কোস্টা রিকার পর্যটন/ভ্রমণ ভিসা: বাংলাদেশের পর্যটকদের জন্য বিস্তারিত নির্দেশিকা
কোস্টা রিকা, মধ্য আমেরিকার একটি ছোট দেশ, যা তার অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্য এবং পরিবেশ-বান্ধব পর্যটনের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। দেশটি তার রেইনফরেস্ট, আগ্নেয়গিরি, প্রশান্ত মহাসাগর এবং ক্যারিবীয় সাগরের সৈকত এবং প্রচুর বন্যপ্রাণীর জন্য বিখ্যাত। মন্টেভার্দের ক্লাউড ফরেস্ট, লা ফর্চুনাতে আরেনাল আগ্নেয়গিরি এবং ম্যানুয়েল আন্তোনিও ন্যাশনাল পার্কের মতো স্থানগুলো পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ। কোস্টা রিকা সেইসব ভ্রমণকারীদের জন্য আদর্শ যারা অ্যাডভেঞ্চার, প্রকৃতি অন্বেষণ এবং একটি "পুরা ভিদা" (Pura Vida - শুদ্ধ জীবন) অভিজ্ঞতা খুঁজছেন।
বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য কোস্টা রিকা ভ্রমণের জন্য আগে থেকে ভিসা (Pre-arranged Visa) প্রয়োজন।
১. ভিসার ক্যাটাগরি (বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য):
কোস্টা রিকার ভিসা মূলত উদ্দেশ্য অনুসারে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিভক্ত। পর্যটন/ভ্রমণ সম্পর্কিত প্রধান ক্যাটাগরিগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
পর্যটন ভিসা (Tourist Visa):
উদ্দেশ্য: দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন, ব্যক্তিগত ছুটি কাটানো, বন্ধুবান্ধব বা আত্মীয়-স্বজনের সাথে দেখা করা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া, বা অন্যান্য বিনোদনমূলক কার্যক্রমে অংশ নেওয়া।
মেয়াদ: সাধারণত ৩০ দিন পর্যন্ত থাকার অনুমতি দেওয়া হয়। এটি সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা। ভিসা ইস্যুর তারিখ থেকে এর বৈধতা সাধারণত ৬০ দিন বা ৯০ দিন থাকে, অর্থাৎ এই সময়ের মধ্যে আপনাকে কোস্টা রিকায় প্রবেশ করতে হবে।
বিশেষ বিবেচনা: পর্যটন ভিসায় কোস্টা রিকায় কাজ করা বা দীর্ঘমেয়াদী পড়াশোনা করার অনুমতি নেই।
ব্যবসায়ী ভিসা (Business Visa):
উদ্দেশ্য: ব্যবসায়িক মিটিং, আলোচনা, চুক্তি সম্পাদন, সম্মেলন বা সেমিনারে অংশগ্রহণ, বা অন্যান্য ব্যবসায়িক কার্যকলাপের জন্য।
মেয়াদ: ভিসার ধরন ও ভ্রমণের প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী মেয়াদ নির্ধারিত হয়, এবং এটি সিঙ্গেল বা মাল্টিপল এন্ট্রি হতে পারে।
আবশ্যকতা: কোস্টা রিকার কোনো বৈধ প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির কাছ থেকে আমন্ত্রণপত্র আবশ্যক।
ট্রানজিট ভিসা (Transit Visa):
উদ্দেশ্য: কোস্টা রিকার মধ্য দিয়ে অন্য কোনো তৃতীয় দেশে যাত্রার জন্য, যদি আপনি বিমানবন্দর ট্রানজিট এরিয়া ছেড়ে যেতে চান।
গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা: কোস্টা রিকা CA-4 (Central American Four Agreement) এর সদস্য নয়, তবে মধ্য আমেরিকার অনেক দেশের সাথে এর বিশেষ চুক্তি রয়েছে। তবে বাংলাদেশ এই জোট বা চুক্তির আওতায় পড়ে না, তাই বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা বাধ্যতামূলক।
২. আবেদন প্রক্রিয়া (বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে):
বাংলাদেশে কোস্টা রিকার কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। বাংলাদেশের নাগরিকদের ভিসার জন্য সাধারণত ভারতের নয়াদিল্লিতে অবস্থিত কোস্টা রিকার দূতাবাস থেকে আবেদন করতে হয়। আবেদন প্রক্রিয়া ব্যক্তিগতভাবে বা অনুমোদিত এজেন্টের মাধ্যমে সম্পন্ন করা যেতে পারে।
ধাপ ১: অনলাইন আবেদন ফরম পূরণ ও প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত:
কোস্টা রিকার ইমিগ্রেশন ডিরেক্টরেট জেনারেলের ওয়েবসাইট থেকে ভিসা আবেদন ফরম সংগ্রহ করতে হতে পারে, অথবা সরাসরি নয়াদিল্লি দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করে ফরম ও প্রয়োজনীয় নথির তালিকা জেনে নিতে হবে।
সকল প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করুন এবং সেগুলোর স্ক্যান কপি বা ফটোকপি প্রস্তুত রাখুন। (বিস্তারিত নিচে দেখুন)
ধাপ ২: অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া (যদি প্রয়োজন হয়) ও নথিপত্র জমা দেওয়া:
নয়াদিল্লি দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করে ভিসার আবেদন জমা দেওয়ার জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন।
নির্ধারিত অ্যাপয়েন্টমেন্টের দিনে সকল মূল নথি এবং তাদের ফটোকপি সহ দূতাবাসে সশরীরে উপস্থিত হয়ে আবেদন জমা দিন। যদি সশরীরে যাওয়া সম্ভব না হয়, তবে দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করে এজেন্টের মাধ্যমে জমা দেওয়ার ব্যবস্থা আছে কিনা জেনে নিন।
ধাপ ৩: ভিসা ফি পরিশোধ:
ভিসার ফি ভিসার ধরন, মেয়াদ এবং যে দেশ থেকে আবেদন করা হচ্ছে তার উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়। নয়াদিল্লি দূতাবাসে ভিসা ফি সাধারণত $৩২ মার্কিন ডলার হতে পারে। ফি পরিশোধের পদ্ধতি (ব্যাংক ট্রান্সফার, ব্যাংক ড্রাফট বা সরাসরি ক্যাশ জমা) নয়াদিল্লি দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া উচিত। ভিসা আবেদন বাতিল হলে ফি সাধারণত ফেরতযোগ্য নয়।
ধাপ ৪: সাক্ষাৎকার (যদি প্রয়োজন হয়):
দূতাবাস কর্তৃপক্ষ যদি প্রয়োজন মনে করে, তবে আবেদনকারীকে ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকতে পারে।
ধাপ ৫: ভিসা প্রক্রিয়াকরণের সময়:
ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া সাধারণত ৭-১৫ কার্যদিবস সময় নিতে পারে। তবে, এটি আবেদনকারীর জাতীয়তা, ভ্রমণের উদ্দেশ্য এবং দূতাবাসের বর্তমান কাজের চাপের উপর নির্ভর করে ৩০ কার্যদিবস বা তার বেশি সময়ও লাগতে পারে।
ধাপ ৬: পাসপোর্ট সংগ্রহ:
ভিসা প্রক্রিয়াকরণ সম্পন্ন হলে আপনাকে পাসপোর্ট সংগ্রহের জন্য অবহিত করা হবে।
৩. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য সাধারণ তালিকা):
কোস্টা রিকার ভিসার জন্য আবেদন করতে নিম্নলিখিত নথিগুলি সাধারণত প্রয়োজন হয়:
বৈধ পাসপোর্ট:
মূল পাসপোর্ট, যার মেয়াদ কোস্টা রিকা থেকে আপনার প্রস্তাবিত প্রস্থান তারিখের পরেও কমপক্ষে ৬ মাস থাকতে হবে।
পাসপোর্টে কমপক্ষে ২টি ফাঁকা ভিসা পৃষ্ঠা থাকতে হবে।
পাসপোর্টের বায়ো-ডেটা পৃষ্ঠার (ব্যক্তিগত তথ্য সম্বলিত পৃষ্ঠা) এবং ব্যবহৃত সকল পৃষ্ঠার ফটোকপি।
পূরণকৃত ভিসা আবেদন ফরম:
যথাযথভাবে পূরণ করা ও স্বাক্ষর করা ফরম।
পাসপোর্ট আকারের ছবি:
সাম্প্রতিক (৬ মাসের বেশি পুরনো নয়) ও পরিষ্কার ২ কপি পাসপোর্ট আকারের রঙিন ছবি (সাধারণত সাদা বা হালকা ব্যাকগ্রাউন্ডে, ৩৫x৪৫ মিমি)।
কভারিং লেটার:
আবেদনকারীর পক্ষ থেকে একটি কভারিং লেটার, যেখানে আবেদনকারীর নাম, পদবী, পাসপোর্ট নম্বর, ভ্রমণের উদ্দেশ্য এবং ভ্রমণের সম্পূর্ণ খরচের জন্য কে দায়ী থাকবে (নিজস্ব বা স্পনসর) ইত্যাদি উল্লেখ থাকবে। এটি "Consular Section, Embassy of Costa Rica, New Delhi, India" কে সম্বোধন করে লিখতে হবে।
ফেরত বা পরবর্তী ভ্রমণের টিকিট:
কোস্টা রিকা থেকে নিশ্চিত ফেরত টিকিট বা পরবর্তী গন্তব্যের টিকিট। এটি প্রমাণ করে যে আপনি একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য যাচ্ছেন এবং ফিরে আসবেন।
আবাসনের প্রমাণ:
হোটেল রিজার্ভেশনের নিশ্চিতকরণ (পুরো থাকার সময়কালের জন্য)।
যদি কোস্টা রিকায় কোনো ব্যক্তি আপনাকে আমন্ত্রণ জানায়, তবে সেই ব্যক্তির দ্বারা স্বাক্ষরিত একটি আমন্ত্রণপত্র এবং তার পরিচয়পত্রের কপি (যেমন কোস্টা রিকান আইডি বা রেসিডেন্ট পারমিট)। আমন্ত্রণপত্রে আপনার থাকার ব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত উল্লেখ থাকতে হবে।
আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ:
গত ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট (যাতে পর্যাপ্ত তহবিল দেখা যায়, যা কোস্টা রিকায় আপনার থাকা ও ভ্রমণের খরচ বহন করার সক্ষমতা প্রমাণ করে)।
ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট।
অন্যান্য আর্থিক সম্পদের প্রমাণ (যেমন: ফিক্সড ডিপোজিট রসিদ, সঞ্চয়পত্র, সম্পত্তির দলিলপত্র ইত্যাদি)।
যদি অন্য কেউ স্পনসর করেন: স্পনসরশিপ লেটার, স্পনসরের আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ (যেমন তার ব্যাংক স্টেটমেন্ট), তার পরিচয়পত্রের কপি।
পেশার প্রমাণ:
চাকরিজীবী: নিয়োগকর্তার কাছ থেকে একটি ফরওয়ার্ডিং লেটার/নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (NOC) যেখানে আপনার পদ, যোগদানের তারিখ, বেতন, দায়িত্ব এবং ভ্রমণের জন্য ছুটির মঞ্জুরি উল্লেখ থাকবে। গত ৬ মাসের বেতন স্লিপ।
ব্যবসায়ী: হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্সের ফটোকপি (ইংরেজিতে অনূদিত ও নোটারাইজড), ব্যবসার ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ভিজিটিং কার্ড।
শিক্ষার্থী: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ডের ফটোকপি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অনাপত্তি পত্র (NOC), ভর্তির প্রমাণ।
অবসরপ্রাপ্ত: পেনশন বই বা অবসরকালীন ভাতার প্রমাণপত্র।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট (কিছু ক্ষেত্রে):
কিছু ক্ষেত্রে, বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদী ভিসার জন্য, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট চাওয়া হতে পারে। পর্যটন ভিসার জন্য এটি সাধারণত প্রয়োজন হয় না, তবে প্রস্তুত রাখা ভালো।
আন্তর্জাতিক ভ্রমণ স্বাস্থ্য বীমা:
আন্তর্জাতিক ভ্রমণ চিকিৎসা বিমা, যার কভারেজ কোস্টা রিকায় আপনার থাকার পুরো সময়কালের জন্য বৈধ থাকতে হবে।
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) / জন্ম নিবন্ধন সনদ:
আবেদনকারীর পরিচয় প্রমাণের জন্য ফটোকপি।
নথি সংক্রান্ত টিপস: সকল নথি ইংরেজিতে বা স্প্যানিশ ভাষায় অনূদিত ও নোটারি পাবলিক দ্বারা সত্যায়িত হতে হবে, যদি মূল নথি বাংলায় থাকে। সকল ফটোকপির মান ভালো হতে হবে।
৪. আবেদনের স্থান (বাংলাদেশে দূতাবাস):
বর্তমানে বাংলাদেশে কোস্টা রিকার কোনো নিজস্ব দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই।
৫. পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে আবেদন:
যেহেতু বাংলাদেশে কোস্টা রিকার কোনো দূতাবাস নেই, বাংলাদেশের নাগরিকদের ভিসার জন্য ভারতের নয়াদিল্লিতে অবস্থিত কোস্টা রিকার দূতাবাস থেকে আবেদন করতে হয়।
কোস্টা রিকার দূতাবাস, নয়াদিল্লি, ভারত (Embassy of Costa Rica in New Delhi, India):
ঠিকানা: 18, Sunder Nagar, New Delhi - 110003, India.
ফোন: +91 11 4166 1603 / 4108 0810
ই-মেইল (সাধারণত): embcrin@gmail.com / secreconsular.india@gmail.com (যোগাযোগ করে নিশ্চিত হওয়া আবশ্যক)।
ওয়েবসাইট:
(কিছু সূত্রে এটি সিঙ্গাপুর দূতাবাসের অংশ হিসেবে দেখা যায়, তাই সরাসরি নয়াদিল্লির ওয়েবসাইটের জন্য খোঁজ নিতে হবে)।https://www.embassycrsg.com/costa-rica-visa/
বিশেষ দ্রষ্টব্য: নয়াদিল্লি দূতাবাস থেকে আবেদন করার আগে, সরাসরি তাদের সাথে ফোন বা ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে তাদের বর্তমান নিয়মাবলী, আবেদন প্রক্রিয়া, অ্যাপয়েন্টমেন্ট পদ্ধতি এবং বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ভিসার আবেদন প্রক্রিয়াকরণের বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া উচিত। যেহেতু সশরীরে উপস্থিত থাকা বা অনুমোদিত প্রতিনিধির মাধ্যমে নথি জমা দেওয়া প্রয়োজন হতে পারে, তাই ভ্রমণের পরিকল্পনা করার সময় এই বিষয়টি মাথায় রাখা উচিত।
৬. ই-ভিসা (e-Visa):
বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, কোস্টা রিকা বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য কোনো ই-ভিসা (e-Visa) ব্যবস্থা চালু করেনি যা দিয়ে তারা পূর্বেই অনলাইনে ভিসা পেয়ে সরাসরি প্রবেশ করতে পারেন। ভিসার জন্য আবেদনকারীকে সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক মিশনে (যেমন নয়াদিল্লিতে) সশরীরে বা অনুমোদিত প্রতিনিধির মাধ্যমে আবেদনপত্র ও প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে হয়।
গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা: যেকোনো অননুমোদিত ওয়েবসাইট বা এজেন্ট যারা বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য সরাসরি ই-ভিসা বা সহজ প্রক্রিয়ার প্রস্তাব দেয়, তাদের থেকে সতর্ক থাকুন। সবসময় অফিসিয়াল উৎসের উপর নির্ভর করুন এবং কোনো সন্দেহ থাকলে সরাসরি নয়াদিল্লির কোস্টা রিকার দূতাবাসে যোগাযোগ করুন। ভ্রমণের আগে সর্বশেষ ভিসা নীতি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ:
সম্মানিত পাঠকের প্রতি অনুরোধ রইল, ভিসা আবেদন করার সময় কোস্টা রিকার নয়াদিল্লি দূতাবাস বা সংশ্লিষ্ট দেশের সুনির্দিষ্ট ওয়েবসাইট দেখে আবেদন করবেন, কারণ প্রতিনিয়ত বিভিন্ন দেশ তাদের ভিসা নীতি, ভিসার ক্যাটাগরি, মেয়াদ এবং শর্ত পরিবর্তন করে। সর্বশেষ এবং সঠিক তথ্যের জন্য সবসময় অফিসিয়াল উৎস ব্যবহার করুন এবং যেকোনো প্রকার দালালের প্রলোভনে না পড়ে নিজের আবেদন নিজে পূরণ করার চেষ্টা করুন অথবা বিশ্বস্ত এবং নিবন্ধিত ভিসা কনসালটেন্সি সংস্থার সাহায্য নিন।
GRAMEEN TOURS & Travels
Whatsapp: 01336-556033
Email: grameentour@gmail.com