অফিসার্স গ্রুপের সদস্যদের কেন্দ্র করে, নেতৃত্ব গঠনে সংখ্যক প্রভাবশালী সামরিক কর্মকর্তা এবং টেকনোক্র্যাটকে যুক্ত করা হয়, যেখানে নীতি নির্ধারণের অধিকারগুলি একচেটিয়াভাবে কেন্দ্রীভূত হয়। আরব সমাজতান্ত্রিক ইউনিয়নের (এএসইউ) ১৯ 19২--64 সুপ্রিম এক্সিকিউটিভ কমিটি গঠিত হয়েছিল ১৮ জন সদস্য, নিখরচায় অফিসারদের মধ্যে ৯ জন, অন্যান্য সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে ৩ জন, এবং civilians জন বেসামরিক (৫ জন পিএইচডিধারী সহ) of নাম)। এবং ASU এর অধস্তন সংস্থাটি কেন্দ্রীয় থেকে স্থানীয় জনগণের মধ্যে নেতৃত্বের সিদ্ধান্তগুলি ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করেছিল। তবে এর সংহতি শক্তি সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং চীনের মতো সমাজতান্ত্রিক দেশগুলির চেয়ে অনেক নিচে ছিল।


এ জাতীয় একত্রিতকরণ ব্যবস্থার অধীনে রাষ্ট্রপতির কর্তৃত্ব স্বাভাবিকভাবেই শক্তিশালী হয় এবং একাধিক দলের মধ্যে নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক ক্ষমতার জন্য কোনও প্রতিযোগিতা গ্রহণ করা হয় না। জাতীয় সংসদটি কেবল এএসইউ সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত, মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রাক্তন ওয়াফড পার্টি এবং কমিউনিস্ট পার্টির মতো ইসলামী আন্দোলনের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বাধাগ্রস্ত হয়েছিল। তদুপরি, সরকারবিরোধী বাহিনী পুলিশকে ব্যবহার করে ভয়ের রাজনীতি করে ভূগর্ভস্থ যেতে বাধ্য হয়েছিল।এই বাধা পরিস্থিতিতে প্রাক্তন রাজনৈতিক অণু, শ্রমিক এবং শিক্ষার্থীদের অসন্তুষ্টি 1967 সালে তৃতীয় ছিল। মধ্য প্রাচ্যের যুদ্ধ দুর্দান্ত পরাজয়ের পরে, এটি গণতন্ত্রকরণের অনুরোধ হিসাবে ফেটে যায়। জবাবে, নাসের 1968 সালে "30 মার্চ ঘোষণাপত্র" দ্বারা আংশিক উদারকরণের নীতি নির্ধারণ করেন। তবুও, বন্ধ দরজা, নেতৃত্বের দাবী এবং ক্ষমতার লড়াইয়ের পিছনে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়াটি পরিবর্তিত হয়নি। এটি ১৯ 197৩ সাল থেকে সদর প্রশাসন কর্তৃক প্রচারিত একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উদারকরণ। নীতিমালার ক্ষেত্রেও এটি সত্য।


1976 সাল থেকে, এএসইউর ভূমিকা অনেক হ্রাস পেয়েছে এবং পরিবর্তে একটি সীমিত <বহু-দলীয় সিস্টেম> প্রাতিষ্ঠানিককরণ করা হয়েছে। গণতান্ত্রিকীকরণের স্তর বাড়িয়ে জনগণের অর্থনৈতিক অসন্তোষকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং ব্যবস্থায় বিদ্রোহীদের আনতে এটি একটি পদক্ষেপ। 1978 সালে, ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এনডিপি), যা জাতীয় পরিষদে অপ্রতিরোধ্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা দখল করে, সাদার্ট প্রশাসনের জন্য এএসইউ প্রতিস্থাপনের জন্য একটি সমর্থন সংস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তবে এটি লক্ষ করা উচিত যে সদর যুগে ভীতিজনক রাজনৈতিক কারণটি হ্রাস পেয়েছে।


রাজনৈতিক ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা এইভাবে দেখা গেলেও দ্রুত অর্থনৈতিক বিকাশ মডেল নাসের আমলে সোভিয়েত সমাজতন্ত্র থেকে সদর আমলে পশ্চিমা উদারপন্থায় পরিবর্তিত হয়েছে।


এর পরে, বাহ্যিক সম্পর্কের কাঠামো সম্পর্কে, এটি বলা যেতে পারে যে বিপ্লব হওয়ার আগে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর শাসনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা মিশরীয়দের মধ্যে "শক্তি-নির্ভর" আচরণের ধরণ প্রবর্তন করেছিল। ১৯৫৪ সালে যখন ব্রিটিশ প্রত্যাহারের চুক্তিটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তখন এই বৈশিষ্ট্যটি ১৯৫৫ সালের পরে সামরিক অর্থনৈতিক সহায়তার মাধ্যমে পূর্ব পাশের শিবির, বিশেষত সোভিয়েত ইউনিয়নের দিকে দৃষ্টিভঙ্গি হিসাবে উপস্থিত হয়েছিল। ৫৪--৯ সালে পূর্ব দেশগুলি দ্বারা প্রদত্ত দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক সহায়তার পরিমাণ ছিল 1,734 মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যার মধ্যে 40% আসওয়ান হাই বাঁধ নির্মাণের মতো উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য বাস্তবায়িত হয়েছিল। সোভিয়েত সামরিক সহায়তা অর্থনৈতিক সহায়তার চেয়ে পাঁচগুণ বেশি ছিল, বিশেষত ১৯6767 সালের যুদ্ধে পরাজিত হওয়ার পরে সেনাবাহিনীর পুনর্গঠনের জন্য।


অন্যদিকে, ১৯৫৫ সালে বান্দুং সম্মেলনে অংশ নেওয়ার পরে নাসের অ-জোট ও ইতিবাচক নিরপেক্ষতার পক্ষে এবং স্যুয়েজ খাল ও সুয়েজ যুদ্ধের (জাতীয় মধ্য প্রাচ্য যুদ্ধ) জাতীয়করণের ৫ 56 বছর পর সিরিয়ার নতুন নেতৃত্বাধীন দেশগুলিতে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। 58 এবং এর সাথে জাতীয় সংহতকরণ সংযুক্ত আরব প্রজাতন্ত্র > এবং সক্রিয়ভাবে ব্রেড-আরবীয় কূটনীতি বিকাশ করেছেন ( আরব জাতীয়তাবাদ )। তদুপরি, ১৯৮১ সালে সিরিয়ার সাথে যুক্তরাজ্য ভেঙে পড়লে তারা ইয়েমেন গৃহযুদ্ধে হস্তক্ষেপ করেছিল। ১৯64৪ সালে প্রথম আরব সম্মেলনের পরে নাসেরের পরিচালনায় আরব দেশগুলির মধ্যে নীতিগত সমন্বয় বিচার ও ত্রুটি অব্যাহত রেখেছিল। তবে তৃতীয় বিশ্বের এবং আরব অঞ্চলে নেতৃত্বের সন্ধান সোভিয়েত মধ্য প্রাচ্যের সহনশীলতার মধ্যে বলে মনে হচ্ছে কৌশল যে এটি একটি পশ্চিমা বিরোধী অবস্থান দাঁড়িয়ে।


১৯ 1970০-এর দশকে, সদর প্রশাসনের অধীনে, বিদেশী নীতিতে একটি বড় পরিবর্তন ঘটেছিল, যা সোভিয়েত ইউনিয়নের উপর নির্ভরশীল fromতিহ্যবাহী থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে কেন্দ্র করে পশ্চিমা শিবিরে সরে যায়। এটি অ্যালারি সাব্রির মতো সোভিয়েতপন্থী গোষ্ঠীগুলির পতন এবং নেতৃত্বে সাইদ মুরের মতো আমেরিকানপন্থী গোষ্ঠীগুলির উত্থানের ফলে ঘটেছিল। ১৯ sign২ সালে সোভিয়েত সামরিক উপদেষ্টা দলকে বহিষ্কার করার সময় এই চিহ্নটি উপস্থিত হয়েছিল এবং ১৯ 197৩ সালের চতুর্থ মধ্য প্রাচ্যের যুদ্ধের পরে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধার এবং মার্কিন নেতৃত্বাধীন সিনাইয়ের পশ্চাদপসরণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এটি মীমাংসিত হয়েছিল। একই সাথে তৃতীয় বিশ্ব এবং আরব অঞ্চলের স্তরের সম্পৃক্ততা ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়েছিল এবং ফলস্বরূপ, আরব দেশগুলির মধ্যে সিরিয়া, জর্ডান, ইরাক এবং পিএনওর বিরোধী হওয়ার সাথে সাথে দ্বিতীয় সিনাই ডিসমোশনিং প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে তত্পরতা শুরু হয়েছিল early চুক্তি 1975 সালে। আমি এটি দেখতে শুরু। 77 সদর দ্বারা ইস্রায়েল ভ্রমণ, 1978 ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি ১৯৯ 1979 সালের দ্বিপাক্ষিক শান্তিচুক্তি প্রতিষ্ঠা এবং ইস্রায়েলের সাথে শান্তিপূর্ণ শান্তি প্রতিষ্ঠার অর্থ পশ্চিমা দেশগুলির জন্য আরব শক্তি মধ্য প্রাচ্যে স্থিতিশীল বাহিনী হয়ে উঠবে। যাইহোক, আরব গোষ্ঠী সবাই মিশরকে বিচ্ছিন্ন করে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেছিল।


১৯৮১ সালের অক্টোবরে সাদার্টকে ইসলামী চরমপন্থীরা হত্যা করেছিল, কিন্তু প্রশাসনের শেষে বাড়তে থাকা গৃহ-সরকার বিরোধী আন্দোলন নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণিকে কেন্দ্র করে অর্থনৈতিক অসন্তুষ্টি এবং নেতৃত্বের দুর্নীতির আশঙ্কা সৃষ্টি করেছিল। এটি রাজনৈতিক শিথিলতার দ্বারা প্রশস্তকরণের ফলাফল। ১৯৮২ সালের এপ্রিলে সিনাইয়ের সম্পূর্ণ প্রত্যাবর্তনের পরে ইস্রায়েলের সাথে শান্তি বজায় রেখে মুবারকের মোবারক প্রশাসন সারদার্ট কূটনীতির সংশোধন নিয়ে এগিয়ে যায়। আরব স্তরে মধ্য প্রাচ্যের শান্তি এবং ইরান-ইরাক যুদ্ধ মধ্যস্থতার মধ্য দিয়ে তারা একটি কূটনৈতিক উদ্যোগের প্রদর্শন করেছিল লিবিয়া এবং সিরিয়া ছাড়া আরব ইউনিয়ন মধ্যপন্থী। পালন করে।


এই অঞ্চলের বাইরে প্রধান শক্তির সাথে সম্পর্কের দিকে তাকিয়ে ১৯৮১ সালে সরদার্ট সোভিয়েত রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করেছিলেন, কিন্তু ১৯৮৪ সালে মোবারক প্রশাসন সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ককে স্বাভাবিক করে তুলেছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে জোটটি নিবিড়ভাবে বজায় রাখা অব্যাহত ছিল, এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মধ্য প্রাচ্যের নীতি বাস্তবায়নে সহায়তা করার জন্য মধ্য প্রাচ্যের শান্তির নেতৃত্ব দেয়। বিনিময়ে, মিশরীয় সরকার ইস্রায়েলের পরে সামরিক সহায়তা এবং সহায়তা (১০.১%) (১২.৩%) পেয়েছিল, যা মার্কিন সরকারের উন্নয়ন সহায়তায় (1987-90) বৃহত্তম। এটি মিশর একই সময়ে প্রাপ্ত ওডিএর 68৮% এর পরিমাণ।


গৃহস্থালী বিষয়গুলিতে, মুবারক প্রশাসন ১৯৮ 1984 এবং ১৯৮ in সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তুলনামূলকভাবে মুক্ত রান করেছিল। ফলস্বরূপ, মুসলিম ব্রাদারহুড এবং নিউ ওয়াহুডো পার্টির মতো বিরোধী শক্তি বৃদ্ধি পেতে দেখা গেছে। 95 টি আসন)। তবে, ১৯৮৯-এর উপদেষ্টা কাউন্সিল এবং পরবর্তী 90 সালে জাতীয় পরিষদের নির্বাচনের ক্ষেত্রে, প্রধান বিরোধী দলগুলি এমন পরিস্থিতি তৈরি করেছিল যেখানে তারা নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি নিয়ে সরকারের মুখোমুখি হয়েছিল এবং নির্বাচন বর্জন করেছিল এবং নির্বাচনের ফলাফল এনডিপিতে ফিরে আসে 1984 এর আগে একচেটিয়া। করেছে।

হিরোশি তোমিতা


অর্থনীতি, শিল্প

১৯৫২ সালের বিপ্লবের পরে মিশরীয় অর্থনীতি নীতিমালার দৃষ্টিকোণ থেকে তিন পর্বে বিভক্ত হতে পারে। প্রথম সময়কালটি ছিল সেই সময়কালে <অর্থনীতির অর্থনীতি> 1952-60 থেকে প্রচারিত হয়েছিল। প্রথমার্ধটি মূলত অর্থনীতির বৈদেশিক নিয়ন্ত্রণ এবং বিদেশী মূলধন থেকে বিদায় নিয়েছিল। দ্বিতীয়ার্ধটি ছিল নাসের প্রশাসনের অধীনে ৫ in সালে সুয়েজ খালের জাতীয়করণ এবং ১৯৫7 সালে প্রায় ৫০ টি ব্রিটিশ এবং ফরাসী ব্যাংক ও সংস্থার জাতীয়করণ। এটি তৈরি হয়েছিল। দ্বিতীয় সময়কালটি ১৯ is১-70০ এর সময়কালের <অর্থনৈতিক সামাজিকীকরণ>, বিশেষত প্রথমার্ধে, সমস্ত ব্যাংক এবং বীমা সংস্থার জাতীয়করণ, বড় সংস্থার জাতীয়করণ (১০,০০০ মিশরীয় পাউন্ডের বেশি মূলধন) এবং শ্রম কঠোর সামাজিকীকরণ নীতিমালা বাস্তবায়ন করা হয়েছিল, যার মধ্যে রয়েছে ব্যবস্থাপনা অংশগ্রহণ, কর্পোরেট মুনাফায় 25% প্রত্যাবর্তন এবং ব্যক্তিগত আয়ের সীমাবদ্ধতা (5000 মিশরীয় পাউন্ডের নীচে)। যাইহোক, বছরের শেষার্ধে, 1967 সালে তৃতীয় মধ্য প্রাচ্য যুদ্ধের পরাজয়ের ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সঙ্কট গুরুতর সঙ্কুচিত ভারসাম্য নীতিতে পরিচালিত করে। তৃতীয় সময়কাল ছিল <অর্থনৈতিক উদারকরণ> এর সময়কাল যা ১৯ 1970০-৮১-এর সময় থেকে নাসের থেকে সদরতে প্রশাসনের উত্তরাধিকার সূত্রে সূচিত হয়েছিল। পিরিয়ডের প্রথমার্ধে, সোভিয়েতপন্থী নীতি থেকে মার্কিনপন্থী রুটে নাটকীয় নীতি বদল হয়েছিল। 1974 সাল থেকে, বৈদেশিক মুদ্রার উদারকরণ এবং বাণিজ্য এবং সক্রিয় বৈদেশিক মূলধন প্রবর্তন নীতি সহ গেট ওপেনিং নীতিগুলির একটি সিরিজ (ইনফিরফ) বাস্তবায়িত হয়েছিল এবং পূর্বের কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত অর্থনীতিটি খুব সহজলভ্য হয়েছিল।


এই কঠোর নীতি বদলের লক্ষ্য বারবার যুদ্ধ, পশ্চিমা উন্নত দেশগুলির প্রযুক্তি ও রাজধানী এবং আরব রাজধানী এবং মিশরের শ্রমের দ্বারা ক্লান্ত হয়ে পড়েছে এমন প্রযুক্তির সংমিশ্রনের মাধ্যমে একটি জৈব এবং অত্যন্ত দক্ষ অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপ প্রচার করা। এটা কি ছিল।


নাসের প্রশাসনের অধীনে মিশরীয় অর্থনীতিতে ১৯৫৫-60০ সালে জিডিপি (গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট) বৃদ্ধির হার ছিল .3.৩% এবং তৃতীয় মধ্য প্রাচ্য যুদ্ধ সহ including১-65৫ সালে 6.১% এর উচ্চ হার ছিল। 70 বছরেরও বেশি সময় ধরে এটি ছিল অত্যন্ত 2.9%। যাইহোক, সাদার্ট প্রশাসনের অধীনে 10 বছরের দিকে তাকিয়ে (1971-80), প্রথম পাঁচ বছর 5.5% এ কম ছিল, তবে শেষের অর্ধেকটি প্রায় 8.5% উচ্চ প্রবৃদ্ধি দেখিয়েছে।


এই উচ্চ প্রবৃদ্ধির (1) তেল রফতানি আয়, (2) বিদেশী শ্রমিক রেমিটেন্স, (3) দীর্ঘমেয়াদী বিদেশী মূলধন প্রবাহ এবং (4) সুয়েজ খালের রাজস্ব দ্বারা সমর্থন ছিল। উত্সের তুলনায় (তুলার আয়, পর্যটন আয়, খালের আয়) এটি পরিমাণগত এবং গুণগত পরিবর্তন দেখায়। তবে, তেল আয় এবং শ্রম রেমিটেন্স উভয়ই উচ্চ তেলের দাম নীতির আওতায় নির্মিত বাহ্যিক অর্থনীতি (বাহ্যিক কারণ) দ্বারা প্রভাবিত হয়। মিশরে ভবিষ্যতে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য, এটি এমন একটি অর্থনীতিতে পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা দেখায় যা শিল্প ও কৃষিতে গার্হস্থ্য উত্পাদন সম্প্রসারণের উপর নির্ভর করে।


মিশরের কৃষিক্ষেত্র সমস্ত পরিবারের প্রায় 50% এবং কর্মক্ষম জনসংখ্যার প্রায় 40% অবদান রাখে, এটিকে অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপের কেন্দ্র করে তোলে। যাইহোক, জিডিপিতে এই খাতের প্রবৃদ্ধির হার এবং শেয়ার স্থির হয়ে গেছে, ১৯৫৫- in৫-এ বার্ষিক হার 3.5.%% এবং ১৯৫৫/ in 34-এ ৩%% শেয়ারের সাথে 66 66-7878-এ প্রায় ২% হার বৃদ্ধি পেয়েছে। । 1978 সাল থেকে, এটি 25% এ নেমেছে। এ জাতীয় দুর্বল কৃষির প্রধান কারণ হ'ল জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং স্থবির উত্পাদন যা জীবনযাত্রার মান ধরে রাখতে পারে না, কৃষির স্বনির্ভরতার হার হ্রাস এবং রফতানি ফসলের হ্রাস। দ্বিতীয়ত, সরকার কৃষি পণ্যগুলির স্বল্পমূল্যের নীতি, কৃষিক্ষেত্রে স্বল্প বিনিয়োগ এবং কৃষিজমি হ্রাসের বিষয়টি নির্দেশ করেছে। মিশর এক সময় এক তুলা একচেটিয়া অর্থনীতি এবং কৃষিজাত পণ্য রফতানিকারী ছিল, তবে এটি ১৯ 197৪ সাল থেকে খাদ্য নিখরচায় আমদানিকারক এবং এটি খাদ্য আমদানি বাড়িয়েছে এবং তার প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রকে সাতটি আইটেমে (গম, চিনি ইত্যাদি) বাড়িয়েছে। ভর্তুকি বৃদ্ধির ঘাটতি অর্থের প্রধান কারণ।


অন্যদিকে, মিশরের শিল্প খাতটি মূলত তুলা শিল্পে 1930 এর দশকের পরে থেকেই বিকশিত হয়েছিল, তবে নাসের প্রশাসনের অধীনে বস্ত্র ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণের মতো traditionalতিহ্যবাহী হালকা শিল্পকে অবহেলা করা হয়েছিল। ভারী শিল্প খাতে বিনিয়োগ কেন্দ্রীভূত। তবে ইস্রায়েলের সাথে যুদ্ধকালীন সরকার অব্যাহত ছিল এবং বৈদেশিক মুদ্রার অভাবে কাঁচামাল সংগ্রহ করা এবং অংশ এবং সরঞ্জামগুলি পুনর্নবীকরণ করা সহজ ছিল না। তদুপরি, years০ বছর পরেও, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এন্টারপ্রাইজ খাতে অতিরিক্ত কর্মসংস্থান এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনার বিপর্যয়ের কারণে কেন্দ্রীভূত পর্যাপ্ত অগ্রগতি অর্জন করা যায়নি। ১৯ 1970০ সাল থেকে শিল্প খাতকে বৈচিত্র্যযুক্ত করা হয়েছে এবং বেসরকারী খাতকে নতুনভাবে পুনরুজ্জীবিত করা হয়েছে, যা রাসায়নিক সার, যান্ত্রিক পণ্য এবং ধাতব শিল্পের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখায়। জিডিপিতে শিল্প খাতের অংশীদারিত্বও ১৯৫6 সালের ১৮% এর তুলনায় ১৮%। ১৯ 197৮ সালে এটি প্রসারিত হয়ে ২৪% হয়ে যায়, এবং বেসরকারী খাতের অবদানের হার কিছুটা বেড়েছে ১৯ 1970০ সালে ২৫% থেকে ১৯৮০ সালে ৩১%।


মোবারক প্রশাসন মূলত পূর্ববর্তী প্রশাসনের উন্মুক্ত অর্থনৈতিক নীতি গ্রহণ করেছিল এবং পূর্ববর্তী প্রশাসনের অধীনে যে অর্থনৈতিক কাঠামো প্রকট হয়েছিল, তার বিকৃতি সংশোধন করার লক্ষ্য নিয়েছিল। দেশীয় অর্থনৈতিক ভারসাম্যহীনতার উন্নতি এবং পরিশোধের ভারসাম্যের দীর্ঘস্থায়ী ঘাটতি আপাতত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল, তবে ১৯৮৫ সাল থেকে তেলের মন্দার কারণে অপরিশোধিত তেলের দাম হ্রাসের কারণে অর্থনৈতিক সংস্কারগুলি বড় ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। তেলের আয়, অভিবাসী শ্রমিকদের রেমিট্যান্স, সুয়েজ খাল উপার্জন এবং পর্যটন রাজস্বের চারটি প্রধান বৈদেশিক মুদ্রার আয় ১৯৮৩/৮৪ সালে $.৮ বিলিয়ন ডলার থেকে ১৯৮6/6৮ সালে ৪.৮ বিলিয়ন ডলারে কমেছে। বর্তমান অ্যাকাউন্টের ঘাটতি প্রসারিত হয়েছে, যার ফলে বাহ্যিক debtণের একাত্তর জমেছে (১৯৮6 সালের জুনের শেষে estimated 33.8 বিলিয়ন ডলার অনুমান করা হয়েছিল)। এই পরিস্থিতিতে সরকার ১৯৮7 সালের মে মাসে আইএমএফ থেকে 30 ৩৩০ মিলিয়ন ডলার স্ট্যান্ডবাই creditণ চুক্তি স্বাক্ষর করে এবং একাধিক বিনিময় হারকে একীকরণ, ভর্তুকি ব্যবস্থা বিলুপ্তকরণ এবং আর্থিক ঘাটতি হ্রাস করার মতো অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে। তবে শর্তটি পুরোপুরি অর্জিত হয় নি, এবং $ 160 মিলিয়ন ডলার কার্যকর করা হয়নি। ভর্তুকি হ্রাস, মুদ্রার অবমূল্যায়ন এবং সরকারী বিনিয়োগ ১৯৮7 সাল থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল, ফলস্বরূপ, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হ্রাস পেয়েছে (1981-91 সালে গড়ে 2.8%), যার ফলে দাম বৃদ্ধি ঘটে।


মিশর যখন অর্থনৈতিক সংস্কারে হতাশ হয়েছিল, তখন উপসাগরীয় যুদ্ধের সূত্রপাত হয়। এই যুদ্ধে পশ্চিমা শিবিরের প্রতি সমন্বিত মনোভাব দেখানো মিশরকে যুদ্ধে অবদানের জন্য পুরষ্কার হিসাবে উন্নত দেশ এবং উপসাগরীয় তেল উত্পাদনকারী দেশগুলির কাছ থেকে বড় উপহার এবং debtণ হ্রাস দেওয়া হয়েছিল। ১৯৯১ সালের মে মাসে, আইএমএফ প্যারিস ক্লাবের (ইউরোপীয় কাউন্সিল অফ পাওনাদার) (billion billion বিলিয়ন ডলার) এবং $ ২.২ বিলিয়ন ডলার বকেয়া সাথে এককভাবে creditণ ($ ৩.7 বিলিয়ন ডলার) অনুমোদন দেয় এবং জনগণের debtণে ৫০% হ্রাসের বিষয়ে একমত হয় )। 1993 সালের সেপ্টেম্বরে, একটি ইএফএফ (বর্ধিত ক্রেডিট গ্রান্ট পরিমাপ = 400 মিলিয়ন এসডিআর) আইএমএফ এর সাথে স্বাক্ষরিত হয়েছিল এবং দ্বিতীয় debtণ হ্রাস কার্যকর করা হয়েছিল।


সুতরাং, মিশরীয় অর্থনীতি আপাতত বৈদেশিক মুদ্রার সীমাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেয়েছিল, তবে এটি বাহ্যিক কারণগুলির দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল এবং কঠোর অর্থনৈতিক সংস্কার মোকাবেলা করা সম্ভব হলে এটি মনোযোগ আকর্ষণ করছে।

টয়োরো নাকাজো


সমাজ

বলা বাহুল্য যে মিশরের ইতিহাস ছিল অত্যাচার ও শোষণের। আধুনিক হওয়ার কারণে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য পশ্চিমা শক্তিগুলির দ্বারা ভিক্ষাবৃত্তি করেছিল এবং ব্রিটিশ সাম্রাজ্য মিশরকে তুলার ক্ষেত্র হিসাবে পরিণত করেছিল। দেশে প্রচুর অনুপস্থিত জমিদাররা, এবং তারা অস্থির শহরগুলিতে এবং গ্রামীণ অঞ্চলে রক্তাল্পতায় ভুগছে এমন শহরগুলিতে বিভক্ত ছিল। সেচযুক্ত কৃষকরা শাসকদের চারপাশে একটি বিশাল আমলাতন্ত্র তৈরি করেছিল, কৃষকদের বোঝা আরও কঠোর করে তুলেছিল। ফলস্বরূপ, এটি স্বাভাবিক যে মিশরীয় সমাজ সরকার (সরকার) এর উপর অবিশ্বাস এবং বিশ্বাস লুকিয়ে রেখেছে এবং একে অপরকে সাহায্য করার জন্য লোকদের মধ্যে একটি সামাজিক প্রবণতা তৈরি হয়েছে। জনগণের অপছন্দগুলি এমনকি জনসাধারণের সামগ্রী ক্ষতিগ্রস্থ না হয়ে দেখলে এমনকি প্রতিকূল enর্ষার রূপ নেয়। সরকারের অবিশ্বাস প্রজন্ম ধরে মানুষের রক্তে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল, এবং ট্যাক্স আদায় ও নিবন্ধকরণ সর্বদা তীব্র প্রতিক্রিয়া ও বিদ্রোহের সূত্রপাত করেছিল। বিশেষত, নিয়োগ হ'ল রক্তের করের তথাকথিত (ভাল), যা বাড়ির প্রতিপালনের আকাঙ্ক্ষাকে হতাশ করেছিল, প্রতিটি কৃষকের শেষ ফাঁদ। তাঁর প্যাথলজি প্রকাশিত হয়েছিল, এবং দুর্বলদের শেষ পর্যন্ত অর্থ প্রদান করা হয়েছিল।


সমাজ যখন অসুস্থ থাকে, তখন নিজেকে রক্ষার জন্য মানুষের মরিয়া প্রচেষ্টা অনিবার্যভাবে অস্বাস্থ্যকর। উদাহরণস্বরূপ, মিশরে শব্দটি রয়েছে "ফাহ্রাওয়েয়া", যা চ্যালেওন সুরক্ষামূলক রঙ দিয়ে নিজেকে রক্ষা করে ঠিক যেমন নকল করে পরিস্থিতিটি অতিক্রম করার এক প্রাসঙ্গিক উপায়। <যেহেতু পৃথিবী দায়িত্বজ্ঞানহীন, আপনার কেবল জায়গাটি পরিচালনা করতে হবে>।


লোকেরা তাদের বাড়িতে কঠোর নৈতিক মান মেনে চলার চেষ্টা করে তবে তারা প্রায়শই এমন আচরণ করে যেমন তাদের কোনও ব্যক্তিত্ব নেই। মিশরীয় সমাজে শব্দগুলির অস্পষ্ট হওয়ার প্রবণতা রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, সভা শেষ হওয়ার সাথে সাথে সেখানে আলোচনা করা সমস্ত কিছু অদৃশ্য হয়ে যায়।


নুকুতা নূক্তাকে প্রায়শই মিশরে সামাজিক ঘটনা হিসাবে উল্লেখ করা হয়। যে সমাজে সামাজিক ন্যায়বিচারের গ্যারান্টি দেওয়া হয় না এবং নিপীড়ন মারাত্মক হয়, সেখানে মানুষ প্রায়শই আউটলেট হিসাবে ব্যবহৃত হয়, বিশেষত রাজনৈতিক ক্ষমতার নাশকতা হিসাবে। যে চতুরতা নিজেকে বিপন্ন করে না তা খুব মিশরীয়।


মিশরীয় আচরণের নিদর্শনগুলির অনেকগুলি উদাহরণ রয়েছে তবে এখানে কয়েকটি উদাহরণ জলবায়ুর সাথে সম্পর্কিত বলে মনে হচ্ছে। অপেক্ষার মূল দৃষ্টিভঙ্গি এটিই। মিশর ভৌগলিকভাবে উত্তরে ইউরোপে, দক্ষিণে আফ্রিকা এবং পূর্ব এশিয়াতে অবস্থিত এবং এটি কেন্দ্রে এবং সর্বদা ফিরে যাওয়ার পথে অবস্থিত, কারণ এটি মধ্যস্থতাকারী হিসাবে অভিনয় না করে বেঁচে থাকতে হয়েছিল। এই কারণে, এটি চিহ্নিত করা হয়েছে যে তারা ভৌগলিকভাবে নিজের জন্য অপেক্ষা করার, অন্যান্য ব্যক্তির প্রবণতাগুলি দেখার, এবং তাদের জন্য উপকারী কিছু চিহ্ন দেখার পরেই হস্তক্ষেপ করার মনোভাব শিখেছে। এছাড়াও, মিশরীয়রা নীল নদের বন্যা যেভাবে আসতে পারে, যে কারণে বিলম্ব হতে পারে তবে তা পূরণ হয় নি বলে নিশ্চিতভাবে পরিবর্তনের জন্য অপেক্ষা করতে শিখেছে। এই ধারণাটি যে জিনিসগুলি সম্পন্ন হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া এত গুরুত্বপূর্ণ নয়। এটি সম্ভাবনার স্থিতিস্থাপক প্রতিক্রিয়ার দিকেও নিয়ে যায় এবং তারা আগাম বিষয়গুলিকে বিস্তারিতভাবে জানাতে পছন্দ করে না এবং প্রায়শই <চলো দেখুন> বা <পরিস্থিতি অনুসারে> আমি আপনাকে দেখাব say


মিশর বর্তমানে গ্রামীণ সমাজেও একটি বড় রূপান্তর ঘটছে এবং এর কিছু অংশ নিরক্ষর আন্দোলনের দ্বারা চালিত। নাসের বিপ্লবের কারণে শিক্ষার সমান সুযোগগুলি শেষ পর্যন্ত ফল পাওয়া শুরু করেছে, বহির্বিশ্বের মূল্যবোধকে একটি বন্ধ সমাজে নিয়ে আসা হয়েছে, এবং শিক্ষার প্রসারের সাথে সাথে গ্রামীণ অঞ্চলগুলি অবিচ্ছিন্নভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে। এই ক্ষেত্রেও, কৃষকটি বিমূর্ত ধারণা অনুযায়ী সরে যায় না, তবে এটি কৃষকের যুক্তি দ্বারা অনুভূত হয় যে শিক্ষিত শিক্ষাই বেতনের পথ উন্মুক্ত করে এবং এভাবে জমিটি উত্তরাধিকারে ভাগ করে দেয় না। বাইরের বিশ্ব থেকে প্রাপ্ত তথ্যের একটি দুর্দান্ত প্রভাব রয়েছে। যাইহোক, কৃষকরা কর্মকর্তাদের চিত্রের সাথে সংবাদপত্রে অপছন্দ করে এবং এটি পড়তে সক্ষম হওয়ার চেষ্টা করেননি, তবে রেডিওটি কৃষিকাজ করার সময় খুশিতে শুনেছিলেন এবং দুটি মিডিয়ার মধ্যে একটি অভাবনীয় পার্থক্য ছিল। এটাই. পল্লী পরিবর্তনের জন্য সংবেদনশীলতা এবং তাদের যুক্তিগুলির উপর ভিত্তি করে কৃষকদের ধারণার প্রয়োজন হবে এবং এ জন্য একটি নিখুঁত সময় প্রয়োজন হবে, তবে তারা যেভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায় তাতে জলবায়ুতেও একটি প্রত্যন্ত কারণ ঘটতে পারে। অনেক জিনিস আছে।

মিশরের ভিসা:


ভ্রমণ ভিসা:


মিশরের বিজনেস ভিসা:


মিশরের ওয়ার্ক পারমিট:

ভ্রমণ ভিসা:


ভিসা       ইন্টারভিউ:




কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

প্রজেক্ট প্রোফাইল: প্রবাসীদের হেল্পিং হ্যান্ড (Migrants' Helping Hand)

  প্রজেক্ট প্রোফাইল: প্রবাসীদের হেল্পিং হ্যান্ড (Migrants' Helping Hand)   উদ্যোক্তা: মো. তাকবীর হোসেন, সিইও, কেআর গ্লোবাল লিমিটেড ও গ্...