মঙ্গলবার, ১ জুলাই, ২০২৫

চিলির পর্যটন বা ভ্রমণ ভিসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

চিলির পর্যটন/ভ্রমণ ভিসা: বাংলাদেশের পর্যটকদের জন্য বিস্তারিত নির্দেশিকা

চিলি, দক্ষিণ আমেরিকার একটি দীর্ঘ ও সরু দেশ, যা তার অসাধারণ প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। উত্তরের শুষ্ক আটাকামা মরুভূমি থেকে শুরু করে দক্ষিণের হিমবাহ এবং ফিয়র্ডস (Fjords) পর্যন্ত, চিলিতে রয়েছে আন্দিজ পর্বতমালা, প্রশান্ত মহাসাগরের উপকূল, এবং ইস্টার দ্বীপের (Easter Island) রহস্যময় মোয়াই মূর্তি। ভ্যালপারাইসো (Valparaíso)-এর রঙিন বাড়িঘর, সান্তিয়াগোর (Santiago) প্রাণবন্ত শহর এবং পাতাগোনিয়ার (Patagonia) বন্যপ্রাণী ও প্রাকৃতিক দৃশ্য পর্যটকদের কাছে এক অনবদ্য আকর্ষণ।

বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য চিলি ভ্রমণের জন্য আগে থেকে ভিসা (Pre-arranged Visa) প্রয়োজন।

১. ভিসার ক্যাটাগরি (বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য):

বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য চিলির ভিসা মূলত উদ্দেশ্য অনুসারে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিভক্ত। এখানে পর্যটন/ভ্রমণ সম্পর্কিত প্রধান ক্যাটাগরিগুলো তুলে ধরা হলো:

  • পর্যটন ভিসা (Tourist Visa - Visa de Turismo):

    • উদ্দেশ্য: দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন, ব্যক্তিগত ছুটি কাটানো, বন্ধুবান্ধব বা আত্মীয়-স্বজনের সাথে দেখা করা, সাংস্কৃতিক বা ক্রীড়া অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া, বা অন্যান্য বিনোদনমূলক কার্যক্রমে অংশ নেওয়া।

    • মেয়াদ: সাধারণত ৯০ দিন পর্যন্ত থাকার অনুমতি দেওয়া হয়। এটি সিঙ্গেল এন্ট্রি বা মাল্টিপল এন্ট্রি হতে পারে, যা ভিসা প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করে। ভিসার বৈধতা ইস্যু করার তারিখ থেকে নির্ধারিত থাকে।

    • বিশেষ বিবেচনা: পর্যটন ভিসায় চিলিতে কাজ করা বা দীর্ঘমেয়াদী পড়াশোনা করার অনুমতি নেই।

  • ব্যবসায়ী ভিসা (Business Visa - Visa de Negocios):

    • উদ্দেশ্য: ব্যবসায়িক মিটিং, আলোচনা, চুক্তি সম্পাদন, সম্মেলন বা সেমিনারে অংশগ্রহণ, বিনিয়োগের সুযোগ অন্বেষণ, বা অন্যান্য ব্যবসায়িক কার্যকলাপের জন্য।

    • মেয়াদ: স্বল্পমেয়াদী বা দীর্ঘমেয়াদী হতে পারে, যা ভ্রমণের উদ্দেশ্য এবং আমন্ত্রণপত্রের উপর নির্ভর করে।

    • আবশ্যকতা: চিলির কোনো বৈধ প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির কাছ থেকে আমন্ত্রণপত্র আবশ্যক।

  • ট্রানজিট ভিসা (Transit Visa):

    • উদ্দেশ্য: চিলির মধ্য দিয়ে অন্য কোনো তৃতীয় দেশে যাত্রার জন্য, যখন বিমানবন্দরের আন্তর্জাতিক ট্রানজিট জোনে থাকার অনুমতি থাকে না।

গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা: চিলি MERCOSUR (Mercado Común del Sur) এর একটি সহযোগী সদস্য। তবে বাংলাদেশ এই জোটের সদস্য নয়, তাই বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা বাধ্যতামূলক।

২. আবেদন প্রক্রিয়া (বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে):

বাংলাদেশে চিলির কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। বাংলাদেশের নাগরিকদের ভিসার জন্য সাধারণত ভারতের নয়াদিল্লিতে অবস্থিত চিলির দূতাবাস থেকে আবেদন করতে হয়। আবেদন প্রক্রিয়া ব্যক্তিগতভাবে বা অনুমোদিত এজেন্টের মাধ্যমে সম্পন্ন করা যেতে পারে।

  • ধাপ ১: অনলাইন আবেদন ফরম পূরণ:

    • চিলির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার সার্ভিসেস ওয়েবসাইট (https://tramites.minrel.gov.cl/) থেকে অনলাইনে ভিসা আবেদন ফরমটি পূরণ করুন। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ বেশিরভাগ তথ্য অনলাইনে জমা দিতে হয়।

  • ধাপ ২: প্রয়োজনীয় নথি স্ক্যান ও আপলোড:

    • অনলাইন ফরম পূরণের সময় আপনার প্রয়োজনীয় সকল নথির স্ক্যান কপি (PDF ফরম্যাটে) আপলোড করতে হবে। (বিস্তারিত নিচে দেখুন)

  • ধাপ ৩: অনলাইন আবেদন জমা দেওয়া:

    • সকল তথ্য ও নথি আপলোড করার পর অনলাইন আবেদন জমা দিন। আপনি একটি আবেদন আইডি বা রেফারেন্স নম্বর পাবেন।

  • ধাপ ৪: অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া (যদি প্রয়োজন হয়) ও নথিপত্র জমা দেওয়া:

    • কিছু ক্ষেত্রে, আপনাকে সরাসরি নয়াদিল্লি দূতাবাসে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে মূল নথি জমা দিতে হতে পারে। দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করে এই বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন। অনেক সময়, অনলাইন আবেদন অনুমোদনের পরই পাসপোর্ট স্ট্যাম্প করার জন্য দূতাবাসে পাঠানোর প্রয়োজন হয়।

  • ধাপ ৫: ভিসা ফি পরিশোধ:

    • ভিসার ফি ভিসার ধরন, মেয়াদ এবং যে দেশ থেকে আবেদন করা হচ্ছে তার উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়। নয়াদিল্লি দূতাবাসে ভিসা ফি সাধারণত $৭০ - $১৫০ মার্কিন ডলারের মধ্যে হতে পারে। ফি পরিশোধের পদ্ধতি (ব্যাংক ট্রান্সফার, ব্যাংক ড্রাফট বা সরাসরি ক্যাশ জমা) নয়াদিল্লি দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া উচিত। ভিসা আবেদন বাতিল হলে ফি সাধারণত ফেরতযোগ্য নয়।

  • ধাপ ৬: সাক্ষাৎকার (যদি প্রয়োজন হয়):

    • দূতাবাস কর্তৃপক্ষ যদি প্রয়োজন মনে করে, তবে আবেদনকারীকে ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকতে পারে।

  • ধাপ ৭: ভিসা প্রক্রিয়াকরণের সময়:

    • ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া সাধারণত ৭-৩০ কার্যদিবস সময় নিতে পারে। তবে, এটি আবেদনকারীর জাতীয়তা, ভ্রমণের উদ্দেশ্য এবং দূতাবাসের বর্তমান কাজের চাপের উপর নির্ভর করে বেশি সময়ও লাগতে পারে।

  • ধাপ ৮: পাসপোর্ট সংগ্রহ:

    • ভিসা প্রক্রিয়াকরণ সম্পন্ন হলে আপনাকে পাসপোর্ট সংগ্রহের জন্য অবহিত করা হবে।

৩. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য সাধারণ তালিকা):

চিলির ভিসার জন্য আবেদন করতে নিম্নলিখিত নথিগুলি সাধারণত প্রয়োজন হয়:

  • বৈধ পাসপোর্ট:

    • মূল পাসপোর্ট, যার মেয়াদ চিলি থেকে আপনার প্রস্তাবিত প্রস্থান তারিখের পরেও কমপক্ষে ৬ মাস থাকতে হবে।

    • পাসপোর্টের বায়ো-ডেটা পৃষ্ঠার এবং ব্যবহৃত সকল পৃষ্ঠার স্পষ্ট স্ক্যান কপি।

  • পূরণকৃত অনলাইন ভিসা আবেদন ফরম:

    • অনলাইনে পূরণকৃত ফরমের প্রিন্ট আউট।

  • পাসপোর্ট আকারের ছবি:

    • সাম্প্রতিক (৬ মাসের বেশি পুরনো নয়) ২ কপি পাসপোর্ট আকারের রঙিন ছবি (সাদা বা হালকা ব্যাকগ্রাউন্ডে, উচ্চ রেজোলিউশন, 35mm x 45mm)।

  • কভারিং লেটার:

    • আবেদনকারীর পক্ষ থেকে একটি কভারিং লেটার, যেখানে আবেদনকারীর নাম, পদবী, পাসপোর্ট নম্বর, ভ্রমণের উদ্দেশ্য এবং ভ্রমণের সম্পূর্ণ খরচের জন্য কে দায়ী থাকবে (নিজস্ব বা স্পনসর) ইত্যাদি উল্লেখ থাকবে। এটি "Consular Section, Embassy of Chile, New Delhi, India" কে সম্বোধন করে লিখতে হবে।

  • আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ:

    • গত ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট (যাতে পর্যাপ্ত তহবিল দেখা যায়, যা চিলিতে আপনার থাকা ও ভ্রমণের খরচ বহন করার সক্ষমতা প্রমাণ করে)।

    • ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট।

    • অন্যান্য আর্থিক সম্পদের প্রমাণ (যেমন: ফিক্সড ডিপোজিট রসিদ, সঞ্চয়পত্র, সম্পত্তির দলিলপত্র ইত্যাদি)।

    • যদি অন্য কেউ স্পনসর করেন: স্পনসরশিপ লেটার, স্পনসরের আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ (যেমন তার ব্যাংক স্টেটমেন্ট), তার পরিচয়পত্রের কপি।

  • পেশার প্রমাণ:

    • চাকরিজীবী: নিয়োগকর্তার কাছ থেকে একটি ফরওয়ার্ডিং লেটার/নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (NOC) যেখানে আপনার পদ, যোগদানের তারিখ, বেতন, দায়িত্ব এবং ভ্রমণের জন্য ছুটির মঞ্জুরি উল্লেখ থাকবে। গত ৬ মাসের বেতন স্লিপ।

    • ব্যবসায়ী: হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্সের ফটোকপি (ইংরেজিতে অনূদিত ও নোটারাইজড), ব্যবসার ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ভিজিটিং কার্ড।

    • শিক্ষার্থী: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ডের ফটোকপি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অনাপত্তি পত্র (NOC), ভর্তির প্রমাণ।

    • অবসরপ্রাপ্ত: পেনশন বই বা অবসরকালীন ভাতার প্রমাণপত্র।

  • ভ্রমণ পরিকল্পনা:

    • বিস্তারিত ভ্রমণসূচী (Day-to-day itinerary), যা আপনার চিলিতে অবস্থানের পরিকল্পনা তুলে ধরে।

    • হোটেল/আবাসনের রিজার্ভেশনের প্রমাণ (পুরো থাকার সময়কালের জন্য)।

    • ফ্লাইট রিজার্ভেশন (আসা-যাওয়ার নিশ্চিত টিকিট)। গুরুত্বপূর্ণ: ভিসা না পাওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত টিকিট না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

  • পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট:

    • চিলির ভিসার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রায়শই বাধ্যতামূলক। এটি স্থানীয় পুলিশ স্টেশন থেকে সংগ্রহ করে নোটারি পাবলিক দ্বারা সত্যায়িত করতে হবে।

  • আন্তর্জাতিক ভ্রমণ স্বাস্থ্য বীমা:

    • আন্তর্জাতিক ভ্রমণ চিকিৎসা বিমা, যার কভারেজ চিলিতে আপনার থাকার পুরো সময়কালের জন্য বৈধ থাকতে হবে।

  • আমন্ত্রণপত্র (যদি প্রযোজ্য হয়):

    • যদি চিলির কোনো ব্যক্তি (আত্মীয়/বন্ধু) বা সংস্থা (ব্যবসায়িক ভিসার ক্ষেত্রে) আপনাকে আমন্ত্রণ জানায়, তাহলে সেই আমন্ত্রণপত্র। আমন্ত্রণপত্রটি চিলির নোটারি পাবলিক দ্বারা সত্যায়িত হতে হবে এবং আমন্ত্রণকারী সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য, তাদের পরিচয়পত্রের কপি এবং যোগাযোগের বিবরণ থাকতে হবে।

  • জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) / জন্ম নিবন্ধন সনদ:

    • আবেদনকারীর পরিচয় প্রমাণের জন্য ফটোকপি।

নথি সংক্রান্ত টিপস: সকল নথি ইংরেজিতে বা স্প্যানিশ ভাষায় অনূদিত ও নোটারি পাবলিক দ্বারা সত্যায়িত হতে হবে, যদি মূল নথি বাংলায় থাকে। স্ক্যান করা নথিগুলির গুণমান ভালো হতে হবে যাতে স্পষ্টভাবে পড়া যায়।

৪. আবেদনের স্থান (বাংলাদেশে দূতাবাস):

বর্তমানে বাংলাদেশে চিলির কোনো নিজস্ব দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই।

৫. পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে আবেদন:

যেহেতু বাংলাদেশে চিলির কোনো দূতাবাস নেই, বাংলাদেশের নাগরিকদের ভিসার জন্য ভারতের নয়াদিল্লিতে অবস্থিত চিলির দূতাবাস থেকে আবেদন করতে হয়।

  • চিলির দূতাবাস, নয়াদিল্লি, ভারত (Embassy of Chile in New Delhi, India):

    • ঠিকানা: A-16/1, Poorvi Marg, Vasant Vihar, New Delhi - 110057, India.

    • ফোন: +91 11 4068 0100

    • ই-মেইল (সাধারণত): cons_india@minrel.gov.cl (যোগাযোগ করে নিশ্চিত হওয়া আবশ্যক)।

    • ওয়েবসাইট: https://chile.gob.cl/nueva-delhi/ (ইংরেজিতে এবং স্প্যানিশে)।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: নয়াদিল্লি দূতাবাস থেকে আবেদন করার আগে, সরাসরি তাদের সাথে ফোন বা ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে তাদের বর্তমান নিয়মাবলী, অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া, অ্যাপয়েন্টমেন্ট পদ্ধতি এবং বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ভিসার আবেদন প্রক্রিয়াকরণের বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া উচিত। যেহেতু কিছু ক্ষেত্রে সশরীরে উপস্থিত থাকা বা অনুমোদিত প্রতিনিধির মাধ্যমে নথি জমা দেওয়া প্রয়োজন হতে পারে, তাই ভ্রমণের পরিকল্পনা করার সময় এই বিষয়টি মাথায় রাখা উচিত।

৬. ই-ভিসা (e-Visa):

বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, চিলি বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য কোনো সম্পূর্ণ ই-ভিসা (e-Visa) ব্যবস্থা চালু করেনি যা দিয়ে তারা পূর্বেই অনলাইনে ভিসা পেয়ে সরাসরি প্রবেশ করতে পারেন। যদিও ভিসার আবেদন অনলাইনে শুরু করা যায় এবং নথি আপলোড করা যায়, চূড়ান্ত ভিসা স্ট্যাম্প করার জন্য সাধারণত একটি কূটনৈতিক মিশনে (যেমন নয়াদিল্লিতে) পাসপোর্ট জমা দিতে হয়। এটি একটি অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া, কিন্তু এটি সম্পূর্ণ ই-ভিসা সিস্টেম নয়।

গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা: যেকোনো অননুমোদিত ওয়েবসাইট বা এজেন্ট যারা বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য সরাসরি ই-ভিসা বা সহজ প্রক্রিয়ার প্রস্তাব দেয়, তাদের থেকে সতর্ক থাকুন। সবসময় অফিসিয়াল উৎসের উপর নির্ভর করুন এবং কোনো সন্দেহ থাকলে সরাসরি নয়াদিল্লির চিলির দূতাবাসে যোগাযোগ করুন। ভ্রমণের আগে সর্বশেষ ভিসা নীতি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ:

সম্মানিত পাঠকের প্রতি অনুরোধ রইল, ভিসা আবেদন করার সময় চিলির নয়াদিল্লি দূতাবাস বা সংশ্লিষ্ট দেশের সুনির্দিষ্ট ওয়েবসাইট দেখে আবেদন করবেন, কারণ প্রতিনিয়ত বিভিন্ন দেশ তাদের ভিসা নীতি, ভিসার ক্যাটাগরি, মেয়াদ এবং শর্ত পরিবর্তন করে। সর্বশেষ এবং সঠিক তথ্যের জন্য সবসময় অফিসিয়াল উৎস ব্যবহার করুন এবং যেকোনো প্রকার দালালের প্রলোভনে না পড়ে নিজের আবেদন নিজে পূরণ করার চেষ্টা করুন অথবা বিশ্বস্ত এবং নিবন্ধিত ভিসা কনসালটেন্সি সংস্থার সাহায্য নিন।


GRAMEEN TOURS & Travels

Whatsapp: 01336-556033

Email: grameentour@gmail.com

কানাডা গমনেচ্ছুদের জন্য অত্যন্ত জরুরি: আপনার কি ATIP অ্যাকাউন্ট আছে? না থাকলে কেন আজই প্রয়োজন?

কানাডা গমনেচ্ছুদের জন্য অত্যন্ত জরুরি: আপনার কি ATIP অ্যাকাউন্ট আছে? না থাকলে কেন আজই প্রয়োজন? আপনি কি কানাডার ভিসার জন্য আবেদন করেছেন? অথবা...