আধুনিক গিনি ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত তার অস্তিত্ব লাভ করতে পারেনি। তবে সুদূর ইউরোপীয় উপনিবেশিকরণের আগেও এই অঞ্চলের ইতিহাস প্রসারিত হয়েছে। গিনির বর্তমান সীমাগুলি ঔপনিবেশিক সময়কালে বার্লিন সম্মেলন (১৮৮৪-১৮৮৫) এবং ফরাসিদের দ্বারা নির্ধারিত হয়েছিল, যারা ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত গিনি শাসন করেছিল।
পশ্চিম আফ্রিকান সাম্রাজ্য
আজকের গিনি বৃহত্তর পশ্চিম আফ্রিকান সাম্রাজ্যের সীমানায় ছিল। বিশ্বাস করা হয় ঘানা সাম্রাজ্য এর মধ্যে প্রথম, যেটি বাণিজ্যে সমৃদ্ধি লাভ করেছিল কিন্তু পরবর্তীতে সংকুচিত হয় এবং চূড়ান্তভাবে আলমোরাভিডের বৈরী প্রভাবের কারণে ধ্বংস হয়েছিল। এই সময়েই এই অঞ্চলে ইসলাম ধর্মের প্রথম আগমন ঘটে।
এ সময় সোসো রাজ্য (দ্বাদশ থেকে ত্রয়োদশ শতাব্দী) সংক্ষিপ্তভাবে বিকাশ লাভ করে কিন্তু যখন সুন্দিয়াতা কেটা ১২৩৫ সালে কিরিনার আধা-ঐতিহাসিক যুদ্ধে সোসো শাসক সুমনগুরু কঁতেকে পরাজিত করেন তখন ইসলামিক মান্দিকা মালি সাম্রাজ্য খ্যাতি লাভ করে।
গিনির রাজ্যসমূহ
প্রধান পশ্চিম আফ্রিকান সাম্রাজ্যের পতনের পর, বিভিন্ন রাজ্য বিদ্যমান ছিল, তাই বর্তমানকালের গিনি।
ফুতা জ্যালন
ফুলানি মুসলমানরা মধ্য গিনির ফুতা জ্যালনে স্থানান্তরিত হন এবং ১৭৩৫ থেকে ১৮৯৮ সাল পর্যন্ত একটি লিখিত সংবিধান ও বিকল্প শাসকদের নিয়ে একটি ইসলামিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন।
ওয়াসুলু সাম্রাজ্য
ওয়াসুলু সাম্রাজ্য ছিল সামোরি ট্যুরের নেতৃত্বে পরিচালিত একটি স্বল্পস্থায়ী (১৮৭৮-১৮৯৮) সাম্রাজ্য, যা এখন উচ্চতর গিনি এবং দক্ষিণ-পশ্চিম মালি (ওয়াসুলু)। এটি ফরাসিদের দ্বারা জয় হওয়ার আগে আইভরি কোস্টে স্থানান্তরিত হয়।[১]
ঔপনিবেশিক যুগ
দাস বাণিজ্য ১৬ শতকে ইউরোপীয় ঔপনিবেশিকদের সঙ্গে গিনির উপকূলীয় অঞ্চলে আসে। দাসত্ব সবসময় দৈনন্দিন জীবনের অংশ ছিল কিন্তু ক্রীতদাসদের অন্য কোথাও কাজ করার জন্য রপ্তানি করা শুরু হয় এই ত্রিজাতিয় বাণিজ্যের জন্য।
ঊনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে এই এলাকায় ফরাসি সামরিক অনুপ্রবেশের মাধ্যমে গিনির ঔপনিবেশিক যুগ শুরু হয়। ১৮৯৮ সালে ওয়াসুলু রাজ্যের মনসা (সম্রাট) এবং মালিঙ্কে বংশোদ্ভূত নেতা, সামোরি ট্যুরের পরাজয়ের পর আজকের গিনি এবং এর সংলগ্ন এলাকায় ফরাসি আধিপত্য নিশ্চিত হয়।[১]
ফরাসি গিনি হিসেবে, এটি ১৮৯৫ সালে ফরাসি পশ্চিম আফ্রিকা ফেডারেশনের অংশ হয়ে ওঠে।[২] ১৯ শতকের শেষের দিকে এবং বিংশ শতাব্দীর শুরুতে সিয়েরা লিওনের জন্য ব্রিটিশদের সাথে, গিনি উপনিবেশ (বর্তমানে গিনি-বিসাউ) এবং লাইবেরিয়ার জন্য পর্তুগীজের সঙ্গে ফ্রান্স গিনির বর্তমান সীমানা সমঝোতা করে। ফরাসিদের অধীনে দেশটি ফরাসি পশ্চিম আফ্রিকার মধ্যে গিনি অঞ্চল হিসেবে গড়ে ওঠে এবং ডাকারের একজন গভর্নর জেনারেল রেসিডেন্ট দ্বারা পরিচালিত হয়। লেফটেন্যান্ট গভর্নররা গিনি সহ স্বতন্ত্র উপনিবেশ পরিচালনা করেন।[১]
স্বাধীনতা লাভ (১৯৫৮)
১৯৫৮ সালে, ফরাসি চতুর্থ প্রজাতন্ত্র, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং তার উপনিবেশ, বিশেষ করে ইন্দোচীন এবং আলজেরিয়া পরিচালনায় ব্যর্থতার কারণে পতিত হয়। একটি পঞ্চম প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা ফরাসি জনগণ দ্বারা সমর্থিত হয়। তবে ৮ আগস্ট ১৯৫৮ তারিখে ফরাসি প্রেসিডেন্ট চার্লস ডি গল পরিষ্কার করেন যে, ফ্রান্সের উপনিবেশকে একটি নতুন ফরাসি সম্প্রদায়ের আরো স্বায়ত্তশাসন এবং ২৮ সেপ্টেম্বর ১৯৫৮ এ আয়োজিত গণভোটের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক স্বাধীনতার মধ্যে একটি বেছে নিতে হবে।
অন্যান্য ফরাসি উপনিবেশগুলো স্বায়ত্তশাসনকে বেছে নেয়। আহমেদ সেকু ট্যুরে-এর নেতৃত্বে ডেমোক্রেটিক পার্টি অফ গিনি (পিডিজি) ১৯৫৮ সালের আঞ্চলিক নির্বাচনে ৬০টি আসনের মধ্যে ৫৬টি আসনে জয়লাভ করে। ২ অক্টোবর, ১৯৫৮ তারিখে নতুন জাতির প্রথম নেতা হিসেবে সেকু ট্যুরেকে নিয়ে গিনি নিজেকে একটি সার্বভৌম এবং স্বাধীন প্রজাতন্ত্র হিসেবে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।[৩]
সেকু ট্যুরে-এর শাসন (১৯৫৮-১৯৮৪)[সম্পাদনা]
নব্য ঔপনিবেশিক নিয়ন্ত্রণ প্রত্যাখ্যানের জন্য, গিনি আফ্রিকান রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে একটি বিশেষ স্থান দখল করে । তবে ট্যুরের শাসন ক্রমবর্ধমানভাবে আরো দমনমূলকভাবে বৃদ্ধি পায়। ফরাসি সহায়তা অস্বীকার করে গিনি সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের সঙ্গে ঋণ এবং অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য চুক্তি করে। ট্যুরের শাসনামলে যখন এটি সোভিয়েত গোষ্ঠীর একটি পূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার হতে ব্যর্থ হয়, তখন গিনি পুঁজি ও প্রযুক্তিগত সহায়তার জন্য ফ্রান্স এবং অন্যান্য পশ্চিমা দেশগুলোর দিকে ঝুঁকে পড়ে। যাহোক, ট্যুরের অনিশ্চিত অর্থনৈতিক নেতৃত্বের অধীনে সম্ভাব্য ধনী দেশটি সমৃদ্ধ হতে পারেনি।[২]
লানসানা কঁতে-এর শাসন (১৯৮৪-২০০৮)[সম্পাদনা]
প্রেসিডেন্ট সেকু ট্যুরে-এর অধীনে ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে গিনি একটি মাত্র দল পিডিজি দ্বারা শাসিত রাষ্ট্র ছিল। ১৯৮৪ সালের এপ্রিল মাসে ট্যুরে-এর মৃত্যুর পর লানসানা কঁতে-এর নেতৃত্বে একটি সামরিক দল পিডিজি এবং সংশ্লিষ্ট সকল বিপ্লবী কমিটি বিলুপ্ত করে এবং জাতীয় পুনরুদ্ধারের জন্য সামরিক কমিটি (কমিটে মিলিটেয়ার দে রিড্রেসেমেন্ট ন্যাশনাল; সিএমআরএন) তাদের স্থলাভিষিক্ত করে। ১৯৯১ সালে একটি নতুন সংবিধান বেসামরিক শাসনে রূপান্তর হতে শুরু করে। এটি একটি বেসামরিক রাষ্ট্রপতি এবং একটি ইউনিক্যামেরাল আইনসভা, জাতীয় সংসদ প্রদান করে; রাষ্ট্রপতি এবং আইন প্রণেতা উভয়কেই পাঁচ বছরের মেয়াদের জন্য সার্বজনীন ভোটাধিকার দ্বারা নির্বাচিত হওয়ার কথা ছিল। রাজনৈতিক দল ১৯৯২ সালে বৈধ করা হয় এবং গিনির প্রথম বহুদলীয় নির্বাচন ১৯৯৩ সালে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে কঁতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। কঁতে ১৯৯৮ এবং ২০০৩ সালে পুনঃর্নির্বাচিত হন। ২০০১ সালের একটি জাতীয় গণভোটে সংবিধান সংশোধন করে রাষ্ট্রপতির মেয়াদ পাঁচ থেকে সাত বছর পর্যন্ত বাড়ানোর জন্য সংবিধান সংশোধন করা হয়।[৪]
কঁতে-এর মৃত্যু এবং ২০০৮ সালের অভ্যুত্থান[সম্পাদনা]
২৩ ডিসেম্বর, ২০০৮ তারিখ ভোরে, দীর্ঘ অসুস্থতার পর প্রেসিডেন্ট কঁতে-এর মৃত্যুর সংবাদ জাতীয় টেলিভিশনে ঘোষণা করা হয়। গিনির সংবিধান অনুযায়ী, ৬০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মাধ্যমে জাতীয় সংসদের স্পিকার আবুবকর সোমপার বাধ্যতামূলকভাবে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণ করেন। টেলিভিশনে সোমপারের পাশে প্রধানমন্ত্রী আহমেদ তিদিয়ান সুয়ারে এবং সামরিক প্রধান জেনারেল ডায়রা কামারা রাষ্ট্রপতি পদ শূন্যতার এবং সোম্পারকে অন্তর্বর্তীকালীন রাষ্ট্রপতি হিসেবে নিয়োগের জন্য সুপ্রিম কোর্টের রায় ঘোষণা করার অনুরোধ জানান।
এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে, একটি সামরিক জান্তা নিজেকে ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (সিএনডিডি) বলে অভিহিত করে এবং ঘোষণা করেছে যে, তারা একটি অভ্যুত্থানে ক্ষমতা দখল করেছে। একটি কমিউনিকেশন ব্রডকাস্টে জাতীয় রেডিও এবং টেলিভিশন স্টেশনে, সামরিক জান্তার একজন মুখপাত্র, ক্যাপ্টেন মুসা দাদিস কামারা, ঘোষণা করেন যে, সিএনডিডি ক্ষমতা দখল করে গিনির জনগণের "যন্ত্রণা বন্ধ করার" সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং ক্ষমতা দখল করে। সামরিক জান্তা সোমপারের সাংবিধানিক উত্তরাধিকার বাতিল করে ও সংবিধান ভেঙ্গে দেয়, জাতীয় সংসদ, রাজনৈতিক ও ইউনিয়ন কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে এবং দুই বছরের মধ্যে নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দেয়। অভ্যুত্থান নেতারা গিনির ক্ষমতাসীন অভিজাতদের দুর্বল নেতৃত্ব প্রদানের ভিত্তিতে সরকার উৎখাতের সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা প্রমাণ করতে চায়। অভ্যুত্থান ঘোষণার সম্প্রচারে, দাদিস কামারা বলেন যে, পূর্বের ক্ষমতাসীন শাসকরা "সরকারী তহবিল আত্মসাতের, সাধারণ দুর্নীতি, সরকারের দায়মুক্তি, রাষ্ট্রীয় বিষয় পরিচালনায় নৈরাজ্য ইত্যাদি "-কে অনুমতি দেওয়ায় রাষ্ট্র "একটি বিপর্যয়কর অর্থনৈতিক পরিস্থিতির" দিকে ঝুঁকে পড়ছিল। এছাড়াও তিনি উদ্ধৃত করেন যে, প্রচুর প্রাকৃতিক সম্পদের অস্তিত্ব সত্ত্বেও জাতীয় দারিদ্র্য, মাদক পাচারের উত্থান, এবং বিভিন্ন অন্যান্য অপরাধ দুর্বল শাসনেরই নমুনা। এটা প্রাথমিকভাবে অস্পষ্ট ছিল যে সিএনডিডি সামগ্রিকভাবে সামরিক বাহিনীর প্রতিনিধিত্ব করছে কিনা, নাকি নিছক একটি দল।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সোমপারে, প্রধানমন্ত্রী আহমেদ তিদিয়ান সোয়ারে এবং সামরিক বাহিনীর প্রধান জেনারেল ডায়রা কামারা এই অভ্যুত্থানের প্রচেষ্টার নিন্দা জানান এবং দাবি করেন যে, সিএনডিডি সংখ্যাগরিষ্ঠ সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিনিধিত্ব করেনি। অনেকেই আশঙ্কা করেছিলেন যে, দুটি দলের মধ্যে স্থবিরতা সহিংসতায় পরিণত হতে পারে। অবশেষে ২৪ শে ডিসেম্বর বিকালে, উত্তেজনাপূর্ণ অভ্যন্তরীণ আলোচনার পর, সিএনডিডি ঘোষণা করে যে, সামরিক জান্তার মুখপাত্র দাদিস কামারাকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। শহরের কেন্দ্রস্থল কোনাক্রি-তে উচ্ছ্বসিত জনতা তাকে এ বিষয়ে অভ্যর্থনা জানায়।[৫]
২০১৩ সালের বিক্ষোভ
বিরোধী জোট ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে সরে আসে।[৬] এ কারণে যখন বিক্ষোভকারীরা আসন্ন মে মাসের নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে তাদের উদ্বেগ প্রকাশ করে, তখন ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে গিনিতে রাজনৈতিক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে । বিরোধী জোট নির্বাচনের প্রস্তুতিতে স্বচ্ছতার অভাবের ফলে নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেয় যা বিক্ষোভের ইন্ধন জোগায়।[৭]
বিক্ষোভের সময় নয়জন নিহত হয় এবং প্রায় ২২০ জন আহত হয়। নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের উপর সরাসরি গুলি ব্যবহার করে যা অনেক মৃত্যু এবং আঘাতের জন্য দায়ী ছিল।[৬][৮] রাজনৈতিক সহিংসতাটি ফুলা এবং মাল্লিঙ্কে জনগণের মধ্যে আন্তঃজাতিগত সংঘর্ষের সৃষ্টি করে, যা প্রেসিডেন্ট কঁতে-এর সমর্থনের ভিত্তি গঠন করে।[৯] ২৬ মার্চ, ২০১৩ তারিখে বিরোধী দল আসন্ন ১২ মে-এর নির্বাচন নিয়ে সরকারের সাথে সমঝোতা থেকে সরে আসে। বিরোধীদল দাবি করে যে, সরকার তাদের সম্মান করেনি এবং তারা কোন প্রতিশ্রুতি পালন করেনি। এর ফলে গিনির রাস্তায় আরো বিক্ষোভ এবং যুদ্ধ সৃষ্টি হয়।[১০]
২০১৪ সালের ইবোলা প্রাদুর্ভাব[সম্পাদনা]
২০১৪ সালের জুলাই মাসের শুরুতে গিনি ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ ইবোলা মহামারীর শিকার হয়, যা দ্রুত প্রতিবেশী দেশ লাইবেরিয়া এবং সিয়েরা লিওনে ছড়িয়ে পড়ে।[১১]
গিনি প্রথম ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মহামারী সমাপ্তির ঘোষণা দেয়, কিন্তু ২০১৬ সালের মার্চ এবং এপ্রিল মাসে অতিরিক্ত কেস আবিষ্কৃত হয়। [১২] ৫ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে জানা যায় যে, ভাইরাসটি পুনরায় প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে ইবোলার নয়টি নতুন ঘটনা ঘটেছে। এই নয়জনের মধ্যে আটজন মারা যায়। অবশেষে ৪২ দিন অপেক্ষার পর ১ জুন ২০১৬ তারিখে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা দেশটিকে ইবোলা মুক্ত ঘোষণা করে।[১৩] প্রথম কেস আবিষ্কৃত হওয়ার আড়াই বছর পর, এই মহামারীর সমাপ্তি ঘটে ২৮,৬০০ টিরও বেশি কেস এবং ১১,৩২৫ জনের মৃত্যুর মাধ্যমে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন