চীন: প্রাচীন প্রাচুর্য আর আধুনিক বিস্ময়
চীন, সুবিশাল আয়তনের এক দেশ যেখানে প্রাচীন সভ্যতা আর আধুনিক প্রযুক্তি হাত ধরাধরিকরে চলে। চীনের মহাপ্রাচীরের মহিমা থেকে সাংহাইয়ের ভবিষ্যতমুখী স্কাইলাইন, বা বেইজিংয়েরনিষিদ্ধ নগরী — প্রতিটি স্থানই বিস্ময়কর। এখানকার বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি, অসাধারণ খাবার,আর প্রাকৃতিক ল্যান্ডস্কেপ ভ্রমণপিপাসুদের জন্য এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা প্রদান করে। এটিসত্যিই এক বিশাল এবং বৈচিত্র্যময় দেশ।
চীনের পর্যটন/ভ্রমণ ভিসা: বাংলাদেশের পর্যটকদের জন্য বিস্তারিত নির্দেশিকা
চীন, বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দেশ, তার বিশাল ভূখণ্ডে বৈচিত্র্যময় প্রাকৃতিক দৃশ্য, প্রাচীন সংস্কৃতি, আধুনিক স্থাপত্য এবং দীর্ঘ ইতিহাস ধারণ করে। মহাপ্রাচীর, ফরবিডেন সিটি, টেরা কোটা আর্মি, সাংহাই-এর ঝলমলে স্কাইলাইন এবং গুয়াংঝু-এর ব্যস্ত নগরজীবন পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ। সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা, ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শন এবং দ্রুত বিকাশমান আধুনিক চীনের অভিজ্ঞতা পেতে চাওয়া ভ্রমণকারীদের জন্য চীন এক অসাধারণ গন্তব্য।
বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য চীন ভ্রমণের জন্য আগে থেকে ভিসা (Pre-arranged Visa) প্রয়োজন।
১. ভিসার ক্যাটাগরি (বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য):
চীনের ভিসা বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিভক্ত, যা ইংরেজি অক্ষর দ্বারা নির্দেশিত হয়। পর্যটন/ভ্রমণ সম্পর্কিত প্রধান ক্যাটাগরিগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
পর্যটন ভিসা (Tourist Visa - L Visa):
উদ্দেশ্য: দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন, ব্যক্তিগত ছুটি কাটানো, বন্ধুবান্ধব বা আত্মীয়-স্বজনের সাথে দেখা করা, বা অন্যান্য বিনোদনমূলক কার্যক্রমে অংশ নেওয়া।
মেয়াদ: সাধারণত ৩০ দিন পর্যন্ত সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা দেওয়া হয়। কিছু ক্ষেত্রে ৬০ বা ৯০ দিনের সিঙ্গেল এন্ট্রি, ডাবল এন্ট্রি বা মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসাও ইস্যু করা হতে পারে, যা আবেদনকারীর ভ্রমণের ইতিহাস, আমন্ত্রণের প্রকৃতি এবং কনস্যুলার অফিসারের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করে।
বৈধতা: ভিসা ইস্যুর তারিখ থেকে এর বৈধতা সাধারণত ৩ মাস থাকে (অর্থাৎ এই ৩ মাসের মধ্যে আপনাকে চীনে প্রবেশ করতে হবে)।
বিশেষ বিবেচনা: পর্যটন ভিসায় চীনে কাজ করা বা দীর্ঘমেয়াদী পড়াশোনা করার অনুমতি নেই।
বিজনেস ভিসা (Business Visa - M Visa):
উদ্দেশ্য: ব্যবসায়িক মিটিং, আলোচনা, চুক্তি সম্পাদন, সম্মেলন বা সেমিনারে অংশগ্রহণ, বা অন্যান্য ব্যবসায়িক কার্যকলাপের জন্য।
মেয়াদ: সাধারণত ৩০, ৬০ বা ৯০ দিন। সিঙ্গেল, ডাবল বা মাল্টিপল এন্ট্রি হতে পারে।
আবশ্যকতা: চীনের কোনো বৈধ প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির কাছ থেকে আমন্ত্রণপত্র আবশ্যক।
ট্রানজিট ভিসা (Transit Visa - G Visa):
উদ্দেশ্য: চীনের মধ্য দিয়ে অন্য কোনো তৃতীয় দেশে যাত্রার জন্য।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: চীন কিছু নির্দিষ্ট বিমানবন্দর এবং শহরের জন্য ৭২-ঘণ্টা বা ১৪৪-ঘণ্টার ভিসা-মুক্ত ট্রানজিট নীতি (Visa-Free Transit Policy) প্রদান করে। বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য এটি প্রযোজ্য হতে পারে যদি তারা একটি তৃতীয় দেশের টিকিটসহ আসেন এবং নির্দিষ্ট ট্রানজিট জোন ত্যাগ না করেন। তবে, দীর্ঘস্থায়ী ট্রানজিট বা ট্রানজিট জোন ত্যাগ করার প্রয়োজন হলে জি ভিসা নিতে হতে পারে।
২. আবেদন প্রক্রিয়া (বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে):
বাংলাদেশে চীনের নিজস্ব দূতাবাস রয়েছে। বাংলাদেশের নাগরিকরা সরাসরি এই দূতাবাসে ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।
ধাপ ১: অনলাইন আবেদন ফরম পূরণ:
চীনের ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সার্ভিস সেন্টার (CVASC) এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে (বাংলাদেশে ঢাকা সেন্টারের জন্য) প্রবেশ করুন:
https://www.visaforchina.cn/DAC2_EN/ অনলাইনে ভিসা আবেদন ফরমটি (Online Application Form) নির্ভুলভাবে এবং সম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূরণ করুন। এটি অফলাইন ফরম নয়, অনলাইনে পূরণ করতে হবে।
ধাপ ২: অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া:
অনলাইন ফরম পূরণ করার পর, CVASC ওয়েবসাইটের মাধ্যমে একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট বুক করুন ("Appointment for Visa Application" সেকশন)। অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়া আবেদনপত্র জমা দেওয়া যায় না।
ধাপ ৩: প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ:
আপনার ভিসার ক্যাটাগরি অনুযায়ী সকল আবশ্যকীয় নথিপত্র সংগ্রহ করুন। (বিস্তারিত নিচে দেখুন)
ধাপ ৪: ভিসা ফি পরিশোধ:
ভিসা ফি CVASC-এর মাধ্যমে পরিশোধ করতে হয়। এটি সাধারণত ভিসার ধরন, এন্ট্রির সংখ্যা এবং প্রক্রিয়াকরণের সময়ের (সাধারণ, এক্সপ্রেস, রাশের) উপর নির্ভর করে।
সাধারণ ফি (পর্যটন L ভিসা, সিঙ্গেল এন্ট্রি): প্রায় BDT ৭,০০০ - BDT ১০,০০০ (ভিসা ফি এবং সার্ভিস চার্জ সহ)। ভিসা ফি ভিসা সেন্টারে নগদ টাকায় বা ব্যাংক কার্ডের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হয়।
গুরুত্বপূর্ণ: ভিসা ফি সাধারণত অফেরতযোগ্য, এমনকি আবেদন বাতিল হলেও।
ধাপ ৫: আবেদন জমা দেওয়া:
নির্ধারিত অ্যাপয়েন্টমেন্টের দিনে এবং সময়ে সকল মূল নথি এবং তাদের ফটোকপি সহ ঢাকা চাইনিজ ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সার্ভিস সেন্টারে (CVASC) সশরীরে উপস্থিত হয়ে আবেদন জমা দিন। বায়োমেট্রিক তথ্য (আঙ্গুলের ছাপ) দিতে হতে পারে।
ধাপ ৬: সাক্ষাৎকার (যদি প্রয়োজন হয়):
কনস্যুলার অফিসার যদি প্রয়োজন মনে করেন, তবে আবেদনকারীকে ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকতে পারেন।
ধাপ ৭: ভিসা প্রক্রিয়াকরণের সময়:
সাধারণত ভিসা প্রক্রিয়াকরণে ৪-৭ কার্যদিবস সময় লাগে। তবে, এটি আবেদনকারীর প্রোফাইল, ভ্রমণের উদ্দেশ্য এবং ভিসা সেন্টারের কাজের চাপের উপর নির্ভর করে বেশি সময়ও লাগতে পারে। এক্সপ্রেস সার্ভিস (২-৩ কার্যদিবস) এবং রাশ সার্ভিস (১ কার্যদিবস) এর জন্য অতিরিক্ত ফি লাগে।
ধাপ ৮: পাসপোর্ট সংগ্রহ:
ভিসা প্রক্রিয়াকরণ সম্পন্ন হলে আপনাকে পাসপোর্ট সংগ্রহের জন্য অবহিত করা হবে। নির্ধারিত দিনে সংগ্রহ কেন্দ্রে গিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করুন।
৩. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য সাধারণ তালিকা):
চীনের ভিসার জন্য আবেদন করতে নিম্নলিখিত নথিগুলি সাধারণত প্রয়োজন হয়:
বৈধ পাসপোর্ট:
মূল পাসপোর্ট, যার মেয়াদ চীনে আপনার প্রস্তাবিত প্রবেশের তারিখের পরেও কমপক্ষে ৬ মাস থাকতে হবে (৬ মাসের কম হলে ১ বছরের ভিসা)।
পাসপোর্টে কমপক্ষে ২টি ফাঁকা ভিসা পৃষ্ঠা থাকতে হবে।
পাসপোর্টের বায়ো-ডেটা পৃষ্ঠার (ব্যক্তিগত তথ্য সম্বলিত পৃষ্ঠা) এবং ব্যবহৃত সকল পৃষ্ঠার ফটোকপি।
পূর্ববর্তী চীনা ভিসা থাকলে তার ফটোকপি।
পূরণকৃত অনলাইন ভিসা আবেদন ফরম:
অনলাইনে পূরণকৃত এবং প্রিন্ট করা ফরম, যাতে আপনার স্বাক্ষর থাকবে।
পাসপোর্ট আকারের ছবি:
সাম্প্রতিক (৬ মাসের বেশি পুরনো নয়) ১ কপি পাসপোর্ট আকারের রঙিন ছবি (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে, উচ্চ রেজোলিউশন, 33mm x 48mm)। ছবির নির্দিষ্ট কিছু নিয়মাবলী আছে (যেমন মাথার আকার, চোখ খোলা থাকা, চশমা পরা যাবে না ইত্যাদি), যা CVASC ওয়েবসাইটে দেখতে পাওয়া যাবে।
ফেরত বা পরবর্তী ভ্রমণের টিকিট:
চীন থেকে নিশ্চিত ফেরত টিকিট বা পরবর্তী গন্তব্যের টিকিট (বিমান বা ট্রেন)।
আবাসনের প্রমাণ:
হোটেল রিজার্ভেশনের নিশ্চিতকরণ (পুরো থাকার সময়কালের জন্য)।
যদি কোনো ব্যক্তি স্পনসর করেন, তবে সেই ব্যক্তির দ্বারা স্বাক্ষরিত একটি আমন্ত্রণপত্র এবং তার চীনা পরিচয়পত্রের (রেসিডেন্ট পারমিট বা আইডি কার্ড) উভয় দিকের ফটোকপি।
ভ্রমণসূচী:
চীন ভ্রমণের বিস্তারিত ভ্রমণসূচী (Itinerary) যেখানে দৈনিক কার্যক্রম এবং স্থান উল্লেখ থাকবে।
আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ:
গত ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট (যাতে পর্যাপ্ত তহবিল দেখা যায়, যা চীনে আপনার থাকা ও ভ্রমণের খরচ বহন করার সক্ষমতা প্রমাণ করে)। কিছু ক্ষেত্রে ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেটও চাওয়া হতে পারে।
যদি অন্য কেউ স্পনসর করেন: স্পনসরশিপ লেটার এবং স্পনসরের ব্যাংক স্টেটমেন্ট।
পেশার প্রমাণ:
চাকরিজীবী: নিয়োগকর্তার কাছ থেকে একটি ফরওয়ার্ডিং লেটার/নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (NOC) যেখানে আপনার পদ, যোগদানের তারিখ, বেতন, দায়িত্ব এবং ভ্রমণের জন্য ছুটির মঞ্জুরি উল্লেখ থাকবে। গত ৬ মাসের বেতন স্লিপ।
ব্যবসায়ী: হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্সের ফটোকপি (নোটারি সত্যায়িত), চেম্বার অফ কমার্সের সদস্যতা সনদ, ব্যবসার ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ভিজিটিং কার্ড।
শিক্ষার্থী: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ডের ফটোকপি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অনাপত্তি পত্র (NOC), ভর্তির প্রমাণ।
অবসরপ্রাপ্ত: পেনশন বই বা অবসরকালীন ভাতার প্রমাণপত্র।
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) / জন্ম নিবন্ধন সনদ:
আবেদনকারীর পরিচয় প্রমাণের জন্য ফটোকপি।
আমন্ত্রণপত্র (যদি প্রযোজ্য হয়):
যদি চীনের কোনো নাগরিক বা প্রতিষ্ঠান আপনাকে আমন্ত্রণ জানায়, তাহলে সেই আমন্ত্রণপত্র। আমন্ত্রণপত্রে আমন্ত্রণকারী সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য, তাদের চীনা আইডি বা রেসিডেন্ট পারমিটের ফটোকপি এবং যোগাযোগের বিবরণ থাকতে হবে। আমন্ত্রণপত্রে ভ্রমণের উদ্দেশ্য, তারিখ এবং খরচ বহনকারী সম্পর্কে বিস্তারিত উল্লেখ থাকতে হবে।
নথি সংক্রান্ত টিপস: সকল নথি ইংরেজিতে অনূদিত হতে হবে। কিছু দূতাবাস বা ভিসা সেন্টার নোটারি পাবলিক দ্বারা সত্যায়িত কপি চাইতে পারে। সকল ফটোকপির মান ভালো হতে হবে।
৪. আবেদনের স্থান (বাংলাদেশে দূতাবাস):
বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য চীনের ভিসা আবেদন করার প্রধান স্থান হলো ঢাকা চাইনিজ ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সার্ভিস সেন্টার (CVASC), যা বারিধারায় অবস্থিত। এই সেন্টার চীনা দূতাবাসের পক্ষে ভিসা আবেদন গ্রহণ ও প্রাথমিক প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে।
ঢাকা চাইনিজ ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সার্ভিস সেন্টার (CVASC):
ঠিকানা: CWN (A) 8, Bir Uttam AK Khandakar Rd, Dhaka 1212, বাংলাদেশ।
ফোন: +880 9606 550888
ই-মেইল: dhakacenter@visaforchina.org
ওয়েবসাইট:
https://www.visaforchina.cn/DAC2_EN/ সময়সূচী:
আবেদন জমা দেওয়ার সময়: সকাল ৯:০০ টা থেকে দুপুর ১:০০ টা (রবিবার-বৃহস্পতিবার, ছুটির দিন ব্যতীত)।
পাসপোর্ট সংগ্রহের সময়: সকাল ৯:০০ টা থেকে দুপুর ১:০০ টা (রবিবার-বৃহস্পতিবার, ছুটির দিন ব্যতীত)।
৫. পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে আবেদন:
যেহেতু বাংলাদেশে চীনের নিজস্ব ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার রয়েছে, তাই বাংলাদেশের নাগরিকদের সাধারণত পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে আবেদন করার প্রয়োজন হয় না। তবে, বিশেষ পরিস্থিতিতে (যেমন দীর্ঘমেয়াদী অবস্থান বা অন্য দেশে বসবাস), তারা যে দেশে আছেন, সেখানকার চীনা দূতাবাস বা কনস্যুলেটে যোগাযোগ করতে পারেন।
৬. ই-ভিসা (e-Visa):
বর্তমানে চীন বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য কোনো সম্পূর্ণ ই-ভিসা (e-Visa) ব্যবস্থা চালু করেনি যা দিয়ে তারা পূর্বেই অনলাইনে ভিসা পেয়ে সরাসরি প্রবেশ করতে পারেন। যদিও ভিসার আবেদন অনলাইনে শুরু করা হয় এবং একটি অনলাইন ফরম পূরণ করতে হয়, তবে চূড়ান্ত ভিসা স্ট্যাম্প করার জন্য সশরীরে ঢাকা চাইনিজ ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সার্ভিস সেন্টারে (CVASC) উপস্থিত হয়ে নথি জমা দিতে হয় এবং বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদান করতে হয়।
গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা: যেকোনো অননুমোদিত ওয়েবসাইট বা এজেন্ট যারা বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য সরাসরি "ই-ভিসা" বা "সহজ চীনা ভিসা" এর প্রস্তাব দেয়, তাদের থেকে সতর্ক থাকুন। সবসময় অফিসিয়াল উৎসের উপর নির্ভর করুন এবং কোনো সন্দেহ থাকলে সরাসরি ঢাকা চাইনিজ ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সার্ভিস সেন্টারে (CVASC) বা চীনা দূতাবাসে যোগাযোগ করুন।
গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ:
সম্মানিত পাঠকের প্রতি অনুরোধ রইল, ভিসা আবেদন করার সময় ঢাকা চাইনিজ ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সার্ভিস সেন্টার (CVASC) এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা চীনা দূতাবাসের সুনির্দিষ্ট ওয়েবসাইট দেখে আবেদন করবেন, কারণ প্রতিনিয়ত বিভিন্ন দেশ তাদের ভিসা নীতি, ভিসার ক্যাটাগরি, মেয়াদ এবং শর্ত পরিবর্তন করে। সর্বশেষ এবং সঠিক তথ্যের জন্য সবসময় অফিসিয়াল উৎস ব্যবহার করুন এবং যেকোনো প্রকার দালালের প্রলোভনে না পড়ে নিজের আবেদন নিজে পূরণ করার চেষ্টা করুন অথবা বিশ্বস্ত এবং নিবন্ধিত ভিসা কনসালটেন্সি সংস্থার সাহায্য নিন।
GRAMEEN TOURS & Travels
Whatsapp: 01336-556033
Email: grameentour@gmail.com
www.grameentour.com
